বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
« [Bangla শিক্ষণীয় Golpo] স্বামী-স্ত্রীর জন্য শিক্ষণীয় চমৎকার একটি ঘটনা
X
স্বামী-স্ত্রীর জন্য শিক্ষণীয় চমৎকার
একটি ঘটনা
স্বামী: আছর নামায পড়েছ? স্ত্রী: না।
স্বামী: কেন? স্ত্রী: অফিস থেকে এসে খুব
ক্লান্ত ছিলাম। তাই একটু
ঘুমিয়ে নিলাম। স্বামী: আচ্ছা। এখন
ওঠো। আছর ও
মাগরিবের নামায
পড়ে নাও, এশার আযান দেয়ার পূর্বে।
(পরবর্তি দিন...স্বামী কর্মস্থলে পৌঁছে
দীর্ঘ সময়
অতিবাহিত যাওয়া সত্বেও স্ত্রীকে ফোন
বা ম্যাসেস
করে কিছু জানালো না। অথচ প্রতিদিন
সে অফিসে পৌঁছেই
স্ত্রীকে ফোন করে। তাই স্ত্রী তাঁর
খোঁজখবর নেয়ার জন্য
নিজেই ফোন করলো। কিন্তু এ কি? কেউ
ফোন
রিসিভ
করছে না। রিং শুধু বেজেই যাচ্ছে।
প্রচন্ড
অস্থিরতাও
উৎকন্ঠায় স্ত্রী ...) কয়েক ঘন্টা পরে
স্বামীর ফোন:
স্ত্রী (অস্থির কন্ঠে):
নিরাপদে অফিসে পৌঁছাতে পেরেছ? স্বামী:
হা। আলহামদুলিল্লাহ।
স্ত্রী: কখন পৌঁছেছ?
স্বামী: চার ঘন্টা আগে। স্ত্রী (রাগ করে):
৪ ঘন্টা? অথচ
আমাকে জানালে না? স্বামী: এসে খুব ক্লান্ত
হয়ে পড়েছিলাম।
তাই একটু
ঘুমিয়ে নিলাম। স্ত্রী: আমার সাথে কথা
বলার জন্য কয়েকটি মূহুর্তও
কি তোমার ছিলো না? তুমি কি ফোনের
রিং শুননি? স্বামী: হা। শুনেছি।
স্ত্রী: তাহলে উত্তর দাও নি কেন? কেন?
আমার কি তোমার কাছে কোন গুরুত্বই নেই?
স্বামী: হা, আছে অবশ্যই। কিন্তু তুমিও
তো গতকাল আযান
শোনার সময় আল্লাহর আহ্বানে গুরুত্ব দাও
নি! স্ত্রী (চোখের পানি আটকে রেখে,
কিছুক্ষণ চুপ থেকে): হা।
তুমি সত্যিই বলেছ। আমি দুঃখিত।
স্বামী: আমার এখানে কিছু করার নেই।
তুমি আল্লাহর
কাছে ক্ষমা চাও। এ রকম আর করো না।
আমি শুধু চাই, আল্লাহ যেন
আমাদেরকে চিরস্থায়ী জীবনে জান্নাতের
মধ্যে মিলিত করে দেন। (এরপর থেকে
স্ত্রী আর কোনদিন কোন ফরয
ইবাদাত
পালনে বিলম্ব করেনি। ) শিক্ষা:
ক. সে ই তোমাকে প্রকৃত ভালোবাসে,
যে আল্লাহর
পথে তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তারপর
সেই পথ
থেকে তোমাকে আর পিছনে ফিরে যেতে দেয়
না।
খ. বিচারক হওয়ার আগে, তুমি দা‘ঈ
(ইসলামের
প্রতি আহ্বানকারী) হও।
একবার এক যুবক প্রখ্যাত মনীষী শায়খ
মুহাম্মাদ আল- গাজালীকে প্রশ্ন করলো: যে
নামায
পড়ে না, তার
ব্যাপারে বিধান কি? তিনি বললেন: তার
ব্যাপারে বিধান হলো,
তুমি তাকে হাত
ধরে তোমার সাথে নামাযে নিয়ে যাবে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now