বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হযরত ঈসা ( আঃ )

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X হযরত ঈসা ( আ ) আল্লাহর একজন বড়ো নবী। বনী ইসরাঈলের ওপর তাঁকে প্রেরণ করা হয়েছিল। পবিত্র কোরআনে হযরত ঈসা ( আ ) এর নাম সম্মানের সাথে বহুবার উচ্চারিত হয়েছে। যে নামে তাঁকে অভিহিত করা হয়েছে পবিত্র কোরআনে,তা থেকে তাঁর ফযীলত সুস্পষ্টভাবেই প্রতিফলিত হয়। যেমন কোরআনে তাঁকে অভিহিত করা হয়েছে আব্দুল্লাহ বা আল্লাহর বান্দা বলে,কালেমাতুল্লাহ বা আল্লাহর বাণী বা শব্দ বলে এবং ঈসা মাসীহ ইত্যাদি বলে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঈসা ( আ ) কে তাঁর নেক বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করতেন এবং তাঁকে মানুষের জন্যে একটি দৃষ্টান্ত বা রহমত বলে অভিহিত করেছেন। ঈসা ( আ ) এর মা ছিলেন হযরত ইমরান ( আ ) এর মেয়ে মহিয়সী নারী মারিয়ামের পুত্র। মারিয়াম ( সা ) আল্লাহর দরবারে অসম্ভব মর্যাদার অধিকারী ছিলেন। তাঁর ইবাদাত আল্লাহ কবুল করেছেন। আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ ( সা ) মারিয়াম ( আ ) কে আল্লাহর মনোনীত এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চার জন নারীর একজন বলে মনে করতেন। তাঁর সম্মানে বহু বর্ণনা রয়েছে। মারিয়াম ( আ ) সেই ছোট্টবেলা থেকেই হযরত যাকারিয়া ( আ ) এর তত্ত্বাবধানে ছিলেন। যাকারিয়া ( আ ) ছিলেন বনী ইসরাইলের নবী। তাঁর তত্ত্বাবধানেই হযরত মারিয়াম ( সা ) বেড়ে ওঠেন। তিনি তাঁর প্রতিটা মুহূর্ত আল্লাহর ইবাদাতসহ অন্যান্য ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে কাটাতেন। এতো দ্রুত তিনি আত্মিক পূর্ণতা এবং আধ্যাত্মিকতার উচ্চ মার্গে পৌঁছেন যে,হযরত যাকারিয়া ( আ ) পর্যন্ত বিস্মিত হয়েছেন। মারিয়াম ( সা ) ইবাদাত বন্দেগীর মাধ্যমে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেন যে আল্লাহর ফেরেশতাদের সাথে তাঁর যোগাযোগ গড়ে ওঠে এবং তাঁর জন্যে প্রায় নিয়মিতই বেহেশত থেকে খাওয়া আসতো। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে ‘আর এই গ্রন্থে মারিয়ামকে স্মরণ করো, যখন তিনি তাঁর পরিবার থেকে আলাদা হয়ে পূর্ব উপকণ্ঠে গিয়েছিলেন, তারপর তাদের থেকে তিনি পর্দা অবলম্বন করেছিলেন…….।’ তিনি মূলত চেয়েছেন সমস্ত কোলাহল থেকে মুক্ত একটা শূন্য জায়গা যাতে তিনি তাঁর প্রয়োজনীয়তার কথাগুলো আল্লাহর কাছে পেশ করতে পারেন, কিংবা কোনো কিছুই যাতে তাঁকে খোদার ইবাদাত থেকে বিরত রাখতে না পারে। পবিত্র কোরআনের সূরা মারিয়ামের ১৭ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে ‘ তখন আমরা তাঁর কাছে আমাদের রূহ বা নূর দিয়ে দূতকে পাঠালাম এবং সে একেবারে নিষ্পাপ মানুষের রূপে মারিয়ামের কাছে গিয়ে দেখা দিল।’ কিন্তু মারিয়াম তো সবসময় পূত-পবিত্র জীবনযাপন করতেন,তাই তিনি মানুষরূপী আল্লাহর দূতকে দেখে ভয় পেয়ে গেলেন। বললেন-‘আমি তোমার হাত থেকে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি,যদি তুমি পরহেজগার হও।’ মারিয়াম এ কথা বলে আল্লাহর দূতের প্রতিক্রিয়া জানার জন্যে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সাথে অপেক্ষা করতে লাগলেন। এ অবস্থা অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। আল্লাহর দূত কথা বলে উঠলেন-‘আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার কাছে এসেছি।’ এ কথা শুনে মারিয়ামের অন্তর প্রশান্ত হলো। কিন্তু তারপরই ফেরেশতা বললো-‘আমি এসেছি তোমাকে একটি পবিত্র সন্তান দান করতে।’ এ কথা শুনে মারিয়াম অস্থির হয়ে জিজ্ঞেস করলো-‘তা কী করে সম্ভব! এখন পর্যন্ত কোনো পুরুষ মানুষ আমাকে স্পর্শ করে নি,কিংবা আমি তো অসতী মেয়েও নই!’ আল্লাহর দূত বললো-‘তার মানে হলো,তোমার আল্লাহ বলেছেন, ‘এটা আমার জন্যে খুবই সহজসাধ্য একটি ব্যাপার। আর এই ঘটনাটাকে আমরা জনগণের জন্যে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থাপন করবো এবং আমাদের পক্ষ থেকে এটি হবে একটা রহমত। এটা একটা অবশ্যম্ভাবী এবং স্থিরীকৃত ব্যাপার।’ অবশেষে মারিয়াম সন্তান সম্ভবা হলেন। এ কারণে তিনি বাধ্য হলেন বায়তুল মোকাদ্দাস ছেড়ে দূরে কোথাও চলে যেতে। একটা ভয় এবং আশার উদ্বেগপূর্ণ দোলাচলের মাঝে দিন কাটতে লাগলো তাঁর। এটাও ভাবতে লাগলেন মানুষের কুৎসা কী করে সহ্য করবেন তিনি। তিনি যেহেতু পূতপবিত্র জীবনযাপন করতেন এবং এ ব্যাপারে তাঁর খ্যাতিও ছিল, সেজন্যে কুৎসা শোনার মতো সহনশীলতা তাঁর মধ্যে ছিল না। আবার অন্যদিক থেকে একটা আনন্দও কাজ করতো তাঁর মাঝে কেননা তিনি জানতেন তাঁর পেটের সন্তানটি একজন নবী। তাই স্বগতোক্তি করলেন-‘যে আল্লাহ আমাকে এমন এক সন্তানের সুসংবাদ দিলেন তিনি কী করে আমাকে একা ফেলে রাখবেন? জনগণের কুৎসা আর তিরস্কার থেকে তিনি কি আমাকে রক্ষা না করে পারেন? অবশেষে যখন প্রসব বেদনা উঠলো তখন তিনি উষর জনহীন এক প্রান্তরে একটি শুকনো খুরমা গাছের নীচে গেলেন। বেদনায় আনমনে বললেন-‘যদি এর আগে আমার মৃত্যু হতো এবং সবকিছু ভুলে যেতাম।’ নিঃসন্দেহে অতিরিক্ত কষ্টের মুখেই তিনি এসব বলেছিলেন। তবে এ অবস্থাটা খানিক পরেই কেটে গেল এবং আশার আলো তাঁর অন্তরে জ্বলে উঠলো। হঠাৎ অলৌকিক শব্দ তাঁর কানে ভেসে এলো- ‘দুশ্চিন্তা করো না! ভালো করে দেখো, তোমার রব তোমার পায়ের নীচে থেকে একটি ঝর্ণাধারা জারি করেছেন। আর তোমার মাথার ওপরে তাকাও। দেখো শুকনো খুরমা গাছে কী সুন্দর খেজুর পেকে আছে। ঐ গাছে নাড়া দাও যাতে তরতাজা পাকা খেজুর ঝরে পড়ে। এই সুস্বাদু খেজুর খাও আর ঐ নহরের পানি পান করো এবং নবজাতককে দেখে চক্ষু জুড়াও। যখন যেখানেই কোনো মানুষ তোমার কাছে এই সন্তান সম্পর্কে জানতে চাইবে,তুমি কেবল ইশারায় বোঝাবে যে ‘আমি আল্লাহর উদ্দেশ্যে রোযা রেখেছি,নীরবতার রোযা,তাই কারো সাথে কথা বলবো না।’ হযরত ঈসা (আ) এর জন্মের অলৌকিক কাহিনী শুনলেন এতোক্ষণ। কোরআনের বর্ণনার আলোকে মাওলানা জালালুদ্দিন মোহাম্মাদ এই কাহিনীকে ব্যবহার করেছেন তাঁর আধ্যাত্মিক দর্শন প্রচারের মাধ্যম হিসেবে। মোযেজাঃ আল্লাহর কুদরতে স্বামীহীন মারিয়াম মা হলেন। একটি পুত্র সন্তান দিলেন আল্লাহ তাঁকে। সন্তানের মুখ দেখে মা খুশি হলেন ঠিকই কিন্তু মনে সংশয়-নাজানি কে কী ভাবে! আল্লাহ তাই তাঁকে জানিয়ে দিলেন, তিনি যেন কারো সাথে কথা না বলেন। আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী মারিয়াম ( সা ) পুত্রকে কোলে নিয়ে শহরের দিকে যেতে লাগলেন। মানুষ যখন তাঁর কোলে সন্তান দেখতে পেলো,আশ্চর্য হলো। এতোদিন যারা মারিয়ামকে একজন পবিত্র ও সচ্চরিত্রবতী এবং তাকওয়াসম্পন্ন বলে মনে করতো,তারা খানিকটা দুশ্চিন্তায় পড়ে গেল। কেউ কেউ আবার তিরস্কারের সুরে বলতে লাগলো ” ছি,ছি! এতো তাকওয়া,এতো পূত-পবিত্রতা। অভিজাত বংশের মুখে চুনকালি পড়লো।” তারা বললো, “হে মরিয়ম! একটা আশ্চর্যময় এবং বাজে কাজ করেছো।” মারিয়াম আল্লাহর আদেশক্রমে চুপ করে রইলেন। কেবল কোলের সন্তানের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। মারিয়ামের এ রকম কাজ প্রশ্নকারীদেরকে আরো বেশি বিস্মিত করলো। তারা মারিয়ামকে বললো, “আমরা কীভাবে একটা দোলনার শিশু অর্থাৎ নবজাতকের সাথে কথা বলবো।” এমন সময় হযরত ঈসা (আ) কথা বলে উঠলেন : “আমি আল্লাহর বান্দা! তিনি আমাকে ঐশীগ্রন্থ দান করেছেন এবং আমাকে নবী বানিয়েছেন। আমি যেখানেই থাকি না কেন আল্লাহ আমাকে তাঁর বরকতপূর্ণ ও মঙ্গলময় করেছেন। যতোদিন আমি বেঁচে থাকবো ততোদিন তিনি আমার প্রতি নামায ও যাকাত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মায়ের প্রতি অনুগত থাকার নির্দেশও দিয়েছেন। আমাকে তিনি প্রতিহিংসা পরায়ন বা অনমনীয় হবার মতো হতভাগ্য বানান নি। ঈসা ( আ ) সবশেষে বলেন, “আমার ওপরে আল্লাহর শান্তি বা সালাম, যেদিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং যেদিন আমি মরে যাবো,আবার যেদিন আমি জীবিতাবস্থায় জাগ্রত হবো।” ঈসা (আ) ধীরে ধীরে বেড়ে উঠতে লাগলেন। সেই ছোটবেলা থেকেই তাঁর ওপর দায়িত্ব বর্তিত হয়েছিল বনী ইসরাঈলকে এক আল্লাহর ইবাদাত বা তৌহিদের পথে আহ্বান জানানোর। তিনি তাঁর নবুয়্যতের প্রমাণ স্বরূপ বহু মোজেযা দেখিয়েছেন। তিনি ভাস্কর্য তৈরীর কাদামাটি দিয়ে পাখি তৈরী করেন এবং তার ভেতর ফুঁ দিলে আল্লাহর আদেশে পাখিটার ভেতর প্রাণের সঞ্চার হয়। প্রাণিত হবার পর মাটি