বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই গল্পটি খুবই ছোট এবং এটি আমার Real life এর। Fun করবেন না যা সত্যি তাই বলছি।
আপনার তো girlfriend নাই, আমাদের এই খানে কাউকে পছন্দ হলে বলবেন।
আমি আছি.....!
আমি আমার মামার বাসা থেকে মামার শশুর বাড়িতে বিয়ের অনষ্ঠানে গেলাম মোটামুটি এক দিন আগেই। জানি খুবই একটা বোরিং লাগবে। আমার বয়সী কেউ নাই। Maximum মামা সম্পর্কে কি করবো বুঝতে পারছি না। আমার থাকার স্থান হলো পাশের বাড়িতে। ভালই হলো সিগারেট খাওয়া যাবে। সেদিনের মত ভালই কাটলো নিরিবিলি মাঝে মাঝে মামাতো বোন একটু জ্বালাতে আসলো ওর ছোট ছোট বান্ধবী নিয়ে। সেই দিনটা কাটিয়ে পরের দিন সকালে ঘুম ভাঙলো বোনের ডাকে প্রায় এগারোটা নাগাত। নাস্তা সেরে আবার রুমে ঢুকে পড়লাম। একটা সিগারট লাগিয়েছি এমন সময় আমার বোন সহ এক মাসী এলো। তখনও আমি জানিনা যে এই মেয়েটি মাসী। পরে অবশ্য প্রিয়ঙ্কা মাসী বলেই তার সাথে ভালো সম্পর্ক হলো। আমি সিগারট টা ফেলে দিয়ে তাদের সাথে পরিচয় হলাম। একটু পরে মামার শালা মানে বর মামা এলো .... ভাগিনা এইখানে থাকলেই চলবে ওই খানে সবাই তোমাকে নিয়ে কথা বলতেছে। আর তুমি... ? পরে ওনাদের বাসায় গেলাম কিছুক্ষন থাকার পরে lance শেষে আবার শুয়ে পড়লাম। দুপুরের ঘুম ভাঙলো বক্স এর সাউন্ডে। ভাবছেন বিয়ে বাড়িতে এটা কমন কিন্তু না। আমার রুম এ
আর চোখ খুলে দেখি যেনো মেয়ের মেলা বসেছে এই রুমে। আমি তো থ! সবাই এ কি ড্যান্স। লজ্জায় আমি চোখ খুলতে পারছি না। আমার ঘুম ভাঙ্গার আভাস পেয়ে পরিবেশ একটু ঠাণ্ডা হলো। সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল আমার বোন নন্দিতা।
দাদা এ হলো আদরি মাসী, এ প্রিয়াঙ্কা মাসী, এ ওয়ন্তিকা দিদি, ইনি বৌদি, সুমি মাসী, আরো অনেক। মাসী রা জামাই ডাকা শুরু করে দিলো fun করে। ওয়ন্তিকা হলো সেই রাজকন্যা যার জন্য লেখা। জামাই আসেন ড্যান্স করি ,,,, নাহ মাসী আমি আমার লাইফে কোনো দিন এতো বড় সাহস করিনি। আচ্ছা ওয়ন্তিকা আপনার মোবাইলে ভোজপুরি গান আছে। আপনি ড্যান্স করবেন নাকি। দুর আমি করি না। প্রিয়ঙ্কা ভালো পরে। আরে দেন না । সর্ত আছে আপনাকেও নাচতে হবে। তাহলে আমার সাথে আপনি। মোটা - মুটি টাইম পার হয়ে গেলো। অনেক মজা করলাম। পরের দিন বিয়ে। রাতে বর যাবে বিয়ে করতে। বোন বলতেছে দাদা তোকে ডাকতেছে কে রে প্রিয়ঙ্কা মাসী। কেনো। আমি জানি না। কোথায় ওদের বাসায়। আচ্ছা চল। ওখানে সবাই আছে। তাতে কি? নাহ্ তুই হাফ পেন্ট টা চেঞ্জ করে শার্ট গায়ে দে আমি সুমি মাসী কে নিয়ে আসি তার পরে যাবো। মানে কি? Problem কি তোর। আরে না আমার একটা স্ট্যাটাস আসে না। আচ্ছা ঠিক আছে ম্যাডাম। মাসিদের বাসায়।
অনেক মেয়ে, বৌদি অনেক ফাজলামি পরে।
প্রিয়ঙ্কা মাসী বললো বৌদিকে কাল একজন আমাদের সাথে নাচে নাই কি সরম। কিসের রে সরম জামাই আসছে যে। ওয়ন্তিকা আমি কিন্তু বাড়ি যাবো তোদের সাথে থাকবো না। আচ্ছা ঠিক আছে এই তোরা চল। জামাইকে সুপারি দেওয়া লাগবে না। একে একে সবাই গেলো আমি আর ওয়ন্তিকা বসে আছি।
ওয়ন্তিকা - আপনি রিলেশন করেন নাহ্।
