বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আতঙ্ক-০২

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ২। ঠিক দুই বছর আগে ১৮ই সেপ্টেম্বরে আমি মুনীরকে ছাদের কার্নিশ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিলাম। অবশ্য এত স্থুল কাজ আমার করার ইচ্ছে ছিল না, রক্তারক্তি আমার ভালো লাগে না। কিন্তু পরিস্থিতি বাধ্য করলো। মুনীরকে আমি বাধ্য হয়ে বিয়ে করেছিলাম। আগেই বলেছি আমি গরীবের সন্তান, জন্মের আগেই বাপ পটল তুলেছে। মা আরেকজনকে বিয়ে করে আমাকে মামা বাড়িতে অবহেলায় ফেলে চলে গিয়েছে। কৈশোরে পা রাখতে না রাখতেই মামাতো ভাই থেকে শুরু করে গ্রামের বাড়ী থেকে আসা আত্মীয়- সবার খেলার পুতুলে পরিণত হয়েছিলাম। মামীকে কিছুই বলতে পারতাম না, বললে ঘর ছাড়া হবার আশংকা। দাঁতে দাঁত কামড়ে পড়ে থেকেছি। তবে প্রকৃতি কাউকেই বঞ্চিত করে না। দারিদ্র আর অবহেলা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় সে দিয়ে গিয়েছিলো আমার মস্তিস্কে আর চেহারায়। ইন্টারে মেধা তালিকায় ছিলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগের তালিকায় ছিলাম ১৯ তম। হোস্টেলে উঠে শান্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলাম। প্রথমেই মামা বাড়ির সাথে সকল সম্পর্ক চুকিয়ে দিলাম। এরপর ব্যবহার করা শুরু করলাম আমার অপর দুইটি অস্ত্র...সৌন্দর্য এবং মিষ্টি ব্যবহার। প্রচুর ছেলে বন্ধু ছিল আমার, মেয়ে বন্ধু ছিল না একটাও। ওদের ওপরেই ভর দিয়ে ভার্সিটি লাইফের প্রথম তিন বছর কাটলো। তারপর পরিচয় হল মুনীরের সাথে। অতিরিক্ত ফর্সা, অথর্ব মেয়েলী স্বভাবের একটা ছেলে। বাপের কত জাতীয় ব্যবসা সে নিজেই জানে না। কাড়ি কাড়ি টাকা ছড়িয়ে ছিটিয়ে সে শুধু কবিতা লেখে আর বই পড়ে। প্রতি বইমেলায় তার তিন-চারটা অতি নিম্নমানের বই বের হয়। গাধাটা জানেও না যে সে এহসান খন্দকারের ছেলে বলেই প্রকাশকেরা বই বের করার আগ্রহ দেখায়। এরকম হীরের খনির মালিকানা ছেড়ে দেয়ার বোকামি করার মত মেয়ে আমি না। সুতরাং এক বছর প্রেম করেই বিয়ে করে ফেললাম। এহসান খন্দকার প্রথমে গাই গুঁই করলো, তারপর মেনে নিলো। না নিয়ে উপায় ছিল না। সে অভিজ্ঞ লোক, পাকা জহুরীর মত আমার গুণগুলি আবিস্কার করে ফেললো। মাত্র তিন বছরের মাঝেই আমি হয়ে গেলাম আমার শ্বশুড়ের ডান হাত। মুনীর কিছুই করতো না। সারাদিন বাসায় বসে বই পড়তো আর রান্না করতো। মেয়ে মানুষের মত কাজ কারবার মুনীরের। প্রতিদিন সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রুটিন করে ছাদে বসে থাকতো, সেসময়ের বাতাসে নাকি মনের ক্ষুধা মেটায়। এখনো ভাবলে আমার গা জ্বালা করে। কোনদিক থেকেই আমার সমকক্ষ ছিল না। ওকে দেখলেই আমার শুঁয়োপোকা দেখার অনুভূতি হত, ওর রুমও ছিল আলাদা। কতদিন এক বিছানায় থাকিনি তার হিসেবও আমার কাছে নেই। বাহিরের পৃথিবী এমনকি আমার শ্বশুড়বাড়ির