বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মহাস্থানের রহস্যময় গুহা পর্ব-: ১

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ইমন ইসলাম শুভ (০ পয়েন্ট)

X লেখকঃঃ- ইমন ইসলাম শুভ গল্পটা কাল্পনিক তাই কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না। গল্পটা পুরো টা পড়ার অনুরোধ রইলো। প্রথম দিকে কিছু বর্ননা হলেও শেষের দিকে গল্পটা পড়ে মজা পাইবেন। তাই সম্পুর্ণ পড়ার অনুরোধ করছি। ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমা করবেন। দেখতে দেখতে অনেকটা সময় কেটে গেল জিজের সাথে। এখন 2029 সাল । অনেক দিন হলো কোন ভ্রমণে যাওয়া হয় নি।তাই সবাই ঠিক করলাম বগুড়ার ঐতিহাসিক স্থান দেখব।তাই সবাই কে বলা হলো বগুড়া মাটিডালি পৌছাতে।মাটিডালি থেকেপুন্ড্র নগর 13 কিলোমিটার। সবাই কে বলা হলো সকাল 10 টা দিকে পৌছাতে। সবাই আনন্দে বিমোহিত আমরা ঘুরতে যাব।আড্ডা দিব তুবা আপু বলল আমি ওখানকার ছবি আকবো।সবার সাথে দেখা হবে। কি মজা। সবার মুখে আনন্দ।প্রায় সবার আসার কথা। কিন্তু দেখলাম 25 জনের মত এসেছে।মেয়েদের মাঝে তুবা বুড়ি,রামিশা আপি,ইসরাত,তাহেরা আপি,সাবিরা,রুবি আপি,রেহনুমা আপি,তাসনুভা,সুস্মিতা, আরও অনেকে।ছেলেদের মাঝে আরাফাত দাদু,সাইমন জাফরি, সামির,শুভ,হৃদয়,মফি,সাইম,রনি,আনিছুর ভাই,কাব্য ভাই,পার্থ,ইমন,মেহেদী, মাহিন ,আমি আর আনেকে। আমরা সবাই রওনা দিলাম পুন্ড্র নগরের দিকে।একটা বাস ভাড়া নিলাম। দেখলাম হৃদয় ভাই তার প্রেমিকা কে নিয়ে এসেছে। তার নাম আনিকা।এবং একজন এডভেঞ্চার প্রিয় মানুষকে নিয়ে এসেছে যার নাম প্রিন্স টিউটোরিয়াল। সংক্ষেপে তাকে প্রিন্স বলে ডাকে । সবার সাথে তাদের পরিচয় করে দিল।বাসে সবাই উঠলাম।যার যার মতো সিটে বসলাম। যাত্রা পথেঃ- হৃদয়ঃ প্রতিদিন তোমাই দেখি সূর্যের আগে। প্রতিদিন তোমার কথা হৃদয়ে জাগে আনিকাঃ বাহ আমার প্রতি তোমার এত ভালবাসা হৃদয়ঃআগে পুরোটা শোনো আনিকাঃ হুম বল হৃদয়ঃও আমার দেশ। ও আমার বাংলাদেশ আনিকাঃ কি তুই তোর দেশকে ভালো বাসিস। আমাকে না। তোকে আমি।?আমার সাথে কথা বলবি না। হৃদয়ঃ আনিকায়ায়ায়ায়া sorry ।প্লিজ সবাইgjgj ইভাঃচা খাব কখন। কখন আসবে পুন্ড্রনগর। রামিশাঃ তুই চা ছাড়া কিছুই বুঝিস না। প্রিন্সঃ আরে সবাই চুপ কর। কি লাইগা দিয়েছো চুপ কর সবাই [প্রিন্স আমাদের দলনেতা। কারন তিনি এডভেঞ্চার প্রিয়।তিনি খুব অভিজ্ঞ ও দক্ষ।তাই তাকেই আমাদের দলের প্রধান করেছি।]। ইমনঃপ্রিন্স সবাই মজা করছে।থাক না। আমার তো ভালোই লাগছে।