বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখকঃ মোঃ আনিছুর রহমান ( নিজ )
প্রকাশনাঃ হ্যামক ট্যুরিজম বিডি
শ্রেণীঃ উপন্যাস
প্রকাশকালঃ ২০১০
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
♥পর্ব-৪♥
শুধু শাসন করলেই মানুষ সঠিক পথে আসে না। মানুষকে ভালবাসতে হয়, কাছে টেনে নিতে হয়। মানুষের দুঃখে কষ্টে এগিয়ে আসতে হয়। আর যারা নিঃস্বার্থে এসব করে তারাই তো প্রকৃত মানুষ। আর যে শাসনে ভালবাসা থাকে সে শাসনই হলো সুশাসন। নিজের মেয়ের ভালবাসা এতটাই অপছন্দনীয় তা মানিক মোল্লাকে দেখলে বুঝা যায়।
মাধবী বরাবরই তার বাবাকে বলে যে, তার বাবা যেন অসত্যকে গ্রহণ না করে সত্যকে গ্রহণ করে। সত্যের ভালবাসা আকাশের চেয়েও বিশাল। ভালবাসাকে যারা অবহেলা করে তারা খুনী ছাড়া আর কেউ নয়। মানিক মোল্লা এসব কিছু সহ্য করতে পারে না। এক পর্যায়ে মাধবীকে সজোরে চড় কষিয়ে দিয়ে তার বাবা বলে-
- বড়দের সাথে কিভাবে কথা কইতে অয় জানস না?
- তুমি আমারে মারলা বাজান।( কাঁদতে কাঁদতে ঘরে চলে গেল)
- মা মরা মেয়ের গায়ে হাত তুললি রে মানিক। তুই বড় পাষাণ্যারে কাউকে ভালবাসতে জানলি নারে।
- এই জুলুমডারে কেউ শাসন কইব?
- কি কইলা মা? আমি কারো ভালো চাই না।
- তাইলে মাধবীরে মারলি কেন?
- তোমার প্রশ্রয় পাইয়া মাইয়াডা আমার গোল্লায় গেল। কতটুকু আস্পর্ধা! আমরা মান মর্যাদা ধূলায় মিশাইব। এইডা অয়ব না। আইজ থেইকা ওর বাড়ির বাইরে যাওন মানা। আমি যাইতাছি। উত্তর পাড়ায় শালিস করতে অয়ব। খাইয়া নিও তোমরা। আমার আইতে অনেক রাইত অইব।
পূর্বের মতো সাগর মাধবীর সাথে দেখা করতে আসে। মানিক মোল্লা উত্তরপাড়ার থাকে বাড়ি ফিরছে।
মাধবীর ঘরে প্রবেশ করা মাত্রই সাগর ধরা পড়ে যায় মানিক মোল্লার কাছে। বাংলার বুকে যেন হিটলার নেমে আসে। তারপর শুরু হয় মর্মান্তিক ঘটনা। ঠিক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো। যেন আগুনের ফুলকি ছড়িয়ে পড়ছে চারদিক। হিটলার বেশে মানিক মোল্লা রেগে গিয়ে বলে উঠে,
- তোর রক্তের মেহেদি দিয়ে আমার মেয়েরে বিয়ে দিমু রে হারামজাদা। তোকে খুন কইরা ফেলামু।
মানিক মোল্লা রাগী মানুষ। তার পক্ষ্যে খুন করাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আর সাগর তো তার শত্রুর ছেলে! এতদিন মানিক মোল্লা এই সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। শত্রুর উপর প্রতিশোধ নেবার। এসব ভেবে মাধবী তার বাবার পায়ে লুটে পড়ে বলতে থাকে-
না, বাজান। তুমি আমাকে মেরে ফেলো। সাগরকে মেরো না বাজান। সাগরকে ছাড়া আমি বাঁচব না বাজান।
মাধবীর ফুফাত ভাই আকরাম। মাধবীকে সাগরের সামনে থেকে টেনে হিঁচড়ে ঘরে নিয়ে যায়। আর প্রচন্ড প্রহারে সাগর তো অজ্ঞান, নিথর দেহটা উঠানেই পড়ে থাকে। মাধবী যার জন্য ভালবাসার তরী বায়ছে, আর সে সাগরের এই অবস্থায় মাধবীর বেঁচে থাকা কি দরকার? তাই মাধবী বিষ পান করে।
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
চলবে..........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now