বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নিশির ডাক

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Bappy(guest) (০ পয়েন্ট)

X আমার জীবনে ঘটে যাওয়া একটা রহস্যময় কাহিনী মনে ধরল যে আপনাদের মাঝে শেয়ার করি। আমার বয়স এখন ১৭ যখন আমার বয়স ছিল ১০ বা ১১ তখন থেকে আমি খুব রাগী ও অন্যরকম টাইপের ছেলে ছিলাম বলতে গেলে কারো কথা শুনতাম না অবাধ্য ছেলের মত ঘোরাফেরা করতাম ছোটবেলা থেকেই, এক কথায় অনেক দুষ্টু টাইপের ছেলে ছিলাম, বাদ দিলাম ওগুলা। আলুন অতীতে যায় না হলে মজা পাওয়া যাবে না তাহলে যাওয়া যাক?? গল্পের প্রথমেই [আসসালামু আলাইকুম] আমার নাম বাপ্পি, আমার বাসা রাজশাহী।।অনেক পরিচয় দিলাম চলুন তাহলে গল্প শুরু করা যাক,।। আমি একদিন খুব রাতে খুব রাতে বলতে গেলে নয়টা কি দশটা বাসায় ফিরছিলাম খুব বেশি জঙ্গলও না হালকা টাইপের জঙ্গলের মধ্যে রাস্তা দিয়ে আমার বাসায় যেতে হয় তো সেদিন যাচ্ছিলাম তখন হঠাৎ মনে হলো আমার পেছনে পেছনে কেউ আসছে,তারপর আমি পেছনে তাকিয়ে দেখি কেউ নেই আবহাওয়া-টাও শুন-শান নিঃশব্দ ছিল।আমি মনে মনে ভাবলাম, এটা হয়তো-বা আমার মনের ভুল কিংবা সারা দিনের ক্লান্ত দুর্বলতা ঘিরে মনের মধ্যে এগুলো হচ্ছে। তারপর কিছুটা দূর এগিয়ে আসতেই, এবার মনে হচ্ছে শব্দটা আরো বেড়ে গেল বুকটা ধুপ করে উঠলো,কারণ কেউ নেই তাহলে শব্দ কোথা থেকে আসছে,আমি আমার পায়ের গতি বাড়িয়ে দিলাম, তখন দেখলাম সেই শব্দটাও অনেক কাছে থেকে আর অনেক জোরে জোরে শোনা যাচ্ছে আমি তখন দৌড়াতে লাগলাম আর শুধু এদিকে আমার চোখ দিয়ে অনবরত জল পড়ে যাচ্ছে, কি করবো বুঝে উঠতে পারছি না। তখনই হঠাৎ দেখলাম একজন বৃদ্ধ লোক এদিকে আসছে সাদা-পাঞ্জাবি,সাদা-লুঙ্গি, মাথায় সাদা-টুপি, আর হাতে তসবি ছিল, আমি মনে মনে ভাবলাম এইতো একজনকে পেয়েছি এনাকে বলি তারপর তার থেকে আমি ছয়টি সাত হাত দূরে আসতে না আসতে শব্দটা বন্ধ হয়ে গেল তখন তার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়ে হাপাতে লাগলাম, তার মুখের দিকে তাকাতেই আমি তাকে চিনতে পারলাম সে আমার বাড়ির পাশের এক দাদু। তাকে আমি সব খুলে বললাম!! সে শুনে বলল হয়তোবা তোর রাশি সাথে তার রাশি মিলে গিয়েছিল। অথবা অনেক কারণ আছে যার জন্য তারা এমন করে। তারপর দাদু বললো তুইও অনেক দুষ্টু আর খারাপ হয়ে যাচ্ছিস।এত রাত পর্যন্ত বাহিরে কি করিস তোর বয়স কম তুই মাগরিবের আযানের মধ্যেই বাসায় চলে আসবি শোন এখন থেকে যেন মনে থাকে কারণ এই জায়গা যেমন সুন্দর তেমনিই ভয়ংকর, তখন আমি বললাম ঠিক আছে দাদু আমাকে একটু বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দাও।