বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
♥#জ্বীনের_বাদশাহর_সঙ্গে_যুদ্ধ♥
লেখক,
Rafiul Hassan
পর্বঃ- ২
♠
নিশান ক্লাসেও অন্যমনস্ক হয়ে আছে। আজ সকালে মনে হচ্ছিল, কেউ যেন ওদের দেখছিলো, তারপর আবার কাল রাতের ঘটনাগুলো। আচ্ছা,, সবগুলোই কি কাকতালীয়? নাকি কোনো রহস্য আছে! (ভাবছে নিশান)
♠
এমন সময় স্যার বলে উঠলেন,,
-" এ্যানি প্রবলেম, নিশান? তখন থেকে দেখছি কেমন যানি অন্যমনস্ক হয়ে আছো। কিছু হয়েছে কি?
-" না মানে, স্যার,,, কিছু না।
-" তাহলে ক্লাসে মন দাও।
-" স্যরি স্যার।
♠
তারপর নিশান আর এগুলো নিয়ে কোনো চিন্তা করলো না। সবগুলো ক্লাস শেষ করে বাইরে এসে দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময়,,
-" কি ভাবছো, নিশান? কোনো সমস্যা? ক্লাসেও দেখলাম মন খারাপ, আবার এখনও। ( একটা মেয়ে )
-" না,, কিছু না,, “জাসমিন”। এমনি একটু শরীর খারাপ আর কি।
-" কেনো,, কি হয়েছে?
-" তেমন কিছু না,, ওই একটু মাথা যন্ত্রণা করছে।
-" ওহ,,, তাহলে বাসায় গিয়ে ঘুমাও। ঠিক হয়ে যাবে।
-" হুম।
♠♠♠♠♠♠♠♠♠
তারপর নিশান যায় নিশিকে স্কুল থেকে আনতে। নিশিকে নিয়ে বাড়ি চলে আসলো। নিশি রান্নাঘরে খাবার বানাতে গেলো, আর নিশান ওকে টুকিটাকি হেল্প করছে। কাজের বুয়ার মেয়ে নাকি খুব অসুস্থ,,, তাই গ্রামে গেছে ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে। এজন্য নিশিকেই রান্নাবান্না, কাজকর্ম করতে হচ্ছে। যদিও, নিশান কিছুটা হেল্প করে। ওদের বাবার অঢেল সম্পত্তি ছিলো। যার সবই নিশান আর নিশিকে দিয়ে গেছেন। তাই ওদের কোনো সমস্যাও হয় না।
♠
♠
দুপুরে খাওয়ার পর ফেসবুকে ঢুকলাম। দেখি অনেক গুলো নোটিফিকেশন জমা হয়ে আছে। সবগুলো দেখতে লাগলাম। এমন সময় জাসমিন ফোন দিলো। জাসমিন আমার বাগদত্তা! পড়ালেখা শেষ করে চাকরি করার পর বিয়ে করবো ওকে।
♠
-" হ্যালো, নিশান।
-" হুম।
-" কি করছো?
-" এই একটু ফেসবুকিং করছি।
-" ওহ,, খাইছো?
-" হুম, তুমি?
-" হুম।
♠
এরপর জাসমিনের সঙ্গে ঘন্টাখানিক কথা হলো। তারপর আসরের আযান দিলে, নামাজ পড়ে এসে বাইরে একটু ঘুরতে গেলো। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিতে সন্ধ্যা হয়ে এলো। তাই যে যার মতো বাড়িতে চলে গেলো। নিশানও যাচ্ছে বাড়ির দিকে। এর মধ্যে গতকালকের ঘটনা গুলো সব মাথা থেকে বের হয়ে গেছে।
♠
মসজিদ থেকে মাগরিবের নামাজ পড়ে বাসায় এলো।
-" নিশিইইই,,,,, দরজা খোল।
-" আসছি।
♠
তারপর দু'জনেই যার যার ঘরে পড়তে বসলো।
"""""""""""""""
আযান দিচ্ছে চারিদিকে। এশার নামাজ পড়ে খেয়েদেয়ে এসে আবারও পড়তে বসলো। নিশি আর নিশান দু'জনই খুব ভালো স্টুডেন্ট।
||||
রাত এগারোটার দিকে পড়া শেষ করে নিশান ফেসবুকে লগইন করলো। নিশি আগেই ঘুমিয়ে গেছে। রাত বারোটা পর্যন্ত ফেসবুক করে নিশানও ঘুমিয়ে পড়লো।
♠♠
রাত ৩ টা,,,,
নিশানের ঘরে আগমন ঘটলো কয়েকটা অবয়বের। অবয়ব গুলো নিশানের মাথার কাছে গেলো। আর একটা বিশ্রী হাসি দিলো। তারপর নিশানের গলা চেপে ধরেই ওকে নিয়ে ভ্যানিশ হয়ে গেলো।
!!!!!!!!!!!!!!!!
