বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
কন্যাসন্তান দুনিয়াতে আসে তিনটি পুরস্কার নিয়ে।
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান LUCKY (০ পয়েন্ট)
X
কন্যাসন্তান দুনিয়াতে আসে তিনটি পুরস্কার নিয়ে, কন্যা সন্তান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ উপহার। তারা মা-বাবার জন্য জান্নাতের দাওয়াতনামা নিয়ে আসে। তাইতো পবিত্র কুরআনে কন্যা সন্তানের সংবাদকে সুসংবাদ বলা হয়েছে।
পাশাপাশি জাহেলি যুগের সেই বর্বর চিন্তার মানুষের সমালোচনা করা হয়েছে। যারা কন্যা সন্তানের সুসংবাদ পেলে মন খারাপ করত।
তাদের কাউকে যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখমণ্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মনোকষ্টে ক্লিষ্ট হয়। তার যে সুসংবাদ দেওয়া হয় তার গ্লানি হেতু সে নিজ সম্প্রদায় হতে আত্নগোপন করে। সে চিন্তা করে যে হীনতা সত্ত্বেও সে তাকে রেখে দেবে না মাটিতে পুঁতে দেবে।
লক্ষ করো, সে কত নিকৃষ্ট সিদ্ধান্ত স্থির করেছিল [ সুরা: নাহল, আয়াত ৫৮-৫৯ ]
রাসূলুল্লাহ (সা.) কন্যা সন্তান লালন-পালনকারীদের তিনটি পুরস্কার ঘোষণা দিয়েছেন -
১. জাহান্নাম থেকে মুক্তি।
২.জান্নাতে প্রবেশে নিশ্চয়তা এবং
৩.জান্নাতে রাসূল (সা.) সাথী হওয়ার সৌভাগ্য।
তাই মহান আল্লাহ কাউকে কন্যাসন্তান উপহার দিলে সন্তষ্ট চিত্তে তাদের লালন পালন করা আবশ্যক। কেননা তারা জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়।
হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তিকে কন্যাসন্তান লালন পালন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সে ধৈর্যের সঙ্গে তা সম্পাদন করেছে, সেই কন্যাসন্তান তার জন্য জাহান্নাম থেকে আড়( প্রতিবন্ধক) হবে। [ তিরমিজি, হাদিস : ১৯১৩ ]
অন্য হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) কন্যাসন্তান লালন পালন সম্পর্কে বলেছেন, যে ব্যক্তির তিনটি কন্যাসন্তান বা তিনজন বোন আছে আর সে তাদের সাথে উত্তম আচরণ করেছে, তাদের নিজের জন্য অসম্মানের কারণ মনে করেনি, সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে [ তিরমিজি, হাদিস : ১৯১২ ]
উপরোক্ত হাদিস থেকে বোঝা যায়, জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতে প্রবেশের ব্যাপারে কন্যা সন্তানের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। উপহারের ধারাবাহিকতা এখানেই শেষ নয়। উত্তমরূপে কন্যা সন্তানের লালল-পালনের মাধ্যমে জান্নাতে প্রিয় নবী (সা.) এর সান্নিধ্য পাওয়া যা।
হযরত আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করে, যে ব্যক্তি দুজন কন্যা সন্তানেকে লালন-পালন ও দেখাশোনা করল,(বিয়ের সময় হলে ভালো দ্বীনদার পাত্রের সাথে বিয়ে দিল)
সে এবং আমি জান্নাতে এরুপ একসঙ্গে প্রবেশ করব, যেরুপ এই দুটি আঙুল ( এ কথা বলার সময় তিনি নিজের দুই আঙুল মিলিয়ে দেখালেন। [ তিরমিজি, হাদিস : ১৯১৪ ]
সংগৃহীত
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে ইসলামের সঠিক বুঝ জ্ঞান দান করুক,, আমিন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now