বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অ্যামাজনে কয়েকদিন [পর্ব ২৩]

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক:অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় হৃদয় [MH2] গুহা মুখ পার হওয়ার পর দেখতে পেলাম সামনে প্রায় ১৫/২০ ফুটের মতো প্রসস্ত একটা খাল টাইপের জলাশয়।একদম গুহা মুখ লাগোয়া। অ্যামাজনে এরকম জলাশয় প্রচুর আছে, আর কিছুকিছু জায়গা আছে একদম স্যাঁতস্যাঁত, ভিজা, কর্দমাক্ত।তবে আমরা যে পথে এগুচ্ছি এখনও পর্যন্ত তা তেমন একটা স্যাঁতস্যাঁত নয়,বা ভিজাও নয়।অ্যামাজনের আরেকটা বিষয় হলো এরকম লেক বা পুকুরের মতো জলাশয়। এসব জলাশয়ে প্রচুর হিংস্র এবং ভয়ঙ্কর প্রানী থাকে। পিরানহা মাছ সাধারণত অ্যামাজন নদী বা এর সাথে যুক্ত নদীগুলোতে পাওয়া যায়। আর অ্যামাজনের আরেকটা ভয়ানক জলজীব হলো কুমির, অ্যামাজনে অনেক বড় আর হিংস্র কুমির আছে প্রচুর,এদের নাম ব্ল্যাক কুমান,প্রায় ২০ ফুট লম্বা হয়।এদের হিংস্রতার জন্য এদের অ্যামাজনের নদীর রাজা বলা হয়।শুধু নাঁক ভাসিয়ে পানিতে স্থির হয়ে থাকে,কালো কাঠের গুড়ি বা এরকম মনে হয়,না জেনে কাছে চলে গেলেই বিপদ, অ্যামাজনে প্রচুর মানুষ মারা যায় এসব হিংস্র কুমিরদের দ্বারা,তাদের স্থান হয় কুমিরের পেটে।অ্যানাকোন্ডা তো মানুষকে মেরে চলে যায়,খায় না,কিন্তু কুমিরগুলো মারার সাথে খেয়েও নেয়,যেন কষ্ট করে মারলাম,তাহলে ফেলে রাখব কেন। অনেকগুলো কুমিড় একসাথে বসবাস করে,আর কুমির আমার মতো একজন মানুষকে অনায়াসে আস্ত গিলে ফেলতে পারবে।কুমিড়ের দাঁতের ফাক দিয়ে আমি কুমিড়ের পেটে চলে যাচ্ছি ভাবতেই কেমন যেন লাগে। তবে ভাবাভাবির অবসান ঘটিয়ে দিল একজনের কন্ঠস্বর,তিনি হলেন মি.A,,, মি.A এর কথার শব্দে কল্পনার রাজ্য থেকে বাস্তবে ফিরলাম। মি.A : আমাদের সামনে যে জলাশয় আছে,সম্ভবত ১৫/২০ ফুট প্রসস্ত হবে এটা।আমাদের জন্য এটা একটা সমস্যার কারণ। রুবি আপু: সমস্যার কী হলো??? কী কী সমস্যা আছে??? মি.A: প্রথমে দেখ জলাশয়টা মোটামোটি ১৫/২০ ফুট প্রসস্ত,কতটা গভীর সেটা আমরা জানি না। রুবি আপু: আমি তো সাঁতার জানি, আরও অনেকেই সাঁতার জানে, সাঁতরে পেরুতে পারব। ইভা: আমি সাঁতার পারি না।আমি কী করে যাব??? সারা: আমিও সাঁতার জানি না। আর এরকম অচেনা জলাশয়ে আমি তো ভুলেও নামব না। সিয়াম: অ্যামাজনে কি তোমার চেনা জানা জলাশয় আছে নাকি??? সব জলাশয় আর জায়গাই তো অচেনা। সারা:হুমম তা ঠিক,তবুও নামতে ভয় করবে। শিখা: আমাদের মাঝে অনেকেই সাঁতার পারে না।