যার যেটা ইচ্ছে তাই সেটা করুক না কেন প্রিন্সঃএকটু এই রকম করতে হয়।না হলে আরো গেঞ্জাম হবে।এই সবাই বাস থেকে নামো। এসে গেছি। আমরা সবাই বাস থেকে নামলাম।পুন্ড্র নগরের বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। বাস থেকে নেমেই আজান পরলো। তাই আমরা সবাই নামাজ পরলাম।সেখানে মেয়েদের নামাজ পরার জায়গা ছিল তাই মেয়েরা নামাজ পরলো।নামাজ পরে আমরা ঠিক করলাম কি করবো।আমরা ঠিক করলাম গড়ের উপর উঠব সেখানে জিয়ৎ কুন্ড দেখব, যাদু ঘর দেখব,আরো অনেক কিছু দেখবো। আমরা হাটতে হাটতে গড়ের উপর উঠছি। হঠাৎ আনিকা হচোট খেয়ে পড়ে গেল।আর হাটতে পারছে না । আনিকা যেই পড়ে গেল। আর হৃদয় ভাই দৌড়ে তাকে উঠাতে গেল" আনিকাঃ বলে উঠলো কান্না সুরে ধন্যবাদ weep আনিকা হাটতে পারছেনা বলে হৃদয় ভাই বলল আমি আনিকাকে হোটেলে নিয়ে যাই।তোমরা যাও ঘুরে আসো। মফি বলল আমি হৃদয় ভাইকে ছাড়া যাব না। তুবা বুড়ি, ইভা, বলল আমরা গুলুমুলু কে ছাড়া যাব না। প্রিন্সঃবলল তাহলে আমরা কাল সকালে যাব।এখন সন্ধ্যা কতক্ষন আর ঘুরবো। তাই আমরা চলে গেলাম হোটেলে।আমরা সবাই রুম ভাগ করে নিয়ে ঘুমাতে গেলাম। ইভা আপু চিৎকার দিয়ে উঠল।আমরাঃ কি হয়েছে। আমরা সবাই সেখানে গেলাম।বললাম কি হয়েছে।ঐ দেখ ও ও ওখানে। আমরা চারদিকে তাকালাম।বললাম কথাও তো কিছু নেই। ইভাঃ মাটিতে দেখ। আমরা মাটির দিকে তাকালাম দেখলাম একটা তেলাপোকা। gj পার্থঃহি হি হা হা মফিঃগুলুমুলু হা হা,,, ইভাঃ আমাকে দেখে হাসা হচ্ছেangry তুবাঃ বলল চল আমরা মেয়েরা সবাই এক সাথে ঘুমাব।gj ইভাঃ আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে।এমনিতে আমাকে অনেক ভয় লাগে। তাহলে তাই হোক। সাবিরাঃyes হৃদয়ঃচলো আমরাও ছেলেরা এক সাথে ঘুমাব।yes মফিঃ কি?????sick একা ঘুমানোর মজাই আলাদা। cool মাহিনঃ তাহলে তুমি একাই ঘুমাও। মফিঃ একা ঘুমানোর চেয়ে তোমাদের সাথে ঘুমাবো তাই ভালো হবে। নতুন পরিবেশ।gj মেহেদীঃ তাহলে তুমিও ভিতু মফিgjgj আমরা সবাই ঘুমাতে গেলাম। ঘুম থেকে উঠে নামাজ পরলাম। নামাজ শেষ করে আমরা আবার হোটেলে গেলাম।সবাই যে যার মত মজা করছে । একসময় সাবিরা আপুঃ আরে হৃদয় আর আনিকা কোথায়। সুস্মিতাঃ দুজনে হয়ত প্রেম করছে।gj ইভাঃ নতুন একটা যায়গা। কিছুই চিনে না দেখ দেখি তারা প্রেম করছে ঢং কত। ইশুঃ ইভা তোর কি হিংসা হচ্ছে। ইভাঃ আমার আবার হিংসা হবে কেন বলে কিনা চিরকুমার হতে চায়।আমিতো আগেই বলেছি সে কখনো চিরকুমার হতেই পারবে না। রামিশাঃ এইটা কিন্তু ঠিক বলেছিস। প্রিন্সঃ থাম এবার একেতো নতুন একটা জায়গা কোথাই গেছে তার খবর নাই। খালি একে অপরকে নিয়ে দোষ খুঁজে বেড়ানো।