বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শিশু হারা মায়ের আর্তনাদ চিঠিতে!

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SHUVO SUTRADHAR (০ পয়েন্ট)

X [এখানে আমি/আমার শব্দটি শিশু হারা মায়ের অর্থে ব্যবহৃত] অভাগা মা ঠিকানাঃআমার ঠিকানা ছিল আমার হেরে যাওয়া শিশুটি। সেই যখন............ তারিখঃ আমার কাছে কোনো তারিখ বলতে কিছু নেই। আমি শুধু সেই দিনটিকেই দেখতে পাই। প্রিয় অভাগা মায়ের শিশু, আমাকে ছেড়ে চলে গেছস আজ প্রায় পাঁচ বছর তবুও তর স্মৃতিগুলো হৃদয় থেকে মুছতে পারছি না। তুই কেমন আছিস? আমিত আর তোকে দেখতে পাইনা তাই জিজ্ঞেস করলাম। তোকে এই পাঁচ বছরে কতগুলো চিঠি দিয়েছি আর তার মধ্যে কতগুলো প্রশ্ন করেছি হিসাব আছে। কিন্তু তুই ত একটি চিটিও লিখস নি আমার প্রশ্নগুলোর বিরুদ্ধে। আমার উপর রাগ করে কি উত্তরগুলো দিচ্ছস না! তোকে ছাড়া জগতটা বড্ড একা মনে হয়। তুই যখন ছিলি তখন আকাশে অজস্র তাঁরার মধ্যে শুধু একটি তাঁরাই দেখতে পেতাম আর সেটি হচ্ছিস তুই। কিন্তু এখন আর সেই তাঁরাটি দেখতে পাইনা। এখন আকাশে অজস্র তাঁরা দেখতে পাই। এতগুলো তাঁরার মধ্যে কোনটি তুই কিভাবে জানব! যদি জানতাম ছিনিয়ে নিয়ে আসতাম এইখান থেকে। আমার কাছে এখন রাত-দিন সমান। যখনই ঘুমাতে যাই তখন তকে হারানোর আর্তনাদ শুনতে পাই। আর চোখের সামনে ভেসে ওঠে তর মায়াবী হাঁসিগুলো। যে হাঁসিগুলোতে কোনো চাওয়া-পাওয়া ছিল না। কি হয়ছিল সেদিন........ আমি রান্না ঘরে রান্না করছিলাম আর এদিকে তুই ঘুমাচ্ছিলে। মাত্রত পনের-বিশ মিনিট ঘুমিয়েছিলে। আমি তুই ঘুমানোর পঁচিশ মিনিট পর এসে দেখি তুই আর ঘুমে নেই। তরপর তখে খুঁজতে তাকি। কিচ্ছুক্ষণের মধ্যে সারা গ্রামে উলি ওটে যায়। বাড়িতে মানুষের কোলাহল। সম্পূর্ণ গ্রাম খুঁজেও তকে পাওয়া যায় নি। একপ্রর্যায়ে পাশের পুকুরে এক ডুবুরি তকে খুঁজে পায় মৃত অবস্থায়। তুই কি আমার উপর তকে খেয়াল করিনি বলে রাগ করে আছস! আমি কি যানতাম যে তুই মাত্র বিশ মিনিট ঘুমিয়েই ওঠে যাবে। অন্যদিন ত তুই দুই-তিন ঘন্টা ছাড়া না ঘুমিয়ে ঘুম থেকেই ওঠস না। আমি ছাড়া তো আর পরিবারে কেউ নেই যে রান্না করবে আর আমি তকে সবসময় দেখে রাখন। সেটা বোধহয় তর আমার নিয়তিতেই ছিল। তখন তর মাত্র পাঁচ বছর ছিল। পাঁচ বছর হলে কি হবে সবকিছু উলট-পালট করে দিয়ে চলে গেছস। তুই মিষ্টুিমিষ্ট কথা বলে সবাইকে মায়ায় আবদ্ধ করে চলে গেছস। তর নিষ্পাপ হাঁসিগুলো আমার খারাপ মুডগুলো ভাল করে দিত। তর মা বলা ডাক শুনলে আত্মা পরিশুদ্ধ হয়ে যেত। কি করার ছিল আমার সেদিন যে তুই আমার উপর এভাবে রেগে আছিস। তুই রাগ করে থাকলে আমার খুব কষ্ট হয়। তর নিষ্পাপ হাঁসির মধ্যে আমি আনন্দ খুঁজে পাই। আাচ্ছা তুই কি আমার প্রশ্নের উত্তরগুলো দিবে না। আমার লেখাগুলোর মধ্যে প্রশ্নবোধক চিহ্ন না থাকলেও প্রত্যেকটি কথার মধ্যে প্রশ্ন লুকিয়ে আছে। আমি তকে মন খুলে আরও অনেক কিছু বলতে চাই কিন্তু কিছু লেখার পরই আমার চোখের পানি কলমের কালিরগুলোকে মুছে পাঁতাগুলো পুনরায় সাদা করে ফেলে। তাই আজ আর নয়। (ইতি) তোমার প্রিয় না অপ্রিয় জানিনা, অভাগা মা weep weep weep: weep weep [বিশেষ দৃষ্টব্যঃ আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত আমার লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now