বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জীবনটা একেকজন একেকরকম অতিবাহিত করে। কেউ রাজকীয়ভাবে আবার কেউবা দারিদ্রতায়। জীবনটা কাউকে হাসায় আবার কাউকে কাঁদায়। জীবনটা বড় অদ্ভুত তাই না! অনেকে আবার জীবনের মাহাত্ম্যই অনুভব করতে পারে না। জগৎটা কতটা অদ্ভুত তা কিছু বিষয় অনুধাবন না করলে বুঝাই যায় না।
এক অন্ধ মা ও বোবা ছেলে বাস করেন সুজাতপুর গ্রামে। অন্ধ মায়ের আরেকটি ছেলে ছিল। সে ছিল স্বাভাবিক ব্যাক্তিদের মতো। সে গত একবছর বিয়ে করেছে। তারা খুব বাজে ব্যাবহার করে অন্ধ মা ও বোবা ছেলের সাথে। সে ও তার বউ প্রায় দিন তার অন্ধ মা ও বোবা ভাইটিকে না খেয়ে রাখত। যেদিন খাবার দিত না সেদিন অন্ধ মা ও বোবা ছেলেটিকে ভূল বলে কাটিয়ে দিত। কারন একজন দেখতে পারে অন্যজন বলতে পারে না তারা যা বলে তাই ঠিক। তারা কি খাচ্ছে তা মা দেখতে পায় না আর ছেলেটি যদিও দেখতে পায় মাকে বলার মতো কথা নেই তার কাছে। এভাবেই তাদের না খাইয়ে রাখত স্বাভাবিক ছেলেটি। সদ্য স্বাভাবিক ছেলেটি এদের পরিবারের বোঝা ভেবে তার বউকে নিয়ে এখন শহরে বাস করে তাদের গ্রামে একা রেখে। বোবা ছেলেটি অন্ধ মায়ের মুখে এক মুটো ভাত দিতে মানুষের সঙ্গে কাজ করে। সে তার পরিশ্রমের ফল পায় না। মানুষ থাকে বোবা ভেবে পরিশ্রমের কাজ করিয়ে কম টাকা দিয়ে দেয়। বোবা ছেলেটিও নিয়ে নেয়। কারন সে জানেই না পরিশ্রমের ফল কি। বোবা ছেলেটিকে অনেকে অকারণে মারামারি করে কিন্তু সে কোনো বিচার পায় না। কারন সে বলতেই পারে না তাকে কেন মারা হয়েছে মানুষগুলো যা বলে তাই। মাও চোখে দেখতে পায় না কি করবে মা। বোবা ছেলেটি যখন কাজ করতে যায় তখন অন্ধ মায়ের ঘরে এসে অনেকে।আবার অনেককিছু নিয়েও যায়। কিছুদিন পূর্বে অন্ধ মায়ের স্বাভাবিক ছেলেটি এসে মাকে বলে বলে মা তোমি এবং ভাি যে প্রতিবন্ধী তোমাদের সরকার থেকে ভাতা দিবে তাই একটি কাগজে সাইন করতে হবে। তারপর সে বাড়ির কাগজে মায়ের কাছ থেকে ও বোবা ভাইয়ের কাছ থেকে সাইন নিয়ে নেয়। গতকাল এসে স্বাভাবিক ছেলেটি এসে তাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় অচেনা লোক বলে। বলে তারা নাকি তার বাড়ি দখল করে আছে। সমাজও তার প্রতিবাদ করেনা। কারন স্বাভাবিক ছেলেটি গ্রামের মাতব্বরদের টাকা দিয়ে রেখেছে। অন্ধ মা ও বোবা ছেলে এখন রাস্তায় জীবন অতিবাহিত করছে। আসলেই দুংখ যখন আসে তখন এরা দল বেঁধে আসে।
[বিশেষ দৃষ্টব্যঃ আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now