বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

kaRib (part 1)

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মেহেদী হাসান হৃদ্ধ (০ পয়েন্ট)

X বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে কিন্তু রাকিব নেই।কিছুক্ষণ খোঁজার পর তানভীর বলল মনে হয় সে চলে গেছে। "কিন্তু স্যার যে তাকে থাকতে বলেছিল" বলল এহসান।"সে বোধহয় ভুলে গেছে"উত্তর দিল সাকিব। পরের দিন, বিদ্যালয়ের ভিতরে ঢুকেই পুলিশদেরকে দেখতে পেল সাকিব।সাকিবকে দেখে ক্লাসের ভিতর থেকে বের হয়ে আসল তানভীর ও এহসান। "রাকিব গতকাল থেকে নিখোঁজ। " "কি!" বুজেও কি না বলে পারল না সে। রাকিব ইচ্ছে করে যে কোথাও যাইনি তা বুজতে পারছে সাকিব।কয়েকজন পুলিশ স্যারদের কে জেরা করছে।ক্লাসে যখনই ঢুকতে যাবে তখনই একজন পুলিশ তাদের দিকে এগিয়ে এল। "শুনেছি তোমরাই নাকি রাকিবের সাথে প্রত্যেকদিন যাও(বাসায়)?" "হ্যা,ঠিকই শুনেছেন।" উত্তর দিল সাকিব।তারা ৪ বন্ধুর বাসা একই রাস্তা দিয়ে যাওয়া যায়। "কিন্তু গতকাল ছুটির পর তাকে পাওয়া যায়নি।তারপর আমরা সারের সাথে দেখা করি।" "সারের সাথে কেন দেখা করতে হলো?" 'স্যার আমাদের থাকতে বলেছিল।"উত্তর দিল তানভীর। "কোন স্যার?" পলাশ স্যার" "আপনি নাকি তাদের গতকাল থাকতে বলেছিলেন?" "হ্যা, স্কুলের বিশেষ একটি কমিটিতে যোগ দেওয়ার জন্য তাদের থাকতে বলেছিলাম।কিন্তু রাকিব ছিল না।" পলাশ স্যার থেকেও সন্তষ্টিমূলক জবাব পেল না পুলিশটি।তাই আরো অনেক শিক্ষক,শিক্ষার্থী এমনকি গেইটের পাশে থাকা অনেক দোকানদারকেও জিজ্ঞেস করা হলো।পুলিশের সাথে সাকিব, তানভীর আর এহসান সবার জেরা শুনছিল।তারাও এতে সন্তুষ্ট হয়নি। ক্লাস ৮ এর এ সেকশন বাদে সব ক্লাসে ক্লাস হচ্ছে। টিফিন পিরিয়ডের সময় পুলিশেরা তাদের কাজ শেষ বলে চলে গেল। ঠিক তখনই তানভীর সবচেয়ে লোভনীয় প্রস্তাবটা সাকিবকে দিল, "আমরা কি রাকিব কে বের করতে পারি না??" সাকিব কোনো কথায় বলে না।তানভীরের কথাটি শুনে এহসানের মুখও যে ১০০পাওয়ার মতো জ্বলে উঠল। "নিশ্চয় পারি।কিছুদিন আগে না আমরা নাফিসের হারানো টাকাটা কত কষ্টে খুজে পেয়েছিলাম আর পরীক্ষায় অসুদপায় অবলম্বনকারীদের ধরিয়ে দিয়েছিলাম।সে তো এক বিশাল ডিটেকটিভ কাহিনি।" নাফিস ছিল দারিদ্র্য ঘরের সন্তান।তার বাবা এমনিই বেতন দিতে হিমশিম খান আবার সে বেতন দিতে এসে টাকা হারিয়ে ফেলে।আর তার কি কান্না! তাকে দেখে মায়া লাগে সাকিবরা তাই খুজে দিয়েছিল।যদি ওইদিন না পেত তাহলে হইতো সে আত্মহত্যা করতো। "তার মানে তোরা বলছিস গোয়েন্দাগিরি শুরু করতে!" মুখ খুলল সাকিব। "হুম, আর তুই দলনেতা।" ঠিক তখন থেকেই শুরু হয়ে গেল সাকিব তানভীর আর এহসানের গোয়েন্দাগিরি। অন্যদিকে রাকিবের মাও কান্নাকাটি করতে করতে অজ্ঞান হওয়ার অবস্থা।তার বোনটাও কাদছে। রাত্রে সাকিব গনিত পড়ছিল। কিন্তু তার পড়ায় মন বসছে না।