বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখক:অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় হৃদয় [MH2]
এদিকে নদী থেকে কুমিড়টা পাড়ে উঠে এসেছে, আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে,তবে একদম স্থির হয়ে দাড়িয়ে আছে,ভাবগতি এমন, যেন নিরব দর্শক হিসেবে আমাদের দেখছে।তবে যারা কুমিড়কে ভালো করে চিনেন তারা জানেন,কুমিড়ের এরকম করে তাকিয়ে থাকার কারণ হলো কুমিড় এভাবে তাকিয়ে শিকারের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে।তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে হয়তো কুমিড়টা ভাবছে এতো বেশি সংখ্যক মানুষের সাথে লাগতে যাওয়া কি ঠিক হবে কিনা। কুমিড় এইসব বিষয় নিয়ে ভাবনা চিন্তা করে কিনা জানি না। তবে সে যে শিকারের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে সে বিষয়ে আমি সন্দেহমুক্ত।
কুমিড়টা যেকোনো সময় আক্রমণ করতে পারে,তাই আমাদের এখন বাঁচবার পরিকল্পনা করতে হবে। কারণ আমরা যদি নড়াচড়া করি,তাহলেই কুমিড়টা আমাদের আক্রমণ করবে। আর সেটা আমাদের জন্য ভালো হবে না
আবার আমরা যদি দেরী করি, তাহলেই বিপদ,কারণ আমাদের পিছন দিকে আমাদের দিকে আসছে ফৌজি পিঁপড়া। ফলে আর সময় নষ্ট করা ঠিক হবে বলে মনে হয় না।
এইদিকে কুমিড়টা আমাদের দিকে কিছুটা এগিয়ে আসছে।কিছুটা ভয়ের সাথে সাথে চলছে বাঁচবার পরিকল্পনা সবার মনের মাঝে।মি.A আমাদের মাঝে বেশি দক্ষ, তিনি একটা পরিকল্পনাও করে ফেলেছেন,তিনি বললেন,,,
মি.A: রনি,তুমি ওই গাছটায় উঠে যাও,তবে সাবধানে।তারপর হৃদয় তুমি ওই পাড়ে একজনকে একটু জোরে চিৎকার করতে বলবে,কুমিড়টার নজর একটু অন্যদিকে গেলেই রনি তুমি লাফিয়ে পড়বে কুমিড়টার উপর।আর তারপরই কুমিড়ের মাথাটা চেপে ধরবে।তারপর যা করার আমরা করব।
মেহেদী ভাই: কিন্তু আপনার কাছে তো বন্দুক আছে,গুলি করে দিলেই তো লেঠা চুকে যায়।
মি.A : কিন্তু ওই কাজটা করা কঠিন হবে,কারণ আহত অবস্থায় যেকোনো প্রাণী প্রচন্ড হিংস্র হয়ে উঠে।আর একটা গুলি খেয়ে মরে যাওয়ার মতো কুমিড় এরা নয়।আমার বন্দুকে মাত্র ৪ টা গুলি আছে, যা দিয়ে কুমিড়টাকে মেরে ফেলে খুবই কঠিন।
তানিম ভাই: আর তাই আপনি কৌশলের আশ্রয় নিতে চাচ্ছেন।তাই তো???
