বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
১ম পর্ব
দু'জনের মধ্যে ছিলো অনেক বন্ধুত্ব। তাদের মধ্যে ছিলোনা কোন কিছুরই অভাব। চলার পথ ও ছিলো একসাথে। তাদের মধ্যে ছিলোনা কোন দূরত্ব। তাদের বন্ধুত্বের মধ্যে এতোটাই মিলছিল যে, অন্য দশটা Best capol কেও হার মানিয়ে দিতো। তাদের বন্ধুত্বের গভীর ছিলো অনেক
But,
হটাৎ তাদের এই বন্ধুত্ব ও ধিরে ধিরে খারাপ হতে লাগলো। কেন তাদের এই সম্পর্কের দূরত্ব হলো অনেক।
তারা উভয় একে অপরকে ভালোবাসতো।
কেউ কাউকে বলতে সাহস পেতো না। ছেলেটা যেমন মেয়েটাকে হারাতে চায় না , তেমনি মেয়েটাও ছেলেটাকে হারাতে চায় না। তারা দুজনে একই রকম ভেবেছে। ছেলেটা বলতে চায়, But মেয়েটা রং ভেবে তাদের বন্ধুত্বের যেনো খারাপ না হয়। মেয়েটা ও বলতে চায়, ছেলেটার মতো ভেবে মেয়েটাও ভয়ে কিছুই বলতে পারেনা।
তারা বন্ধুর মতো চলাপেরা করতো, বলতে পারো তারা একে অপরকে কতটা ভালোবাসতো তা দুজন দুজনকে বুঝতে দিতোনা।
মেয়েটার অন্য কোনো ভয়ে না থাকলেও ছেলেটার আবার ছিলো অন্য চিন্তা।
ছেলেটা ভাবতো সে এখনো একজন Student. তার এখনো বিয়ের বয়স ও হয়নি। অথচ, মেয়েটার অনেক আগেই বিয়ের বয়স হয়েছে। আর মেয়েটার বিয়ে যেকোনো সময় বিয়ে হয়ে যেতে পারে ।
গল্পের ২য় পর্ব
ছেলেটি ভাবে, একটা মেয়ের দায়িত্ব নিতে হলেও যে, একটা ছোট খাটো job এর প্রয়োজন, যা তার নেই। সে কবে পড়ালেখা শেষ করবে, কবে সে job করবে, কবে সে দায়িত্ব গ্রহনের যোগ্য হবে। এই বিষয় তার ছিলো অজানা। আর এইজন্য ছেলেটা মেয়েকে, ভালোবাসি এই কথাটা বলার সাহস করেও বলতে পারেনা।
ছেলেটা একটা সিদ্ধান্ত নেই, সে মেয়েটার থেকে দূরে সরে যাবে।
কারণ,
সে মেয়েটার সাথে যত মিশে তত তার ভালোবাসার অনুভুতি গভীরতা পাচ্ছে। তাই সে মেয়েটার থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করে। মেয়েটা প্রথমে বুঝতে না পারলেও, পরে আস্তে আস্তে সে বুঝতে পারে যে, ছেলেটা যেনো তার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
মেয়েটা ছেলেটার সাথে অনেক বার যোগাযোগ কারার চেষ্টা করে, কোন চেস্টাই তার লাভ হয় না। সে নিজেকে অনেক প্রশ্ন করে। But ছেলেটা তার থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোন কারণ খুজে পাইনা।
ছেলেটা মেয়েকে এতো ভালোবাসার পারেও, মায়েকে পাত্তা দেয় না। মেয়েটা ও জানতে চায় তার বন্ধুর এমন কি হয়েছে, সে ছেলেটাকে বার বার প্রশ্ন করে ছেলেটা উত্তর দেই না। আর এইভাবেই তাদের দিন কাটতে থাকে। মেয়েটা ছেলেটাকে দেখে আর অবাক হয়ে যায়। কারণ তার চোখে ছেলেটা এখন পাল্টে গেছে। যেন এখন আর তার বন্ধু নয়। But,
মেয়েটাতো আর ছেলেটাকে হারাতে চায় না। তাই একদিন মেয়েটি সময় করে ছেলেকে সব কিছু খুলে You.
ছেলেটা হাসতে হাসতে মেয়েকে বল্লো, তোমার দিক থেকে সব কিছুই খুব সহজ, কারণ তুমি একটা মেয়ে। যদি ছেলে হতে, তাহলে আমাকে এই সব কিছু বলার আগে অনেক বার ভাবতে।এখন মেয়েতো, তাই কিছু বুঝবে না।
Writer by jojo(Rana)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now