বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
→পেছন ফিরে দেখি মিথিলা।আমার কলেজ
ফ্রেন্ড।
-আরে তুই এখানে?(আমি)
-এদিকে একটা দরকারে আসছিলাম।তর খবর
কি?(মিথিলা)
-ভাল
-ও কে?(মেঘাকে দেখিয়ে)
-আমার স্ত্রী।
-বিয়ে করলি কবে?আমাকে ত বললি না।
-সে অনেক কথা।
মিথিলা আরো কিছুক্ষন কথা বলে চলে গেল।
মেঘার দিকে তাঁকাতেই দেখি আমার দিকে
বড় বড় চোখ করে তাঁকিয়ে আছে।
-কি হইছে?(আমি)
-মেয়েটা কে?(মেঘা)
-কলেজ ফ্রেন্ড
-আমাকে এখানে কি জন্য এনেছো?
-ফুচকা তুমি খাও।আমি খাবো না
রাগ দেখিয়ে মেঘা চলে যেতে লাগল।আমি
দৌড়ে সামনে গিয়ে বললাম
-কি হইছে তোমার?
-কিছু না
-তাহলে চলে এলে কেন?
-আমার ইচ্ছে হইছে তাই।
-প্লিজ চল ফুচকা খাই
-না আমি খাবো না
-না খেলে অনেক কষ্ট পাব
-তাতে আমার কি
-প্লিজ চল না
অনেক জোড়াজোড়ির পর ফুচকা খেতে রাজি
হল মেঘা।দোকানে গিয়ে এক প্লেইট ফুচকা
অর্ডার করলাম।
-এক প্লেইট কেন?(মেঘা)
-আমি খাবো না(আমি)
-কেন?
-এমনি ভাল লাগছে না।
ফুচকা দেওয়ার পর মেঘা ফুচকা খাওয়া শুরু
করল।আর আমি চেয়ে চেয়ে মেঘার খাওয়া
দেখছি আর ভাবছি ইস্ মেঘা যদি নিজের
হাতে আমাকে একটু খাইয়ে দিত।খুব ইচ্ছে
করছে ওর হাত থেকে খাওয়ার।কিন্তু ওকে
বললে কি ও খাইয়ে দেবে?আমি ওকে কি
করে বলবোই বা খাইয়ে দিতে।হঠাৎ মেঘা
বলল
-এই ভাবে কি দেখছো?(মেঘা)
-তোমার খাওয়া দেখছি(আমি)
-কি!!! তুমি যে ভাবে তাঁকিয়ে আছো নজর
দিয়ে দেবে তো?
-নজর তো অনেক আগে দিয়ে দিয়েছি
-মানে?
-কিছু না।ফুচকা খাইয়ে দেবে?(বলেই
ফেললাম)
-আমি কেন খাইৈ দেবো?তোমার হাত নেই
নাকি?
-আছে।কিন্তু খাবো না।হাতে খেতে ভাল
লাগছে না।তুমি খাইয়ে দাও।
-ইস্ শখ কত
-দাও না
-না আমি পারবো না
আমি মুখটা অন্য দিকে ঘুরিয়ে নিলাম।একটু
পড়ে দেখি আমার মুখের সামনে মেঘা ফুচকা
ধরে আছে।আমি অবাক দৃষ্টিতে মেঘার
দিকে তাঁকিয়ে আছি।
-কি হল তাঁকিয়ে আছো কেন?খাও(মেঘা)
-হুমম খাচ্ছি(আমি)
যখন মেঘা আমাকে খাইয়ে দিচ্ছিল তখন কি
যে আনন্দ হচ্ছিল বলে বোঝাতে পারবো না।
আমি ভাবতেই পারিনি মেঘা আমাকে
খাইয়ে দেবে।
.
মেঘাদের বাসায় যাওয়ার পর মেঘার মা-
বাবা অনেক আদর যত্ন করলেন।করবেনই না
কেন?বিয়ের পর এই প্রথম তাদের বাড়িতে
এলাম।সারাদিন খুব ভাল কাটলো।রাতে
মেঘার অনেক বান্ধবী আসালো আমাকে
দেখতে।একজন তো মজা করে বলেই ফেললো
কিরে মেঘা,এমন বড় পেলি?মেঘা শুধু ওকে
চোখ রাঙালো।
.
রাতে ঘুমানোর সময় আমি নিচে বিছানা
করলাম।মেঘা ঘরে ঢুকে দেখার সাথে সাথেই
বলল
-নিচে বিছানা করেছো কেন?(মেঘা)
-ঘুমাবো বলে(আমি)
-তুমি বিছানায় শুবে
-না দরকার নাই
-আমি বলছি তুমি বিছানায় শুবে(চোখ বড় বড়
করে)
মেঘার জেদের কাছে হেরে বিছানায় শুতে
হলো।
.
