বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শ্যাডো অব দ্য ওয়্যারউলফ-১৮

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X "শ্যাডো অব দ্য ওয়্যারউলফ" লেখক : গাই. এন. ক্রিস্টি অনুবাদ : অনীশ দাস অপু -------------------------- পর্ব ১৮ ক্রিসের পড়ার ঘরে ঢুকে ক্যারেন দেখল, গাড়ির চাবিটা টেবিলের ওপর পড়ে আছে। প্যান্টের পকেটে ভরে নিল ওটা। ফায়ারপ্লেসে কাঠ জ্বলছে। বারান্দার লাইটটা জ্বলছে কিনা দেখতে ক্যারেন টর্চ হাতে বারান্দার দরজা খুলল। না, লাইট জ্বলছে না। টর্চের আলো ফেলে ক্যারেন দেখল, হোল্ডারটা আছে, বালবটা নেই। এক্সট্রা বালবও নেই। অন্য কোনও বালব খুলে এনে অবশ্য লাগান যায়। কোনটা খুলবে ভাবতে লাগল ক্যারেন। তখনি শুনতে পেল, কে যেন ওর নাম ধরে ডাকছে, " ক্যারি! ক্যারি!" কে? গলাটা অনেকটা ক্রিসের মতো শোনাল না? নাকি রিকার্ডো? কিন্তু রিকার্ডোর তো গাড়ি নিয়ে আসার কথা। " ক্যারেন!" আবার ভেসে এল সেই ডাক। এবার স্পষ্ট বোঝা গেল এটা ক্রিসের গলা। ক্রিসই ডাকছে তাকে, অস্পষ্ট গলায়। অতি কষ্টে, টেনে টেনে। " কে ক্রিস? তুমি কোথায়? তোমায় দেখতে পাচ্ছি না কেন? ঘরে এসো। " " না, ঘরে আসতে পারব না। আমি....আমি এখানে।" কণ্ঠস্বর লক্ষ্য করে টর্চের আলো ফেলল ক্যারেন। একটু এদিকওদিক টর্চের আলো ঘোরাতেই দেখতে পেল, একটা ঝোপের আড়ালে ক্রিস কেমন উবু হয়ে বসে আছে, সামনের হাত দুটোয় ভর দিয়ে। গায়ে জাম নেই। পরণে প্যান্ট আছে কিনা বোঝা গেল না। " তোমার কি হয়েছে ক্রিস? ওখানে কি করছ? ঘরে চলে এসো। " " উহ! উফফ! ক্যারি!" অতিকষ্টে টেনে টেনে কোনওমতে নামটা উচ্চারণ করতে পারল ক্রিস। ক্যারেন বুঝল, সাহায্য দরকার ক্রিসের। টর্চটা জ্বেলে সামনের দিকে এগোল ও। " নাহ--না!" কোনওরকমে এই দুটো কথা উচ্চারণ করে বনের ভেতর মিলিয়ে গেল ক্রিস। ভীষণ ভয় পেল ক্যারেন। কি করবে বুঝে উঠতে পারল না। বাড়ির ভেতর ঢোকা দরকার আগে। কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতেই দেখল, বাড়ির দরজার সামনে থাবা গেড়ে বসে আছে একটি বিশাল নেকড়ে। মাদি নেকড়ে। চোখে ক্রুর দৃষ্টি। ধারাল দাঁত। ক্যারেনের সামনে যেন অপেক্ষা করছে সাক্ষাৎ মৃত্যু। " ক্যারেন, পালাও"! বনের ভেতর থেকে একটা অদ্ভুত কন্ঠের সতর্কবাণী ভেসে এল। ক্রিস হ্যালোরান কি? গলাটা কেমন চাপা কর্কশ! নিজের মানুষী স্বত্তা হারানোর আগে ক্রিস সর্বশেষ শক্তি দিয়ে চেঁচিয়ে ক্যারেনকে পালাতে বলল। কিন্তু পালাবে কোথায়? কোনদিকে? ক্যারেন ভাবতে লাগল। এদিকওদিক দেখতে দেখতে ক্রিস হ্যালোরানের গাড়িটা চোখে পড়ল। গেটের দিকেই মুখটা ঘোরান গাড়িটার। ছুটে গিয়ে গাড়ির দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে দরজা লক করে দিল ক্যারেন। সঙ্গে সঙ্গে কোত্থেকে একটা নেকড়ে ছুটে এসে গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। কামড়াতে লাগল হ্যান্ডেলটা। সুবিধে করতে না