বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আত্মহত্যা,,,

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shikha (০ পয়েন্ট)

X ৬ নভেম্বর ২০১৯,,, আজ ভোররাত থেকে মাথাটা বেশ ধরেছে।চোখমুখ চিটচিটে হয়ে আছে।মনে হয় রাতে কেঁদেছি।কিন্তু কি কারণে! আমার আবার একটা সমস্যা আছে।জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো মনে থাকে না।কালও কি এমন কোনো বিশেষ ঘটনা ঘটেছে? কি করবো এখন! বাসার কাউকে বললে তাঁদের চোখেমুখে চিন্তার ছাপ দেখা যাবে,হাজারটা ঔষধ খাইয়ে দেবে।আমি খুব আদরের তো তাই।এখন কি করা যায় ভাবছি। আর ভাবতে পারছি না।ব্যাথাটা যেন আরো প্রখর হচ্ছে। ৭ নভেম্বর ২০১৯,,, ধীর পায়ে ভাইয়ার ঘরে গেলাম।বুকশেলফের কাছে গিয়ে চোখ বন্ধ করলাম।কারণ- বই দেখে দেখে নিতে গেলে কোনটা ছেড়ে কোনটা নেব,তা ভাবতেই একঘন্টা লাগবে।তাই চোখ বন্ধ করে বইগুলো থেকে একটা নিয়ে নিজের ঘরে চলে আসলাম।এখনও হালকা মাথা ব্যাথা আছে।তবে গতকালের মতো অতটা না।বিছানায় আরামমতো বসে বইটার দিকে তাকালাম।কেন জানি না বইটার নাম দেখেই ঠোটের কোণে হাসি ভেসে আসলো।'আত্মহত্যা'।হ্যাঁ এটাই।বইয়ের উপরে কালো রঙের উপর টকটকে লাল রঙে লেখা।খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তে লাগলাম। গল্পে,,,একজন,পরিবারের সদস্যদের হারিয়ে মানসিক কষ্ট সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে।বেশ ভালো লাগলো। বুকশেলফ তন্ন তন্ন করে খুজে আর মাত্র একটা বই পেলাম, যেটাতে আত্মহত্যা নিয়ে লেখা। গভীর মনোযোগে পড়ে শেষ করলাম।সচারাচর কাহিনী।মানসিক কষ্ট থেকে আত্মহত্যা। ৮ নভেম্বর ২০১৯,,, খুব অস্বস্তি লাগছে।সারা বাড়ি খুজে আর একটাও আত্মহত্যার বিষয়ক বই পেলাম না।বাবার বইগুলোর মধ্যেও নেই।এরকম একটা বিষয়ের বই পড়তে চাইছি,এটা জানলে আমাকে কেউ বইও এনে দেবে না।তাই, নিজেই বইয়ের দোকান থেকে মোট ২০ টা এরকম বই নিয়ে এলাম। ১৫ নভেম্বর ২০১৯,,, মাত্র ক টা দিনেই একশত কুড়ি খানা বই পড়ে ফেলেছি।যে বইগুলোতে মূল চরিত্র আত্মহত্যা করবে করবে বলেও করেনি,সেগুলো পড়ার পর মনের গভীর থেকে কে যেন চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে বলেছে," শিখা, এটা তুই কী বই পড়ছিস! এখানে কেউ আত্মহত্যা কেন করছে না।" ৩ ডিসেম্বর ২০১৯ আমি এখন নিজের প্রিয় টেবিলটায় বসে লিখছি। পাশে পড়ে আছে আমার নিথর দেহটা।আমার মতো একটা ভীতু মেয়ে এটা কিভাবে পারলো!ভাবতেই অবাক লাগছে।আমার সবচেয়ে অপছন্দের প্রানী মশা এসে আমার হাতের উপর বসেছে।কই, আমি তো চিৎকার করছি না মশা বসায়! বাচ্চাদের মতো হাত পা ও ছুড়ছি না! ছুরবো কি করে, বিষটা তো আর ভেজাল ছিল না,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,!!!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now