বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
৪.
আমি আর ব্যোমকেশ আমাদের চিরাভ্যস্ত
বসিবার ঘরটিতে মুখোমুখি চেয়ারে বসিয়াছিলাম।
খোলা জানালা দিয়া সকালবেলার আলো ও বাতাস
ঘরে ঢুকিতেছিল। ব্যোমকেশ একটি বাইসিক্লের
বেল্ হাতে লইয়া নাড়িয়া চাড়িয়া দেখিতেছিল।
টেবিলের উপর একখানা সরকারী খাম খোলা
অবস্থায় পড়িয়াছিল।
ব্যোমকেশ ঘণ্টির মাথাটা খুলিয়া ভিতরের যন্ত্রপাতি
সপ্রশংস নেত্রে নিরীক্ষণ করিতে করিতে
বলিল,–“কি অদ্ভুত লোকটার মাথা। এ রকম একটা
যন্ত্র যে তৈরী করা যায়, এ কল্পনাও বোধ করি
আজ পর্যন্ত কারুর মাথায় আসেনি। এই যে
পাকানো স্প্রিং দেখছ, এটি হচ্ছে বন্দুকের
বারুদ,–কি নিদারুণ শক্তি এই স্প্রিংএর! কি ভয়ঙ্কর অথচ
কি সহজ। এই ছোট্ট ফুটোটি হচ্ছে এর নল,–
যে পথ দিয়ে গুলি বেরোয়। আর এই ঘোড়া
টিপলে দু’ কাজ একসঙ্গে হয়, ঘণ্টিও বাজে, গুলিও
বেরিয়ে যায়। ঘণ্টির শব্দে স্প্রিংএর আওয়াজ চাপা
পড়ে। মনে আছে–সেদিন কথা হয়েছিল–
শব্দে শব্দ ঢাকে গন্ধ ঢাকে কিসে? এই
লোকটা যে কত বড় বুদ্ধিমান, সেইদিন তার ইঙ্গিত
পেয়েছিলুম।”
আমি জিজ্ঞাসা করিলাম,–“আচ্ছা, পথের কাঁটা আর
গ্রামোফোন পিন যে একই লোক, এ তুমি
বুঝলে কি করে?”
ব্যোমকেশ বলিল,–“প্রথমটা বুঝতে পারিনি। কিন্তু
ক্রমশঃ যেন নিজের অজ্ঞাতসারে ও দুটো
মিলে এক হয়ে গেল। দেখ, পথের কাঁটা কি
বলছে? সে খুব পরিষ্কার করেই বলছে যে, যদি
তোমার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের পথে কোনও
প্রতিবন্ধক থাকে তো সে তা দূর করে
দেবে–অবশ্য কাঞ্চন বিনিময়ে। পারিশ্রমিকের
কথাটা স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলেও, এটা যে তার
অনাহারী পরহিতৈষা নয়, তা সহজেই বোঝা যায়।
তারপর এ দিকে দেখ, যারা গ্রামোফোন পিনের
ঘায়ে মরেছেন, তাঁরা সকলেই কারুর না কারুর
সুখের পথে কাঁটা হয়ে বে’চেছিলেন। আমি মৃত
ব্যক্তিদের আত্মীয়-স্বজনের ওপর কোনও
ইঙ্গিত করতে চাই না, কারণ যে-কথা প্রমাণ করা
যাবে না, সে কথা বলে কোনও লাভ নেই। কিন্তু
এটাও লক্ষ্য না করে থাকা যায় না যে, মৃত ব্যক্তিরা
সকলেই অপুত্রক ছিলেন, তাঁদের উত্তরাধিকারী
কোনও ক্ষেত্রে ভাগ্নে, কোনও
ক্ষেত্রে ভাইপো, কোনও ক্ষেত্রে বা
জামাই। আশুবাবু এবং তাঁর রক্ষিতার উপাখ্যান থেকে
এই ভাইপো-ভাগ্নে-জামাইদের মনোভাব কতক
বোঝা যায় না কি?
“তবেই দেখা যাচ্ছে, পথের কাঁটা আর
গ্রামোফোন পিন বাইরে পৃথক হলেও বেশ
স্বচ্ছন্দে অবলীলাক্রমে জোড় লেগে
যাচ্ছে–ভাঙা পাথর বাইর দুটো অংশ যেমন সহজে
জোড় লেগে যায়। আর একটা জিনিস প্রথম
থেকেই আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল–একটার
নামের সঙ্গে অন্যটার কাজের সাদৃশ্য। এদিকে
‘পথের কাঁটা’ নাম দিয়ে বিজ্ঞাপন বেরুচ্ছে আর
ওদিকে পথের ওপর কাঁটার মতই একটা পদার্থ দিয়ে
মানুষকে খুন করা হচ্ছে। মিলটা সহজেই চোখে
পড়ে না কি?”