পেরে গাড়ির দরজার কাঁচে থাবা মারতে লাগল এলোপাথাড়ি। তারপর পিছিয়ে গেল একটু। এই সুযোগে ক্যারেন চাবি দিয়ে স্টার্ট করল গাড়ি। আর তখনি দূর থেকে নেকড়েটা লাফিয়ে পড়ল গাড়ির ওপর। নেকড়ের আর্ধেক শরীর গাড়ির ওপরে আর বাকি আর্ধেকটা উইন্ডস্ক্রিনের ওপর। উইন্ডস্ক্রিনের কাঁচ ফেটে কয়েকটা টুকরো ভেতরে ঢুকে পড়ল। হাত কেটে গেল ক্যারেনের। গাড়ি ছেড়ে দিল ক্যারেন। নেকড়েটা ছিটকে পড়ল একপাশে। এখনো ড্রাইভিংয়ে পোক্ত হয়ে ওঠেনি ক্যারেন। গাড়ি ছুটে চলেছে এঁকেবেঁকে। হেডলাইটের সুইচটা খুঁজে পেল না ক্যারেন। হাত কাঁপছে। কোনওমতে গিয়ার দিল। গেট দিয়ে বেরনোর সময় ক্যারেন লক্ষ্য করল, নেকড়েটা তার গাড়ির পিছু নিল না। জঙ্গলের মধ্যে গিয়ে ঢুকছে। বাইরের রাস্তায় অন্ধকার তেমন নেই। চাঁদের অল্প আলো ফুটেছে। গেটের বাইরে এসে ক্যারেন লক্ষ্য করল, ওর হাতের ক্ষত থেকে রক্ত ঝরছে। আপাতত দরকার ব্যান্ডেজ আর আশ্রয়। মার্সিয়ার কথা মনে পড়ল ওর। বড় রাস্তা ছেড়ে কাঁচা রাস্তায় উঠিয়ে দিল গাড়িটাকে। মার্সিয়ার দোকানের সামনে আলো জ্বলছে দেখা গেল। কিন্তু আলোছায়ার খেলায় রাস্তার সঠিক নিশানাটা দেখতে পেল না ক্যারেন। গাড়ি রাস্তা ছেড়ে পিছলে মাঠে নেমে গেল। হাত কাঁপছে ওর। ঠিকমতো চালাতে পারছে না। কদিনই বা গাড়ি চালিয়েছে ও! হঠাৎ সামনের দুটো চাকা গর্তে পড়ে গেল। স্টার্ট বন্ধ করে ক্যারেন লাফিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়ল। মার্সিয়ার দোকানের দিকে ছুটল ঊর্ধশ্বাসে। দোকানের দরজা বন্ধ ছিল। ঠেলতেই খুলে গেল। মার্সিয়ার সঙ্গে প্রায় ধাক্কা লেগে যাচ্ছিল ওর। হাঁফাচ্ছিল ক্যারেন। মার্সিয়া ওকে ধরে বসিয়ে দিল। " কি হয়েছে ক্যারেন? আরে এত রক্ত!" কথা বলবার ক্ষমতা নেই ক্যারেনের। মার্সিয়া বলল, " কাঁপছ দেখছি! দাঁড়াও একটু ব্রান্ডি নিয়ে আসি।" "পানি", কোনওমতে বলতে পারল ক্যারেন। মার্সিয়া সঙ্গে সঙ্গে পানি আনতে ছুটল। পানির গ্লাস মুখের সামনে ধরতে মার্সিয়া ওর হাতের কাটা দাগটাকে ভাল করে দেখল। জিজ্ঞেস করল, " কেমন করে কাটল?" " গাড়ির ভাঙা কাঁচে।" " ঠিক আছে। পরে শুনব। আগে তোমার হাতের ক্ষতটা ভাল করে ধুয়ে ব্যান্ডেজ করে দেব।" পানি খেতে খেতে ক্যারেন লক্ষ্য করল, তার হাতের ক্ষত থেকে চুঁইয়ে পড়া রক্তটার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে মার্সিয়া। ওর চোখে কি যেন ঝিলিক দিয়ে উঠল। কি একটা পরিবর্তন হল ওর ভেতরে। জিভ দিয়ে ঠোঁটদুটো একবার চেটে নিল। ক্যারেন যেখানে বসে আছে তার পেছনেই কাবার্ড। মার্সিয়া আপনমনে বকবক করতে করতে কাবার্ড খুলে বলছে, " এই তো ডেটল, আয়োডিন। এই তুলো, গোলাপি তুলো। হু হু, ব্যান্ডেজ কোথায়?" চমকে উঠল ক্যারেন। এরকম এলোমেলো ভাবে কথা বলছে কেন মার্সিয়া? ও তো কোনওদিন এরকম করে নি! ক্যারেন ঘাড় ফিরিয়ে দেখল, আপনমনে বিড়বিড় করে বকতে বকতে মার্সিয়া ওর সোয়েটার খুলে ফেলছে। কর্কশ আর