বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অনুভূতির স্পর্শ (পঞ্চম ও শেষ পর্ব)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X →-কিরে তোরা কি করছিস?(মিথিলা) -তুই এখানে?(আমি) -বেড়াতে আসছি তারপর মেঘা সেখান থেকে রাগে বাসায় চলে গেল।আমি কিছুক্ষন পর বাসায় চলে এলাম।ঘরে ঢুকে দেখি মেঘা বিছানায় গোমড়া মুখ করে বসে আছে। -একদম ঘরে ঢুকবে না।(মেঘা) -কেন?(আমি) -তুমি ঐ মিথিলার কাছেই যাও। -ও এই কথা।ও শুধু ফ্রেন্ড আমার। -আমি সব ই বুঝি -ঘরে ঢুকতে দিবা না? -না -তাহলে ওর কাছে চলে যাচ্ছি -ঐ কোথায় যাও? -মিথিলার কাছে -কেন? -তুমি যেতে বলছো তাই -আমি যেতে বললেই যেতে হবে নাকি?ঠ্যাং ভেঙে ফেলবো।(রাগ্বত স্বরে বললো) -যা বাবা!!!।ভিতরে ঢুকতেো দিচ্ছ না,যেতেও দিচ্ছ না।আমি করবোটা কি? -আগে প্রপোজ কর তারপর দেকা যাবে আমি তো মহা খুঁশি।সাথে সাথে হাঁটু গেড়ে হাত বাড়িয়ে প্রপোজ করলাম, তুমি আমার বাবুর মা হবে?তোমার হাতটা সারাজীবনের জন্য ধরতে দিবে?আমাকে একটু ভালবাসবে?বিনিময়ে তোমাকে অনেক ভালবাসা দেবো। মেঘা আমার হাতে হাত রাখল।তারপর আমায় জড়িয়ে ধরলে বললো -আমি আমার বাবুটাকে অনেক অনেক অনেক ভালবাসব।কখনো কষ্ট দেবো না(মেঘা) আমিও ওকে জড়িয়ে ধরলাম শক্ত করে,ঠিক যেন অনুভূতির স্পর্শের মতো। -আচ্ছা আমি তো কালো।তোমার পছন্দ হলো কেমনে?(আমি) -আমার কালোই দরকার।কখনযে আমার মন নিয়ে নিয়েছে বুঝতেই পারিনি।(মেঘা) -তাই নাকি? -হুমম।আর আর থেকে কোনো মেয়ের দিকে তাঁকাবানা।শুধু আমার দিকে তাঁকাবা -তা পারবো না -কি?(রাগে) -হুমম -তোমার চোখ তুলে ফেলবো আমি -তাহলে আমি দেখবো কি করে? -দেখার দরকার নাই। -তাই নাকি -হুমম -কিন্তু আমি যে আমার এই মিষ্টি বউয়ের মুখটা ছাড়া আর কিছু দেখতে চাই না -সত্যি -সত্যি সত্যি সত্যি -আরো শর্ত আছে -কি -প্রতিদিন রাতে আমাকে গল্প শোনাতে হবে -হুমম শোনাবো -আমাকে অনেক ভালবাসবে হবে। -পারবো না -মানে? -তোমাকে আমি আমার নিজের থেকেও বেশি ভালবাসি।আবার নতুন করে ভালবাসতে পারবো না।সারাজীবন তোমার ঐ বুকে রাখবে আমায়? -তুমি তো আমার বুকের মধ্যেই আছো। -হুমম(ছোট্ট একটা হাসি দিয়ে) -একটা কিস করি? -এই না। -কেন? -ও ঘরে বাবা-মা আছেন -সমস্যা নেই।আসবেন না। মেঘা আর কিছু বললো না।ওকে লম্বা একটে কিস করে দিলাম।ও শুধু চোখ বন্ধ করে সেই ভালবাসার স্পর্শ অনুভব করতে লাগল। . আজ মেঘার জম্নদিন।ওকে বুঝতে দেইনি যে আমি জানি।কিন্তু ও কিছু একটা সকাল থেকে বলতে চাচ্ছিল।কিন্তু আমি এড়িয়ে চললাম। বাড়ির ছাদে সব আয়োজন করলাম।সন্ধ্যার পর ওকে ছাদে নিয়ে গেলাম চোক বন্ধ করে। চোখ খুলতেই ও অবাক হয়ে গেলো। -তোমার মনে আছে?(মেঘা) -আমার বাবুনিটার জম্নদিন আর আমার মনে থাকবে না?(আমি অভিমানী সুরে বললাম) মেঘা কেঁদে ফেললো।আসলে মেয়েদের এই এক সমস্যা।একটু দুঃখ বা কষ্ট পেলে কাঁদে আবার অল্প খূঁশিতেও কাঁদে। -এই পাগলী কাঁদছো কেন? -খুঁশিতে।তুমি আমায় এত ভালবাসো? -হুমম বাসি তো।তুমি ভালবাসো না? -এও এও এও গুলা ভালবাসি(আমাকে জড়িয়ে ধরে) তারপর মা-বাবা সবাইকে নিয়ে কেক কাটলাম।