বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জানিনা এই লিখটা কারো কাছে কতটা গ্রহণ যোগ্য হবে,,,,
কেউ বিলিভ করবে কিনা তাও জানি না
বাট এইটা একটা জীবনের ঘটে যাওয়া
সত্যি ঘটনা ..........
...................
আমাদের বাসার পাশের ফ্লাট এ এক টা ফ্যামিলি থাকেন
তার সাথেই ৪টা ছেলে ব্যাচেলর থাকে।
তো অই বাসায় দুইটা বাবু আছে
একটা মেয়ে সেই বাবু দের রোজই পড়াতে আসে
মেয়েটার নাম" স্নিগ্ধা " মেয়েটা দেখতে মোটামুটি বেশ সুন্দরি বললেই চলে
ভাগ্যক্রমে মেয়েটার একটা ছেলের সাথে বিয়ে হয়
খুব একটা ভালো ছিল না মেয়েটার বরটা,,,
নেশা করতো,,, ওর উপর মানসিক,,, ও শারিরিক নির্যতণ করতো
তো এভাবেই কেটে যায় প্রায় ৪ বছর
মেয়েটার এখন একটা ছেলেও আছে
পড়ে ওর বর এর সাথে ডিভোর্স হয়ে গেছে
মেয়েটা তার মা,আর ভাই দের সাথেই থাকে
টিউশন করে
এ ভাবেই চলে যাচ্ছে তার সময়
প্রেম বা বিয়ে নিয়ে মেয়েটা এখন
আর কিছুই ভাবছেন না।
বলতে গেলে মেয়েটা তার জীবনে অনেক কষ্ট করেছে
এখন ও করেই চলেছে........
তো এবাসার যে ৪ব্যাচেলর থাকে তার মধ্যে
একটা ছেলের নাম "আকাশ"দেখতে খুব
একটা খারাপ না
মেয়েটার সাথে পরিচয় হলো,পড়াতে এলেই কথা হতো
মেয়েটার মোবাইল নাম্বার ও চেয়ে নিলো,
দেখতে,,দেখতে ৩মাস এর একটা প্রেম এর সম্পর্ক হলো
মেয়েটার খুব ক্যায়ার করতো, খুব বেশি ই ভালো বাসা দেখাতো
তো মেয়েটাও আকাশ কে খুব ব্লিভ করে ফেললো
মেয়েটা কখনই এতো ভালোবাসা জীবনে
কারো কাছ থেকে পায়নি
তাই আকাশ এর সব কথাই ব্লিভ করতো
তো এক দিন
আকাশ স্নিগ্ধা কে কল দিল বিকেল ৩টার সময়
আকাশ খুব অসুস্থ ছিল গায়ে জর ছিল
রান্নাও করেনি,, বিকেল হয়ে গেছে এখনো খায়নি
স্নিগ্ধা শুনে বলল আমি কি আসবো, আমি এসে রান্না করে দেই
আকাশ বলল তো আসো
স্নিগ্ধা ৩০মিনিট এর মধ্যেই চলে এলো
এসে দেখে যেই বেবি দুটো কে পড়াতো তারা কেউই
বাসায় নেই
রান্না ও হলো,খাওয়াও হলো স্নিগ্ধা বাসায় চলে যাবে
ঠিক তখনি স্নিগ্ধার হাত টা চেপে ধরলো আকাশ
টান দিয়ে বুকে নিয়ে এলো,,
অনেক মানা করা সত্তেও আকাশ কিছুই শুনলো না
স্নিগ্ধার বাঁধাও মানলো না উলটো স্নিগ্ধা কে বুঝাতে লাগলো এই সব হলে আরো একে উপরের প্রতি মায়া বেড়ে যায়
ভালবাসা বাড়ে,,এক পর্যায়ে যা হবার তাই হলো।।
স্নিগ্ধা বাসায় বলে যায়
রাতে আর কেউ,কাউকে কল দিল না
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই স্নিগ্ধা আকাশ কে কল দিতে লাগলো বাট আকাশ স্নিগ্ধার একটা কল ও
পিক করল না।
পরের দিন আকাশের বাসায় এলো বাট আকাশ কে পেলো না গ্রামের বাড়িতে চলে গেছে
এখন আকাশ এর নাম্বার টাও বন্ধ
গতো পুরশু স্নিগ্ধা আমাদের গেট এ নোক দেয়
আমিই গেট খুলি পরে আমাকে বলতেছে
আন্টি আছে?
আমার আম্মু??
বলে হ্যাঁ
আছে আসেন
মেয়েটা সব টা বলল আর কি যে কান্না করলো
আমিও কেঁদে ফেলেছি
দুই দিন থেকেই মনের মধ্যে এই ব্যাপার টাই আমাকে কুড়ে, কুড়ে খাচ্ছে
তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম।
যানি সবাই এক না তবুও বলছি
কাউকে ভালো না বাসতে পারো ক্ষতি নেই
বাট কাউকে এই ভাবে মিথ্যে আশা,মিথ্যে ভালোবাসার
প্রলোভন দেখিয়ে ঠকাবেন না
এটা যে কতটা যন্ত্রণা তা শুধু ভুক্তভোগীরাই
জানেন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now