আমি বলিলাম,–“হয়তো পড়ে, কিন্তু আমার
পড়েনি।”
ব্যোমকেশ অধীরভাবে ঘাড় নাড়িয়া বলিল,–“এ
সব তো খুব সহজ অনুমানের বিষয়। আশুবাবুর
কেস হাতে আসার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এগুলো
আমার কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। আসল সমস্যা
দাঁড়িয়েছিল–লোকটা কে? এইখানেই প্রফুল্ল
রায়ের অদ্ভুত প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায়। প্রফুল্ল
রায়কে যারা টাকা দিয়েছে খুন করবার জন্যে, তারাও
জানতে পারেনি, লোকটা কে এবং কি করে সে
খুন করে। আত্মগোপন করবার অসাধারণ ক্ষমতাই
ছিল তার প্রধান বর্ম। আমি তাকে কস্মিনকালেও
ধরতে পারতুম কিনা জানি না, যদি না সে আমার মন
বোঝবার জন্যে সেদিন নিজে এসে হাজির হত।
“কথাটা একটু বুঝিয়ে বলি। তুমি যেদিন পথের কাঁটার
নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়ে ল্যাম্পপোস্ট ধরে
দাঁড়িয়েছিলে, সেদিন তোমার ভাবভঙ্গী
দেখে তার সন্দেহ হয়। তবু সে তোমাকে চিঠি
গছিয়ে দিয়ে গেল, তারপর অলক্ষ্যে তোমার
অনুসরণ করলে। তুমি যখন এই বাড়ীতে এসে
উঠলে তখন তার আর সন্দেহ রইল না যে, তুমি
আমারই দূত। আশুবাবুর কেস আমার হাতে
এসেছে, তা সে জানত, কাজেই তার দৃঢ় বিশ্বাস হল
যে, আমি অনেক কথাই জানতে পেরেছি। অন্য
লোক হলে কি করত বলা যায় না–হয়তো এ কাজ
ছেড়েছুড়ে দিয়ে পালিয়ে যেত; কিন্তু প্রফুল্ল
রায়ের অসীম দুঃসাহস–সে আমার মন বুঝতে
এল। অর্থাৎ আমি কতটা জানি এবং পথের কাঁটা
সম্বন্ধে কি করতে চাই, তাই জানতে এল। এতে
তার বিপদের কোন আশঙ্কা ছিল না, কারণ প্রফুল্ল
রায়ই যে পথের কাঁটা এবং গ্রামোফোন-পিন, তা
জানা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না এবং জানলেও তা
প্রমাণ করতে পারতুম না।–শুধু একটি ভুল প্রফুল্ল
রায় করেছিল।”
“কি ভুল।”
“সেদিন সকালে আমি যে তারই পথ চেয়ে
বসেছিলুম, এটা সে বুঝতে পারেনি। সে যে
খোঁজ-খবর নিতে আসবেই, এ আমি জানতুম।”
“তুমি জানতে! তবে আসবামাত্র তাকে গ্রেপ্তার
করলে না কেন?”
“কথাটা নেহাৎ ইয়ের মত বললে, অজিত। তখন
তাকে গ্রেপ্তার করলে মানহানির মোকদ্দমায়
খেসারতৎ দেওয়া ছাড়া আর কোনও লাভ হত না।
সে যে খুনী আসামী, তার প্রমাণ কিছু ছিল কি?
তাকে ধরার একমাত্র উপায় ছিল–যাকে বলে in the
act, রক্তাক্ত হস্তে! আর সেই চেষ্টাই আমি
করেছিলুম। বুকে প্লেট বেঁধে দুজনে যে
গিয়েছিলুম, সে কি মিছিমিছি?
