বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কুকুর-বেড়াল-বনমানুষের বুদ্ধির কথা আমরা জানি, জানি তিমি বা ডলফিনও খুব বুদ্ধিমান। তবে প্রাণীজগতে পাখিরাও কম বুদ্ধি ধরে না। আকারের অনুপাতে বিস্ময়কর নানা কাজে দক্ষ এমনই কিছু পাখাওয়ালাদের কথা জেনে নেওয়া যাকঃ
আফ্রিকান গ্রে
ধূসর রঙ এর এই টিয়াগুলিকে পাওয়া যায় আফ্রিকায়। বুদ্ধিশুদ্ধির দিক দিয়ে এরা চার বা পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের সমান বুদ্ধিমত্তা ধরে। চিন্তা করতে পারে, রীতিমত মনে রেখে লুকানো খাবার খঁজে নিতে পারে, চিনতে পারে বেশ কিছু রঙ। তবে আফ্রিকান গ্রে এর সবথেকে বিস্ময়কর দিক হচ্ছে হুবহু মানুষের কথাবার্তা অনুকরণের ক্ষমতা।
ম্যাকাও
ম্যাকাও এর বহু প্রজাতি আছে, সবথেকে বড় হায়াসিন্থ ম্যাকাও দৈর্ঘ্যে প্রায় চার ফিট। প্রায় সব ম্যাকাও অত্যন্ত বুদ্ধিমান। বিরাট পাখিগুলি পোষা বেশ ঝক্কি হলেও এরা খুবই ভাল বন্ধু, আর হাস্যকর কাণ্ডকারখানা করে অফুরন্ত হাস্যরস জোগায়। ছোটখাট যন্ত্রকৌশল ও খাটাতে পারে এরা।
কাক, দাঁড়কাক
কাক আর দাঁড়কাকের বুদ্ধি নিয়ে আমরা বিলক্ষণ পরিচিত। ছোটখাট সমস্যা সমাধান বা যান্ত্রিক কৌশল খাটাতে এরা পটু। বুদ্ধিকে তুলনা করা চলে তিন বছর বয়সীদের সাথে। কাক চার পর্যন্ত গুণতে পারে, চিনে রাখতে পারে চেহারা। দলবদ্ধ এই পাখি একে অপরকে সাহায্য করবার পাশাপাশি একত্রে কাজের কৌশলও আয়ত্ত্ব করেছে। রুটির টুকরো পানিতে ফেলে মাছ ধরা, পেঁতে রাখা বড়শির দিকে নজর রাখা ও মাছ ধরা পড়লে সেই বড়শি থেকে মাছ খুলে পালানো, চকচকে জিনিসপাতি সংগ্রহের প্রতি এদের রয়েছে আগ্রহ। বনমানুষ, তিমি বা ডলফিনের মতোই বুদ্ধিমান এই পাখি।
কিয়া
দেড় ফিট লম্বা এই টিয়া জাতীয় পাখির দেখা মেলে কেবল নিউজিল্যান্ডে। এরা সর্বভূক, রঙ সবুজ, ধূসর, কমলা মেশানো। পর্বতের ভাঁড় নামে পরিচিত এই পাখির কতকগুলির স্বভাব হিংস্র, এরা ভেড়াদের আক্রমণ করে মাংস খেয়ে ফেলে। পর্যটকদের কাছে এদের দারুণ কদর।
কিয়া খুব বুদ্ধিমান পাখি, এদের কৌতূহল প্রবল। দল বেধে কাজ করা, ছোটখাট ধাঁধা সমাধানেও এরা পটু।
ইউরেশিয়ান ম্যাগপাই
চড়াই বা মোরগের মত পাখি কোন আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখলে ভাবে, ওটা বুঝি আরেকটা পাখি। ইউরেশিয়ান ম্যাগপাই কিন্তু আয়নায় নিজেকে দেখে চিনতে সক্ষম। দেহ অনুপাতে মস্তিষ্কের পরিমাণে এদের ওপর আছে কেবল মানুষ। দুঃখ প্রকাশ, ধাঁধা সমাধানের পাশাপাশি মানুষের কন্ঠ নকলেও এরা পটু।
বাজরিগর
ছোট্ট এই অস্ট্রেলীয় পাখিগুলি অনেকেই খাঁচায় পোষেন। সাদা, হলুদ, সবুজ, নীলসহ নানা রঙ এ মেলে এই পাখিগুলি। বুদ্ধিতে সাত মাস বয়সী শিশুর সমকক্ষ, নির্দিষ্ট সুরের শব্দগুচ্ছ চিনতে পারে এরা।
[ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত হয়েছে]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now