বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ও......বন্ধু তুমি শুনতে কি পাও এ গল্প আমার
ও.....এ গল্প আমার।
—আয়নার সামনে দাড়িয়ে ট্রায়াল দিচ্ছিলাম।নাহ, পাঞ্জাবীটা ঠিক সুবিধার হয়নি।
আর কত? এবার একটু খেমা দে।আয়নার সামনে থেকে সর। আপু বিরক্ত হয়ে বলে।
তোর কি সমস্যা? আমি বিরক্ত হয়ে বলি।
আপু চলে যায়।আমি আবার আয়নার দিকে মন দেই।
নাহ, ভুড়িটা বেড়ে গেছে।পাঞ্জাবীটা পেটের কাছে এসে বিশ্রীভাবে টাইট হয়ে গেছে।
ধুর। সব দোষ শালার চাকরিটার। সারাক্ষন বসে বসে মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়, কোন শারীরিক পরিশ্রম নাই। ভুড়িতো বাড়বেই।
নিজের ওপর খুব বিরক্ত লাগছে।আম্মু আগেই বলেছিল নতুন পাঞ্জাবি সেলাতে নাহয় কিনতে।আমি কাবিল হয়ে বল্লাম, কিনতে হবে না, পাঞ্জাবি আমার আছে।আর এখন দেখা যাচ্ছে পাঞ্জাবি আছে ঠিকই, তবে ভুড়ি দিয়ে টাইট।
আর কতক্ষন?
আসতেছি।আমি জবাব দেই।
ব্যাপারটা হচ্ছে আজ আমার মামাতো ভাইয়ের গায়ে হলুদ। আমরা সব মামতো-খালাতো ভাই মিলে ঠিক করলাম আমরা সবাই মেরুন রংএর পাঞ্জাবি পড়ব। সমস্যা হল সবাই যেদিন পাঞ্জাবি সেলাতে যাবে সেদিন আমি ছুটি পেলাম না। ফলে ওদের সাথে যেতেও পারলাম না।অবশ্য আমার এমনিতেই মেরুন কালারের পাঞ্জাবি আছে, তাই ব্যাপারটা আর গা করলাম না। কিন্তু মাত্র দশ মাসের ব্যবধানে ভুড়িটা এমন বেয়ারাভাবে বেড়ে গিয়ে পাঞ্জাবি নিয়ে আমায় বেকায়দায় ফেলবে- ভাবতে পারিনি।
তোর ফোন বাজে। আপু চেচিয়ে ওর রুম থেকে বল্ল।
কে? আমি জানতে চাই।
নিজে দেখ। আপুর জবাব।
আমি আপুর রুমের দিকে এগিয়ে যাই।মোবাইলটা ওর রুমে চার্জ দেয়া।
আমি ফোনটা হাতে নেই। শাফি ভাই। অদ্ভুত।
শাফি ভাই আমার সিনিয়র কলিগ।আজ ছুটি নিয়েছি রেহান ভাইয়ার গায়ে হলুদ উপলক্ষ্যে, তার ওপর অফিস আওয়ারও শেষ। এখন ফোন করল কেন?
হ্যা, শাফি ভাই।
মাহফুজ, তুমি এক্ষুনি প্ল্যান্টে আস।
আমার আজকে ছুটি ভাই।
আরে ছুটিতে গুল্লি মার, জলদি আসো।
আমার কাজিনের এখন গায়ে হলুদ, এখানে সেখানে যাচ্ছি।
আরে এখন না আসলে জীবনে আর প্ল্যান্টে আসতে হবে না তোমার।
কেন?কি হইছে?
আরে মিয়া, চেয়ারম্যান স্যার আসছে। তোমারে খুজে।
কেন?
সেদিন যে কারো সাথে কন্সাল্ট না করে প্ল্যান্ট শাট ডাউন করে দিলা...
আমি তাকে পুরা বাক্য শেষ করার সুযোগ দেই না।আরে ভাই, প্ল্যান্টে আগুন লাগছিল। শাট ডাউন না দিলে বিস্ফোরনে আমরা সবাই উড়ে যাইতাম।
স্যার এইসব বুঝতে চাচ্ছে না। গত চারদিন প্ল্যান্ট বন্ধ, কোন প্রোডাকশান নাই, দুইটা ডেলিভারি হয় নাই, অর্ডার ক্যান্সেল হইছে। স্যার কিন্তু মহাখাপ্পা।তুমি আস, নাহয় খবরই আছে।
বাল। ফোনটা রেখে দেই।গায়ে হলুদে যাওয়া চান্দে উঠল, এখন চাকরি বাচাতে ছুটতে হবে।
To be Continue..........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now