কাছেও আমি ছিলাম পতিব্রতা স্ত্রী যে কিনা ভালোবাসায় আগলে রেখেছে তার সহজ-সরল স্বামীকে, কিন্তু আসলে আমরা ছিলাম দুই জগতের বাসিন্দা। এভাবে জীবন চালানো সম্ভব ছিল না, আর আমার বয়সও তখন মাত্র ঊনত্রিশ। নিজের শরীরের যত্ম নেই বলে আমাকে বাইশ-তেইশ বলে চালানো কোন ব্যাপার না। পুরুষালী সৌন্দর্য আমাকে আকর্ষন করতো ভীষন। মাঝে মাঝে পার্টি শেষে এর-ওর সঙ্গী হতাম অবশ্য, সেটা ব্যবসায়ের প্রয়োজনেই। আমার শ্বশুড় মশাই পাকা ব্যবসায়ী। তাই উনি দেখেও না দেখার ভান করতেন। মাহিনের সাথে আমার তখনই দেখা। নতুন একটা ফ্যাশন ম্যাগাজিন বাজারে নামাবো আমরা যেটার কাভার পেজ মডেল ছিল মাহিন। মোড়ক উন্মোচনের দিনই প্রথম দেখলাম ওকে। আর দেখামাত্র কি যে ঘটে গেলো কে জানে, আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত তাকিয়েই রইলাম। চমৎকার স্বাস্থ্য মাহিনের, ভরাট কন্ঠস্বর আর ব্যাকব্রাশ চুল। আমার কাছে মাহিনকে মাইকেল এঞ্জেলোর ডেভিডের মতই নিঁখুত বলে মনে হলো। দশ ঘাটের জল খাওয়া মাহিন আমার আমন্ত্রণ অগ্রাহ্য করলো না। আমরা প্রায়ই ভ্রমণ করতে লাগলাম এশিয়া আর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। টাকা দিয়ে রোমান্স কিনতে শুরু করলাম। স্বীকার করছি, অদ্ভুত আত্মগর্ব বোধ করতাম আমি। দেশে দেখা করার জন্য আলাদা ফ্ল্যাট কিনলাম গোপনে। ভালই চলছিলো কিন্তু কিভাবে যেন মুনীর টের পেয়ে গেলো। মুনীর কখনো আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করেনি বা কোন মন্তব্যও করেনি, কিন্তু ওর চোখের দৃষ্টিতে আমি টের পেলাম যে সে কিছু একটা আঁচ করছে। ওর দৃষ্টিতে শুঁয়োপোকা দেখার অনুভূতি। ব্যাপারটা পাত্তা না দিলেই চলতো, কিন্তু আমার সহ্য হলো না। তীব্র অপরাধবোধ গ্রাস করলো আমাকে। মুনীরের সাথে আগেও কথা বলতাম না, কিন্তু এবারের নিঃস্তব্ধতা আমার বুকে শেলসম বিঁধলো। মনে হলো ইচ্ছে করেই আমাকে এড়িয়ে চলছে ও। শেষমেষ সিদ্ধান্ত নিলাম ওকে খুন করবো। কিন্তু কিভাবে সম্ভব ভেবে পেলাম না। কারণ সবেমাত্র শ্বশুড় সাহেব দুইটা ফ্যাক্টরি মুনীরের নামে করেছেন যেটা ওর মৃত্যু হলে আমার নামে হবে। এরকম স্পর্শকাতর সময়ে একটু উনিশ বিশ হলেই সবকিছু থেকে বঞ্চিত হতে হবে আমাকে। তবে ভাগ্য বরাবরই আমার প্রতি উদার। মন্ত্রী সাহেবকে সন্তুষ্ট করতে তার স্ত্রীর পরিচালিত একটা সেবা প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে গিয়েছি। অসম্ভব বিরক্তিকর দশ-বারটা বক্তৃতার পর এলো আমার পালা। আমার কর্মচারীদের তৈরী করা চমৎকার স্লাইড দেখে দেখে শুধু আমি পড়ে গেলাম এবং শেষে ঘোষনা দিলাম উত্তরবঙ্গের আর্সেনিক সমস্যায় জর্জরিত জনসাধারনের জন্য আমাদের কোম্পানির পক্ষ থেকে এক হাজার টিউবয়েল দেয়া হবে। আর্সেনিক... শব্দটা পড়তেই আমার বুক ধড়াস করে উঠলো। পেয়ে গেছি সমাধান। মধ্যযুগের সবচেয়ে বিখ্যাত মার্ডার উইপন ব্যবহার করে মারতে পারি আমি গাধাটাকে। নেপোলিয়নের জীবনী পড়ার সময় আর্সেনিক পয়জনিং শব্দটা প্রথম পেয়েছিলাম। বাসায় এসেই পড়তে শুরু করলাম। তবে ব্যাপারটা এত সহজ না কারণ এটা মধ্যযুগ না। ইউরিন টেস্ট করে সহজেই ধরে ফেলবে ডাক্তার। তবে...