“যা হোক, প্রফুল্ল রায় আমার সঙ্গে কথা কয়ে
বুঝলে যে, আমি অনেক কথাই জানি–শুধু বুঝতে
পারলে না যে তাকেও চিনতে পেরেছি। সে
মনে মনে ঠিক করলে যে, আমার বেঁচে থাকার
নিরাপদ নয়। তাই সে আমাকে একরকম নিমন্ত্রণ
করে গেল,–যেন রাত্রে রেসকোর্সের
পাশের পথ দিয়ে যাই। সে জানত, একবার
তোমাকে পাঠিয়ে ঠকেছি, এবার আমি নিজে যাব।
কিন্তু একটা বিষয়ে তার খটকা লাগল, আমি যদি পুলিস
সঙ্গে নিয়ে যাই! তাই সে পুলিসের প্রসঙ্গ
তুললে। কিন্তু পুলিসের নামে আমি এমনি চটে
উঠলুম যে, প্রফুল্ল রায় খুশী হয়ে তাড়াতাড়ি চলে
গেল; আমাকে মনে মনে খরচের খায়ায় লিখে
রাখলে।
“বেচারা ঐ একটা ভুল করে সব মাটি করে
ফেললে। শেষকালে তার অনুতাপও হয়েছিল।
আমার বুদ্ধিকে অবজ্ঞা করা যে তার উচিত হয়নি, এ
কথা সেদিন সে মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করেছিল।”
কিছুক্ষণ নীরব থাকিয়া ব্যোমকেশ
বলিল,–“তোমার মনে আছে, প্রথম যেদিন
আশুবাবু আসেন, সেদিন তাঁকে জিজ্ঞাসা
করেছিলুম, বুকে ধাক্কা লাগবার সময় কোনও শব্দ
শুনেছিলেন কি না? তিনি বলেছিলেন, বাইসিক্লের
ঘণ্টির আওয়াজ শুনেছিলেন। তখন সেটা গ্রাহ্য
করিনি। আমার হাওড়া ব্রিজের ঐখানটাই জোড়া লাগছিল
না। তারপর ‘পথের কাঁটা’র চিঠি যখন পড়লুম এক
নিমিষে সব পরিষ্কার হয়ে গেল। তোমার
প্রশ্নের উত্তরে আমি বলেছিলুম–চিঠিতে একটি
কথা পেয়েছি। সে কথাটি কি জানো–বাইসিক্ল!
“বাইসিক্লের কথা কেন যে তখন পর্যন্ত মাথায়
ঢোকেনি, এটাই আশ্চর্য। বাস্তবিক, এখন ভেবে
দেখলে বোঝা যায় যে, বাইসিক্ল ছাড়া আর কিছুই
হতে পারত না। এমন সহজে অনাড়ম্বরভাবে খুন
করবার আর দ্বিতীয় উপায় নেই। তুমি রাস্তা দিয়ে
যাচ্ছ, সামনে একটা বাইসিক্ল পড়ল। বাইসিক্ল-
আরোহী তোমাকে সরে যাবার জন্য ঘণ্টি
দিয়েই পাশ কাটিয়ে চলে গেল। তুমিও মাটিতে
পড়ে পটলোৎপাটন করলে। বাইসিক্ল-
আরোহীকে কেউ সন্দেহ করতে পারে
না। কারণ, সে দু’হাতে হাণ্ডেল ধরে আছে–
অস্ত্র ছুঁড়বে কি করে? তার দিকে কেউ ফিরেও
তাকায় না।
“একবার পুলিস ভারী বুদ্ধি খেলিয়েছিল, তোমার
মনে থাকতে পারে। গ্রামোফোন পিনের
শেষ শিকার কেদার নন্দী লালবাজারের
মোড়ের উপর মরেছিলেন। তিনি পড়বামাত্র পুলিস
সমস্ত ট্রাফিক বন্ধ করে দিয়ে প্রত্যেক
লোকের কাপড়-চোপড় পর্যন্ত অনুসন্ধান
করে দেখেছিল। কিন্তু কিছুই পেলে না। আমার
বিশ্বাস, প্রফুল্ল রায়ও সেখানে ছিল এবং তাকেও
যথারীতি সার্চ করা হয়েছিল। প্রফুল্ল রায় তখন
মনে মনে খুব হেসেছিল নিশ্চয়। কারণ, তার
বাইসিক্ল বেল্এর মাথা খুলে দেখবার কথা কোনও
পুলিস-দারোগার মাথায় আসেনি।” বলিয়া
ব্যোমকেশ সস্নেহে বেল্টি নিরীক্ষণ
করিতে লাগল।
টেবিলের উপর হইতে সরকারী লম্বা খামখানা
হাওয়ায় উড়িয়া আমার পায়ের কাছে পড়িল। সেখানে
তুলিয়া টেবিলের উপর রাখিয়া দিয়া আমি জিজ্ঞাসা
করিলাম,–“পুলিস কমিশনার সাহেব কি লিখেছেন?”
