বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রথম যখন চট্টগ্রাম -পার্ট 2

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মুজাহিদ মুহাম্মাদ (০ পয়েন্ট)

X আপন গন্তব্যে হেঁটে যাচ্ছি আমরা সবাই। আমি কেবল হাঁটছি না, আমার চারিপাশে থাকা নয়নাভিরাম দৃশ্যগুলোও দেখে যাচ্ছি অপলকভাবে। গাছে-গাছে ফুল আর ফলের সমাহার। ছোটবেলায় বইপুস্তকে পড়েছিলাম, চট্টগ্রামের সবজি-ফলের কথা। আজ সেটা সচক্ষে দেখতে পেলাম। ওইতো অদূরে একটি ছোটো বাড়ির আঙ্গিনায় কিছু সনাতনধর্মী মানুষ দেখা যাচ্ছে। দলবেঁধে তারা ফুল কুড়াচ্ছে হয়তো পুজো করবে বলে। দেখতে লাগলাম চারিপাশ,আর রেলপথে থাকা পাথর মাড়িয়ে এগুতে লাগলাম সামনের দিকে। সবাই চুপচাপ এগুতে লাগলো আপন রোখের প্রতি। গিরিপথের মতো একটা সরুপথ ধরে শহরের দিকে যেতে লাগলাম। আমরা যে পথটা দিয়ে এখন হাঁটছি এটা নিচ থেকে উপরের দিকে ওঠেছে। চলতে কষ্ট হলেও আমার হাঁটতে বেশ ভালো লাগছিলো। কারণ এখানকার সবকিছু আমার কাছে নতুন। আর নতুনের তো একটা মজা আছেই। প্রায় ৫ হাজার মানুষ,কিন্তু মেইন রোডে ওঠার পর আমার সাথে কেবল সাথি-সঙ্গিদের পেলাম। বাকিরা সব নিজেদের মতো করে দিগবিদিক চলে গেলো। একটা মসজিদ পেলাম শহরের প্রবেশ পথে। মসজিদের সামনে জলভরা পুকুর পেলাম। ওখানে ওজু করে ওই মসজিদে সালাত আদায় করলাম আমরা সবাই। সালাতের আগে আমার সাথে ঘটলো এক মজার ঘটনা। প্রচুর গরম পড়েছে। তাই আমি গেলাম ফ্যান চালাতে। আমি তো সুইচ চিনি না,তাই ইচ্ছা মতো উলটাপালটা সুইচ টিপতে লাগলাম। সহসা একলোক এসে চট্টগ্রামের আনঞ্চলিক ভাষায় আমায় কী যেন বলল। বুঝলাম না কিছুই। অনুমান করে সুইচ টিপা বাদ দিয়া সালাতে মশগুল হয়ো পড়লাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now