আমি - আরে নাহ। - তাই। - ভালো কাউকে পাই নাই। - ওহঃ আমাদের এই খানে কাউকে পছন্দ হলে বলবেন আমি আছি। - তাহলে তো দেখতে হয়। - হম তারা দেখে ফেলেন। - আচ্ছা আপনি কি করেন। - ক্লাস টেনে পড়ি। - কোন diparment ? - কমার্স। কেনো বলুন তো? - যদি বলি ভালো মানুষটি পেয়ে গেছি। - কাকে select করলেন। - আমার সামনের আয়নায় যে মানুষটার প্রতিবিম্ব দেখা যায় সেই মানুষ টা। - দেখি দেখি কে সেই রাজকন্যা। - আসেন এই আয়নার সামনে দাড়ান দেখতে পারবেন। - এখানে তো আমাকে ছাড়া কাউকে দেখতে পারছি না। - তাহলে আপনি? - আপনি না মানুষটা খুব খারাপ। দুর ভাল লাগে না।
ওয়ন্তিকা তখন লজ্জায় লাল হয়ে দু ঠোঁটে একটু হাসি নি রুম থেকে বেরিয়ে গেলো। খানিক বাদে চা নিয়ে সুমি মাসী সহ রুম এ আসলো। এইযে আপনার চা। আমি বললাম Thanks. - আমি বানাই নাই। প্রিয়াঙ্কা কে বলেন। এইযে মেয়েটা রুম থেকে বেরিয়ে গেলো আর কোনো কথায় বলবে না ।।। চা পর সুপারি খেয়ে আদরী মাসীর বাসা থেকে বেরিয়ে মামার বাসা যাওয়ার সময় আমি প্রিয়ঙ্কা মাসী কে বললাম মাসী আমি কিন্তু সিরিয়াস। মাসী আমাকে বললো জামাই কি বলতেছেন। আমি বললাম হম মাসী অত ভাব নেওয়ার কিছু নাই। আপনি বলছেন তাই আমিও বলছি এখন কথা না বলে মজা নেওয়া। মাসী আবার বললো জামাই কি পাগল হইলেন নাকি। আমি , মাসী সুপারি মাথা দরছে। ......
সবাই ভাগা ভাগি হওয়ার পর আমি তখন রুম এ বসে মামা সিগারেট খাচ্ছে। ফোন আসলো। কোথায় আপনি? - কে? - ওয়ন্তিকা! আপনি কোথায়? - ওহঃ আমি তো রুমে। - মাথা ব্যাথা সেরেছে। - কি খবর করার লোক রে আমার। এতক্ষণে খোঁজ হলো। - আচ্ছা আমি আসতেসি।
মামা যাওয়ার একটু পরেই ওয়ন্তিকা আসলো আমি একটু ঘুমের ভান করে শুয়ে রইলাম। আমার মাথায় হাত দিয়ে বুলাতে লাগলো। আর বললো তুমি এমন কেনো সার্থপর। নিজেরটা বুজলে আমাকে নিজের করেই ছাড়লে। সে বুঝতে পারলো আমি জেগে আছি। অমনি মাথাটা চেপে ধরে ঠোঁটে একটা চুমু দিয়ে দৌড় দেওয়া শুরু করলো। আমি অমনি হাতটা ধরে একটা টান দিতেই সে আমার উপর পড়ল। - আমি যাও কোথায়? - অম ছাড়ো কেউ দেখে ফেলবে। - আমি বল ভালো বাস কি না। - তুমি বুঝো না। আমি আর একটা টান দিয়ে আমার উপর শুয়ে দিলাম। ঠোঁটে ঠোট দিয়ে kiss করতে শুরু করলাম। - কেউ আসবে। ছাড়ো। - love you বললে ছাড়বো। - কামড় দিবো কিন্তু।
এমন সময় দেখি প্রিয়ঙ্কা মাসী আর সুমি মাসী বলতে লাগলো কতদিন থাকি। আমরা দুজন দুজনকে মুক্ত করে চুপ হয়ে গেলাম। ওরা তো হাসা হাসি শুরু করে দিলো। মাসী আবার বললো জামাই ডিস্টার্ব করলাম নাকি? সি মাসী লজ্জা দেন কেনো। - পার্টি দিতে হবে কিন্তু। ওয়ন্তিকা বিয়েতে পাবি। সুমি মাসী ওলে বাবা এত দুর। - দুর আর থাকবোই নাহ্। - এই দ্বারা দ্বারা । জামাই বিয়েতে যাবেন না। না যাওয়ার ইচ্ছা কিযে করি।
এদিকে মামা আসলো ভাগিনা যাওয়া লাগবে। তোমার মোটর সাইকেলটা নিয়ে তোমার আরো দুইজন মামা সহ আগে যাওয়া লাগবে। পান কাটা হয়নাই । -তাহলে আমি কিন্তু আগেই আসবো। রাত জাগতে ইচ্ছা করে না। - বিয়ে এমনিতেই ভোর এর আগেই আসবে। - আচ্ছা মামা। মামা যাওয়ার পর । মাসী কিরে ওয়ন্তি তুই কি করবি? - হম যাবো। - এখন তো যাবি বুজি না। - তোরা যাবি এখন থেকে।
ওয়ন্তিকা তুমি এই ঠান্ডায় মোটর সাইকেলে যাবে কেনো। কাজ নাই যাওয়া লাগবে। - তুমি যাবে না তাতেই হবে। - হম হবে। তুমি তোমার গাড়ি কাউকে দিয়ে আমার সাথে যাবে। - তোমার মা যাবে না। - মা যাবে না আমিও না যাওয়ার কথা বলছি এখন আর যাইতে দেয় কি না। - তাহলে ? - তোমার ভাবতে হবে না।
বিয়েতে যাওয়ার পর.....
