বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বইয়ের নাম: যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬২
.
পনেরো মিনিটের ছোট্ট একটা কাজ।
তারপর শুরু হয় কাহিনীর।
মিজান। গল্পের মূল চরিত্র মূলত সেই। সাধারণ একটি ছেলে অথচ বুকে হয়তো ছিল স্ত্রীর জন্য ভালবাসার পাহাড়!
স্ত্রী রুবা। সুন্দরী কিন্তু চাপা স্বভাবের একটি মেয়ে। মূলত এই মেয়েটির ভালবাসাকে কেন্দ্র করেই কাহিনী। পনেরো মিনিটের সেই কাজটাও রুবা নামের এই মেয়েটির চাপা স্বভাবের জন্যই হয়তো ঘটে যায়!
.
শশুর-শাশুড়ির সাথে মিজানের সম্পর্ক খুবই মধুর। পড়ে মনে হয় মিজান বোধহয় তাদের জামাই নয়, ছেলে।
কাজটা করে ফেলার পর মিজান স্ত্রীর খোঁজে ফোন দেয় শাশুড়ির কাছে। কিন্তু রুবা তো সেখানে যায়নি!
তাহলে কোথায় রুবা?
রুবার ঘরছাড়ার অভ্যাস। স্বামীর সাথে ঝগড়া হলেই রাগ করে ঘর ছাড়ে সে। শাশুড়ির সাথে কথা শেষ করে বন্ধুর বিয়েতে যায় মিজান। সেখানে দেখা হয়ে যায় শশুরের সাথে। শশুর শোনান এক অদ্ভুত কথা!
রুবা নাকি বাসাতে আছে! কি আশ্চর্য কথা! মিজান তো অবাক......
.
বাসায় ফিরে ফোন লাগায় সে রমনা থানার ওসি সাহেবকে। ওসি সাহেবের সাথে মিজানের সম্পর্ক ভাল, শুধু ভালনা বেশ ভাল। এই ভাল সম্পর্ক তৈরি
করার জন্য মিজানকে খুব বেশী কিছু করতে হয়নি। কয়েকবার থানায় ফোন দিতে হয়েছে আর চার কার্টুন বেনসন&হেজেস সিগারেট উপহারেই কাজ হয়ে গেছে। ওসি সাহেবকে স্ত্রীর বাড়ি ছাড়ার খবর দিতেই ওসি হেসে ফেলেন, তারপর চিন্তা না করার শান্তনা দেন।
.
কিন্তু এত অল্পতেই চিন্তিত কেন মিজান? তার ঘরে কি করে কিছু অস্বাভাবিক কান্ড ঘটে যাচ্ছে চোখের সামনে? অনেক বছর পর মিজানের মৃত পিতার আগমন কেমন করে ঘটে? কি এমন অজানা কথা বলেন তিনি মিজানকে যার জন্য মিজান আবার ফোন দেয় রমনা থানার ওসিকে? কোন অজানা কথায় মিজানের চোখে জল জমে যায়?
যখন আকাশ পঞ্চমীর চাঁদ.......
রিভিও লেখক:- Jannatul Ferdouse
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now