যদি ডাক্তারের সাথে একটু যোগ-সাজগ রাখা যায় তাহলে করা যাবে। কিন্তু এহসান খন্দকারের ছেলেকে হত্যা করার কথা ভাবছি আমি। সাক্ষী রাখার মত কাঁচা কাজ কি করা ঠিক হবে? সত্যি বলতে কি মুনীরকে খুন করার কথা আমি বাদই দিয়েছিলাম এক পর্যায়ে। কিন্তু বাধ সাধলো মাহিন। এক চর মারফত জানতে পারলাম উঠতি মডেল রুবির সাথে আজকাল ওকে দেখা যাচ্ছে এখানে সেখানে। সরাসরি মাহিনকে আক্রমন করে বসলাম। সে স্বীকার করলো। প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে জানালো যে বিবাহিত একটা মেয়ের সাথে আর কতদিন? মাহিনের অবহেলা সইবার মত মানসিক অবস্থা আমার ছিল না। ওইদিনই আর্সেনিক জোগাড় করালাম আমি। অল্প পরিমানে মিশিয়ে দিলাম মুনীরের বৈকালিক চায়ের সাথে। আমার প্লান ছিল প্রতিদিন অল্প অল্প করে দেবো যাতে মুনীর মারা যাবার আগে অসুস্থ থাকে মাসের পর মাস। সপ্তাহ দুয়েক পরেই মুনীর অসুস্থ হয়ে পড়লো। তবে আমি যা আশা করেছিলাম তারচেয়েও ভালো। সাধারনত আর্সেনিক পয়জনিং এর রুগীর ডায়রিয়া, বমি, পেট ব্যথা এসব হবার কথা। কিন্তু মুনীরের এসব কিছুই হলো না। সে প্রচন্ড দুর্বল হয়ে পড়লো। সারাক্ষণ হাত-পা কাঁপে, সাথে স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা। সবকিছু নিয়েই সে বিহবল। সবচেয়ে দামী ডাক্তার দেখানো হলো। কিন্তু এবারো ভাগ্য আমার সহায়। ডাক্তার তাকে মানসিক ডাক্তারের কাছে পাঠানোর পরামর্শ দিলো। তবে সপ্তাহখানেক পরেই আমার শ্বশুড় সিদ্ধান্ত নিলেন ছেলেকে নিয়ে সিঙ্গাপুর যাবেন। আমি ভয় পেয়ে ডোজ বাড়িয়ে দিলাম যাতে দ্রুত খিঁচুনি ওঠে মুনীরের। কিন্তু মানুষ ভাবে এক হয় আরেক। আমার মুখে ছাই দিয়ে মুনীর দিব্যি বেঁচে রইলো। ১৮ই সেপ্টেম্বর দিনটি ছিল শুক্রবার। পরের দিন সন্ধ্যায় আমাদের সিঙ্গাপুর যাবার ফ্লাইট। আমার হাতে সময় নেই একেবারেই। উদভ্রান্ত অবস্থাতেও মুনীর সন্ধ্যায় ছাদে বসে থাকতো আগের মতই। অস্থিরতা আর টেনশনে আমার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল, তাই তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরেছিলাম সেদিন। সন্ধ্যায় ছাদে গিয়ে দেখলাম কার্নিশ থেকে বের হওয়া একটা রডে হেলান দিয়ে মুনীর একদৃষ্টিতে সসীমের দিকে তাকিয়ে। তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নিলাম। আমার পায়ের শব্দে মুনীর মুখ ঘুরিয়ে আমাকে দেখে একটু হাসলো। আমি দুই হাত দিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে ওকে একটা ধাক্কা দিলাম। পড়ে যাবার আগমুহূর্তে মুনীর আমার দিকে তাকালো, তখনো ওর মুখে হাসি। আমি দ্রুত নেমে অফিসে চলে গেলাম। এর পরের ঘটনা