এই তোমার তো ঠাণ্ডা করছে আমার চাদর টা নাও তখন বললাম যে গাড়ি নিয়ে এসো না কে শুনে আমার কথা। - লাগবে না তোমার ঠাণ্ডা করবে। - আসো ওই ঘরে যাই ঐখানে অন্য কেউ নাই। - হম
- আমার চাদরে মোড়া দাও। - কি বলো তুমি - এক কাজ করো তুমি এখানে শুয়ে পারো। - হম সেটাই ভালো আমার ঘুম পাচ্ছে। ওয়ন্তিকা প্রিয়ঙ্কা আর সুমি মাসী কে বলল আমি শুইলাম কেউ আসলে যেনো বুঝতে না পারে আর খাবার সময় ডাকিস।
প্রিয়ঙ্কা আর ওয়ন্তিকা ওরা দুই জন ক্লোজ বান্ধবী।
প্রিয়ঙ্কা মাসী বললো তোরা মজা কর আর আমি পাহারা দেই। ওয়ন্তিকা আমি দেই না যখন তুই কথা বলিস। - আচ্ছা বাবা তোরা যা খুশি কর আমি আছি। ওয়ন্তিকা আমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়ল। কি করতে চায় মেয়েটা । আমি কি কোন ভুল সিদ্ধান্ত নিলাম নাকি। নানান প্রশ্ন মাথা ঘুরা ঘুরি শুরু করলো। ওয়ন্তিকা একটা কেথা টেনে নিয়ে আমার উপর শুয়ে বলতে লাগলো তোমার খুব ঠাণ্ডা করছে তাই না। দেখি কোথায়। আমি আছি না আর ঠাণ্ডা আসতে পারবে না। এবার ঠোঁটে একটা কিস করতে গিয়ে বললো তুমি সিগারেট খাইছো তাই না। আরো সিগারেট আছে তাই না দেখি কোথায়। পকেটে এই বলে আমার পকেটে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে প্যাকেটা বের করে বলতে শুরু করলো এখন বল কি করবো ? যদি কখনো সিগারেট খাও আমি মানা করবো না তবে জীবনে কোনো দিন আর কিস করবো না। আর আমিও খাওয়া শুরু করে দিবো। এখন বলো কি করবো। আমি আজ না কাল সকাল থেকে আর জীবনে কোনো দিন হাত দিয়ে ধরবো না। - ওকে তাহলে কাল থেকে কিস করবো। আমি ওকে জড়িয়ে ধরে আমার নিচে শুয়ে দিয়ে ঠোঁটে ঠোট দিয়ে কিস করতে শুরু করলাম । সে দিন থেকে আমার সিগারেট খাওয়া বন্ধ। এইভাবে আমার বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ। তারপর দুজন দুজনার বাসা। আমি ঢাকা চলে আসি। দীর্ঘ ১মাস পর ওর বাসায় বিষয়টা নিয়ে অনেক problem সে আস্তে আস্তে ওয়ন্তিকা মেয়েটি আমার সাথে কথা বলা কমাতে শুরু করে তার ১মাস পর হটাৎ এক দিন প্রিয়ঙ্কা মাসী আমাকে ফোন করে বলল ওর নাকি গত কাল বিয়ে হয়েছে। আজ এক বছর । আমার সেই সিগারেট নিয়েই বেচেঁ থাকতে হলো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now