মি.A :হুমম। আমাদের সঙ্গে তো এক্সট্রা দড়ি আছে, কাজটা সঠিকভাবে করা গেলে বেশিক্ষণ লাগবে না।
ফারহান: হুমম, আমি বুঝতে পারছি কী করে এইসব করা হবে।
সিয়াম: আমিও বুঝতে পারছি। আর আমাদের কাছে তো লম্বা ছুড়িও আছে,কুমিড় মারা সম্ভব এগুলো দিয়ে।
হৃদয়:সময় বেশি নেই,যা করার দ্রুত করতে হবে।
রনি ভাই: হুমম,আমি তাহলে গাছে উঠছি।অনেকদিন ধরে গাছে উঠি না, আর এখানে তো ডালপালাও কম এমন একটা গাছে উঠতে হবে।
আমি:চিন্তা করবেন না রনি ভাই। সাবধানে উঠার চেষ্টা করুন।
রনি ভাই:ইয়া আল্লাহ, গাছে উঠতে গিয়ে যেন একদম উপরেই না উঠে যাই।আল্লাহ রক্ষা কর।
মি.A: যাও রনি,সাবধানে গাছে উঠো, আর সাবধানে লাফ দিও।
আমাদের থেকে একটু দূরে, কুমিরটির মাথা থেকে মাত্র ৭/৮ ফুট উঁচুতে একটা মোটা ডাল ওয়ালা একটা গাছ আছে।হালকা ভয় পেলেও মি. A এর কথায় রনি ভাই ঘোড়পথে ওই গাছটাতে উঠল। একটা ভয় ছিল,তা হলো গাছে বিষাক্ত পোকা বা কোনো বড় মাছি বা কীট থাকলে রনি ভাইয়ের সমস্যা হবে। কিন্তু আমাদের উৎকন্ঠা দূর করে রনি ভাই গাছে উঠে গেল। এবার পরের কাজটা হলো ওপাড়ের কাওকে চিৎকার দিতে বলা। ওইপাড়ে দাড়িয়ে থাকা জিজে'সরা সবাই হালকা কথা বার্তাও বলছে না, সবাই পরবর্তি হাড় হিমকর অবস্থার কথা ভেবে চুপ করে রয়েছে।হৃদয় ওপাড়ের জিজে'সদের একজনকে চিৎকার করতে বলল, হৃদয়ের কথার শব্দে কুমিড়টা একটু এগিয়ে আসতে লাগল। আর অপর পাড়ে সারা,সুস্মিতা বা তুবা কেউই চিৎকার করতে গিয়েও প্রচন্ড ভয়ের কারণে চিৎকার করতে পারছে না, ভয় পেলে যা হয় আরকি।কিন্তু সমস্যার ঠিক করে দিল মফিজুল, শুভ ভাই আর লাকি আপু।তিনজনে মিলে অনেক জোরে চিৎকার করে উঠল।ফলে কুমিড়টা ওইদিকে ঘুড়ে গেল।
কুমিড়টার মনোযোগ সড়ানো সম্ভব হলেও, একটা সমস্যা হয়েছে। আর তা হলো কুমিড়টা গাছের ডালটা থেকে খানিকটা দূরে চলে এসেছে। ফলে রনি ভাইয়ের লাফ দেওয়াটা ঝুঁকির কাজ হয়ে গেল। কারণ লাফ দিলে যদি কুমিড়টার উপর সঠিকভাবে না পড়তে পারেন ওনি, তাহলে কুমিড়টাই ওনার জান শেষ করে দিবে। তবুও সঠিক সময় বুঝে অতি সাবধানে রনি ভাই লাফ দিলেন। আর সঠিকভাবে কুমিড়টার পিঠে পড়লেন,আর বসে রইলেন।কুমিড়টা হয়তো এরকম আচমকা আক্রমণ প্রত্যাশা করে নি।আমাকে বোকা বানিয়ে আমার পিঠে চড়েছ দাড়াও মজা দেখাচ্ছি, এটার মতো করেই কুমিড়টা রনি ভাইকে ফেলে দেওয়ার জন্য সমানে নড়তে লাগল,কাত হতে চাইল।
রনি ভাই কুমিড়টার মুখ চেপে ধরছে না বলে মি.A বললেন,,,
মি.A : রনি কুমিড়টার মুখ চেপে ধরার চেষ্টা কর।তবে সাবধান, তোমার আঙ্গুলে যেন কামড় দিতে না পারে।
