বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ছোট্ট একটি মেয়ে

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD.Sabir Hossain(guest) (০ পয়েন্ট)

X নাম রাজু আহমেদ। কাপড়ের কারখানায় কাজ করি। আমি গ্রামে থাকি। গ্রাম পেরিয়ে শহরের কাছেই কারখানাটি। প্রতিদিনের মতো আজও আমি কাজ শেষে বাড়ি ফিরছি। আজ বেশি দেরি হয়ে গেল। আমি হাঁটতে হাঁটতে গ্রামের কাছাকাছি এসে গেছি। রাস্তার পাশেই বিল। বিল পেরিয়ে সামনেই গ্রাম। গ্রামের প্রথমেই আমার বাসা। তখনি কোথা থেকে যেন কান্নার আওয়াজ ভেসে এল। বাম পাশে তাকিয়েই দেখি একটি বাড়ির কোণে ছোট্ট একটি মেয়ে বসে মাথা নিচু করে কান্না করছে। আমি ভাবলাম হয়তো পথ হারিয়ে মেয়েটি কান্না করছে। কিন্তু কেউ তো মেয়েটিকে দেখার কথা?সে কথা না ভেবে মেয়েটির কাছে গিয়ে জিগ্যেস করলাম,তুমি কী পথ হারিয়ে এখানে বসে আছ?মেয়েটি কোন জবাব দিলনা। হয়তো ভয় পেয়ে কোন জবাব দিচ্ছেনা। আমি তাকে কোলে নিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। ভাবলামআজ রাতটা তাকে বাসায় রাখব। কাল সকালে গ্রামের মানুষদের জিগ্যেস করব,মেয়েটিকে চেনে নাকি?হাঁটার সময় আমি অনুভব করলাম কেউ মনে হয় যেন আমাকে পেছন থেকে টানছে। আমি ভাবলাম এটা আমার মনের ভুল। আমি হাঁটতে থাকলাম। কিন্তু টান টান অনুভব যেন বেড়েই চলেছে। তাই আমি দাঁড়িয়ে পেছন ফিরে তাকালাম। পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখলাম যেই মেয়েটিকে আমি কোলে নিয়েছিল তার পা দুটো আগের জায়গায় থেকে রাবারের মতো লম্বা হয়ে আছে। আমি ভয়ে তার দিকে ফিরে দেখি তার মুখে কোন চোখ নেই। চোখের জায়গা কালো কালো পোকা বের হচ্ছে। আমি তাকে ফেলে একদৌড়ে বাসার সামনে আসতেই আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। তারপর আর কিছুই জানিনা। হুঁশ আসে দুপুরের দিকে। তারপর আমি আস্তে আস্তে সবাইকে সব খুলে বলি। তখনি হঠাৎ আমার বাবা বললেন ঐ বাড়িতে এক পরিবারকে মেরে ফেলা হয়। কিন্তু ঐ পরিবারের একটি মেয়ে বেঁচে যায়। তার কোনো আত্মীয় ছিলনা। তারপর থেকে সে ঐ বাড়িতে একা থাকত। এক রাতে সে বাড়ির পাশে বসে মা বাবার কথা ভেবে কাদতে কাদতে সেখানেই মারা যায়। এরপর থেকে কেউ ওখানে আর থাকেনা। আমি এরপর থেকে যতই কাজ থাকুক রাতে আর দেরি করে আসিনা। ..........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now