বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটি পাগল

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X :- কি কই তুমি :- ঘোরার ঘাস কাটি :- এতো রাতে ফাজলামি করো কেনো :- এতো রাতে মানুষ কি করে। ঘুমাইতাছিলাম বলো :- দেখো বাহীরে কি সুন্দর চাঁদ উঠেছে। :- দেখছি। ঘুমের মধ্য ৪ টা দেখতাছিলাম :- তুমি না কিছু বোঝনা। :- এত রাতে কি মাথায় ভুত চাপছে। ঘুমাও :- তুমি না রোমান্টিকতার কিছুই বুঝোনা। :- এত রাতে রোমান্টিক হওয়ার ইচ্ছা নাই। যাও রুমে গিয়ে ঘুমাও। কাল ক্যাম্পাসে কথা হবে। . কথা হচ্ছিল অবন্তি আর অর্নবের মধ্য দুইজনি দুজনকে অনেক ভালবাসে। অনার্স ৩য় বর্ষে লেখাপড়া করছে। পরের দিন ক্যাম্পাসে গিয়ে অর্নব বসে আছে হঠাৎ অবন্তির আগমন . :- কিরে কুত্তা রাতে ফোন কেটে দিলি কেন :- ঘুমের সময় বিরক্ত করো কেন :- ওহ নতুন কাউকে পাইছো নাকি :- ইস ঐ সব কথা উঠছে কেন :- বুঝছি। :- কথা বলো কেনো চলো আজ একটু রিক্সা করে ঘুরে বেড়াব। :- সত্যি :- হুম চলো . রিক্সাতে বসে অবন্তি অর্নবের ঘারের ওপর মাথা রেখে বলল :- এই ভাবে সারা জীবন আমাকে পাশে রাখবা। :- হুম। তুমি ছারা পাশে অন্য কাউকে বসাতে পারব না। :- আমাকে ছুয়ে কথা দাও :- হুম তোমাকে ছুয়েই কথা দিলাম। যদি কোন দিন তোমাকে ব্যথিত অন্য কাউকে এখানে বসততে দি তাহলে আমার যেন মরন হয়। :- এতো ভালবাস কেনো আমায় :- হুম তোমাকে ছারা আমার এই অসম্পুর্ন্য জীবন পুর্ন্যতা পাবে না। :- হুম আমারও। . এই ভাবেই সারা দিন অনেক আনান্দ করে সন্ধ্যার সময় বাড়ি ফিরে দেখে তাকে দেখার জন্য পাত্র এসেছে। অবন্তি কি করবে বুঝে পাচ্ছে না। কোন রকম সেজেগুজে তাদের সামনে যায়। এবং ছেলের পরিবারের পছন্দ হয়ে যায় তারা অবন্তিকে তখনি বিয়ে করে নিয়ে যেতে চায়। অবন্তির বাবা মাও রাজি হয়ে যায়। এবং সে দিনই তাদের বিয়ে হয়ে যায়। চলে যাওয়ার আগে অবন্তি অর্নবের জন্য একটা চিঠি রেখে যায় তার ছোট বোনের কাছে। . পরের দিন তার ছোট বোন চিঠিটা অর্নব কে দেয়। . . প্রিয় অর্নু, আমার কিছু করার ছিল না মা বাবার এমন অনাকঙ্খিত সিদ্ধান্তের কারনে আজ আমি তোমার থাকে অনেক দুরে চলে যাচ্ছি। কথা দিয়েছিলাম তোমার পাশে সারা জিবন থাকব কিন্তু তা আর হয়ে উঠল না। হয়ত বা আর কোন দিন দেখা হবে না। আমার যায়গায় অন্য কাউকে বসিয়ে নিয়ও। আর ভাল থেকো। আমাকে ভুলে যেয়ো। তোমার অবি . . চিঠিটা পড়ার পরে নিজে কে ঠিক রাখতে পারেনি সে। হেসে বলতে লাগল তুমি তোমার কথা রাখতে পারো নি কিন্তু আমি রাখব। কোন দিন আমার পাশে কাউকে বসতে দিব না। . তার পর থেকে ধিরে ধিরে অর্নব মানোষিক ভারসম্য হারাতে থাকে আর কিছু দিন পরে পাগলে পরিনত হয়। সারা দিন পুরান আম গাছের নিচে বসে থাকে। আর কার সজ্ঞে যেনো কথা বলে। . কয়েক বছর পরে অবন্তি দেশে আসে আর তার বোনের সাথে ঘুরে বেরাতে থাকে। হঠাৎ পুরান আম গাছের কাছে গিয়ে থমকে যায়। কে বসে আছে ওটা। সে সেখানে গিয়ে দেখা দারি মুচ ভর্তি পাগল টাইপের একটা ছেলে বসে আছে। ভাল করে দেখে অর্নব বসে আছে। তার পাশে বসতেই উঠে গেল আর বলল :- কে আপনি। এখানে বসলেন কেনো। যানে এটা আমার অবির জন্য রেখে দিয়েছি। ওকে আমি কথা দিয়েছিলাম। আমার পাশে কাউকে বসে দিব না। বলে হনহন করে হেটে চলে গেল। অবন্তি তার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে। . হঠাৎ তার বোনের কথায় বাস্তবে ফিরল :- তোর চিঠি পাওয়ার পর থেকে আসতে আসতে ও ভারসম্য হারাতে শুরু করে। কাউকে তার পাশে বসতে দিত না। কিছু দিন পরে ও পাগল হয়ে যায়। অনেক ভালবাসত তোকে আপু কিন্তু তুই বুঝলি না ওকে। . অবন্তির চোখ থেকে শুধু জল গরিয়ে পরছে। যে জলের কোন মুল্য নেই। যা মুছে দেওয়ার মত কেউ নেই। যা শুকিয়ে যাবে। সাথে মুছে যাবে সব সৃত্বি। কিছু দিন পরে অন্য মানুষের মত বলবে `` পাগল


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটি পাগলির গল্প
→ একটি মেয়ের গল্প-"আমার পাগলটা"
→ নিশির পাগলামী অথবা একটি ভালবাসার গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now