আমরা সবাই কী করে যাব তাহলে??? জিজে'সদের মাঝে অনেকেই বলছে তারা সাঁতার পরে অথবা পারে না। এরকম কথার মাঝে তাহিরা আপু বললেন, তাহিরা আপু: সাঁতার পারা বা না পারা দিয়ে কিছু করা যাবে না। আর এখানে জলাশয়ে নামাটাও ঠিক হবে না। সকলের কথা শুনছিলেন এতক্ষণ মি.A।খুব ভালো এবং নিরব শ্রোতা তিনি।তবে এবার খানিকটা উচ্চস্বরে সকলকে উদ্দেশ্য করে বললেন,,, মি.A: আমার পুরো কথাটা তো তোমরা শুনবে নাকি??? আমি সাঁতরে পার হওয়ার কথা বলছি না, এ জলাশয়ে সাঁতার কেটে যাওয়া ঠিক হবে না,কারণ বিষাক্ত প্রাণী বা নরখাদক প্রাণী থাকতে পারে, যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর হবে। রেহনুমা আপু মি.A এর কথার সমর্থনেই বললেন,,, রেহনুমা আপু:হুমম, অ্যামাজন তো পরিচিত অপরিচিত প্রাণীতে ভরা।আর জলাশয়টাও নিরাপদ নয়। রনি ভাই:তাহলে আমরা পার হবো কী করে??? কোনো উপায় ভেবেছেন??? মি.A: ভাবছি দড়ি ছোড়বার বন্দুক দিয়ে অপর পাড়ে কোনো গাছ লক্ষ্য করে দড়ি ছুড়ব। তারপর আমরা কয়েকজন একেক করে দড়ি বেয়ে অপর পাড়ে যাব।সেখানে কোনো গাছ দিয়ে হালকা ব্রিজ বা সাঁকো টাইপের কিছু বানিয়ে নদী পাড় হবো। মফিজুল:হুমম,ভালো পরিকল্পনা করেছেন।এভাবে সাঁকোর মতো কিছু বানিয়ে নিলে সবাই যাওয়া যাবে। সাঈম ভাই: তাহলে আর অপেক্ষা কীসের,শুরু করে দেওয়া যাক কাজ। মি.A : তাহলে এবার দড়ি ছুড়বার বন্দুকটা নিতে হবে। মি.A আমাদের অস্ত্র রাখার ব্যাগ থেকে বন্দুকটা বের করতে বললেন ফারহানকে। ফারহান কিছুটা খুঁজাখুঁজি করে বন্দুকটা বের করল। তারপর আমাদের তাবু বাধার দড়ির সাথে থাকা ক্লাইম্বিংএর একটা লম্বা দড়ি নেওয়া হলো।সেটাকে বন্দুকের একটা বুলেটের মতো অংশের সাথে বাঁধা হলো।তারপর মি.A বন্দুকটা হাতে নিয়ে আমাদের সামনের দিকের একটা লম্বা মোটাগাছের দিকে তাক করে গুলি করলেন।অনেকটা Ven Helsing মুভিতে ড্রাকোলার একটা নরদানবের হাত থেকে বাঁচার জন্য ভেন হেলসিং যেরকম করে দড়ির গুলি ছুঁড়ে অনেকটা সেরকম। গুলি করার পর সঠিক লক্ষে গুলিটা বিধল,গাছটাকে এফোঁড়ওফোঁড় করে বের হয়ে গিয়ে ওইগুলির অংশটা একটা কাঁটার মতো হয়ে গাছটার সাথে দড়িটাকে আটকে দিল। গুলির সাক্ষী স্বরূপ বন্দুকের মাথা থেকে ধোঁয়া বেরুতে লাগল, আর গুলির শব্দ পুরো গুহাটাতে প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করতে লাগল। মি.A তার বানানো দড়ি বেয়ে যাওয়ার মেশিনটা দড়িতে লাগালেন, আর স্প্রিং সিস্টেম চালু করে দিলেন,যাতে অপর পারে একজন চলে যাওয়ার পর মেশিনটা আবারও ফিরে আসে এ পাড়ে। ভালো উদ্যোগ।