রনি ভাই কুমিড়টার মুখ ধরার চেষ্টা করতে লাগলেন। আর এইদিকে আমি, তানিম ভাই আর মেহেদী ভাই লম্বা ছুড়ি আর ছোঁচালো লাঠি নিয়ে তৈরী হলাম।আর ফারহান আর সিয়াম দ্রুত গিঁট দেওয়া দড়ি বানাতে লাগল। খুব দ্রুতই গিঁট দেওয়া দড়ি মি. A এর হাতে দেওয়া হলো। দড়ির মাথায় ফাঁসির গিঁটের মতো করে গিঁট দেওয়া হলো।
রনি ভাইকে ফেলে দেওয়ার জন্য যেই কুমিড়টা মাথা উপরে তোলল, সেই সুযোগে মি.A তার হাতে থাকা ফাঁসির মতো দড়ি দিয়ে কুমিড়টার মাথায় লাগিয়ে জোরে টান দিতেই কুমিড়টার মুখ আটকে গেল।দড়ি দিয়ে কুমিড়টার মুখটা ফারহানও তার দড়ি দিয়ে বাধল।এদিকে কুমিড়টা তার লেজও নাড়তে লাগল।১৮ ফুটের মতো লম্বা একটা জীব, সামলানো খুব কঠিন। এদিকে আবার কুমিড়টা লেজও নাড়াতে লাগল প্রচুর। ফলে কুমিড়ের লেজের ধাক্কা উপেক্ষা করে সিয়াম আর হৃদয় তাদের দড়ি দিয়ে কুমিড়টার লেজ বেঁধে নিল,আর তারপর একটা গাছের সাথে আটকে দিল।এখন কুমিড়টা বন্দি। রনি ভাই নেমে আসল কুমিড়টার উপর থেকে, আর তানিম ভাই আর মেহেদী ভাই কুমিড়টার পেটে আর মাথায় ছুড়ি আর লাঠি বিধিয়ে দিতে লাগল। কুমিড়টা অতো সহজে ঘায়েল হবার পাত্র নয়।কারণ কুমিড়টা নড়াচড়া শুরু করে দিল,আর কুমিড়ের ধাক্কায় তানিম ভাই পরে গেল, মি.A এর পায়ে আচড় দিয়ে দিল কুমিড়টা। মি.A আমাদের কুমিড়টার কাছে যেতে মানা করে দিল। তিনি তার বন্দুকটা থেকে পরপর চারটা গুলি করলেন,সবগুলো গুলি কুমিড়টার শরীর বিধে গেল। কুমিড়টা তবুও নড়াচড়া করতে লাগল,তবে দুর্বল নড়াচড়া,বুঝলাম কুমিড়টার হয়তো জীবনীশক্তি শেষ হয়ে আসছে।তবুও শেষবারের মতো কুমিড়টার মাথায় প্রচন্ত জোরে কোপ বসালাম,আর কুমিড়টাও ইহলীলা সাঙ্গ করল।কয়েকমিনিটের ভিতরেই সব ঘটনা ঘটে গেল।
ওইদিকে অপর পাড়ের সবাই প্রথমে ভয়ে আর শেষে বিজয়ের চিৎকার দিল।মি.A ওদের চিৎকার করতে মানা করলেন,আর বললেন চুপ করতে।কারণ ফৌজি পিঁপড়া কত দূরে আছে তা জানার একমাত্র উপায় পাতা ছেড়ার শব্দ।জিজে'সদের চাপা গুঞ্জন চললেও পিঁপড়াদের শব্দ বোঝা গেল।আর শব্দের পাশাপাশি আরও অবাক করার মতো একটা বিষয় ঘটল,আর তা হলো জঙ্গলের ভিতর থেকে প্রচুর পশু পাখি দৌড়াচ্ছে,পাখির কিচিরমিচির শব্দ হচ্ছে। এরকম কেন হচ্ছে বুঝতে পারলাম না,মি.A এর দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালাম। মি.A বুঝিয়ে দেওয়ার মতো করে বললেন,,,
মি.A : ফৌজি পিঁপড়া কাওকে ছেড়ে কথা বলে না, মাংসাসী তো,যেকোনো প্রাণীকে ধরলে সারাশরীরের মাংস খেয়ে নেয়।যার জন্য সব প্রাণী দৌড় দেয়
ফারহান: তার মানে পিপড়াগুলো আমাদের খুব কাছেই আছে।
মি.A : হুমম, আর মাত্র ১০০/১৫০ মিটার দূরেই আছে।আমাদের চলে যেতে হবে ওইপাড়ে বা পানিতে নেমে দাড়াতে হবে।
সিয়াম : পানিতে দাড়ানো সম্ভব নয়, কত জীব আছে ওখানে কে জানে।আর কুমিড়টার মরদেহ কী করবেন???