সংক্ষিপ্ত। সবাই ধরে নিলো উদভ্রান্ত অবস্থায় ছাদের কার্নিশে বসতে গিয়ে মুনীর পড়ে গেছে। এমনকি আমার পাকা ব্যবসায়ী শ্বশুড়ের মাথায়ও একবারো আসলো না যে আমি তার ছেলেকে ঠেলে ফেলে দিয়েছি। পুলিশের কিছুই করার ছিল না। এহসান খন্দকার যদি না চান তাহলে তার ছেলের লাশে হাত দেয়ার ক্ষমতা কারো নেই। মুনীরের মৃত্যুর পরের বছরেই আমি মাহিনকে বিয়ে করি। কারো কিছু বলার ছিল না। আমি ছিলাম স্বাধীন, অসম্ভব রূপবান স্বামী নিয়ে পার্টিগুলোতে সব নারীর হিংসার পাত্রী। জীবনকে উপভোগ করছিলাম ভালোভাবেই। মাহিন যথেষ্ট স্মার্ট, ব্যবসায় সে চমৎকারভাবে ঢুকে গেলো। সাড়ে তিনমাস আগ পর্যন্ত আমি ছিলাম একজন সুখী নারী। মুনীর নামক অধ্যায় আমি ভুলে গেছি সেই কবেই। সাড়ে তিনমাস আগে হঠাৎ করে মাহিনের কি হলো যে জানে সে অফিস যাওয়া বন্ধ করে দিলো। আমি প্রথমে ভাবলাম সে অসুস্থ। কিন্তু অসুস্থতার কোন লক্ষণ তার মাঝে নেই। মুনীরের রুমে ঢুকে সে বই পড়া শুরু করলো। খাবার সময় ছাড়া বাকি সময় সে শুধু বই পড়ে, মাঝে মাঝে ডায়রীতে কি সব লিখতেও দেখা যায়। আমি বিরক্তি প্রকাশ করলাম। সে শুধু ঠান্ডা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো, শুঁয়োপোকা দেখার দৃষ্টি। এতদিন পর ওই প্রথম আমার মুনীরের কথা মনে পড়লো। মুনীরও এভাবে তাকিয়ে থাকতো আমার দিকে, মাহিনের সাথে অভিসার করে আসার পরে। তাহলে কি মাহিন জেনে গেছে সৌমিকের কথা? কিন্তু আমি মাহিনকেই ভালোবাসি, সৌমিক তো ক্ষণিকের মায়া। ওকে ছাড়তে আমার এক সেকেন্ডের চিন্তাও দরকার হবে না। আমি কিছু না বলে চুপ করে যাই। সেই ছিল শুরু। এরপর থেকে প্রতি সপ্তাহেই মাহিন একটু একটু করে বদলে যেতে লাগলো। মাহিন ছিল শ্যামলা, মাত্র দুই সপ্তাহ ঘরে থেকে সে কিভাবে এত ফ্যাটফ্যাটে ফর্সা হয়ে গেল তা আমার মাথায় ঢোকে না। ভরাট কন্ঠস্বর কেমন যেন মেয়েলী পাতলা স্বরে রূপান্তরিত হয়েছে। ইংরেজী তো দূর, বাংলায় দুই পাতার লেখা পড়ার ধৈর্য না থাকা মাহিন এখন মোটা মোটা বই পড়ে। প্রতিটি পদক্ষেপ শুধু আমাকে মুনীরের কথা মনে করিয়ে দেয়। দুই সপ্তাহ থেকে মাহিন আমার সাথে কাজ ছাড়া কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে। মাহিনের চুল ছিল তার গর্বের বস্তু। গত সপ্তাহে হঠাৎ সে চুল কেটে প্রায় কদমছাট করে ফেললো। পিছন থেকে তাকে এখন একদম মুনীরের মত দেখায়। রোজ সন্ধ্যায় ছাদে উঠে বসে থাকে। আর আজকে...আজকে ওর থুতনিতে একটা কাটা দাগ চলে এসেছে। মুনীর কি প্রতিশোধ নিতে মাটির নিচ থেকে চলে এসেছে? অবাস্তব কথা মনে হতে আমি নিজেই হেসে ফেলি। মদ বোধ হয় একটু বেশীই গিলে ফেলেছি। আমার মনে হয় সৌমিকের কথা জেনে ফেলায় মাহিন ভিন্ন উপায়ে প্রতিশোধ নিচ্ছে। সৌমিককে ঝেড়ে ফেলতে হবে, মাহিনকে হারাতে চাই না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২২৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now