দিয়ে তৈরী পাখিটা উড়ে যায়। তিনি জন্মান্ধ এবং বধিরদেরকে আল্লাহর দেওয়া মোজেযার সাহায্যে সুস্থ করে দিতেন। কুষ্ঠ রোগীরাও তাঁর হাতের ছোঁয়ায় সুস্থ হয়ে যেত। এমনকি মৃতদেরকেও তিনি আল্লাহর দেওয়া অলৌকিক শক্তি বলে জীবিত করে দেন। জনগণকে এইসব মোজেযা দেখানোর পর বলতেন, আমি যে আল্লাহর নবী এইসব মোজেযা তারই প্রমাণ। তোমার এবং আমার প্রতিপালক আল্লাহ। তাই তাঁরই ইবাদাত কর। পবিত্র কোরআনের সূরা সাফফের ৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে : (সূরা সাফ : আয়াত-৬) মারিয়াম পুত্র ঈসা (আ) যখন বলেছিলেন-‘হে ইসরাইলের বংশধরগণ! আমি তোমাদের নিকট প্রেরিত আল্লাহর রাসূল। আমার সম্পর্কে আমার আগে প্রেরিত পবিত্র তাওরাত গ্রন্থে যা বলা হয়েছে আমি তার অনুমোদনকারী। সেইসাথে আমি সুসংবাদ দিচ্ছি যে আমার পরে একজন রাসূল আসবেন তাঁর নাম হলো আহমাদ।’ হযরত ঈসা (আ) সবসময় মানুষকে আল্লাহর একত্বের দিকে আহ্বান জানাতেন। কিন্তু বনী ইসরাইলের আলেমদের শত্রুতার কারণে জনগণ ঈমান আনা থেকে বিরত থাকতো। স্বল্পসংখ্যক লোকজন যারা তাঁর কথায় ঈমান এনেছিল,তাদের অনেককেই শিষ্য হিসেবে মনোনীত করলেন যাতে তারা আল্লাহর পথে বা সত্য দ্বীনের পথে আহ্বানের ক্ষেত্রে তাঁর সহযোগী হয়। কিন্তু ইহুদিরা হযরত ঈসা (আ) এর সাথে এতো বেশি শত্রুতা করতে লাগলো যে শেষ পর্যন্ত তাঁর ওপর তারা আক্রমণই করে বসলো। তারা চেয়েছিলো হযরত ঈসা (আ) কে মেরে ফেলতে। কিন্তু আল্লাহ রাব্বুল আলামীন শত্রুদের অত্যাচার থেকে ঈসা (আ) কে রক্ষা করলেন। ইসলামের আদর্শ ও বিশ্বাস অনুযায়ী হযরত ঈসা (আ) বেঁচে আছেন এবং শেষ যামানায় হযরত মাহদি (আ) যখন আবির্ভূত হবেন তখন তাঁরও আগমন ঘটবে। পবিত্র কোরআনের সূরা নিসা’র ১৫৭ এবং ১৫৮ নম্বর আয়াতে হযরত ঈসা (আ) এবং তাঁর আগমন সম্পর্কে বলা হয়েছে-‘আর তাদের বক্তব্য হলো-আমরা মারিয়ামের পুত্র আল্লাহর নবী ঈসাকে হত্যা করেছি,অথচ তারা ঈসাকে না হত্যা করেছে আর না তাকে শূলে চড়িয়েছে,বরং তাদের কাছে তাঁকে তেমন প্রতীয়মান করা হয়েছিল। যারা তাঁর হত্যার ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করেছিল,তারা অবশ্য তাঁর সম্বন্ধে সন্দেহের মধ্যে ছিল। এ বিষয়ে অনুমান করা ছাড়া তাদের আর কোনো জ্ঞান নেই। তবে এ কথা নিশ্চিত যে,তারা তাঁকে হত্যা করে নি,বরং আল্লাহ তাঁকে নিজের কাছে তুলে নিয়ে গেছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাশক্তিশালী এবং পরম জ্ঞানী।’


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হযরত ঈসা (আঃ) এর জীবনী
→ আল কুরআনের আলোকে হযরত ঈসা (আ:) এর পরিচয়
→ হযরত ঈসা (আ) ও এক ধোপা
→ হযরত ঈসা (আঃ) এর মোজেজা ও শিক্ষনীয় ঘটনা
→ হযরত ঈসা আ: এর মুজিজা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now