বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রাকপুরুষের চশমা-১১

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ¤¤¤ প্রাকপুরুষের চশমা ¤¤¤ (এগার তম পর্ব) লিখেছেনঃ সানজিদা সুলতানা সুমা ইতিমধ্যেই পারিপার্শ্বিকতা ফের বদলে গেছে। পরিপাটি চেম্বারের বদলে একটা স্যাঁতস্যাঁতে জেলে নিজেকে আবিষ্কার করলো ও। জেলের দরজা খুলে ধোপাদুরস্তর পোশাক পরিহিত একজন ভদ্রলোক ভেতরে ঢুকলো। আরিফের চোখে চোখ পড়তেই লোকটা একটা প্রফেশনাল হাঁসি হেসে কথা বলতে শুরু করলো, "হ্যালো ডাক্তার আলফ্রেড। আমি মিঃ জোন্স। এই কেসে আমি আপনার পক্ষের উকিল হিসেবে কাজ করব। এব্যাপারে আমি আপনার পূর্ণ সহায়তা আশা করছি।" প্রত্যুত্তরে আরিফ বলে, "বিশ্বাস করুন মিঃ জোন্স। আমি ওই মেয়েটাকে রেপ করিনি।" মিঃ জোন্স: "সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই ডাক্তার। মেয়েটার ফরেনসিক টেস্ট করানো হয়েছে। ওর দেহে কোন স্পার্ম পাওয়া যায় নি। আপনার বিরুদ্ধে রেপের কেইস ও ফাইল করা হয় নি। আপনার বিরুদ্ধে কেবল সেক্সুয়াল হারাসমেন্টের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।" আরিফ: " আমি ওই মেয়েটাকে হ্যারাস করি নি। বিশ্বাস করুন। এসবই মিথ্যা।" মিঃ জোন্স এবার ওর থলে থেকে বাল্টিকো ওয়ারশে পত্রিকার একটা কপি বের করে আরিফের দিকে ছুঁড়ে দেয়। মিঃ জোন্স: " এটা দেখুন। আপনি বাজে ভাবে ফেঁসে গেছেন ডাক্তার। আমার বিশ্বাস করা বা না করায় কিছু যায় আসে না। আপনি কিছুতেই এটা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন না।" আরিফ পত্রিকার কপিটা হাতে নিয়ে উল্টে পাল্টে দেখতে থাকে। পত্রিকার প্রথম পাতায় ওর ছবিটা বড় করে ছাঁপানো হয়েছে। তার পাশে সেই অর্ধনগ্ন অজ্ঞান মেয়েটার পড়ে বিছানায় পড়ে থাকার ছবি। আর নিচে সাক্ষি হিসেবে সেই নার্সের ছবি। পত্রিকায় হেডলাইন দিয়েছে, "পাগল ডাক্তারের লালসার শিকার এক অসহায় মানসিক রোগি! " আরিফ ভেবে পায় না পত্রিকাওয়ালারা এই মেয়েটার এমন ছবি কি করে পেল? তবে কি পত্রিকার সাংবাদিক সে সময় ঐ স্থানে উপস্থিত ছিলো? হঠাৎ ওর মনে পড়ে বাথরুম থেকে বেরিয়েই দেখা সেই ছায়ামূর্তির কথা। ওই লোকটাই কি সাংবাদিক ছিল? ও কি আসল অপরাধীকে দেখতে পেয়েছে? মিঃ জোন্সের কথায় আরিফ ভাবনার জগৎ ছেড়ে বাস্তবে ফিরে এলো। মিঃ জোন্স: "ডাক্তার আমাদের হাতে সময় খুব কম। এখনই আপনাকে একটা বাস্তব সম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনি ফেঁসে গেছেন। খুব বাজে ভাবে ফেঁসে গেছেন।" আরিফ: "আপনি আমাকে কোন সিদ্ধান্ত নিতে বলছেন মি: জোন্স?" মি: জোন্স: "দেখুন ডাক্তার। আপনি যতই অস্বীকার করেন না কেন এত সব প্রমানাদি আমাদের বিপক্ষে থাকতে আমরা কিছুতেই কেসটা জিততে পারবো না। তাই আপনার প্রতি আমার অনুরোধ আপনি নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়ে বিজ্ঞ আদালতের