আমাদের মাঝে মি.A, আমি,রনি ভাই,তানিম ভাই,হৃদয়,মেহেদী ভাই আর ফারহান অপর পাড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলাম। একেক জন করে সবাই অপর পাড়ে গেলাম।সবাই একটা একটা করে জিনিস নিয়ে যাচ্ছে।কেউ ইলেক্ট্রিক কড়াত,কেউ বড় ছুড়ি,কেউ দড়ি আবার কেউ কুঠার নিয়ে যাচ্ছে।আমার ভাগে পড়ল ইলেক্ট্রিক কড়াত,আমি,মি.A,ফারহান আর হৃদয় দড়ি দিয়ে অপর পাড়ে পৌছুলাম।আমার পরে আসল তানিম ভাই,ওনি এ পাড়ে আসার সময় মেশিনটা ছাড়তে একটু দেরী করে ফেললেন,যার জন্য গাছের সাথে জোরে বাড়ি খেয়ে ধরাশায়ী হয়ে গেলেন।বাড়ি খেয়ে মাটিতে পড়ার পর,,, আমি:তানিম ভাই ঠিক আছেন??? তানিম ভাই:আর ঠিক বা না ঠিক।মাথা ঘোড়াচ্ছে আমার।সবকিছু ঝাপসা দেখছি। অপর পাড় হতে সবার হাসির শব্দ ভেসে আসল।আমরাও হেসে দিয়েছিলাম।হৃদয় আর ফারহান ওনার পাশে বসে ওনার মাথায় পানি ঢালতে লাগল। এর পরের বার পালা ছিল মেহেদী ভাইয়ের,ওনি দড়ি দিয়ে পাড় হওয়ার সময় জলাশয়ের মাঝখানে আসতেই হঠাৎ মেশিনের যেন কী হলো, মেশিনটা আটকে গেল।ওনি ঝুলে রইলেন, ঝুলে থাকাও তো কষ্টের।কতক্ষণ আর ঝুলে থাকা যায়, হঠাৎ হাত ফসকে জলাশয়ে পড়ে গেলেন।জলাশয়ে নেমে পড়ার পরই আমরা সবাই খেয়াল করলাম একটু দূর থেকে একটু কিছু আসছে পানিতে সাঁতরে,মনে হয় ৫০/৬০ ফুট দূরে আছে ওইটা,মেহেদী ভাই দ্রুত তীরে চলে আসলেন।ভালো করে লক্ষ্য করে দেখলাম,নাকটা ভেসে আছে ওইপ্রাণীটার।যেটার কথা এতোক্ষণ ভাবছিলাম সেটাই হাজির হয়ে গেল দেখছি।একটা কুমিড় মারা কতটা কষ্টের তা ওইটার সম্মুখিন হলেই বোঝা যাবে। রনি ভাইয়া সবার শেষে আসতে লাগলেন,উনি যখন এই পাড়ে এসে নামলেন,ততক্ষণে কুমিড়টা অনেক কাছে চলে এসেছে,প্রায় ৫০ ফুট দূরে আছে ওটা।খুব আস্তে আস্তে আমাদের দিকে আসছে,সতর্ক ভঙ্গীতে। ওইপাড়ের গুহাটা তো আমাদের চেয়ে মাত্র ১০/১৫ ফুট দূরে,ওদের কথা শুনতে পারছি স্পষ্টভাবে। সুস্মিতা: ওইদেখ সবাই কুমিড় আসছে। অনেকদিন আগে চিড়িয়াখানায় কুমিড় দেখেছিলাম,আজ আবারও সরাসরি কুমিড় দেখছি। মফিজুল: কিন্তু সুস্মি ওই কুমিড় ছিল খাঁচার ভিতর,কিন্তু এখানে একদম সামনাসামনি।কোনো খাঁচা ছাড়া। আনিকা: এই কুমিড় কিন্তু মানুষকে খেয়েও ফেলতে পারে।তাই অতো খুশির কিছু নাই সুস্মিতা। সুস্মিতা: আমি খুশি কই হলাম।আমি তো শুধু আমার অনেকদিন পর কুমিড় দেখার কথা বললাম। লাকি আপু: অনেকদিন পরে কুমিড় দেখেছ ঠিকই,কিন্তু এই কুমিড়টা তো শিকারের আশায় আছে।