বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নুসরাতের টেষ্ট পরিক্ষা শেষ। নুসরাতের বন্ধুরা নুসরাত কে একটি কোচিং এ ভর্তি হতে বলে। নুসরাত বাসায় তার আম্মু কে বলে কোচিং এ ভর্তি হয়। কোচিং এ প্রতিদিন ক্লাস হতো বিকাল ৪:৩০ থেকে সন্ধা ৭ টা পর্যন্ত। একদিন কোচিং এ ক্লাস করার সময় নুসরাত হঠাৎ জানালা দিয়ে বাহিরে তাকায়। তখন নুসরাত একটি ছেলে কে দেখতে পায়। ছেলেটিকে প্রথম দেখাতেই নুসরাতের ভালো লেগে যায়। কিছুদিন পর নুসরাত জানতে পারে ছেলেটির নাম সাদিক।
সাদিক দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ে। সে নুসরাতদের কোচিং এ পড়ে।
একদিন নুসরাত তার বন্ধুদের সাথে গল্প করছিল। তখন নুসরাতের এক বন্ধু নুসরাত কে বলে সাদিক ভাইয়া তোকে ভালোবাসে। কিন্তু নুসরাত তার কথা বিশ্বাস করে না। কিছুদিন পর কোচিং এ নুসরাতদের বিদায় অনুষ্ঠান হয়। সেই দিন সাদিক নুসরাতের এক বন্ধুর কাছে থেকে নুসরাতের ফোন নাম্বার নেয়। পরের দিন সাদিক নুসরাত কে একটি মেসেজ দেয়। নুসরাত জানতো এটা সাদিক এর নাম্বার। তাই নুসরাত মেসেজ এর উওর দেই ।
এক দিন সাদিক নুসরাত কে বলল "আমি তোমাকে ভালোবাসি"
তখন নুসরাত বলল দেখেন কিছুদিন পর আমার পরীক্ষা। আমি পরীক্ষার পর আপনার কথার উওর দিবো।
তখন সাদিক নুসরাত কে অনেক বুঝাতে থাকে।
যেহেতু নুসরাতের সাদিক কে আগে থেকেই ভালো লাগতো।
তাই পরের দিন দুপুরবেলা নুসরাত সাদিক কে বলে দিলো
"I Love you too"
নুসরাতের প্রথম ভালোবাসা। কিন্তু কেনো জেনো নুসরাতের মনে হচ্ছে তাদের এই সম্পর্ক বেশি দিন টিকবে না। কিছু দিন পর সাদিক নুসরাত কে বলল তোমার সাথে সম্পর্ক রাখা আমার সম্ভব না। তাই আজ থেকে আমাদের সম্পর্ক এখানেই শেষ।
সাদিকের কথা শুনে নুসরাতের মাথা ঘুরে যায়। নুসরাত খুব কান্না করে।
নুসরাতের চোখ দিয়া পানি পড়ে আর নুসরাত বইয়ের দিকে তাকিয়া থাকে। এভাবে না পড়ে নুসরাত পরীক্ষা দিতে থাকে।
কিছুদিন পর নুসরাত সাদিক কে কল দিয়ে বলে কেনো আমার সাথে এমন করলে। তখন সাদিক বললো আমি অন্য এক জন কে ভালোবাসি। তার পর নুসরাত কল কেটে দেই।
পরীক্ষা শেষে নুসরাত ফেসবুক এ সাদিকের সাথে কথা বলতো মাঝে মাঝে।
এক দিন সাদিক নুসরাত কে বলে তার সাথে দেখা করতে। নুসরাত যেহেতু সাদিক কে এখনো ভালোবাসে তাই পরের দিন বিকালে নুসরাত সাদিকের সাথে দেখা করতে যায়। দেখা করে নুসরাত বাসায় চলে আসে।
এক দিন সাদিক নুসরাত কে বলে সে একটি মেয়ে কে ভালোবাসতো। মেয়েটিও সাদিক কে ভালোবাসতো।
কিন্তু মেয়েটি এখন অন্য একটি ছেলে কে ভালোবাসে। সাদিকের কথা শুনার পরে নুসরাতের অনেক কষ্ট হয়। তার পর সাদিক বলে সে আর ফেসবুকে আসবে না।
তখন নুসরাত বলে আমাদের কি আর কথা হবে না।
সাদিক নুসরাত কে বলে তুমি কি এখনো আমাকে ভালোবাসো।
নুসরাত বলে হ্যা আমি এখনো তোমাকে ভালোবাসি। তারপর আবার তাদের সম্পর্ক শুরু হয় ।
সাদিকের পরীক্ষার কারনে তাদের খুব কম দেখা হতো।
নুসরাত সব সময় সাদিকের কথা মেনে চলতো। তাই তাদের খুব কম ঝগড়া হতো।
এক দিন সন্ধার সময় সাদিক নুসরাত কে কল দিয়া যা ইচ্ছা তাই বলে গালি দিয়া ফোন বন্ধ করে রাখে।
পরের দিন দুপুরবেলা সাদিক বলে তার পক্ষে সম্পর্ক রাখা সম্ভব না।
তারপর নুসরাত অনেক কান্না করে।
প্রায় ৬ মাস নুসরাত দিন রাত নুসরাত কান্না করে।
আসলে নুসরাতের ভালোবাসার অনুভূতির কোনো মূল্য সাদিকের কাছে ছিলো না। তাই সাদিক নুসরাতের ভালোবাসার অনুভূতির নিয়ে খেলা করেছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now