মেঘাকে বার্থডে উইশ করলাম। -তোমার জন্য একটা গিফ্ট আছে(আমি) -কি?(মেঘা) -চোক বন্ধ করো মেঘা চোখ বন্ধ করতেই ওর গলায় একটা সোনার চেইন পড়িয়ে দিলাম।সাথে একটা পাপ্পি। মেঘা লজ্জা পাওয়ার সাথে সাথে খুঁশিও হলো গিফ্ট পেয়ে। -তোমার জন্যও একটা গিফ্ট আছে(মেঘা) -বলো?(আমি) মেঘা আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো -তুমি বাবা হতে যাচ্ছ(লজ্জা পেয়ে আমার বুকে মুখ লোকাল মেঘা) আমি খূঁশিতে কি করবো বুঝতে পারছি না। -সত্যি?(আমি) -হুমম আমিও মেঘাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললাম কনগ্রাচুলেশন। -দেখো আমাদের মেয়ে হবে।(আমি) মেঘা ছোট একটা হাসি দিল শুধু। . আজকে মেঘাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। ওকে অপারেশন থিয়েটারে নিয় যাওয়া হয়েছে।যাওয়ার আগে ও বার বার আমার দিকে তাঁকাচ্ছিল।আমি শুধু ভগবান ডাকতে লাগলা যেন সবকিছু ভালভাবে হয়। আধাঘন্টা পর অপারেশন থিয়েটার থেকে ডক্টর বের হলেন -কনগ্রাচুলেশন মিষ্টার শুভ।আপনার মেয়ে হয়েছে।মা ও মেয়ে দুজনেই সুস্থ আছে। -থ্যাংকস ডক্টর -একটু পরে আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে দেখা করতে পারবেন। -ওকে হাসপাতালে মেঘার বাবা মা,আমার বাবা মা সবাই ছিলেন।তারা সবাই খুব খুঁশি হলেন। কিছু সময় পর মেঘার সাথে দেখা করতে দিলো। -কেমন আছো?(আমি) -ভাল(মেঘা) -দেখলে তো আমাদের মেয়ে হল -হুমম -ঠিক তোমার মতই দেখতে কিউট। -তাই? -হুমম।কি নাম দেবো বল? -তুমি যা দেবে তাই হবে। -অথৈ।সুন্দর না নামটা? -হুমম তারপর আমার বাবুটাকে আমি অনেকক্ষন আদর করলাম।তা দেখে মেঘা বলল -এখন আমায় ভুলে যাবে তাই না? -না।আমি দুজনকেই ভালবাসবো। মেঘা সুন্দর করে মনভোলানো একটা হাসি দিল। . (তিন বছর পর) -বাবা বাবা উঠ না(অথৈ) কিছুক্ষন ডাকার পর উঠছি না দেকে অথৈ আমার চুল ধরে টানাটানি শুরু করলো।চোখ খুলতেই দেকি দরজার সামনে দাড়িয়ে মেঘা হাসছে।বুঝতে বাকি রইল না যে এটা মেঘার বুদ্ধি।অথৈ বলে উঠলো বাবা উঠেছে বাবা উঠেছে।অথৈকে কোলে নিয়ে দুইটা উম্মাহ্ দিলাম দুই গালে। -মেয়েটাও হয়েছে,ঠিক মতো একটু ঘুমাতে দেয় না(আমি) -দেখতে হবে না কার মেয়ে(মেঘা) -হুমম।এদিকে একটু আসো না। -কেন? -আরে একটু আসোই না আমার কোলে অথৈ থাকায় মেঘা মনে করলো আমি কোনো দুষ্টুমি করবো না।মেঘা আমান কাছে আসতেই অথৈকে কোল থেকে নামিয়ে মেঘাকে জড়িয়ে ধরলাম -এই কি করছো ছাড়ো।এখন দুষ্টুমি না। -না ছাড়বো না।আগে একটা উম্মাহ্ দাও। -না পারবো না।অথৈ সামনে -ও ছোট বুঝবে না -না পারবো না আমি মেঘাকে ছেড়ে দিয়ে বললাম -যাও(অভিমানী সুরে) -আমার বাবুটা রাগ করছে?(মেঘা) -............. হঠাৎ মেঘা আমাকে জড়িয়ে ধরে একটা উম্মাহ্ দিলো।আমিও ছাড়লাম না।একটা দিয়ে দিলাম। তখন অথৈ বলে উঠলো -আমার গুলো তোমরা কেন দাও।বলেই অথৈ আমাকে আর মেঘাকে জড়িয়ে ধরলো। আমি আর মেঘা দুজনেই হেসে উঠলাম। সবাই আর্শীবাদ করবেন যাতে আমরা সবসময় এইভাবে হাসিখুসি থাকি


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now