আমাদের খেয়ে নিতে পারে। যেন আপন মনে নিজেকেই বলছে এমন করে সিয়াম বলল,,, সিয়াম:কুমিড় এক সপ্তাহ কিছু না খেয়েও থাকতে পারে।তবে একটা মানুষকে খেয়ে নিতে তাদের কোনো ব্যাপারই না। নায়রা: আরেকটা ব্যাপারও কিন্তু আছে সিয়াম,এদের চোয়াল অনেক শক্ত।সরীসৃপ দের অন্তর্গত এরা,এরা শিকারকে গিলে নেওয়ার সময় মুখের ভিতর শিকারের অবস্থান দাঁতের দ্বারা বুঝতে পারে। শিখা:একেই তো দেখতে পারছ কুমিড় দেখে চিন্তায় আছি,আর এরা এসেছে কুমিড়ের গুণগান করতে। সারা:সত্যিই ছোট ভাইয়াটা এমনই।আর নায়রা আপুর তো জীব প্রাণীবিজ্ঞানী হওয়া উচিৎ ছিল। লাকি আপু: এরা আরও ভয় পাইয়ে দিচ্ছে ছোট বাচ্চাগুলোকে।হা হা হা তাহিরা আপু,ঝুমুর আপু, লাকি আপু, রেহনুমা আপু সহ সব বড়রা হাঁসতে লাগল। সিয়াম: আরে আমার জ্ঞানটা একটু পরখ করছিলাম।আর তোমরা সব এমন করতে পারলা। ঝুমুর আপু:আরে এবার কাজের দিকে আস।তোমরা অস্ত্রের ব্যাগ হতে বন্দুক নাও। মেহরাজ ভাই:চল সবাই,বন্দুক নিয়ে নিজেদের রক্ষা করি। মফিজুল, সিয়াম,ফাহাদ,জাহিদুল, মেহরাজ ভাই,শুভ ভাই আর যারা আছে ওরা বন্দুক নিল।আমাদের দিকে তাকিয়ে অবন্তি বলল,,, অবন্তি: আহারে ভুলো ভাইয়া আর সবাই ওইদিকে।ওদের কাছে তো বন্দুকও নাই।শুধু মি.A এর কাছেই আছে। পুষ্পিতা: কুমিড় কোন দিকে আক্রমণ করে কে জানে। ওদের কথা শুনার পাশাপাশি কুমিড়টার দিকেও তাকিয়ে দেখতে লাগলাম।তবে আমরা যে কাজে এসেছি সেটা করতে মনোযোগ দিলাম।জলাশয় হতে জঙ্গলের একটু ভিতরে বাঁশের ঝাড় দেখতে পেলাম।সেখান থেকে ছয়টা বাশ কাটলাম।ডালপালা ছেটে প্রয়োজন মতো দৈর্ঘ্য মেপে বাঁশের কয়েকটা টুুকরা করলাম।কাজ শেষ করে দেখলাম কুমিড়টা বেশ কাছে চলে এসেছে,একদম আমাদের সামনে জলাশয়ে আছে।ভয় হলো গুহার ভিতর কুমিড় চলে গেলে ওদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।কিন্তু কুমিড়টা ওই ভয়টাকে বাস্তবে রূপ দিল না,কারণ কুমিড়টা আমাদের দিকে স্থির হয়ে তাকিয়ে আছে। মি.A কুমিড়টার দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললেন,,, মি.A: আমি নিশ্চিত এটা ব্ল্যাক কুমান। প্রায় ১৮ ফুট লম্বা হয়েছে এটা।প্রচুর কালো। ফারহান: ব্ল্যাক কুমান।তাহলে তো অনেক ভয়ের ব্যাপার।প্রচুর হিংস্র এরা। মেহেদী ভাই চুপচাপ কী যেন শুনছিলেন, আমাদের বললেন,,, মেহেদী ভাই: কীসের যেন শব্দ হচ্ছে।