মেহেদী ভাই : আমরা তো আর বেয়ার গ্রিলস না,তাই খেতে পারব না।
তানিম ভাই মেহেদী ভাইয়ের কথার সুর টেনে বললেন,,,
তানিম ভাই : কী আর করা,খেতে যেহেতু পারব না,তাহলে ফেলে রেখেই যেতে হবে।
রনি ভাই : খাওয়ার মতো হলেও আমি খেতাম না।কারণ এগুলো হারাম।
ওইপাড় থেকে সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে তাকিয়ে আছে।কারণ সাঈম ভাই ফৌজি পিপড়া সম্পর্কে জানেন,তাই হয়তো ওদের এ সম্পর্কে বলেছেন।ওইপাড় থেকে কয়েকজন চিৎকার করে আমাদের উদ্দেশ্য করে বলল,,,
রুবি আপু : ওই তোমরা তো কুমিড় মেরে ফেলেছ,তাহলে আরও দাড়িয়ে আছ কেন???
সারা : আরে ফৌজি পিঁপড়া আর বন্য জন্তুরা এদিকে আসছে,দ্রুত চলে আস।
শিখা: ফৌজি পিঁপড়া নাকি শরীরের সব মাংস খেয়ে নেয়।তাড়াতাড়ি চলে আস।
এরকমভাবে অনেকে অনেক কথা বলতে লাগল।আমিও প্রতিউত্তরে চিৎকার করে বললাম,,,
আমি : আমরাও আসছি।আর দেরী করব না।
মি.A আর আমরা সবাই দ্রুত দড়ি আর মেশিনটা ঠিক করলাম।আমাদের সরঞ্জাম পানিতে ধুয়ে নিতে লাগলাম,আর এক এক করে দড়ি বেয়ে চলে আসতে লাগলাম। তবে আমাদের খুব কাছে চলে এসেছে পিঁপড়াগুলো।সবার শেষে দড়ি বেয়ে আসছিল সিয়াম, ওর পায়ে দু চারটে পিঁপড়া কামড়ে ধরল।কিন্তু তবুও সে দড়ি ধরে ঝোলে এ পাড়ে চলে আসল। আর নামার পরেই ওর পা থেকে পিপড়াগুলো মারা হলো,তবে ততক্ষণে পিঁপড়াগুলো কিছুটা ক্ষত বানিয়ে দিয়েছে ওর পায়ে।রক্ত বের হচ্ছে।
লাকি আপু অবাক হয়ে বললেন,,,
লাকি আপু : এই পিঁপড়াগুলো দেখছি পিরানহার মতো ভয়ঙ্কর।পিরানহা পানিতে সব জীবকে কামড়ে মাংস খায়। আর এইসব পিঁপড়াগুলো জমির উপর চলে চলে মাংস খেয়ে নেয়।
সাঈম ভাই : লাকি আপু, এইসব পিঁপড়া এমনই।অ্যামাজনে এরকম আরও ভয়ঙ্কর জীব আছে, আর সব জীব এখনও আবিস্কার হয় নি।
আনিকা : সাঈম ভাই,আমরা যে জায়গায় আছি,সেটা তো এখনও অনাবিষ্কৃত জায়গা।তাহলে এখানে তো প্রাগৈতিহাসিক আমলের প্রাণী বা অচেনা আরও প্রানী থাকতে পারে।
সাঈম ভাইয়ার বদলে তাহিরা আপু বলল,,,
তাহিরা আপু : হুমম আনিকা।এই জায়গায় অনাবিষ্কৃত প্রাণীও থাকতে পারে।আর এখানে কী খুঁজছি আমরা তা তো আমরা কেউ ই জানি না।
রেহনুমা আপু : আর হ্যা,কোনো জীবই কিন্তু একেবারে বিলুপ্ত হয় না।তারমানে পুরনো প্রাণীও থাকতে পারে।