ভোরে আমার ঘুম ভাঙল।চোখ খুলতেই দেখি
মেঘা আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে।
আমি ছাড়ানোর চেষ্টা করতেই ও আরো শক্ত
করে ধরলো আমায়।আমি আর ছাড়ানোর
চেষ্টা করলাম না।শুধু ওর কপালে একটা চুমু
দিলাম আর ওকে জড়িয়ে ধরে আবার ঘুমিয়ে
পড়লাম।
সকালে মেঘার ঘুম ভাঙতেই দেখতে পেলো ও
আমাকে জড়িয়ে ধরে আছে।আমিও ওকে
জড়িয়ে ধরে আছি।ও খুব লজ্জা পেলো।ও
ছাড়ানোর চেষ্টা করতেই আমি আরও শক্ত
করে ওকে ধরলাম।মেঘা আমায় আমায়
ডাকতে লাগল
-এই উঠ(মেঘা)
-হুমম(আমি)
-উঠ না
-হুমম উঠছি তো
-ছাড়ো আমায়
আমি চোখ খুলতেই দেখি মেঘাকে জড়িয়ে
ধরে আছি।সাথে সাথে হাত সরিয়ে নিলাম।
মেঘার মুখ লজ্জায় লাল হয়ে আছে।ও দৌড়ে
রুম থেকে চলে গেলো।
কিন্তু আমি ভাবছি মেঘা কি আমাকে
ভালবাসে?না হলে ওকে জড়িয়ে ধরলাম
কিছুই বলল না কেন ও?ওকে ভালভাবে বুঝতে
পারছি না।এসব ভাবতে ভাবতে ফ্রেশ হতে
চলে গেলাম।ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে
গেলাম।নাস্তা
সেরে বিদায় নিয়ে বাসায় চলে আসলাম।
আসার সময় মেঘা কোনো কথা বলর না।আমি
বুঝতে পেরেছিলাম যে সকালের ঘটনার জন্য
ও লজ্জা পাচ্ছে।ওকে বাসায় দিয়ে আমি
একটু বাইরে বের হলাম।
.
মেঘা ঘর গোছাচ্ছিল।হঠাৎ আলমারিতে
একটা ডায়রি পেলো।কৌতূহল বসত মেঘা
ডায়রিটা হাতে নিয়ে দেখলো আমার
ডায়রি।ও ডায়রির শেষের পৃষ্টায় দেখলো
একটু কাগজ ভাজ করা।মেঘা পৃষ্টা উল্টাতেই
কিছু লেখা দেখতে পেলো।মেঘা লেখাগুলো
পড়তে লাগলো
আমর জন্য একটা মেয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে
যাচ্ছিল।কিন্তু আমি ওর স্বপ্নগুলো শেষ হতে
দিতে পারিনা।তাই অনেক ভেবে চিন্তে ওর
স্বপ্নগুলো সাজিয়ে দেবার দায়িত্ব নিলাম।
কিন্তু ওর স্বপ্নগুলো সাজিয়ে দেবার
দায়িত্ব নেওয়ার সাথে সাথে ওকে নিয়েও
স্বপ্নদেখা শুরু করেছি।ওর মায়াবী মুখটার
দিকে তাঁকালে চোখ ফেরাতে পারি না।
কেন যেন ওকে শুধু দেখতেই ইচ্ছে করে।
আস্তে আস্তে যে ওর প্রতি দুর্বল হয়ে
পড়েছিলাস সেটা বুঝতে পাররছি।কিন্তু ওকে
আমি এখন নিজের চেয়েও বেশি ভালবেসে
ফেলেছি।ও হয়তো আমাকে ভালবাসে না।
কিন্তু ওকে ছাড়া আমি আর এক মুহুর্ত থাকতে
পারবো না।ও আমার হৃদয়ের সাথে মিশে
গেছে।প্লিজ মেঘা আমাকে ফিরিয়ে দিও
না।
.
কয়েকদিন যাবৎ লক্ষ করছি মেঘা আমার খুব
কেয়ার করছে।কিছু ভুল হলেই শাসন করছে।
আমিও ওর খুব কেয়ারর করতাম।কিন্তু আমি
আর পারছিনা।যে ভাবেই হোক ওকে
ভালবাসার কথা বলতেই হবে।
.
বিকেলে ওকে পার্কে বেড়াতে নিয়ে
গেলাম।আসল উদ্দেশ্য ওকে ভালবাসার কথা
বলার।
-তোমাকে একটা কথা বলবো মেঘা(আমি)
-বল?(মেঘা খুঁশি হয়ে)
যখন ভালবাসি কথাটা মেঘাকে বলতে যাব
তখন......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now