ব্যোমকেশ বলিল,–“অনেক কথা। গোড়াতেই
আমাকে পুলিস এবং সরকার বাহাদুরের পক্ষে
থেকে ধন্যবাদ দিয়েছেন; তারপর প্রফুল্ল রায়
আত্মহত্যা করাতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন; যদিও
এতে তাঁর খুশী হওয়াই উচিত ছিল–কারণ,
গভর্মেণ্টের অনেক খরচ এবং মেহনত
বেঁচে গেল। যা হোক, সরকার বাহাদূরের কাছ
থেকে প্রতিশ্রুত পুরস্কার যে আমি শীঘ্রই
পাব, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ, পুলিস
সাহেব জানিয়েছেন যে, দরখাস্ত করবামাত্র আমার
আর্জি মঞ্জুর হবে, তার ব্যবস্থা তিনি করেছেন।
প্রফুল্ল রায়ের লাস কেউ সনাক্ত করতে পারেনি,
জুয়েল ইন্সিওরেন্স কোম্পানীর লোকরা লাস
দেখে বলেছে যে, এ তাদের প্রফুল্ল রায়
নয়, তাদের প্রফুল্ল রায় উপস্থিত কর্ম উপলক্ষে
যশোহরে আছেন। সুতরাং বেশ বোঝা যাচ্ছে
যে, প্রফুল্ল রায় নামটা ছদ্মনাম। কিন্তু তাতে কিছু
আসে যায় না, আমার কাছে ও চিরকাল প্রফুল্ল রায়ই
থাকবে। চিঠির উপসংহারে পুলিস সাহেব একটা নিদারুণ
কথা লিখেছেন–এই ঘণ্টিটি ফেরৎ দিতে হবে।
এটা না কি এখন গভর্নমেণ্টের সম্পত্তি।”
আমি হাসিয়া বলিলাম,–“ওটার ওপর তোমার ভারী মায়া
পড়ে গেছে–না? কিছুতেই ছাড়তে পারছ না?”
ব্যোমকেশও হাসিয়া ফেলিল,–“সত্যি, দু’হাজার টাকা
পুরস্কারের বদলে সরকার বাহাদুর যদি আমাকে এই
ঘণ্টিটা বক্শিশ করেন, আমি মোটেই দুঃখিত হই না।
যা হোক, প্রফুল্ল রায়ের একটা স্মৃতিচিহ্ন তবু
আমার কাছে রইল।”
“কি?”
“ভুলে গেলে? সেই দশ টাকার নোটখানা।
সেটাকে ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখবো ভেবেছি।
তার দাম এখন আমার কাছে একশ’ টাকারও বেশী।”
বলিয়া ব্যোমকেশ সযত্নে দেরাজের মধ্যে
বন্ধ করিয়া রাখিয়া আসিল।
সে ফিরিয়া আসিলে আমি তাহাকে একটা প্রশ্ন
করিলাম,–“আচ্ছা ব্যোমকেশ, সত্যি বল, পানের
মধ্যে বিষ আছে তুমি জানতে?”
ব্যোমকেশ একটু চুপ করিয়া থাকিয়া বলিল,–“জানা এবং
না জানার মাঝখানে একটা অনিশ্চিত স্থান আছে, সেটা
সম্ভাবনার রাজ্য।” কিছুক্ষণ পরে আবার বলিয়া
উঠিল,–“তুমি কি মনে কর প্রফুল্ল রায় যদি সামান্য
খুনীর মত ফাঁসি যেত তাহলে ভাল হত? আমার তা
মনে হয় না। বরং এমনি ভাবে যাওয়াই তার ঠিক
হয়েছে, সে যে কতবড় আর্টিস্ট ছিল, ধরা
পড়েও হাত পা বাঁধা অবস্থায় সে তা দেখিয়ে দিয়ে
গেছে।”
স্তব্ধ হইয়া রহিলাম। শ্রদ্ধা ও সহানুভূতি কোথা দিয়া
যে কোথায় গিয়া পৌঁছতে পারে তাহা দেখিলে
বিস্মিত না হইয়া থাকা যায় না।
“চিঠি হ্যায়।”
ডাক-পিয়ন একখানা রেজিস্ট্রি চিঠি দিয়া গেল।
ব্যোমকেশ খাম খুলিয়া ভিতর হইতে কেবল
একখানা রঙীন কাগজের টুকরা বাহির করিল, তাহার উপর
একবার চোখ বুলাইয়া সহাস্যে আমার দিকে বাড়াইয়া
দিল।
দেখিলাম, শ্রীআশুতোষ মিত্রের দস্তখৎ-
সম্বলিত একখানি হাজার টাকার চেক।
(সমাপ্ত)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now