বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হঠাৎ আসা মানসিক চাপে এলেমোলো এই জীবন

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাফায়েত হোসেন (০ পয়েন্ট)

X করোনার তাণ্ডব বেড়েই চলছে। টিভিতে দেখা যায় ভারতে করোনার মারাত্তক অবস্থা আবার ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে দুঃশ্চিন্তা আমি স্বাধীনকে মানসিক চাপের মাঝে ফেলে দিয়ে পরাধীনতার সুবাস ছড়ায়।কিন্তু এইসব চিন্তাও আমার কাছে তেমন একটা বেশি কিছু না আমি চলছি আমার মতো বাস্তব আর অনলাইন নিয়ে।আর সেই অনলাইনেই আমি বার বার অবহেলার শিকার হয়ে আমার অতিরিক্ত রাগ আর অভিমানটাকে বার বার শানিত করে যাচ্ছি।আসলে অনলাইনের জগতটাই বাস্তবের থেকে পুরোই কাল্পনিক এখানে কারো আবেগ দেখার সময় কি কারো আছে আরো ভালো করে বলতে গেলে কোনো উপায় আছে কি?আমি এই চিরসত্যটা জেনেও বার বার অনলাইনটাকে বেশিরভাগ সময়ই বেশি গূরুত্ব দিয়ে ফেলি।আর মানসিক চাপে পড়ে যাই।নামটা স্বাধীন যেন নাম তার অর্থটাকে সুবিচার করার আশায় সব জায়াগাতেই স্বাধীন হতে চায় ফলে পুরষ্কার হিসেবে ওই অবহেলাই পায়।অবহেলাটা আমি কোনো প্রিয় মানুষ,ভালোবাসার মানুষ তেমন কারো কাছ থেকে পাই নি বা কখনো পাওয়ার সুযোগ ও সৃষ্টি হয় নি। আমার বাস্তব জীবনে কি অনলাইন কি কোনো জায়গাতেই আমার কাছে ভালোবাসার সুবাশ আশে নি কিন্তু দুই জায়গাতেই অনেক বন্ধুর সুবাশ ঠিকই পেয়েছি।এই বন্ধুত্তের সুবাশের মাঝে সবাই তো সুবাশ ছড়ায় না কেউ অবহেলার বিষ ঢেলে দেয় আর সেটাকে স্বাভাবিক ভাবে নিয়ে জীবনে এগিয়ে চলা উচিত কিন্তু আমার মতো অতি আবেগী আর অভিমানী ছেলের পক্ষে মনকে শক্ত করা আসলেই অনেক কঠিন।এইতো কিছুদিন আগে ফেসবুকে একটা বন্ধুর থেকে অবহেলার স্বীকার হলাম।তাকে অনেক ভালো বন্ধু ভেবেছিলাম কিন্তু অনলাইনে বেশি আপন ভাবার ফল সেই অবহেলাটাই পাইলাম।আর মানসিক যন্ত্রণা,মানসিক চাপে পড়ে গেলাম।তাই রাগ করে ফেসবুকে সবার সাথেই কথা বলা বন্ধ করে দিলাম। একের অবহেলায় তুই পিষ্ট আর বাকিরা হলো তোর থেকে অবহেলিত চাইলেও পারিস না বলতে কথা অজানা এক বাধা বলে উঠে বলিসনে তুই কথা তাই আমি জানি না বাকিদের সাথে আর কখনো কথা বলবো কি না।ভাবছি অনলাইন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিবো।তবে কিছু ভালো বন্ধু যারা আছে তারা ফেসবুকে ম্যাসেজ দিলো কিন্তু আমি উত্তর দিলাম না। স্বাধীন এখন গোপনীয়তার চাদরে চারদিকে কত চেনা মুখ ডাকে তাহারে সে ডাকে নাহি সাড়া দেয় মুখটি ঘুড়িয়ে নিজ অভিমানেই টিকে রয় এর মধ্যে আমার মানসিক চাপের কথা আমার কলজের ভালো একটা বান্ধবী নেহা জেনে যায় আসলে আমি নিজেই বলি ওরে।কারো সাথে কথা না বললেও ওর সাথে ঠিকই কথা বলি।তো সে হোয়াটসয়াপ এ আমায় কল দিয়ে বকা দিল ম্যাসেজ দিলো অনেক, বুঝালো অনলাইনের খারাপ দিক,অনলাইন কে গূরুত্ব না দিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে আর তার কথাগুলো আমার খুব ভালো লাগলো মনটাও শান্ত হলো। ভীষণ কালো অন্ধকারে ঢাকা আমার মন তারি কথায় প্রশান্তির ছোয়ায় ঘন কালো মেঘ ধীরে ধীরে সরে গিয়ে ফেলে রেখে দেয় আমার মাঝে আমিটারে নেহার সাথে কথা বলার পর ভাবলাম এবার স্বাভাবিক হয়ে যাই অনলাইনের এসব স্বাভাবিক কাহিণি নিয়ে না ভেবে সেটাকে স্বাভাবিক ভাবেই নেই কিন্তু অভিমানটা এখনো কমলো না।এখনো কারো সাথে কথা বলি না ম্যাসেঞ্জারে ডে নামক ঠিকানায় মনের মাঝে জমে থাকা কিছু কথা দুই চার লাইন লিখি আবার তা মুছেও ফেলি এভাবেই চলছে।জানি না কবে স্বাভাবিক হবো কবে আমার মনটা একটু শান্ত হবে।অনলাইনকে কি একেবারে বাদ দিয়ে দিবো বা পারবো কি না সেটাও দেখার বিষয়।আমি স্বাধীন এর মাঝে আবার আসবে কি না স্বাধীনতা তা সময়ের মাঝেই ফেলে দিলাম।সময় তার ধারাবাহিক ভাবে এগিয়ে চলার মাঝে হয়তো আমার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে দিবে নয়তো আমি নিজেই খুজ নিবো। আমার প্রশ্নগুলো জমা নাও সময় তোমারই পোস্ট অফিসের ঠিকানায় তোমার অবিরাম ছুটে চলার মাঝে করো একটু ইচ্ছে দিয়ে দাও উত্তর আমার করা প্রশ্ন যা ছিলো তোমার নিকট


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now