বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

"আমি তো বিয়েই করি নি"

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mysterious Nurnobi (০ পয়েন্ট)

X বাসায় বারান্দায় বসে বসে গল্পের বই পড়ছিলাম। আমার প্রচুর গল্প পড়ার শখ। যেকোনো গল্প মনে ধরলেই শেষ করার আগে উঠতেই ইচ্ছে করে না। সকাল ১০ বাজে। গল্পের মধ্যে ডুবে আছি, কোথায় কি হচ্ছে, কেন হচ্ছে এসব আমার গল্প পড়ার সময় আমার মধ্যে কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না। মা বেশ কয়েকবার ডাক দিল সকালের খাবার খেয়ে নিতে। সকালে উঠে যেই বই নিয়ে বসছি আর কোনোদিকে খবর নেই আমার। পেটে ক্ষুধা বলতেও কোনো কিছু টের পাচ্ছি না। এইভাবে গল্পে মগ্ন থাকার জন্য অনেক কথা শুনতে হয়েছে এখন পর্যন্ত। একবার গভীর মনযোগ দিয়ে আমার স্বভাবে গল্প পড়ছিলাম। আমার আম্মু বাসায় ছিল না। আর রান্নাঘরে বিড়াল এসে টর্ণেডোর মতো তান্ডব চালিয়ে গেল। আর আমি বুঝতে পারলাম আমার আম্মু আসার পর, যখন আম্মু ঘাড়ের পেছনে সাজোরে একটা দিল। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম মারলে কেন? আমাকে কান ধরে রান্নাঘরে নিয়ে গেল। আর বাকিটা ইতিহাস। আরো বেশ কিছু ভয়ংকর ঘটনাও ঘটেছে আমার এত অতি মনোযোগের ফলে। যাই হোক! আপন মনে গল্প পড়ছিলাম ঠিক ওই সময় পাশের বাড়ির ফটিক এসে খবর দিল, আমার ছেলের নাকি রাস্তায় এক্সিডেন্ট হয়ে গেছে। জেলা হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমি খবর শুনেই শেষ। ইন্না-লিল্লাহ, কিভাবে হলো এটা? সর্বনাশ! তাড়াতাড়ি হাসপাতালে যেতে হবে। হঠাৎ করে ডাক দেওয়ায় আমার গল্প পড়ায় ব্যাঘাত ঘটার ফলে প্রথমে একটু বিরক্ত হয়েছিলাম। কিন্তু খবর শুনে পরে তা ভয়ে রূপ নেয়। দ্রুত ফটিককে পেছনে বসিয়ে আমার সাইকেলটা নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম। তাড়াতাড়ি হাসপাতালে যেতে হবে। প্রাণপণে সাইকেল চালাতে লাগলাম। ভাঙাচোরা রাস্তাটা দিয়ে যাচ্ছিলাম। কারণ ওটাই ছিল শর্টকাট, মেইন রাস্তা দিয়ে গেলে প্রচুর সময় লাগবে। হঠাৎই সামনে দিয়ে দেখলাম সুমাইয়া হেটে হেটে আসছে। ও আমার সাইকেল থামিয়ে জিজ্ঞেস করছে, কোথায় যাচ্ছ? আমি বললাম এখন কথা বলার সময় নেই! পরে কথা বলবো। আমার ছেলের এক্সিডেন্ট হয়ে গেছে। আমাকে এখন দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। সুমাইয়া বললো কি? কি বলছো এসব তুমি? আমি বললাম হ্যা। আমার যেতে হবে এখন। আর কোনোদিকে না তাকিয়ে সোজা আবার সাইকেল নিয়ে দিলাম ছুট। এক টানে গিয়ে হাসপাতালের বাইরে সাইকেলটা ফেলে হাসপাতালে ঢুকে পড়লাম। হাসপাতালে ঢুকেই খেলাম মারাত্মক ধরণের বড় সড় একটা ধাক্কা। এটা কি হলো? আমার ছেলের এক্সিডেন্ট কিভাবে হবে? আমার তো কোনো ছেলেই নেই। আর আমার বউ? আরে আমি তো বিয়েই করি নি! মাত্র ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। হাসপাতাল থেকে বেড়িয়ে দেখি কোথাও ফটিকের ফটোকপিও নেই। হঠাৎ মনে পড়লো সুমাইয়ার কথা। সর্বনাশ! ওকে কিসব আজেবাজে বলে ফেললাম। ও এখন কি ভাবছে? ওরে ফটিক তোকে একবার হাতে পাই! শুধু একবার! "আমি তো বিয়েই করি নি" লেখকঃ Mysterious Nurnobi


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now