বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একবার ভালোবাসো

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ★mAhIrA★ (০ পয়েন্ট)

X ছোট্ট একটা ঘর আমার ছোট্ট একটা মন। সেই ঘরেতে বাস করে আমার প্রিয় জন.. ছোট্ট দুটি আখি তার ছোট ছোট পা তাই দেখে উরে গেল আমার পরান টা… – অবসর সময়ে দু একটা কবিতা লেখে সালমান..চাকরি করার পর সময় মেলেই না..একটা প্রাইভেট কম্পানীতে ছোট খাট একটা জব করে..সকাল ৭.৩০ সময় বাসা থেকে বের হয় সালমান..বাস স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে থাকে বাসের জন্য..এই সময়টা অনেক ব্যস্ত থাকে নগরী..সবাই যার যার কাজের গন্তব্যে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত..অনেক কষ্ট করে বাসে উঠতে হয়..তাও আবার দাড়িয়ে থাকতে হয় অনেক সময়. – প্রায় প্রতিদিন এমনই হয়..স্ট্যান্ডে অনেকেই দাড়িয়ে থাকে..কিন্তু সালমানের নজর কারে একটা মেয়ে..প্রতিদিন বাসের জন্য অপেক্ষা করে..মনে হয় স্টুডেন্ট হবে..হাতে বই থাকে সব সময়.. – সালমান প্রতিদিন লক্ষ করে মেয়েটাকে..কিন্তু সময়ের অভাবে কথা বলা হয় না.. – মেয়েটা লক্ষ করে কিনা কে জানে.? – প্রতিদিনের মত অফিস থেকে ফিরে রেস্ট নিচ্ছে সালমান..আর মনে মনে ভাবছে মেয়েটার কথা.. – রেহানা বেগম সালমানের রুমে আসলেন..সালমানের মা ইনি..বাবা সালমান অনেক ত বয়স হল এবার একটা বউ নিয়ে আয় ঘরে..দেখ আমার অবস্থাও ভাল না..কত দিন আর বাঁচব..যাওয়ার আগে তোর সুখের সংসারটা দেখে যেতে চাই.. – মা তুমি এভাবে বলছ কেন..তুমি যদি এভাবে বল তাহলে আমি কি সইতে পারি.? – তাহলে এবার বিয়ের জন্য মত দে..আমি একটা মেয়ে দেখেছি তোর জন্য..তুই হ্যাঁ বললেই পাকা কথা বলব.. – মা আমাকে আর ১০ দিন সময় দেও..আমি একটু ভেবে দেখি.. – আচ্ছা ভেবে দেখ..তবে ১০ দিনের বেশি সময় দিতে পারব না.. – তাতেই হবে.. – ফ্রেস হয়ে টেবিলে আয়..আমি খাবার দিচ্ছি.. – রাতের খাবার খেয়ে সালমান বিছানায় শুয়ে ভাবছে মেয়েটার কথা..কাল ত শুক্রু বার,ছুটির দিন। মেয়েটার সাথে দেখা হবে না..মনটা খারাপ হয়ে গেল সালমানের.. – পরের দিন সকাল ১০টায় ঘুম ভাঙল সালমানের..বিছানা থেকে উঠে নাস্তা করল..তারপর বসল টিভি দেখতে..সপ্তাহে দুই দিন একটু টিভি দেখার সময় হয়.. – সালমান জুম্মার নামাজ পরে বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া সেরে রেস্ট নিচ্ছে..চিন্তা করছে বিকেলের সময়টা কি করবে..?হটাত মনে পরল অনেক দিন পার্কে গিয়ে সূর্য ডোবা দেখা হয় না.. – সালমান পার্কে বসে আছে এক কর্নারে..আশে পাশে অনেক মানুষ ঘুরতে এসেছে..সবাই অনেক হাসি খুশি..সালমান দেখল একটা মেয়ে তার দিকে আসছে..অনেকটা পরিচিত লাগছে..খানিকটা কাছে আসতেই সালমান চিনে ফেলল মেয়েটাকে..এ যে সেই বাস স্ট্যান্ডের মেয়েটা.. – সালমান অনেক খুশি..যাক আজকেও দেখা হয়ে গেল..আজ কি বলে দেবে মেয়েটাকে যে,তাকে অনেক পছন্দ আমার.. – মেয়েটা সালমানের সামনে এসে দাড়াল..