বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভৌতিক গল্প:ত্রয়ী (পার্ট_৪)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mehedi Hasan (০ পয়েন্ট)

X ভৌতিক গল্প:ত্রয়ী (পার্ট_৪) মেয়েটা তখন ছয়মাসের গর্ভবতী ছিলো। ভীষন দুর্বল শরীর নিয়ে কোনমতে বেঁচে ছিলো। কোন কথাই ঠিকমতো বলতে পারছিলো না। ছোট্ট একটা লকেট ছিলো তার গলায়। সে লকটে স্পষ্ট অক্ষরে ত্রয়ী নামটা লেখা ছিলো। তারপর থেকে আমরা তাকে ত্রয়ী নামেই চিনতাম। ত্রয়ীকে নিয়ে যেদিন ঢাকায় ফিরছিলাম, সেদিন প্রচন্ড ঝড় বাদল হচ্ছিলো। রাস্তাঘাট বন্ধ থাকার কারনে মাঝপথেই আটকে গেলাম। তারপর দলবেঁধে ঢুকে পড়লাম ছোট্ট একটা হোটেলে।সারদিনের ধকলে ক্লান্ত ছিলাম অনেক। ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতে না দিতেই ঢলে পড়লাম ঘুমের কোলে।মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলো। কেমন যেনো একটা ক্লিক ক্লিক শব্দ হচ্ছে। একঘেয়েভাবে শব্দটা হয়েই যাচ্ছে। বিরক্ত হয়ে উঠে যাচ্ছিলাম, পারলাম না। টের পেলাম বুকের ওপর ভারী কি যেনো একটা বসে আছে। মনে হলো কি যেনো একটা হামাগুরি দিয়ে পড়ে আছে আমার বুকের ওপর।ক্লিক ক্লিক শব্দটা ওটার মুখ থেকেই আসছে।ধড়ফড় করে উঠে বসতে চাইলাম। ওটা বসতে দিলো না আমাকে। দুহাতে গলা চেপে ধরলো। ওটার ধারালো নখগুলো গলার চামড়া ভেদ করে মাংসের ভেতর ঢুকে পড়লো। আতঙ্কে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠলাম আমি।একফোঁটা শব্দও বের হলো না।শুধু মৃদু একটা গোঙানিমতো কি যেনো শুনতে পেলাম।হিসহিস করতে করতে ওটা ঝুঁকে পড়লো আমার মুখের ওপর।কয়েক ফোঁটা লালা গড়িয়ে পড়লো আমার গালে।বিষ্ফোরিত চোখে দেখলাম শরীরের ওপর বসে থাকা জিনিসটা আসলে একটা মেয়ের ছায়ামূর্তি। মেয়েটা মেরে ফেলতে চাইছে আমাকে। ভয়ে আতঙ্কে শরীরের সমস্ত শক্তি এক করে চিৎকার দিতে চাইলাম।এবারও কোন শব্দ বের হলো না গলা থেকে।চোখের কোনা দিয়ে দেখলাম কারা যেনো দৌড়ে আসছে আমার দিকে। তারপর আর কিছু মনে নেই। যখন জ্ঞান ফিরলো,তখন দেখলাম গ্রুপের সবাই হা করে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। " কোত্থেকে যেনো একটা বানর ঢুকে পড়েছিলো রুমের ভেতর। ওটাই হামলা করেছে তোমাকে। " গড়গড় করে বলে উঠলো নীতিশা। - ওটা বানর ছিলো না। ওটা মানুষ ছিলো। আমি স্পষ্ট দেখেছি ওটা একটা মেয়ে ছিলো। " না ওটা বানরই ছিলো।তুই ভুল দেখেছিস। " পাশ থেকে থমথমে গলায় জবাব দিলো রিকি। বাকি সবাইকেও দেখলাম মাথা নাড়িয়ে সায় দিচ্ছে ওদের কথায়।আর কথা বাড়ালাম না।গাল ফুলিয়ে চলে এলাম বাইরে । মেজাজটাই খিঁচড়ে গেছে হঠাৎ করে।দূরে একটা চা দোকান দেখা যাচ্ছিলো। দৌড়ে গেলাম সেখানে। বেশী বেশী কনডেন্স মিল্ক ওয়ালা এককাপ চা আর বাটার বন হাতে নিয়ে বসে পড়লাম বেঞ্চির ওপর।বিরস মুখে চায়ে ভেজানো বাটারবন চিবুচ্ছিলাম। হঠাৎ দূরে দাঁড়ানো চার পাঁচজনের কথা শুনে নড়েচড়ে উঠলাম।জটলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ওরা। অভিশপ্ত কোন দ্বীপ নিয়ে কথা বলছে উত্তেজিত কন্ঠে। গোয়াইনঘাটের আশেপাশেই কোথাও আছে অভিশপ্ত সে দ্বীপটি। সে দ্বীপের অবস্থান পৃথিবীর কোন ম্যাপে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কেউ কোন দিন জানতে পারবে না সে দ্বীপের কথা। কারন কতৃপক্ষ চায় না কেউ জানুক। বহু বছর আগে ম্যাপ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হয়েছে সে দ্বীপের অবস্থান। চলবে.............!!! (গল্পটা কেউ কপি করবেন না)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now