নিকট ক্ষমা পার্থনা করুন। আমার বিশ্বাস আদালত আপনার বৃদ্ধ বয়স এবং পোল্যান্ডের স্বাধিনতায় আপনার অবদান বিবেচনা করে শাস্তি অনেকটাই মওকুফ করে দিবেন।" আরিফ: "দোষ না করেও দোষ স্বীকার করে নিব! এটা আপনি কি বলেন মি: জোন্স?" মি: জোন্স: "এ ছাড়া আপনার নিকট ভিন্ন কোন পথ খোলা নেই ডাক্তার।" হঠাৎ আরিফ একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। এই উকিল দিয়ে ওর পোষবে না। ও অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বলে, "আপনার উপদেশের জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ মি: জোন্স। আপনি এবার আসতে পারেন।" মি. জোন্স: "আপনি এখনো আমায় আপনার সিদ্ধান্তটা জানান নি ডডাক্তার! " আরিফ: "আমি আপনাকে সেটা পরে জানিয়ে দেব। ধন্যবাদ। " উকিলবাবু হতাশ হয়ে জেল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ কি যেন মনে হতেই আরিফ ওকে ডেকে থামায়। আরিফ: "একটু দাঁড়ান মি: জোন্স। আপনি কি আমার একটা উপকার করতে পারবেন?" মিঃ জোন্স: "কেবল আপনাকে এ জেলখানা থেকে বের করা ছাড়া যে কোন উপকার করতে রাজি আছি। কেবল ওই আসল কাজটাই এই মুহুর্তে আমার দ্বারা সম্ভব নয়।" আরিফ মৃদু হেসে বলে, "আমাকে বের করতে হবে না। আমি এখানেই ভাল আছি। হা হা হা।" এহেন কথা শুনে উকিলবাবুর ভ্রু কুঁচকে উঠে! জীবনে অনেক মক্কেলের জন্যে কাজ করেছেন উনি। কিন্তু এমন ছন্ন ছাড়া মক্কেল আর একটাও দেখেন নি। মিঃ জোন্স: "তো বলুন কি করতে হবে?" আরিফ সানগ্লাসটা চোখ থেকে খুলে উকিলের হাতে ধরিয়ে দেয়। আরিফ: "এটা রাখুন মি: জোন্স। অনুগ্রহ করে এই সানগ্লাসটা বাল্টিসে আমার পৈত্রিক বাড়িতে, আমার ছোট ভাইয়ের কাছে পৌছে দেবেন।" মিঃ জোন্স: "আপনি যেমনটা চান।" আরিফ: "আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মি: জোন্স। আবার দেখা হবে।" চোখ থেকে সানগ্লাসটা খুলতেই দৃশ্যপটে আবারো পরিবর্তন আসে। আরিফ নিজেকে তার পরিচিত বেডরুমেই ফিরে পায়। বিছানার পাশে টেবিল ঘড়িতে চোখ পড়তেই ওর চোখ কপালে উঠলো। রাত চারটা বাজে! ও এখনো ঘুমায় নি? সুজানা ওর পাশেই শুয়ে আছে। ওদের মাঝখানে একটা কোল বালিশের দেয়াল। ব্যাপারটা ভাল লাগে না আরিফের। কোল বালিশটা ধরে বিছানার ওপর পাশে সরিয়ে রাখতে যায়। তখনই হাতের মুঠোয় সেই সানগ্লাসটার উপস্থিতি অনুভব করে ও। কিন্তু সানগ্লাসটা তো ও চোখে লাগিয়ে ঘুমিয়েছিলো। ওটা ওর হাতে চলে এলো কি করে? সানগ্লাসটাকে ঘিরে এমন হাজারো প্রশ্ন ঘোরপাক খায় আরিফের মনে। কিন্তু একটা প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজে পায় না ও। কেবল সানগ্লাসটা বালিশের পাশে রেখে সে রাতের মতো ঘুমিয়ে পড়ে। গতরাতে দেরীতে ঘুমানোয় ভোরে আরিফের ঘুমটা যেন ভাঙতেই চায় না। ওদিকে সুজানা অনেক আগেই উঠে পড়েছে। ঘুম ভেঙে হাত মুখ ধোয়ে নাস্তা বানাতে লেগে যায় ও। তারপর টেবিলে গরম গরম নাস্তা