আচ্ছা আপনি কি আমাকে ফলো করছেন.? – সালমান কেমন জানি ফিল করছে..বুকের ভিতর ধুক ধুক করছে.. – কি হল উত্তর দিচ্ছেন না যে.. – কই না ত..আমি ত আপনার ফেবু আইডি জানি না আর ফলো কিভাবে করব.. – আমি ফেবুর কথা বলছি না..আমি যেখানেই যাই সেখানেই আপনি থাকেন..ব্যাপার কি..? – সালমান কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না..তা দাড়িয়েই কথা বলবেন না কি বসবেন..? বসে কথা বলতে সমস্যা নাই ত আপনার..? – মেয়েটা বসল..তারপর জিজ্ঞেস করল আপনি কি করেন.? – সালমান উত্তর না দিয়ে বলল,আপনার নামটা কি জানতে পারি..? – নাম দিয়ে কি করবেন.?আগে আমার প্রশ্নের জবাব দিন.. – আসলে আমি আপনাকে ফলো করি না..কাকতালিয় ভাবে আমাদের দেখা হয়ে যায়..হয়ত উপর থেকেই সব করা হচ্ছে..আর আমি একটা প্রাইভেট কম্পানিতে জব করি..আর আমার নাম সালমান। – হুম..সবই বুঝলাম..তবে আপনার নামটা যেন কেমন অদ্ভুত..সালমান,শুনলেই কেমন যানি একটা ফিল হয়..যাই হোক না বলতেই সব বলে দিয়েছেন..আমার নাম সুমাইয়া..পরাশুনা করি অনার্স ৩য় বর্ষ এবার.. – দু জনের কথা বলতে বলতে সন্ধ্যা হয়ে এসেছে..সূর্য অস্ত যাচ্ছে..সালমান সূর্য অস্ত যাওয়া দেখছে..সূর্যের লাল রঙ সুমাইয়ার মুখে এসে পরেছে..দেখতে এখন পরীর মত লাগছে.. – আচ্ছা আজ তাহলে উঠি..সন্ধ্যা হয়ে এসেছে.. – আচ্ছা নাম্বারটা কি পেতে পারি..? – সুুুমাইয়া মুচকি একটা হাসি দিয়ে বলল ০১৯২৭ বাকি ডিজিট গুলো অন্য এক দিন দেব..যে দিন আবার কাকতালিয় ভাবে দেখা হবে আমাদের.. – সালমান একটু অবাক হয়ে চেয়ে রইল…সুুমাইয়া চলে গেল.. – ৭ দিন হয়ে গেল,সুমাইয়াকে আর দেখা যাচ্ছে না বাস স্ট্যান্ডে..সালমান পাগলের মত হয়ে খুজে যাচ্ছে এখানে সেখানে..সারা শহরের সব কয়টা রেস্টুরেন্ট,পার ্ক,শপিং মল..কোথাও দেখা মেলে না সুুুমাইয়ার..অফিসের কাজেও মন বসে না..অফিস থেকে ৩ দিনের ছুটি নেয় সালমান.. – – বাসায় ফিরে ভাবছে কি করবে এবার..কোথায় পাব সুমাইয়াকে..সুমাইয়ার দেওয়া অর্ধেক নাম্বারটার কথা মনে পরল…বাকি ডিজিটগুলা বসিয়ে অনেক ট্রাই করল কিন্তু কোন নাম্বারই সুমাইয়ার না.. – আজ ৮ম দিন…মার জানি কি হয়েছে..অনেক অসুস্থ হয়ে পরেছে..হাসপাতাল ভর্তি করেছে সালমান..চিন্তায় কুল কিনারা পাচ্ছে না.. – সালমানের একটা বন্ধু আছে..খুব কাছের বন্ধু..এই শহরেই থাকে..একটা প্রাইভেট কম্পানিতে জব করে..ছোট বেলা থেকেই এক সাথে বড় হয়েছে দুই জন..পার্থ নাম.. – সালমান ফোন করে সব কিছু জানায় পার্থকে.. – পার্থ সব শুনে চলে আসে হাসপাতালে..দুই জনে মিলে অনেক চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয় মা সুস্থ হলেই মাকে বিয়ের জন্য হ্যাঁ বলে দেবে সালমান..কিন্তু সালমান একা বিয়ে করবে না সাথে পার্থও..দুই বন্ধু একসাথে বিয়ে করবে.. – সালমান ডাক্তারের কাছে গেল..কত দিন লাগবে সুস্থ হতে..? – ডাক্তার বললেন প্রায় ১০-১৫ দিন ত লাগবেই..