বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মেকু কাহিনী পার্ট ২

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X ভয় পাওয়া মানুষটা এবারে চিৎকার করে উঠল, “কী সর্বনাশ! এখনো দেখি কাদঁছে না। " মেকু প্রাণপণে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু যে ধরেছে তার হাত লোহার মতো শক্ত, সেখান থেকে ছাড়া পাওয়া অসম্ভব ব্যাপার। বোঝার আগেই শক্ত লোহার মতো হাত দিয়ে আবার তার পাছায় কেউ একজন একটা ভয়াবহ থাবড়া বসিয়ে দিল, সেই থাবড়া খেয়ে মেকুর মনে হল তার শরীরের ভিতর সবকিছু বুঝি ওলট পালট হয়ে গেছে। হঠাৎ করে মেকু বুঝতে পারল যে বাচ্চাটা কাদঁছে না বলে সবাই খুব ভয় পেয়ে গেছে সেই বাচ্চাটা সে নিজে, এবং যতক্ষণ সে তার গলা ছেড়ে বিকট গলায় কাঁদতে শুরু না করবে ততক্ষণ শক্ত লোহার হাত দিয়ে তার পাছায় একটার পর একটা থাবড়া মারতেই থাকবে। মেকু আর দেরি করল না, গলা ফাটিয়ে বিকট গলায় চিৎকার করে কেঁদে উঠল, সাথে সাথে ঘরে একটা আনন্দধ্বনি শোনা যায়। মোটা গলায় মানুষটা বলল, “আর ভয় নাই। বাচ্চা কেঁদেছে।” ভয় যখন নেই এখন কাঁদা থামাবে কি না মেকু বুঝতে পারল না। কিন্তু শেষে সে কোনো ঝুঁকি নিল না, চোখ পিট পিট করে তাকাতে তাকাতে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে লাগল। মোটা গলার মানুষটা খুশি খুশি গলায় বলল, "ওয়ান্ডারফুল ! কী চমৎকার কাঁদছে দেখ। কী শক্ত লাংস!" মেকু বুঝতে পারল না কাদা কেমন করে চমৎকার হয় আর তার সাথে শক্ত লাংসের কী সম্পর্ক। সে শক্ত হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। এতদিন মায়ের পেটে কী আরামে ছিল, খাওয়ার চিন্তা নেই, ঘুমানোর চিন্তা নেই, বাথরুম যাবার সমস্যা নেই, আর সেখান থেকে বের হতে না হতেই এ কী সমস্যা? মেকু টের পেল কেউ একজন তাকে আচ্ছা করে দলাই মলাই করে মুখোমুছি করছে। শরীর মুছে একটা কাপড়ে জড়িয়ে ধরে মেয়েলি গলায় কেউ একজন জিজ্ঞেস করল, "দেব এখন মায়ের কাছে?" মেকু প্রায় চিৎকার করে বলেই ফেলছিল, “দেবে না মানে? এক শ বার দেবে—” কিন্তু এখানকার ব্যাপার-স্যাপার ভালোমতো না বুঝে কিছু বলা উচিত হবে বলে মনে হয় না। মেকু চুপ করে রইল, শুনল ভারী গলায় একজন বলছে, "না এখন মায়ের কাছে দেবেন না। মা খুব টায়ার্ড। পাঞ্জি ছেলেটার ডেলিভারিতে মায়ের কী কষ্ট হয়েছে দেখছেন না?" মেকু খুব চটে উঠল, তাকে পাজি বলছে কত বড় সাহস? রেগেমেগে সে কিছু একটা বলেই ফেলছিল কিন্তু লোহার মতো শক্ত হাতের সেই ভয়ংকর থাবড়ার কথা মনে করে চুপ করে রইল। চোখ পিট পিট করে সে মানুষটাকে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মেকু কাহিনী পার্ট ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now