তখন দাদু বলল ঠিক আছে চল। সেদিনের মত বাসায় গেল চলে গেলাম তারপরে খুব জ্বর জ্বরে বিছানা থেকে উঠতেই পারি না, এমন অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিলো আমার। তারপর এক সপ্তাহ পার হয়ে যাচ্ছিল কিন্তু আমার জ্বর ভালো হচ্ছিল না তার সাথে আরো দুই তিন রকমের অসুখ উপায় না পেয়ে আমার বাবা-মা আমাকে হাসপাতাল নিয়ে যায় তখন সেখানে আরো ২/৩ সপ্তাহ থাকতে হয়,তারপর সেখানে দুই সপ্তাহের বেশি ভর্তি হয়ে থাকলাম এখন কিছুটা সুস্থ আছি। এই কয়দিন আমার পাশে আমার খালাতো ভাই ফুফাতো ভাই কেউ না কেউ ছিল, এই কারণে কোন সমস্যা হয়নি কালকে আমাকে রিলিজ করে ছুটি দিয়ে দিবে। তো সেদিন আমার আম্মু-ও আসতে পারেনি, আমি একা ছিলাম আর নার্স ছিল একটা তাও সে বাইরে আমি একটি রুমে একাই ছিলাম বড় কথা আমি সবার সাথে থাকতে পারিনা ওই যে আগেই বললাম আমি খুব বদ মেজাজী। তো সেদিন রাতে আমার ফুফাতো ভাইয়ের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ করে যায় এই কারণেই সে আমার কাছে থাকতে পারেনি তারপর রাত গভীর হওয়ার পরে অনুমানিক সাড়ে বারোটা কি একটা বাজে ঠিক তখন কিছু অলৌকিক এবং আজব আওয়াজ শুনতে পাই যেমন নুপুর পায়ে হেঁটে যাচ্ছে কিংবা বাচ্চা মেয়ে কান্না করছে,অনেক রকমের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম মনে মনে ভয় পেলাম আর ভাবলাম নার্সটাকে কি ডাক দেব এটা বলেই ঠিক যখনি বাম দিকে মাথা ঘুরালাম আর দেওয়ালের কোনায় দেখে একটা মেয়ে বসে হাটুর মাঝখান দিয়ে মাথা দিয়ে আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে তখন আর কি আমি দেখে এত জোরে চিৎকার দেয় যে নার্স আর বাকিরা যারা ছিল সবাই ভেতরে চলে আসে এসে আমাকে জিজ্ঞেস করে কি হলো ভাইয়া তুমি চিৎকার করছো আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, কারণ ওর চেহারা এত পরিমান ভয়ঙ্কর ছিল যে, যে দেখবে সেই এমন হয়ে যাবে বা অজ্ঞান হয়ে যাবে। তারপর আমি অনেক ছটফট করি আসলে খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম তারপরে একটা নার্স আমার পাশে চেয়ার নিয়ে এসে বসে বললো ভাইয়া তুমি ঘুমাও আমি তোমার পাশে বসে আছি সে আমার হাত ধরে আছে, আমি বললাম আমার খুব ভয় করছে আমার ঘুম ধরছে না, তারপর চোখ বন্ধ করে আমি অনেক ঘুমানোর চেষ্টা করলাম,যখন ঘুম ধরলো-ই না প্রায় ৩০ মিনিট পর আস্তে-আস্তে তাকিয়ে দেখি নার্স আমার হাত ধরেই হাতের উপর ঘুমিয়ে পড়েছে। তারপরে বাম দিকে আস্তে-আস্তে তাকালাম দেখি কেউ নেই, ভাবলাম মনে হয় চলে গেছে তারপর, যখনই,,নার্সের দিকে তাকালাম,,,, Part...2


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now