বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রেমময়(শেষ পর্ব ৬)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Ifat Eva (০ পয়েন্ট)

X ইসরাত কাঁদতে কাঁদতে বাসায় আসলো।রিফাহকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলো।রিফাহ বলল,'কিরে কাঁদছিস কেন?এই কিছু বল।রনি ভাইয়া কিছু বলেছে?কিছু করেছে?' ইসরাত কাঁদতে কাঁদতে বললো,'রনি কিছু বললেও কাঁদতাম না।মারলে কাটলেও কিছু কাঁদতাম না।কিন্তু সে কি করলো?' ইসরাত রিফাহকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলো। রিফাহ ইসরাতের মাথায় হাত দিয়ে বললো,'কি হয়েছে বল?' 'ব্রেকআপ।' 'ব্রেকআপ?কিসের ব্রেকআপ?' ইসরাত রিফাহকে ছেড়ে দিয়ে বলল,'রনি ব্রেকআপ করে দিয়েছে।' 'কিন্তু কেন?' 'সেটা জানি না।সেটা বলে নাই।' ইসরাত কাঁদতে লাগলো।চোখ দিয়ে অশ্রু বয়ে যাচ্ছে। দুই বছর পর............ ইসরাত অন্যদিকে তাকিয়ে হাঁটছে।কার সাথে যেন ধাক্কা খেল।তাকাতেই দেখলো রনি।সেই প্রথম দিনের মত ধাক্কা লাগলো।রনি ফোন টিপতে টিপতে আসলো।ধাক্কা লেগে ফোনটা পড়ে গেল।ইসরাত রনির দিকে তাকিয়ে আছে।রনি ফোনটা তুলে তাকাতেই দেখলো ইসরাত। রনি বললো,"ইসরাত।" ইসরাত দেরি না করে চলে যাচ্ছিল।রনি বললো'ইসরাত দাঁড়াও।কিছু কথা আছে।' ইসরাত রনির কাছে এসে বললো,'কি কথা?' 'সরি সেদিনের জন্য।' ইসরাত অন্যদিকে রাগান্বিত হয়ে তাকিয়ে বলল,'সরি কেন বলছো?আর সরি বলে কি হবে?' 'ইসরাত দেখো আমি সত্যি তোমাকে ভালোবাসি।বিশ্বাস করো।' 'বিশ্বাস তো করেছিলাম।বিশ্বাস করেই ভুল করেছি।' 'হিংস্র বাঘিনীর মত তাকিয়ে কেন?' 'হিংস্র বাঘের সামনে হিংস্র বাঘিনীর মতই তাকাতেই হয়।' 'দেখো সত্যি তোমাকে ভালোবাসি।' 'তাহলে ব্রেকআপ করলে যে।' রনি চুপ হয়ে গেল।ইসরাত বললো,'চুপ করে আছো কেন?বলো।' 'বাজি ধরেছিলাম।' 'কিসের বাজি?' 'হ্যা বাজি।আমার একটা ক্লাসমেট বলেছিল তুই যদি ব্রেকআপ করতে পারিস তাহলে বুঝবো বীরপুরুষের মত কাজ করেছিস।আমি বললাম আমি পারবো না সত্যি ভালোবাসি তাকে।কিন্তু তারা এমনভাবে বাজি ধরেছিল যে আমি রাজি হয়েছিলাম।বাজিতে ৫০ হাজার টাকা ছিল।' ইসরাত রনির শার্টের কলার চেপে বললো,'এই মাত্র ৫০ হাজার টাকার জন্য আমার সাথে এরকম করলে তুমি!তোমার কি টাকার কম পড়েছিল তোমার বাবার কি টাকার অভাব হয়েছিল বাজি ধরেছ।' 'না টাকা বড় ছিল না।বাজিটাই বড় ছিল।আমি সত্যি ভালোবাসি তোমাকে।' ইসরাত রনিকে ছেড়ে দিয়ে বললো,'এখন বলে কি হবে?দুদিন বাদে আমার বিয়ে।আর এখন এসব বলা হচ্ছে।' 'কি বিয়ে?কই রিফাহ তো আমাকে কিছুই বলেনি।' 'রিফাহ কেন তোমাকে বলবে?' 'ব্রেকআপ করলেও তোমার খোঁজখবর রিফাহর কাছ থেকে নিতাম।' 'রিফাহকে বিয়েতে ইনভাইট করেছি আয়শাকেও।পারলে তুমিও এসো।' এই বলে ইসরাত বলে ইসরাত চলে যাচ্ছিল।দুইমিনিট হাঁটার পর পিছন ফিরে দৌড়ে যেয়ে রনিকে জড়িয়ে ধরে বলল,'আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি।আমিও রিফাহর কাছ থেকে তোমার খোঁজখবর নিয়েছি।' 'তোমার বিয়ে,তাহলে?' ইসরাত রনির দিকে তাকিয়ে বলল,'ওটা এমনি বলেছিলাম।তোমাকে চমকে দেওয়ার জন্য।' 'ওরে আমার রানী রে এমন মজা করে।আমি ভয় পেয়েছি।' 'হ্যা বিয়ে তো হবেই তোমার সাথে।' 'চলো এখন।' 'কোথায়?' 'এই সুন্দর পথ দিয়ে হাঁটবো এখন তোমার হাত ধরে।' ইসরাত রনির হাত ধরলো।তারা হাটতে লাগলো। "সমাপ্ত"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now