পড়ায় মন দিতে সে আরো ভালো করে পড়তে লাগল। তখন একটা সমীকরণ কোথা থেকে আসছে তা জানতে সমীকরণ টির উদ্ভাবক সম্পর্কে জানতে চাইল। হঠাত একটি লাইনে তার চোখ আটকে গেল। উনি নাকি লজিক গেইটের আবিস্কারক।লজিক গেইট কি তা সাকিব জানে না। তখন তার স্কল গেইট এর কথা মনে হল।তার স্কুলে গেইট দুইটা...। কিছু একটা মনে হতেই বসা থেকে উঠে দাড়াল সাকিব। দুই নম্বর গেটে চেক করেনি পুলিশ। মানে রাকিব দুই নম্বর গেইট দিয়েই বের হয়েছিল! পরদিন সকালে সাকিব এহসান আর তানভীরকে নিয়ে বের হলো।তার আগেই স্কুলে একটি আবেদন পত্র দিয়ে এসেছে।একদিনের ছুটির জন্য। দুনম্বর গেইটটা ছোট ধরনের। একসাথে দুজন যেতে পারে।গেইটের পরেই সরু গলি। আনুমানিক ২০-২৫ মিটার পর বড় রাস্তা(আপনার শরীরের ১০-১৪ গুন বড়)। সরু রাস্তায় পার হয়ে বড় রাস্তায় উঠে সাকিব দোকানদারকে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতেই সে বলল, " ওই দিন স্কুল ছুটি হওয়ার এক ঘন্টা আগে একটি বড় কালো গাড়ি আসে।স্কুল ছুটি হওয়ার পর একটা ছেলে দৌড়ে এসে এ গাড়িতে উঠে। " "তার ঘাড়ে কোন রঙের ব্যাগ ছিল?" "সবুজ" "তাহলে ওই ছেলেটাই রাকিব ছিল।" বলল তানভীর। "গাড়িটা কোথায় ছিল?" তখন লোকটা হাত দিয়ে দেখাল পুকুরের পাশে। সচারাচর সেখানে কেউ যায় না।সেদিন আবার বৃষ্টিও হয়েছিল।চারটা টায়ারের ছাপ এখনো পরিষ্কার।কাজে লাগবে বলে নিজের মোবাইল দিয়ে ছাপগুলোর ফটো তুলে নিল সাকিব।যখন উঠতে যাবে তখনই লক্ষ করল, একটি সিগারেটের অর্ধাংশ পড়ে আছে।তানভীর আর এহসানেরও চোখে পড়লো এগুলো। গাড়িতে যারা ছিল তাদের মধ্যে একজন ধূমপান করছিল। সিগারেটের রঙ সাধারণত সাদা নাহয় খয়েরি হয়।কিন্তু এটার মধ্যে সাতটা রং আছে। "দামি মনে হচ্ছে " বলল তানভীর। হ্যা তানভীর বলল, "চল দেখি এখানে কোথাও পাওয়া যায় কি না।এরকম সিগারেট তো আর কোনো সময় দেখেনি।" "কিরে কিছু পেয়েছিস?"সাকিবকে প্রশ্ন করলো এহসান। তখন সাকিব সিগারেট টি পরীক্ষা করছিল।সে বলল, " এখানে পাওয়া যাবে না রে।এ ধরনের সিগারেট উৎপন্ন হয় বিদেশে।" "কিন্তু প্রায় সব সিগারেটই যে উৎপন্ন হয় বিদেশে!" বলল তানভীর। "হ্যা, ঠিকই বলেছিস।কিন্তু এই ধরনের সিগারেট পাওয়া যায় এই শহরের একটিমাত্র দোকানে।" এহসান বলল, "তুই চিনিস?" সাকিব কোনোকিছু না বলে মাথা নেড়ে জানিয়ে দিল সে চিনে।কারন তার মামাকে এই রকম সিগারেট খেতে দেখেছে সে।এই জন্যই সিগারেট টা তার চেনা চেনা লাগছিল।একদিন তার মামার সাথে ঘুরতে গিয়ে ওই দোকানটা চিনেছিল।কিন্তু তা অনেক আগের কথা।কিন্তু তার মামা এখন আর নেই। ছয় মাস হলো তার মামা মারা গেছে। (চলবে) ~~~~~~~~~~~~~~~~~~ [ কোথায় গেল সে?? গল্পটি নতুন নাম দিয়ে, ইডিট করে নতুন করে দিলাম...। ইনশাআল্লাহ পুরো গল্পটি আগামী ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময়ে শেষ করব।গল্পটি কেমন হলো জানাবেন... ]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ KaRib (part 2)
→ KaRib (part 4)
→ KaRib (part 3)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now