বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
[গল্পটি সম্পূর্ণ আঞ্চলিক ভাষায় লিখিত]
সাজিদঃ কিহ আবুল পুকুর পাড় বইয়া এই অসময়ে কিতা ভাবছ?
আবুলঃ বন্ধু আমি বিয়া করুম। কিন্তু.........
সাজিদঃ ইতা ত ভালা কথা এই। কিন্তু কি আবার!
আবুলঃ আরে বন্ধু কইছ না ভালা কথা ইতা। আমার বাপরে আমি কতদিন কইছি বাবা আমি বিয়া করুম। বাপে কিতা কয় জানস!
সাজিদঃ কিতা কয়?
আবুলঃ বাপে কয় আমার না কিতা বিয়ার বয়সই এইছেনা। আরও কয় আমার না কিতা ভালা কইরা দাঁতই উঠছে না। আচ্ছা ক চাইন ইতা উনলে কিরকম লাগে। আমার বন্ধু মাজিদ, পাবেল, খুদ্দুস ও তুই ত অনেক আগে এই বিয়া করি লাইছস।
সাজিদঃ ইতা কিতা কছ বেটা বন্ধু! দেখি তর দাঁত উঠছে কয়টা।
দাঁত দেখার পর.....
সাজিদঃ মানুষের দাঁত উঠে বত্রিশটা আর তর উঠি গেছে এক কুড়ি বারটা। আর তর বাপে কয় তর বুঝি দাঁতই উঠছে না। তর বাপে তরে বিয়া না করাইবার লাগি ইতা কয়। তর ত অন্যদের থেকে বেশি দাঁত উঠছে।
আবুলঃ আছা কতা ত বন্ন্ধু।
সাজিদঃ বন্ধু আমি আছা নাতে মিছা কইমুনি।
আবুলঃ বন্ধু আজকে গিয়া বাপের লগে বুঝাপড়া করি লাইমু যাই বন্ধু।
সাজিদঃ যাও অন নাই বন্ধু।
এরপরে বন্ধুর কথার খুশির টেলায় আবুল দৌড়াইয়া দৌড়াইয়া বাড়িত আয়। আইয়া দেখে বাপে বারান্দায় বসে উড়ুন বানায়।
আবুলঃ বাবা আমি তোমারে একটা কথা কইমু আজকে তোমারে।[শক্ত কন্ঠে]
আবুলের বাবাঃ কিতা কইতে শিঘ্র ক? আমার আবার অনেক কাম আছে।
আবুলঃ বাবা তোমি আমারে কি পাইছ তোমি যেতা কইবায় অতাএই কিতা ঠিক!
আবুলের বাবাঃ আমি কিতা কইছি আর কিতা এইছে বুঝাইয়া ক!
আবুলঃ আমি যে সময় এই কই বাবা আমি বিয়া করুম তখনই তোমি কউ আমার না কিতা দাঁতই উঠছে না বিয়া করার। আমার বন্ধু যে সাজিদ এ কইছে আমার বুঝি বিয়া করার দাঁত উঠছে বরং কি তোমাদের থেকে বেশি।
আবুলের বাবাঃ কয়টা উঠছে দাঁত তর/
আবুলঃ মানুষের দাঁত উঠে বুঝি বত্রিশটা আর আমার উঠছে এক কুড়ি বারটা।
আবুলের বাবাঃ তর নাম যেমন তুইও এমন।
আবুলঃ কেমন বাবা আমি?
আবুলের বাবাঃ এক কুড়ি সমান বিশটা আর বারটা মোট এইতেছে গিয়া বত্রিশটা। তাহলে তর দাঁত বেশি এইল কেমনে!
আবুলঃ যেমনে এই হোক আমি বাবা বিয়া করুম।
আবুলের বাবাঃ এল্লাগি এই ত আমি তরে বিয়া করাই না তুই অখনও হিসাবি ছিনস না।
আবুলঃ বিয়ার সাথে হিসাবের কিতা এইল বাবা?
আবুলের বাবাঃ মানুষ তর সাতে যোগ-বিয়োগ কইরা বউ লইয়া যাইবগি তুই হিসাবি করতে পারতে নায়।
আবুলঃ নিবার লাগি দিলে।
আবুলের বাবাঃ তরে যদি কেউ কয় তর কান নিছেগি চিলে তািলে তুই কান হাত নিয়া দিয়া এই চিলের পিচন পিছন দৌড়াতে থাকবে। আর এমদি তর বউ লইয়া মানুষ বাগবে।
আবুলঃ বাগলে বাগইক তবুও আমি বিয়া করুম।
আবুলের বাবাঃ আায়রে আবুল তুই আবুলই রইলে মানুষ আর এইলে না। আমি উরুনটা বানাইচি তর ভৌত ছারানির লাগি।
আবুলের বাবা উরুন নিয়ে।
আবুলের বাবাঃ অখনও হিসাবই ছিনেনা আইছে বিয়া করত। কালি কয় বিয়া করুম বিয়া করুম। আজ তরে বিয়া করাইমু উবা হন।
তারপর আবুল দৌড় শুরু করল।
[আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now