বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ইসলামে হযরত আয়েশা রাযিয়াল্লাহুতায়ালা আনহা'র অবদান

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Åbė(guest) (০ পয়েন্ট)

X ইসলাম ধর্মে হযরত আয়েশা রাঃ এর অবদান ৷ ইসলামধর্মে হযরত আয়েশা রাঃ এর গুরুত্ব অপরিসীম ৷ নিম্নে তা point আকারে তুলে ধরা হল (1) হাদীস বর্ণনা সর্বাধিক হাদীস বর্ণনাকারীদের মাঝে অন্যতম হলেন হযরত আয়েশা (রাঃ)। তিনি রাসূল (সাঃ) থেকে ২২১০ টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। বুখারী ও মুসলিম যৌথভাবে ১৭৪ টি, এককভাবে বুখারীতে ৫৪ টি এবং মুসলিমে ৫৮ টি হাদীস উল্লেখ রয়েছে।নারী সাহাবিদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সংখ্যক হাদীস বর্ননা করেন এবং নারী পুরুষ সম্মিলিত উনার অবস্থান সপ্তম ৷ (2) মাসআলা প্রবর্তন হযরত আয়েশা (রাঃ) কে কেন্দ্র করে ইসলামী শরীয়তের কয়েকটি মাসআলা প্রবর্তন হয়। যথা:- (ক) তায়াম্মুমের বিধান, (খ) অপবাদের শাস্তির বিধান, (গ) ব্যভিচারের শাস্তির বিধান। শুধু তায়াম্মুমের বিধানের জন্য বিশ্বের মুসলমানরা কতটা উপকৃত হচ্ছে তা কি আমরা ভেবে দেখেছি? (3) ফতোয়া প্রদানে উম্মুল মোমেনীন হযরত আয়েশা (রাঃ) এর নাম উল্লেখযোগ্য। কুরআন, হাদীছ, ফিকাহ মোটকথা ইসলামী শিক্ষার সব বিষয়েই তাঁর অগাধ জ্ঞান ছিল। হযরত আবু বকর (রাঃ) হযরত উমর (রাঃ), হযরত উসমান (রাঃ) এর খেলাফত কালে তিনি ফতওয়া দিতেন। নামজাদা সাহাবীগন যাঁরা দীর্ঘকাল পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ (দঃ) এর সাহচর্যে থেকে জ্ঞানার্জন করেছেন তাঁরা কোন প্রকার ভূল-ভ্রান্তি করলে হযরত আয়েশা (রাঃ) এর সংশোধন করতেন।পবিত্র কোরাআন সংগ্রহ, সংরক্ষন ও হেফ্জ করাতে এবং হাদীছ সংকলনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। (4) অনেক আলেমের মতে শরীয়ত বিধানাবলীর এক চতুর্থাংশ হযরত আয়েশা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে। আর শরীয়তের বিধানবলী যা বর্ণনা করেছেন, তার সংখ্যা হাজারের উর্ধ্বে। এর দ্বারা হযরত আয়েশা (রাঃ) এর জ্ঞানের গভীরতা ও প্রাচুর্য এবং ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠায় উনার প্রয়োজনিয়তা উপলদ্ধি করা যায়। (5) রাসুল (দঃ) এর আদর্শ, নবুওতের স্বভাব এবং আদব সংরক্ষনে এবং প্রসারে তাঁর ভূমিকা খুবই প্রশংসনীয়। হযরত আয়েশা (রাঃ) এর জ্ঞান, প্রতিভা স্বভাব চরিত্র, নম্রতা, শুধু অতুলনীয় নয় বরং তিনি হচ্ছেন বিশ্ব মানবতার জন্য উজ্জ্বল নক্ষত্রস্বরূপ। তিনি ছিলেন মুসলমানদের জন্য বরকতময় রমনী। (6) তাফসিরে জালালাইন কিতাবে প্রখ্যাত মুফাস্সিরে কিরামের যে তালিকা দেয়া হয়েছে তাতে আয়েশা রাঃ এর স্থান তৃতীয় উল্লেখ করা হয়েছে ৷ চলবে ......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now