বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লাঞ্চ টাইম। ক্যান্টিনের আশপাশে ভীষণ হুরোহুরি। এতো হুরোহুরির মাঝেও একটা আকুলকরা সুর ভেসে আসছে।
কিসের সুর এটা?
সামনে এগিয়ে গেল মেরিনা। দেখল একটা বই হাতে বসে আছে এক সুন্দর যুবক। একটা বইও যে এত সুন্দর করে কেউ পড়তে পারে , মেরিনার জানা ছিল না।
ছেলেটির কাছে গেল সে।
: হাই!
কিন্তু কানেই গেল না ছেলেটার । নাকি ইচ্ছে করেই জবাব দিল না!!
মেরিনা আবার ডাকলো- এই যে শুনছ?
পড়া থামিয়ে মাথা তুলে তাকালো ছেলেটা। তারপর চোখ নামিয়ে বলল- জ্বি শুনছি, বলুন!
: কিসের বই এটা?
: এটা বই না ম্যাম । এটা আমাদের ধর্মীয় গ্রন্থ
“আল কুরআন”।
মেরিনা জন্মসূ্ত্রে ইহুদি হলেও সে নাস্তিক্যবাদে বিশ্বাসী।
যুবকের কথা শুনে হাসলো সে। বলল-
: আসলে ওসব ব্যাক-ডেটেড ধর্ম- কর্মে আমি বিশ্বাসী না। আমার কাছে মনে হয় ফ্রি মুভমেন্টে(স্বাধীন চলাফেরায়) ধর্ম একটা বাইন্ডীঙ্গের মত। এটা করো, ঐটা করো না। এটা বলো , ঐটা বলো না। এরকম হাজারো বিধি- নিষেধ! যেগুলো মেনে চলা আমার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব নয়।
তবে তোমার সুরটা চমৎকার ছিল!????
নিজের প্রশংসাটা সাবধানে এড়িয়ে গেল যুবক।
: দুঃখিত, আমি আপনার কথায় একমত নই । আমি মনে করি- ইন এভরিথিং একটা বাইন্ডিং থাকাই উচিত।
নিয়ম- নিতীহীন কোনকিছুই সফল কিংবা স্থায়ী হয় না।
প্রতিটা কথাই যুবক অন্যদিকে তাকিয়ে বলছে।
যেটা চোখ এড়ালো না মেরিনার।
তাই পরিচিত হওয়ার ভঙ্গিতে বলল-
: ও হ্যাঁ! আমি মেরিনা। বলে হাত বাড়িয়ে দিলো।
: আর আমি সায়েল। হাত না বাড়িয়েই বলল যুবক।
চলবে…
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now