-" একি আমি ছাঁদে কেনো? আমি তো আমার রুমে ঘুমিয়ে ছিলাম! তাহলে..........?
-" হাহাহাহা,,, আজই তোর শেষ দিন। কালকের সূর্যোদয় দেখতে পাবি না তুই। হাহাহাহা।
-" ক- ক- কে তোমরা? আর আমার সঙ্গে কি শত্রুতা তোমাদের?
♠
♠
বলতে বলতেই একটা অবয়ব গলা চেপে ধরলো। নিশ্বাস নিতে পারছি না আমি। শ্বাস ঘন হয়ে আসছে। খুব কষ্ট হচ্ছে! ওটার ধারালো নখ আমার গলাটা ছিদ্র করে দিচ্ছে! আর ওখান থেকে গলগল করে রক্ত বের হচ্ছে। মনে হলো, আসতে আসতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছি আমি। অনেক চেষ্টা করেও চোখ খোলা রাখতে পারলাম না!
!!!!!!!!!!!!!!
-" এই ভাইয়া, কি হয়েছে তোমার? এখানে ঘুমিয়ে আছো কেনো? ওঠ, ওঠ।
-- চোখ খুলে দেখি নিশি দাঁড়িয়ে আছে। চারিদিকে একটু চোখ বুলিয়ে নিলাম। ওই কালো ছায়াগুলো আছে কিনা,,, সেটা দেখার জন্য।
-" কি ভাবছো ভাইয়া? আর সারারাত এখানে ঘুমিয়ে ছিলে কেনো!
♠
-- ঘাড়ে হাত দিয়ে অবাক হয়ে গেলাম। কোনো রক্তই নেই ঘাড়ে! অথচ, কাল রাতে ওই অবয়ব গুলো কি প্রচন্ড আঘাত করলো! তাহলে সবই কি স্বপ্ন দেখলাম? ঘাড়ে ব্যাথাও তো নেই।
-" আবার কি ভাবছো?
-" না, কিছু না। রাতে একটু ছাঁদে এসে বসে ছিলাম। কখন জানি চোখদুটো লেগে গেছে।
চল নিচে যায়। কলেজ যেতে হবে তো?
-" আজ শুক্রবার। চল না আজ কোথাও ঘুরতে যাই?
-" আচ্ছা,, ঠিক আছে।
♠♠♠♠♠♠♠♠♠
আজ ফজরের নামাজও কাযা হয়ে গেছে। তাই তাড়াতাড়ি কাযা নামায আদায় করে নিলো।
♠
নাস্তা করে নিশান বাইরে গেলো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে। তখনি হলো বিপত্তি! নিশি গোছল করে বাথরুম থেকে বের হতেই কেউ যেন ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো ওকে।
|
নিশি কুকিয়ে ওঠে। আর একটা কালো ছায়ার মতো কিছু সরে যেতে দেখে। তারপর কোনোমতে খুড়িয়ে খুড়িয়ে এসে ফোন দেয় নিশানকে।
♠
নিশান এসে দেখে ওর আদরের বোনটা ফ্লোরে পড়ে আছে। আর ব্যাথায় কাতরাচ্ছে।
দু-চোখ জলে ভরে যায় নিশানের। আর দেরি না করে তখনি নিশিকে উঠিয়ে হসপিটালে নিয়ে যায়।
♠
-" ডক্টর, দেখুন ওর কি হয়েছে? পড়ে গেছে নাকি বাথরুমে।
-" ঠিক আছে। আমি দেখছি। তুমি চিন্তা করো না নিশান।
♠চলবে♠
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now