চাপা গলায় কথা বলছে। মনে পড়ল, ক্রিস হ্যালোরানও এরকম করত। ক্রমশ অপরিচিত হয়ে যাচ্ছিল ক্রিসের কণ্ঠস্বর। ওদিকে ব্লাউজ খুলে ফেলেছে মার্সিয়া। গলার স্বর বিকৃত হয়ে যাচ্ছে। সারা শরীরে লোম গজাচ্ছে। স্কার্টটাও খুলে ফেলছে সে। আর বসে থাকতে পারল না ক্যারেন। মার্সিয়ার দোকান থেকে বেড়িয়ে ঊর্ধবশ্বাসে ছুট দিল। কিন্তু কোথায় যাবে সে, কার কাছে গিয়ে উঠবে? এসপেনের সবাই কি ওয়্যারউলফ? এ গ্রামে নতুন কেউ এলে হয় এরা তাকে মেরে ফেলে নয়তো ওয়্যারউলফ বানিয়ে দেয়। ক্রিস হ্যালোরান তো শেষ। এবার তার পালা, হয় তাকে মৃত্যুবরণ করতে হবে এদের হাতে, নয়তো আর একটা নেকড়ের সৃষ্টি হবে। মাদি নেকড়েটা ওকে মারতে চায়। মাদি নেকড়েটা কি লিন্ডা কক্স? একইরকম সবুজ চোখ? ছুটছে ক্যারেন। কোথায় যাবে জানে না। মার্সিয়ার মতো কোনও নেকড়ে ওকে অনুসরণ করছে কিনা কে বলতে পারে। পিছু ফিরে দেখল সত্যিই একটা নেকড়ে দূর থেকে ওর পিছু নিয়েছে। আরও জোরে ছুটতে লাগল ও। ক্যাঁচচচ....একটা গাড়ির ব্রেক কষার আওয়াজ হল। আর একটু হলেই ক্যারেন চাপা পড়ছিল ওর তলায়। না রিকার্ডো নয়, ডাঃ গোয়েজ। " কি হয়েছে ক্যারেন? এখানে কি করছ?" " বাঁচান ডাক্তার। উলফ....উলফ!" ডাঃ গোয়েজ তাড়াতাড়ি ক্যারেনকে তাঁর গাড়িতে তুলে নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিলেন। ক্যারেন হাঁফাতে হাঁফাতে বলল, " মার্সিয়া! ওর দোকানে গিয়েছিলাম। আমার চোখের সামনে নেকড়ে হয়ে গেল!" গাড়ি চালাচ্ছেন ডাক্তার। হঠাৎ সামনে একটা নেকড়ে চলে এল। তড়িৎগতিতে ওটার পাশ কাটালেন ডাক্তার। আর একটা নেকড়ে লাফিয়ে উঠে গাড়ির কাঁচে থাবা বসাল। চমকে উঠে ভীষণ ভয় পেয়ে গেল ক্যারেন। ভয়ের চোটে ওর মাথা এলোমেলো হয়ে গেল। প্রলাপ বকতে লাগল ক্যারেন। "রিকার্ডো, তুমি এসো না। ক্রিস হ্যালোরান গেছে। আমি আর কতক্ষণ? খামোখা কেন মরবে তুমি?" ডাক্তার পুরোপুরি নজর দিতে পারছিলেন না ক্যারেনের দিকে। গাড়ি চালাতেই ব্যস্ত। ক্যারেনের মনে হল, সে যেন তলিয়ে যাচ্ছে। কে যেন তাকে তুলে নিচ্ছে। দেখল, ডাক্তার তাকে কোলে তুলে নিয়েছেন। " কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আমায়?" হাত পা ছুঁড়তে ছুঁড়তে বলল ক্যারেন। " ভয় নেই। আমি তোমায় তোমার বাড়িতে নিয়ে এসেছি।" ক্যারেন ডাক্তারের কোল থেকে নেমে বলল, " এখানে আমায় কেন নিয়ে এসেছেন? এখানেও তো নেকড়ে ভর্তি।" " বলো কি? তোমার বাড়িতেও?" " হ্যাঁ। একটা মাদি নেকড়ের তাড়া খেয়ে গাড়ি নিয়ে পালাচ্ছিলাম। গাড়ি ভাল চালাতে পারি না। গর্তে পড়ে গেল গাড়িটা। মার্সিয়ার দোকানে ঢুকলাম। সেখান থেকে......" " তাহলে আমার বাড়িতে চলো ", বলে ডাক্তার দরজার দিকে ঘুরে দাঁড়াতেই দেখতে পেলেন, কালো কুচকুচে একটা নেকড়ে তাঁর গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আরো একটা নেকড়ে এসে হাজির হল। নেকড়ে দেখেই ক্যারেন ফের ঘরে ঢুকে পড়ল। দরজা