অপর পাড়ে ততক্ষণে পিপড়ার ফৌজ চলে এসেছে।মরা কুমিড়টাকে সবগুলো পিঁপড়া খেতে শুরু করে দিয়েছে।কুমিড়টার উপরে পিঁপড়ার আবরণ এমন ভাবে হয়েছে যা দেখে মনে হচ্ছে কুমিড় তার নিজের রং ছেড়ে পিঁপড়ার রং নিয়েছে। সেইদিকে লক্ষ্য করে সুস্মিতা আমাদের বলল,,,
সুস্মিতা : সবাই তাকিয়ে দেখ, কুমিড়টাকে পিঁপড়াগুলো খাওয়া শুরু করে দিয়েছে।
ফারহান : এখন যদি আমরা ওই পাড়ে থাকতাম তাহলে কুমিড়কে না খেয়ে আমাদের খেত পিঁপড়াগুলো।
মফিজুল:হুমম,আমাদেরই খেত। আর আমরা হাড্ডি হয়ে পরে থাকতাম।
সুস্মিতা : মফি হাড্ডি হয়ে ভূতের মতো নাচলে খুব সুন্দর ভৌতিক নাঁচ হতো।
পুষ্পিতা আর সুস্মিতা সবসময় একই কথা বলে।আজও তার ব্যাতিক্রম হলো না।
পুষ্পিতা : হুমম, নাঁচের জন্য মফি অ্যাওয়ার্ড পেতে পারত।
শিখা : মরার পরে এ অ্যাওয়ার্ড পেয়ে লাভ আর কী হতো,আহা বেচারা মফি।
ইভা : আরে চুপ কর সবাই।আমার ছোট ভাইটাকে জীবিত রেখে ই মরার কথা বলছ। সব পাগল হয়ে গেল নাকি???
মফিজুল : দেখেছ আপু,আমাকে নিয়ে কী রকম মজা করছে।আরে তোমরাও তো ওইপাড়ে থাকলে একইরকম দশায় পড়তে।
রামিশা : হুমম,আমাদেরও একই অবস্থা হতো।
সকলের এরকম মজার মাঝে খুবই সচেতন এবং বাস্তবতাবাদী গম্ভীর একটা কন্ঠ সকলের মজা করা থামিয়ে দিল।মি.A বললেন,,,
মি.A : একটু চুপ করো সবাই।পরিস্থিতিটা দেখ,আমাদের সামনে পিপড়াগুলো সব দলবেধে আছে, এরা ফেরোমনের মাধ্যমে তাদের আরও সঙ্গীকে ডেকে আনছে।এরা না গেলে আমাদের যাওয়া নিরাপদ হবে বলে মনে হয় না।অন্যদিকে কুমিড়টাকে খেতে অন্তত আরও ২/৩ ঘন্টা লাগবে।ততক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে।
মি.A বললেন আমাদের অপেক্ষা করার কথা।কিন্তু আমাদের বেশ কিছুদিনের হঠাৎ আগমনকারী সঙ্গী আর অপেক্ষা করল না, তার আগমণবার্তার জানান দেওয়া শুরু করল। আজ এই অসময়ে বেশ জোরে জোরে "ধপাস" শব্দটা হতে লাগল।শব্দটা এতোদিন ভাবতাম কুয়ার ভিতর হতে আসে,এখন আমরা নিজেরাই কুয়ার ভিতর। আমার পর্যবেক্ষণ বলছে শব্দটা নিশ্চয়ই জঙ্গলটার ভিতর হতে আসছে। কারণ,,,
[কেমন লাগল??? পরে কী হলো জানতে পারের পর্বের অপেক্ষ করুন। গল্পটাতে ভুল নজরে আসলে বলবেন]
বি.দ্র.:অনেক সময় আর শ্রম ব্যায় করে গল্প লিখি,তাই দয়া করে কপি করবেন না।
চলবে,,,
আল বিদা,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now