সাজিয়ে বুড়োটাকে ডাক দেয় সুজানা। সুজানা: "আরিফ, এই আরিফ! আর কতক্ষণ ঘুমাবি! নাস্তা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।" সুজানার ডাকে তড়াক করে লাফিয়ে উঠে আরিফ। উঠেই তাড়াহুড়া করে বাথরুমে যেয়ে ফ্রেশ হয়ে নেয়। সুজানাকে বেশীক্ষণ অপেক্ষা করাতে চায় না ও। একটু দেরী হলেই ফের ঝগড়া বাধিয়ে দেবে বুড়িটা। ঘুমঘুম চোখ নিয়েই নাস্তার টেবিলে বসে আরিফ। নাস্তা খেতে খেতে ও অনুভব করে বুড়িটার অন্তর্ভেদী দৃষ্টি ওকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখছে। সুজানার সামনে স্বাভাবিক থাকার যথা সাধ্য চেষ্টা করে ও। নাস্তা শেষে সুজানাকে নিয়ে রোজকার মত প্রাতঃভ্রমণে বেরোয় আরিফ। যদিও ওর খুব ঘুম পাচ্ছিলো তবুও কষ্ট স্বীকার করে বেরিয়ে পড়ে। কাল রাত জাগার ব্যাপারটা বুড়িকে কিছুতেই বুঝতে দিতে চায় না ও। প্রাতঃভ্রমণ শেষে প্রায় এগারোটার দিকে ঘরে ফেরে ওরা। ঘরে ফিরেই সুজানা কিচেনে চলে যায় লাঞ্চ বানাতে। ওদিকে আরিফ তার ক্লান্ত দেহটা ড্রয়িংরুমের কাউচে এলিয়ে দেয়। অনিদ্রা ওর ক্লান্তিকে আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। ও এতটাই ক্লান্ত যে সিড়ি বেয়ে উঠে নিজের বেডরুমে যাওয়ার শক্তিটুকুও আর অবশিষ্ট নেই। সিদ্ধান্ত নেয় কাউচেই আধশোয়া হয়ে একটা ঘুম দেবে। তবে ঘুমানোর আগে রিমোর্টের সুইচ টিপে টিভিটা ছেড়ে ঘুমাবে। ফলে ঘুমিয়ে পড়লে বুড়িটা যদি কিচেন থেকে ডেকে ওর সাড়া না ও পায় তো কোন সন্দেহ করবে না। বরং ভাববে ও মনযোগ দিয়ে টিভি দেখছে বলে শুনছে না। আর ধরা খেলে একটা কৈফিয়তও দেওয়া যাবে। বলবে যে টিভির বিরক্তিকর নির্বাচনী অনুষ্ঠান গুলি দেখতে দেখতে অতিষ্ঠ হয়েই সে ঘুমিয়ে পড়েছে। টিভিটা ছেড়ে চোখ বন্ধ করতে যাচ্ছিলো আরিফ। কি মনে হতেই একবার টিভির দিকে তাকালো। সেই বিরক্তিকর নির্বাচন সম্পর্কিত খবরাখবর প্রচার করছে চ্যানেল গুলি। ব্রেকিং নিউজটা হল, নবনির্বাচিত মেয়র আন্দ্রে ডি মারে বিজয়ের পরদিন স্বপত্নিক মেয়র ভবনে উঠেছেন। বিলাসবহুল সাদা লিমুজিন থেকে নেমে স্ত্রীর হাত ধরে মেয়র ভবনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ফুটেজটা বারবার বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে রিপ্লে করে দেখাচ্ছে চ্যানেলওয়ালারা। হঠাৎ একটা জিনিস খেয়াল করে আরিফ। মেয়র আন্দ্রের হাটার ভঙ্গিটা আর দশটা মানুষের মতো স্বাভাবিক নয়। সাধারণত মানুষ হাঠার সময় ডান পা এগিয়ে গেলে তার সাথে সাথে বাম হাতটা এগিয়ে আসে। তার পরের পদক্ষেপে বাম পা এগিয়ে গেলে তার সাথে ডান হাতটাও এগিয়ে যায়। কিন্তু আন্দ্রের ক্ষেত্রে বাম পা এগিয়ে গেলে দুটো হাতই সামনে এগিয়ে যায় আবার ডান পা এগিয়ে গেলে দুটো হাতই পিছিয়ে আসে। আরিফের মনে পড়ে মেডিক্যাল সায়েন্সের পরিভাষায় একে লকমোটিভ ডিজওর্ডার বলে। এই অদ্ভুত হাঠার ভঙ্গিটা ওর কাছে খুব পরিচিত