খুলে ডাক্তারকেও ডাকতে শুরু করল, " ডাক্তার, চলে আসুন ভেতরে।" ডাঃ গোয়েজ ঘরে ঢুকে পড়া মাত্রই ক্যারেন দরজা বন্ধ করে দিল। কিন্তু ঘরের ভেতর ওরা কতক্ষণ নিরাপদ? নেকড়েগুলো যদি কাঁচ ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে! জানলার পর্দা উঠিয়ে ক্যারেন দেখল, বেশ কয়েকটা নেকড়ে ওদের বাগানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। "পেছনের দরজা বন্ধ তো?" ডাঃ গোয়েজ জিজ্ঞেস করলেন। " বন্ধ। কিন্তু ওরা তো জানলার কাঁচ ভেঙেও ঢুকতে পারে।" " তোমার স্বামী কোথায়? " " সে আর আমার স্বামী নেই ডাক্তার। সে নেকড়ে হয়ে নেকড়ের পালের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে।" " বলো কি!" বন্দুকের দিকে নজর পড়তেই ডাক্তার সেদিকে ছুটে গিয়ে বন্দুকটা হাতে নিয়ে বললেন, " তোমার কাছে যথেষ্ট কার্তুজ আছে ক্যারেন"? " আছে। কিন্তু সিলভার বুলেট আর আগুন ছাড়া নেকড়েগুলোকে মারা যাবে না।" ডাক্তারের কপালে চিন্তার রেখা। বললেন, " মরতেই যদি হয় একবার বন্দুক নিয়ে বাইরে গিয়ে গাড়িতে ওঠার চেষ্টা করেই তো দেখি। কিন্তু ক্যারেন, আমার শরীরের গাঁটে গাঁটে এরকম ব্যথা হচ্ছে কেন বল তো?" ডাক্তারের কথা শেষ হতে না হতেই দুটো নেকড়ে বাইরে দরজা আর জানলার ওপর লাফিয়ে পড়ল। জানলা দরজা কেঁপে উঠল থরথর করে। ক্যারেন আর ডাক্তার মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। বাড়ির চারদিকে আরও নেকড়ে ঘোরাফেরা করছে। ডাক্তার দেখছেন জানলায় দাঁড়িয়ে। অবিশ্বাস্য! এত ওয়্যারউলফ আছে এই গ্রামে! নেকড়েগুলো মানুষের গন্ধ পেয়েছে। হিংস্র হয়ে উঠেছে ওগুলো। ক্যারেন দেখল, ফায়ারপ্লেসের আগুন নিভে আসছে। ও আরও কাঠ ঢোকাল। আগুন আর সিলভার বুলেট এই দুটো জিনিসকে ওয়্যারউল্ফ ভয় পায়। ক্যারেন স্থির করল, এরপরেও যদি নেকড়েগুলো না চলে যায় তো ও পুরো ক্যাজুরিনাতেই আগুন ধরিয়ে দেবে। দুটো ঝুলঝাড়ু সংগ্রহ করে মাথায় টাওয়েল জড়িয়ে পেট্রোলে ভিজিয়ে রেডি হয়ে থাকল ক্যারেন। ডাঃ গোয়েজ বললেন, " একবার বন্দুকের ফাঁকা আওয়াজ করে দেখব, নেকড়েগুলো পালায় কিনা?" ক্যারেন বলল, " আওয়াজ করবেন কোথায়? দরজা খুললে আর রক্ষে আছে?" ডাক্তার বললেন, " তাহলে থাক। কিন্তু এরকম লাগছে কেন শরীরটা? সব কেমন ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে......বলতে বলতে ডাঃ গোয়েজের কথাগুলো কেমন কর্কশ হয়ে এল। গায়ের শার্টটা ছিঁড়ে গেল। মুখ দিয়ে একটা জান্তব স্বর বেরোতে লাগল। সারা গায়ে গজাতে লাগল লোম। মুখটা লম্বা হয়ে ঝুলে পড়ল। দাঁতগুলো হল অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ আর লম্বা। হাঁটু দুটো মুড়ে গিয়ে বসে পড়লেন ডাঃ গোয়েজ। হাত পায়ের আঙুল গুটিয়ে থাবার আকার ধারন করল। দেখতে দেখতে এক প্রকাণ্ড নেকড়েতে পরিণত হলেন ডাঃ গোয়েজ। (ক্রমশ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now