বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
""আই হেইট লাভ স্টোরিজ""
.
.
"আলো আলো আমি কখন খোজে পাবো
না চাদেঁর আলো তুমি কখনো আমার
হবে না"
.
মনের সুখে গান টা শুনতেছি রুমে কিন্তু
সুখ
টা বেশিক্ষন থাকলো না।
--- শালার গ্রার্লফেন্ডেের চেয়ে
বেস্টফ্রেন্ডরা বেশি প্যারা দেয়।
--একটু শান্তিতে গানটা পর্যন্ত শুনতেও
দেয় না।
---- তাই ছাদে গেলাম গান শুনতে ।
------ গিয়ে দেখি তিন তলার ক্লাস 7
পড়ুয়া পিচ্চি ফোনে প্রেমের ঝড়
তুলেছে ।
--- মনে মনে বল্লাম জীবনে ভুলে এখন
পর্যন্ত কোন মেয়ের সাথে ধাক্কা
পর্যন্ত খেলাম না, আর এই পিচ্চি
ফাটিয়ে প্রেম করছে ( লজ্জা কই
রাখি)
-- কি আর করার আমি ছাদের এক কোণে
গিয়ে
রেলিং এ হেলান দিয়ে কানে
হেডফোন গুঁজে দিলাম ।
---তো পিচ্চির কথা শেষ হতেই আমার
কাছে এসে, "আরে শুভ ভাইয়া,
--কেমন আছো ? জানো ভাইয়া, --
আমার গার্লফ্রেন্ড না আমাকে অনেক
ভালোবাসে । খালি কথায় কথায় বলে
সে আমার জন্য সবকিছুই করতে পারবে !"
----আমি একটু দুষ্টুমি করে বললাম, "তাই
নাকি ! ভালোই তো । আচ্ছা তোমার
গার্লফ্রেন্ড কি তোমার জন্য একটা
কাচাঁ জুনাইপোকা বা তেলাপোকা
কচকচ করে
চিবিয়ে খেতে পারবে ?"
---পিচ্চির কেলানো দাঁতগুলো
নিমিষেই মুখের মধ্যে লুকিয়ে গেলো
। কি যেনো ভাবতে ভাবতে সে
নিচে চলে গেলো ।
-- যাক বাচাঁ গেল, এই একটু খানি
ছেলে এখন পর্যন্ত নিউটনের ৩য় সুত্র টাও
মনেহয় মুখস্ত পর্যন্ত করে নাই আর প্রেম।
--পরেরদিন সকালে পিচ্চি ছোকরা
আমার রুমে এসে হন্ত্যদন্ত করে আমাকে
ঘুম থেকে ডেকে তুললো । আমি ঘুম ঘুম
চোখে বললাম, "কি হয়েছে ?"
.
সে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, "ভাইয়া
আমাদের ব্রেক-আপ হয়ে গিয়েছে ।
আমি ওকে বলেছিলাম ও আমার জন্য
তেলাপোকা খেতে পারবে কি না ?
এটা শুনার পরই ও আমাকে গালি দিয়ে
ব্রেক-আপ করে ফেলছে !" আমি সহ চোখ
কপালে উঠে গেলো !
-- হায় আল্লাহ কয় কি। আমি তো
দুস্টামি করে বলছি এই সব।
ভাবছি যে মেয়েটা এই ছেলেটির
জন্য জীবন পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত, সে
সামান্য একটি তেলাপোকা কাঁচা
চিবিয়ে খেতে পারবে না তার জন্য ?
-- পিচ্চি টাকে বল্লাম ভাই সে তকে
কোন দিন ভালবাসে নাই তকে
কিছুদিন টাইম পাস করে আবেগের কথা
বলে চলে যাবে, কি দরকার এমন প্রেম
করে। তার চাইতে ভালো লেখাপড়া
করে অনেক বড় হ দেখবি অনেক মেয়ে
তর জন্য লাইন কে লাইন দরে থাকবে।
-- ঠিক আছে ভাইয়া - আচ্ছা শুভ ভাইয়া
তুমি কোনদিন প্রেম করো নাই?
-- হা হা হা হেরে পিচ্চি ভাই একজন
কে
ভালবেসেছিলাম কিন্তু সেটা ভুল
মানুষের সাথে।
.
--- তারপর কি হলো বলোনা শুভ ভাই ?
--- তারপর আর কি অনেক দিন পর
জানতে পারলাম তার আরো 2 জনের
সাথে রিলেশন আছে । সবকিছু জানার
পরও তাকে ভালোবাসতাম। কিন্তু
সময়ের সাথে সাথে সেও পাল্টে
গেল। তাকে নিয়ে আমার অনেক সপ্ন
ছিল-সেই সপ্ন আর সফল হলোনারে - তাই
""২ আঙুলের ফাকে সপ্ন পুড়াই""থাক তুই
পিচ্চি বুজবি না।
.
