বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ইয়ারমূকের যুদ্ধের ঘটনা

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আবে(guest) (০ পয়েন্ট)

X হযরত যায়েদ ইবনে খাত্তাব (রা.) এর ছেলে হযরত আবদুর রহমান (রা.) বলেন, ইয়ামামার যুদ্ধের দিন মুসলমানদের ঝাণ্ডা হযরত যায়েদ ইবনে খাত্তাব (রা.) বহন করিতেছিলেন। (প্রথম দিকে) মুসলমানদের পরাজয় হইল এবং (মুসাইলামা কাযযাবের গোত্র) হানিফিয়া মুসলমানদের পদাতিক বাহিনীর উপর বিজয় লাভ করিল। হযরত ইবনে খাত্তাব (রা.) (মুসলমানদের উদ্দেশ্যে) বলিলেন, তোমরা নিজেদের অবস্থানস্থলে ফিরিয়া যাইও না, পদাতিক বাহিনীর পরাজয় হইয়াছে। অত:পর উচ্চস্বরে বলিতে লাগিলেন, আয় আল্লাহ, আমার সঙ্গীগণ যাহা করিয়াছে আমি আপনার নিকট উহা হইতে ক্ষমা চাহিতেছি, আর মুসাইলামা ও মুহাক্কাম ইবনে তোফায়েল যে ফেৎনা সৃষ্টি করিয়াছে উহা হইতে নিজের পবিত্রতা ঘোষণা করিতেছি। তারপর মজবুতভাবে ঝাণ্ডা ধারণ করিয়া অগ্রসর হইলেন এবং শত্রুর ভিতরে প্রবেশ করিয়া তলোয়ার চালনা করিতে করিতে শাহাদাত বরণ করিলেন। তাহার উপর আল্লাহ তায়ালার রহমত বর্ষিত হউক। ঝাণ্ডা পড়িয়া গেল। হযরত আবু হোযাইফা (রা.) এর গোলাম হযরত সালেম (রা.) আসিয়া ঝাণ্ডা উঠাইয়া লইলেন। মুসলমানগণ বলিলেন, হে সালেম, আমরা তোমার দিক হইতে কাফেরদের আক্রমনের আশংকা করিতেছি। হযরত সালেম (রা.) বলিলেন, যদি আমার দিক হইতে কাফেররা তোমাদের উপর আক্রমন করিতে সফল হয় তবে আমি কোরআনের অত্যন্ত খারাপ বাহক। (অর্থাৎ আমার দিক হইতে কাফেরদের সমস্ত আক্রমন আমি প্রতিহত করিব।) হযরত যায়েদ ইবনে খাত্তাব (রা.) হিজরী বার সনে (এই যুদ্ধে) শাহাদাত বরণ করিলেন। হযরত সাবেত ইবনে কায়েস ইবনে শাম্মাছ (রা.) এর কন্যা একটি হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। উক্ত হাদীসে বর্ণিত হইয়াছে যে, হযরত আবু বকর (রা.) যখন ইয়ামামা ও মুসাইলামা কাযযাব সহ মুরতাদদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য মুসলমানদেরকে আহবান জানাইলেন তখন এই যুদ্ধে যাওয়ার জন্য যে সমস্ত মুসলমান প্রস্তুত হইলেন তাহাদের সহিত হযরত সাবেত ইবনে কায়েস (রা.) ও রওয়ানা হইলেন। যখন মুসলমানদের সহিত মুসাইলামা কাযযাব ও বনু হানীফার যুদ্ধ হইল তখন মুসলমানদের তিনবার পরাজয় হইল। এই অবস্থা দেখিয়া হযরত সাবেত ও হযরত আবু হোযাইফা (রা.) এর গোলাম হযরত সালেম (রা.) বলিলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে থাকিয়া এভাবে যুদ্ধ করি নাই। সুতরাং তাহারা উভয়ে গর্ত খনন করিলেন এবং উভয়ে সেই গর্তের ভিতর দাঁড়াইয়া যুদ্ধ করিতে করিতে শাহাদাত বরণ করিলেন। (গর্তের ভিতর এইজন্য দাঁড়াইলেন যাহাতে যুদ্ধের ময়দান হইতে পলায়ন করিতে না পারেন।) (তাবারনী) হযরত মুহাম্মাদ ইবনে সাবেত ইবনে কায়েস ইবনে শাম্মাছ (রা.) বলেন, ইয়ামামার যুদ্ধের দিন যখন মুসলমানদের সাময়িক পরাজয় হইল তখন হযরত আবু হোযাইফা (রা.) এর গোলাম হযরত সালেম (রা.) বলিলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে থাকিয়া তো এইভাবে যুদ্ধ করি নাই। সুতরাং তিনি নিজের জন্য একটি গর্ত খনন করিয়া উহার ভিতর দাঁড়াইয়া গেলেন। সেদিন মুহাজিরদের ঝাণ্ডা তাহার হাতে ছিল। অত:পর তিনি লড়াই করিতে করিতে শহীদ হইয়া গেলেন। আল্লাহ তায়ালা তাহার উপর রহমত বর্ষণ করুন। তাহার শাহাদাত হযরত আবু বকর (রা.) এর খেলাফত আমলে হিজরী বার সনে ইয়ামামার যু্দ্ধে হইয়াছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now