তবে কাল বাসায় নিয়ে যেতে পারবেন এবং পূর্ন রেস্টে রাখবেন.. – সালমান সস্থির নিশ্বাস ফেলল. – মাকে বাসায় নিয়ে গেল সালমান.. – সালমান আর পার্থ বসে আছে পার্কে..কি করবে এখন..সুুমাইয়ার কোন দেখা নাই..মনের কথা ত বলতে পারলই না অন্য দিকে মাকে কথা দিতে হবে..চিন্তা করছে সালমাান – অন্য দিকে পার্থ চিন্তায় আছে তার বিয়ের প্রস্তাব কি মেনে নেবে কবিতার পরিবার..? – কবিতা হল পার্থের অর্ধাংশ..৫ বছরের প্রেম তাদের..অনেক মধুর সম্পর্ক দু জনের..কবিতা পরাশুনা শেষ হতে এখনো ২ বছর বাকি..সেই কলেজ লাইফ থেকে পরিচয় দু জনের..প্রথম দিনেই ঝগরা..তারপর আস্তে আস্তে প্রেম. – কবিতার আজ আসার কথা পার্কে..সমস্যার একটা সমাধান করার জন্য.. – পার্থ বসে বসে ঘাস চাবাচ্ছে আর ভাবছে আর সালমান আকাশ দেখছে..হটাত সামনে এসে দাড়াল কবিতা.. – এই ছাগল ঘাস চাবাচ্ছ কেন.? – তুমি এসেছ এতক্ষনে..ঘাস চাবাব না ত কি করব..আমি ত তাও কিছু করছি আর ঐ দেখ আরেক জন চিন্তায় আকাশের সীমানা মাপছে.. – কবিতা সালমানকে সালাম দিয়ে বলল ভাল আছেন ভাইয়া.? – নাহ..ভাল আর কি করে থাকি..চিন্তায় জীবন শেষ.. –কবিতা দুই জনের সব কথা শুনল..তারপর পার্থকে বলল আজই বাসায় প্রস্তাব পাঠাতে..বাকি কাজ কবিতা সামলে নিবে..আর সালমাানকে বলল ভাইয়া কি আর করবেন যাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না তাকে ভুলে যান..মায়ের পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করেন.. – হুম কবিতা..আমিও তাই ভাবছি..সুুুমাইয়া বসন্ত বাতাসের মত এসে কাল বৈশাখি ঝরের মত চলে গেল..যাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে যাবে না তাকে মনে রেখে লাভ কি..আজই মাকে হ্যাঁ বলে দেব..আর পার্থ তুই আজই কিন্তু প্রস্তাব পাঠাবি. –সালমান বাসায় এসে বসে বসে ভাবছে..তারপর এক পর্যায়ে মার কাছে যায়. – কি রে বাবু কিছু বলবি..? – হ্যাঁ..মা আমি তোমার পছন্দের মেয়েকে বিয়েতে রাজি.. – যাক অবশেষে সুবুদ্ধি হল..তা মেয়ে দেখবি না.? – নাহ..তুমি দেখেছ তাতেই হবে..তুমি মেয়ে পক্ষের সাথে কথা বল..বিয়ের দিন ঠিক করে জানাও..পার্থকে জানাতে হবে.. – সালমান মায়ের রুম থেকে বেরিয়ে সোজা পার্থের বাসায় চলে এল.. – কিরে সালমান বলে দিলি তাহলে..আমিও প্রস্তাব পাঠিয়েছি..ওরা রাজি হয়েছে..কবিতা সব মেনেজ করে নিয়েছে..এখন তোর বিয়ের দিন ঠিক হলেই হল.. – পার্থ আমার না সুমাইয়ার জন্য কেমন করছে মনটা..মনে হচ্ছে কি যেন হারিয়ে ফেলছি.. – আরে মন খারাপ করিস না সালমান.যা হবার ছিল তাই হচ্ছে..চল শপিং এ যাই মন ভাল হয়ে যাবে.. – চল তাই করি..মনটা ভাল করা দরকার..তা ছারা বিয়ে ত ঠিক হয়েই গেছে..মাকে একটা ফোন করে চল বেরিয়ে পরি.. – দুই বন্ধু মিলে গেল শপিং করতে..খুব আনন্দ করছে দুই জন..অনেক শপিং করল বিয়ের..হটাৎ পিছন থেকে সুমাইয়ার গলার আওয়াজ. – আরে সালমান ভাই না..কেমন আছেন..?ওয়াও এত্ত শপিং করছেন..