তোমরা মেয়েরাতো এটা ছাড়া কিছুই পার না। ইমনঃ প্রিন্স আমি দেখছি।হৃদয় ভাই কোথাই গেছে। প্রিন্সঃ তুমি কিভাবে দেখবে যায়গাটার সাথে তুমি পরিচিত। ইমনঃ হ্যা প্রিন্স এখানেই আমাদের বাসা এখানে থেকে 60- 70 মিটার দূরে। প্রিন্সঃ তাহলে তো ভালোই হয়। যাও খুজে নিয়ে আসো। এদিকে আমাদের আপুরা কাদো কাদো অবস্থায় বসে আছে। প্রিন্সঃ সরি। মাথা একটু গরম ছিল। সরি। ঐদিকে হৃদয়ঃআজকে আবহাওয়াটা বেশ মজার ।মনের কথা বলার মোতো সবচেয়ে ভালো জায়গা। আনিকাঃ কিছু বললে হৃদয়ঃ না কিছু না। বলছি আখ টা খেতে খুব সুন্দর। আনিকাঃ হ্যা। আচ্ছা হৃদয় আমরা যে কাউকে না বলে চলে আসলাম। প্রিন্স,ইমন,সামির,মফি,ইশু,ইভা, এরা কি ভাববে বলো । হৃদয়ঃআরে যে যায় ভাবুক ভাবুক না কেন। এখন তুমি যেটা ভাবছো সেটা আমার কাছে ইম্পর্ট্যান্ট।। আনিকাঃ আমি কিছু বুঝলাম না। হৃদয়ঃ আরে এটাই তো সমস্যা কেউ কিছু বুঝতেই চায় না। আনিকাঃ কি বললা হৃদয়ঃ না মানে কিছু না মানে ইয়ে আরকি ভাবছি কি গান গাই আনিকাঃ বাবা আজকে কিভাবে গান গাওয়ার ইচ্ছে হলো। হৃদয়ঃ দেখ না এই আবহাওয়া, সাথে তুমি আছো। আর কেউ নাই। বোঝোনা তুমি।এখন না গাইলে কখন গাইবো আনিকাঃ ঐ হিরো যেভাবে গান গায় সেই রকম। হৃদয়ঃ হ্যা। কখনো গেয়ে শোনাই আবার কখনো বলেও দেয়। আনিকাঃ তাহলে শুনি কি বলে বা শোনায়। হৃদয়ঃ এই এই সাবধানে সাবধানে। দেখে দেখে যাও। এই বলেনা ফুলের কথা। শুনেছো ফুল আনিকাঃ হ্যা ফুল। হৃদয়ঃ চারদিকে কত ফুল। আনিকাঃ কই এখানে তো কোন ফুল নেই। চাদিকে শুধু মাটির ঢিবি। হৃদয়ঃআরে বোঝেই না কিছু দেখছি।আচ্ছা মাটির ঢিবি হলো। ঢিবি গুলা কত সুন্দর ৷ ঘাস গুলো কত সবুজ মেঘলা আকাশ আনিকাঃ মেঘলা কোথাই আকাশ তো পরিষ্কার। হৃদয়ঃ আরে আকাশ যেকোনো সময় মেঘ করতে পারে। আনিকাঃ ও আচ্ছা হৃদয়ঃ যেদিকে দেখি শুধু তুমি চোখে ভাসো। তুমি কি আমাই ভালোবাসো এরমাঝে ইমন ভাই হৃদয় ভাইকে ডাকছে ইমনঃ হৃদয় এই হৃদয় ভাই। ও ও সরি সরি মনে হয় ভুল যায়গাই এসেছি। হৃদয়ঃ আরে ইমন ভুল জায়গাই কেন। কি হয়েছে বল। ইমনঃ কিছু না। সবাই আপনাকে নিয়ে চিন্তিত। কাউকে না বলে এসেছেন যে। হৃদয়ঃ ও আমরা একটু হাটতে এসেছিলাম। ইমনঃ সে তো দেখতেই পাচ্ছি। হৃদয়ঃ কিছু বললা ইমন। ইমনঃ না ও কিছু না। হৃদয়ঃ চল হটেলে যাওয়া যাক। ইমনঃ হ্যা চলেন। চলবে''''''''''''''''''''' চলবে'''''''''''''''''' ধন্যবাদ গল্পটা পড়ার জন্য


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now