বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এগিয়ে যায় প্রীতির দিকে!
-প্রীতি?
(মেয়েটি তার ছেলের বন্ধুর সাথে কথা বন্ধ করে তাকায় তার দিকে! মেয়েটির চোখে সিলভার কালারের কোন একটা প্রসাধণীর উজ্জ্বলতায় চিক চিক করছে)
-হ্যাঁ। (মিষ্টি গলায় জবাব দেয় মেয়েটি)
-আমাকে চিনতে পেরছো? আমি তমাল তোমাদের সাথে একসাথে ওয়াপদা কলোনীতে থাকতাম? সিরাজগঞ্জ?
(মেয়েটির আড়চোখ খানিকটা স্মৃতির পুনরুত্থান ঘটায়। তারপর মিষ্টি গলায় বলে, তমাল। রাইট?)
তমাল ঠোটের কোণে মৃদু হেসে বলে, ‘ইয়েস’
এবার প্রীতির হাত চলে যায় তমালের মাথায়!
‘তোকে কতটুকু দেখেছি! কত বড় হয়ে গিয়েছিস রে’ স্নেহের আদুরে গলায় প্রীতি – তমালকে বলে।
তমাল আর প্রীতির কথোপকথন শুনে এতক্ষণে পাশে দাঁড়ানো অপরিচিত লোকটি বুঝে ফেলেছে ! তারা পরিচিত। প্রীতি এবার পাশে দাঁড়ানো লোকটির সাথে তমালের পরিচয় করিয়ে দিতেই তারা দুজন হ্যান্ডশেক করে নেয়। পাশে দাড়নো লোকটি প্রীতির ফিয়ান্সে। লোকটির নাম – রাশেদুজ্জামান। বাইরেরে একটি কন্সট্রাকশন গ্রুপের কনসাল্টেন্ট সে! আগামী ছ’মাস দেশে থাকবে, প্রীতিকে সাথে নিয়ে এখানে-ওখানে ঘুরবে! প্রীতিকে মানিয়ে নিয়ে, বিয়ে করে তারা দুজন দেশের বাইরে চলে যাবে আপাতত এতটুকুই তাদের পরিকল্পনা।
ছোটবেলা থেকেই প্রীতিকে ভীষণ ভালো লাগতো তমালের। যদিও প্রীতি তমালের থেকে বয়সে খুব একটা বেশি বড় নয়। তমাল যখন ক্লাস ফাইভে পড়ে প্রীতি তখন ক্লাস টেনে।
“বাঙালি ছেলেদের প্রাপ্ত বয়স্ক হতে ক্লাস ফাইভের বেশি লাগে না! এ কথাটি কেউ না বললেও তমাল নিজেকে নিজে বলে’’ । ক্লাস ফাইভে থাকতে সে উপলব্ধী করে মেয়েদের সব থেকে বেশি সুন্দর লাগে গার্লস স্কুলের ড্রেসে! যদি বলা হয়, বিয়ের সা’জের থেকেও বেশি সুন্দর? তমাল নিঃসন্দেহে বলবে হ্যাঁ! কারণ তমাল এখন পর্যন্ত বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি!
প্রীতিদের বাসা ছিলো তমালদের বাসার মুখোমুখি! তমালের জানলা দিয়ে প্রীতিকে না দেখা গেলেও রান্না ঘরের জানলা কিংবা বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে একটু চোখ বাড়ালেই প্রীতিকে দেখতে পেত তমাল। প্রীতির পনিটেইল চুলের সাথে নীল-সাদার ড্রেস যেন তমালকে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ বানানোর দায়িত্ব নিয়েছিলো!
– প্রীতি আপু স্কুলে যাচ্ছো?
প্রীতি তমালের কান মলে সেদিন বলেছিলো, আপু ডাকবি না আমায়! জাস্ট প্রীতি! ঠোট দুটোর প্রসরণ করে কেমন অদ্ভুত একটা হাসি দেয় প্রীতি।
(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now