ব্যাপার কি..? – ভাল আছি না মন্দ আছি তা জেনে তুমি কি করবে..কত খুজেছি তোমাকে..কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলে..?অবশ্ য এখন এ সব বলে আর কি লাভ.. – কেন.?লাভ নেই কেন.?আর আমি অসুস্থ ছিলাম অনেক.. – ও..থাক ভালই আছ মনে হয়..ক দিন পরে আমার বিয়ে..তাই আর পুরান কথা তুললাম না..ভাল থেক.. – ওয়াও..congratul ation অগ্রিম..আমাকে ইনভাইট করবেন না..? – কি করে করব..তোমার ত শুধু অর্ধেক নাম্বার জানি আর বাসার ঠিকানাও জানি না.. – তাও ঠিক..তাহলে আপনার নাম্বার দিন আমি বিয়ের দিন চলে আসব ফোন করে..আর বাকি ৩টা ডিজিত নিন ৬৩৪..বাকি তিনটা বিয়ের দিন গিফটে লিখে দেব.. – সালমান অবাক..মেয়ে বলে কি..যাই হোক মনের মানুষ ত..সালমান নিজের নাম্বারটা দিয়ে দিল.. ———– – আজ পার্থ আর সালমানের বিয়ে..দুই বন্ধু এক সাথে বরের সাজে সেজেছে..পার্থ অনেক খুশি কিন্তু সালমানের মনটা আজও খারাপ..কেন যে সে দিন সুমাইয়ার সাথে দেখা হয়েছিল.. – সবাই এসে গেছে বিয়েও শেষ..সালমানের বিয়ে হল মেঘ নামের এক অজানা অদেখা মেয়ের সাথে..আর পার্থর হল কবিতার সাথে.. – সবাই চলে যাচ্ছে..অনুষ্ঠান শেষ..সালমান এখনো অপেক্ষা করছে সুমাাইয়র জন্য..শেষ দেখাটা অন্তত দেখার জন্য..কিন্তু সুমাইয়া যে আসে না.. – বাসর রাত আজ সালমানের..অদেখা আর অচেনা এক মেয়ের সাথে যাকে সে এখনো দেখেনি.. – রুমে ঢুকতেই মেঘ একটা গিফট এগিয়ে দিল সালমানকে..বড় ঘোমটা থাকার কারনে চেহারাটা দেখতে পেল না সালমান.. – গিফটা নিয়ে খুলতেই.. – সেখানে লেখা বাকি তিনটা ডিজিট দিলাম মন চাইলে কল কর নইলে বিছানায় আস.. – সালমান অবাক হয়ে চেয়ে আছে লেখাটার দিকে..তাহলে এই কি আমার সুমাইয়া..? – দেরি না করে ঘোমটা তুলতেই সেই চির চেনা মুখটা দেখতে পেল সালমান..এই ত আমার সুমাইয়া.. – কি অবাক হলেন.?খুজে পেলেন আপনার সুমাইয়াকে.. – তুমি কেন..?আমার ত মেঘের সাথে বিয়ে হয়েছে..মেঘ কোথায়..? – আমিই মেঘ..মেঘ জান্নাত সুমাাইয়..এখন বলেন সুমাইয়াকে ভালবাসেন না মেঘকে.?কার সাথে সংসার করবেন..? – উত্তরে একটাই নাম আসে সুমাাইয়া..আমি তোমাকে ভালবাসি সুমাইয়া..অনেক ভালবাসি.. – আর কিছু দিন পর বললে হয়ত আমাদের বাচ্চারাও শুনতে পারত..তা কেমন লাগল সারপ্রাইজ..সবই ছিল প্লান করা..আমার শাশুরি আম্মা আর আমি দুজনে মিলেই এই প্লান করেছি… – ওও…আর আমি কষ্টে মরে যাচ্ছিলাম তার দিকে খেয়াল নাই.. – খেয়াল আছে বলেই ত রোজ খোজ নিতাম আপনার.. – তা আপনি করেই বলবে না তুমি করে.. – আমার না লজ্জা লাগছে এখন.. – ওরে আমার লজ্জাবতিরে.. এভাবেই খুনসুটি আর গল্পে কেটে যাচ্ছিল দুই ভালবাসার পাখির দিনগুলো… …..ছোট সে ঘরে জায়গা দিলাম ……মনের দুয়ার খুলে, ……বাসবে কি ভাল এমন করে ……সারা জীবন ধরে =একবার যখন ধরেছি হাত =ছারব না কভু =তুমিও আমায় তেমনই বেস =যেমনটা বেসেছিল এই হৃদয় (copied)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now