শুনতে পাচ্ছ তোমরা??? হৃদয়:হ্যা শুনতে পাচ্ছি। পাতা ভেঙ্গে মড়মড় শব্দ করে কিছু একটা আসছে। ভালো করে কান পেতে পাঁতার মড়মড় শব্দ শুনতে পাচ্ছি, মনে হচ্ছে অ্যামাজনের গাছগুলোর ঝড়ে যাওয়া পাতার উপর দিয়ে কোনো প্রাণী আসছে।কুমিড়ের দিকে নজর দেওয়ার পাশাপাশি অপরদিকে তাকাচ্ছি।কোনো একটা বইয়ে এরকম শব্দের কথা পড়েছিলাম।খুব জোরে শব্দ না হলেও হালকা হালকা শব্দ হচ্ছে, পাতার উপর দিয়ে কিছু আসছে।মড়মড় করে পাঁতা ছিড়ে যাওয়া আওয়াজ পাচ্ছি। রনি ভাই:শব্দটা তেমন জোরালো নয়। তবে মনে হচ্ছে পাতার উপর দিয়ে কিছু একটা হেটে আসছে। মি.A: একটা না, অনেকগুলো। তানিম ভাই: মানে??? মি.A: মানে হলো যারা আসছে তারা দলবদ্ধ।মানে হলো ফৌজি পিপড়া।একদলে তিনকোটি পিপড়াও থাকতে পারে।মাংসাশী, মানে মাংস খায় ওইসব পিপড়া।ওরা আসলে এমন শব্দ হয়। আমি:হ্যা,তিনগোয়েন্দাতে পড়েছিলাম।ওখানেও এটা বলা আছে। মি.A :আমরা যে পাঁচ ছয়টা বাশ কেটেছি আর ছেটেছি এগুলো ওইপাড়ে পাঠিয়ে দিই চলো। আমরা পানির উপর দিয়ে ওদের কাছে বাঁশগুলো পাঠিয়ে দিলাম।ওরা সেগুলো ধরে রাখল এবং গুহামুখে নিয়ে গেল।কিন্তু একটা বিষয় বুঝলাম না।তাই জিজ্ঞেস করলাম,,, আমি: আমরা সাঁকো না বানিয়ে ওইপাড়ে বাঁশগুলো পাঠিয়ে দিলাম কেন??? মি.A: কারণ ফৌজি পিপড়াগুলো এদিকেই আসছে।আমরা সাঁকো বানালে পিপড়াগুলোও সাঁকো দিয়ে অনায়াসে গুহায় চলে যাবে,আর তখন আমাদের রক্ষে থাকবে না। তানিম ভাই: শব্দটা একটু একটু করে বাড়ছে।আর সামনের কুমিড়টাও দেখুন একদম তীরে উঠে এসেছে।আমাদের দিকে আসছে।পিপড়া আসতে কতক্ষণ লাগবে??? মি.A : আমার অনুমান ভুল না হলে এখনও ৫০০ মিটার দূরে আছে। দ্রুত চলে ওরা।আমাদের পেলে আমাদের মাংস খেয়ে নিবে,আসতে মনে হয় আর ১৫/২০ মিনিট সময় আছে। সামনের ব্ল্যাক কুমান আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে।আর পিছন দিক দিয়ে আসছে ফৌজি পিপড়া।সামনে পিছনে দুদিকেই বিপদ।মি.A ছাড়া আমাদের কাছে বন্দুকও নেই,শ্বাসরুদ্ধকর একটা মূহূর্ত আমাদের সামনে,গুহার জিজে'সরা চুপ হয়ে গেছে,অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে।কুমিড় একদম কাছে চলে এসেছে,এবার,,, এরপর কী করে কুমিড় আর ফৌজি পিপড়ার হাত থেকে বাঁচলাম তা জানতে পরের পর্বের অপেক্ষা করুন।শীঘ্রই পরের পর্ব লিখব। [কেমন লাগল??? ভুল নজরে আসলে বলবেন।আর নিজেকে "আমি "চরিত্রে কল্পনা করে পড়ুন] বি.দ্র.: অনেক সময় আর শ্রম ব্যায় করে গল্প লিখি।তাই দয়া করে কপি করবেন না। চলবে,,, আল বিদা,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now