--- আচ্ছা ভাইয়া এখন যাই আর এখন
থেকে ভালো করে লেখাপড়া করবো?
.
আর প্রতিদিন তুমার কাছে এসে গল্প
শুনবো।
--- হুম যা।
........আমাদের আজকালকার
.
ভালোবাসাগুলোই এরকম । এরা জীবন
.
দিতে পারবে, রুপকথার দেশে পাড়ি
জমাতে পারবে, আরো কত কি যে
করতে পারবে তার ইয়ত্তা নেই । অথচ
এদের যদি বলা হয় একটা তেলাপোকা
.
চিবিয়ে খেতে, অথবা পরীক্ষায়
ভালো রেজাল্ট করতে তখনই জীবন
দেওয়ার জন্য প্রস্তুত মেয়েটিও ব্রেক-
আপ করে বসবে ।
.
----"জান তোমার জন্য আমি আকাশের
চাঁদ
এনে দিতে পারব ! তোমার জন্য হতে
পারব সম্রাট শাহজাহান"—
---বেশির ভাগ রিলেশানের শুরুর
ডায়ালগ এগুলো । কিন্তু মজার বিষয়,
--আকাশের চাঁদ এনে দেওয়া
ছেলেটি
একটিবারও বলে না, "জান, তোমাকে
আমি তিনবেলা পেটভরে ভাত
খাওয়াবো !"
.----ভালবেসে জীবন দিয়ে দিছেন
আহা
.
আপনি কত্ত মহান ব্যাক্তি, এমন ব্যাক্তি
মহান বল্লে পাপ হবে মীরজাফর এর.
.
পরেই তার স্থান দেওয়া উচিৎ-মনে
করি।
,
আমি নিশ্চিত কোন বয়ফ্রেন্ড তার
গার্লফ্রেন্ডকে এমন কথা বলবে না, আর
.
বললেও তার গার্লফ্রেন্ড যে
নিমিষেই অন্যের আকাশের ঘুড়ি হয়ে
,
যাবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে
না ।
.
কিন্তু বিষয়টা এখানেই। আবেগ আর
বিবেকের পার্থক্য খুব ছোট, কিন্তু
প্রভাবটা খুব বিশাল ।
.
বিয়ের সময় কিন্তু বর তার বউকে বলে
না, তোমাকে আমি জ্যোৎস্নাভরা
রাত এনে দেবো । বলে যে, "আজ
থেকে আমি তোমার ভাত কাপড়ের
দায়িত্ব নিলাম !"
.
----কারণটা কি জানেন? আকাশের
চাঁদের, জ্যোৎস্না আর ডিএসএলআরের
লোভ দেখিয়ে সর্বোচ্চ হলে লিটনের
ফ্লাট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যায়,
সারাটা জীবন অতিবাহিত করা যায়
না ।
---যে ভালবাসা মর্যাদা দিতে
যানে না ঘৃন্না করি এমন ভালবাসা।
থাকনা পড়ে করলাম না প্রেম, কিছু সময়
অতিবাহিত আর সে কস্ট সারাজিবন বহন
করে চলতে হবে।
" I HATE LOVE STORY "
.......আমি বলছি না ভালোবাসা একটা
ফালতু জিনিস । আমি বলছি আমরা এই
পবিত্র জিনিসটাকে দিনদিন ফালতু
করে ফেলছি । কি করতে পেরেছেন
লিটনের ফ্রেট পর্যন্ত নিয়ে একটু সময়ের
জন্য সুখ হা হা হা জানেন একটা জীবন
কতটা দামি আর জানবেন কি করে
আজকাল যেবাবে সুসাইট করছে সে
ক্ষেত্রে জীবনের দাম কিবাবে
প্রকাশ করবো ভেবে পাচ্ছি না।
.
প্রতিদিন কলেজ থেকে বাসায়
ফেরার পথে দেখি এক অন্ধ ল্যাংড়া
ভিক্ষুককে তার স্ত্রী হুইল চেয়ারে
করে নিয়ে বেড়িয়ে ভিক্ষা করছেন ।
.
ভালোবাসার সংজ্ঞা পেতে চান ?
প্লিজ, দামী ফাস্টফুডে উঁকি না
দিয়ে সেই মহিলাটির দিকে
কয়েকবার
তাকান । আমি বুকে হাত রেখে বলছি,
আপনি পৃথিবীর পবিত্রতম
ভালোবাসার দেখা পাবেন সেই
মহিলার বিতরে।
আজকাল আমার অন্ধকারে পড়ে আছি
একবার বেরিয়ে আসেন আলোতে ,
পিওর চোখ দিয়ে দেখেন এই পৃথিবী
তে এখনো সত্যিকারের ভালবাসা
আছে।
.
লিখা=Justin Shuvo
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now