মনে হয়। কোথায় যেন দেখেছে। আরে হা! গত রাতে আরিফ যখন নিজেকে ডাক্তার আলফ্রেডের স্থলে আবিষ্কার করেছিলো তখন সেলের টয়লেট থেকে বেরিয়েই ও একটা ছায়ামূর্তিকে দ্রুত সটকে পড়তে দেখেছিলো। সেই ছায়ামূর্তিটাও ঠিক একই উদ্ভট ভঙ্গিমায় হাঠছিলো! আরিফের আর সন্দেহ থাকে না আজকের এই আন্দ্রে ডি মারে সেদিন সেই সেলে উপস্থিত ছিলো। সে ওখানে গোপনে সংবাদ সংগ্রহে গিয়েছিলো। সে ই মেয়েটার অর্ধনগ্ন ছবি সংগ্রহ করে তার সংবাদপত্র "বাল্টিকো ওয়ারশে" তে দিয়েছিলো। কিন্তু একটা প্রশ্নের উত্তর আরিফ এখনো খুঁজে পায়নি। মেয়েটার এমন বেহাল দশার জন্যে সত্যিকারের অপরাধীটা তবে কে ছিলো! একই চ্যানেল দেখতে দেখতে ইতিমধ্যেই হাঁপিয়ে উঠেছে আরিফ। তাই রিমোর্ট টিপে চ্যানেলটা বদলে দিলো। পরবর্তী চ্যানেলটাতেও একই ভাবে নির্বাচনী প্রোপাগান্ডা চলছে। সেটায় নবনির্বাচিত মেয়রের একটা সাক্ষাৎকার প্রচার করছে। মেয়র বলছেন, "পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতায় আমি মনে প্রাণে আত্মনিয়োগ করেছিলাম। একটা ভাল খবরের জন্যে যে কোন কাজ করতে আমি দ্বিধা করিনি। আজ থেকে জনগণের সেবাই ঠিক তেমনি আত্মনিয়োগ করলাম। জনগণের প্রয়োজনে যেকোন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে আমি কখনোই পিছপা হব না।" সেই সাক্ষাৎকারের একটা লাইন আরিফের মাথায় খুব ভাল করে গেঁথে গেল। "একটা ভাল খবরের জন্যে যে কোন কাজ করতে আমি দ্বিধা করিনি।" যেকোন কাজ করতে ও দ্বিধা করে নি! কিন্তু কি কাজ? কতটা নীচ কাজ ওটা? হঠাৎ আরিফের কাছে সকল রহস্যের জটা সাঁ করে খুলে গেল। সেন্ট্রাল সাইকোলজিক্যাল ফ্যাসিলিটিতে একজন ডাক্তার কর্তৃক একজন মানসিক রোগিণীকে রেপ করার খবরটা নিঃসন্দেহে সাড়া জাগানো একটা খবর। এই খবরটা সংগ্রহের জন্যে আন্দ্রে যে কোন কাজ করতে রাজি ছিলো। তাই অজ্ঞান মেয়েটাকে সেক্সুয়ালি হ্যারাস করতেও ও দ্বিধা করেনি। সেদিন প্রকৃত অপরাধটা করেছিলো আন্দ্রেই। তারপর সেটা ডাক্তার আলফ্রেডের উপর চাপিয়ে দিয়ে ছবি সহ দুনিয়া কাঁপানো একটা খবর বের করে ও। এতে ওর পত্রিকার সার্কুলার কয়েকগুণ বেড়ে যায়। কিন্তু মাঝখান থেকে আলফ্রেডের মতো নিষ্পাপ ডাক্তারকে বলির পাঠা হতে হয়। সাংবাদিকের কাজ হল সংবাদ সংগ্রহ করা। কিন্তু আন্দ্রে সেই চিরায়ত নিয়ম ভেঙে নিজে নিজেই সংবাদ সৃষ্টি করে তা জনসমক্ষে প্রচার করতো। এভাবেই ও এক অক্ষাত পত্রিকাকে বিখ্যাত বানিয়ে তুলে। একটা প্রশ্নের সমাধান হতেই আরিফের মনে আরেকটি প্রশ্ন জেগে উঠে। শেষতক আলফ্রেডের পরিণতি কি হয়েছিল? ওর কি সাজা হয়েছিলো না কি ও মুক্তি পেয়েছিলো? এ প্রশ্নের উত্তর সেন্ট্রাল সাইকোলজিক্যাল ফ্যাসিলিটির কোন কর্মচারীই ভাল দিতে পারবে। আরিফ ওখানকার একজন কে চেনে। ওর ছেলে সজীব। সজীবকে একবার ফোন করে এ ব্যাপারটা জিজ্ঞাস করা উচিৎ। (চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now