বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
????#হ্যাকার___বউ????
.…
#Part___4
._…
Md sohag rana.
আমি:আসলে হয়েছে কী আমার ফোনে চার্জ ছিলো না তাই অফ হয়ে গিয়েছিলো..
জান্নাত:রাতে জী গরুর ঘাস কাটছিলে রাতে ফোন চার্জ দিতে কী হয়ে ছিল..
আমি:না মানে..
জান্নাত:মানে মানে করতে হবে না এখন ড্রাইভ করো..
এইরে মাইয়া তো সুপার ফাস্ট এতো তাড়াতাড়ি লং ড্রাইভ..
কিন্তু শালা দূর্জয়টা কই আসবে না নাকি..
এখন যদি তীরে এসে শালার জন্য তরী ডুবে তাহলে আমি তো ওই সালাকে চিকেন ফ্রাই করে খাবো..
আর একটু সময় আবুল তাবোল বলো দেখি এর মাঝে যদি দূর্জয় এসে যায়.
আমি:আন্টি আমি কী আপনার ড্রাইভা..
ঠাস ঠাস..
কি বুঝতে পারছেন না কী হলো..
ওকে আসুন ফ্যালাসব্যাকে যাই..
আমি:আন্টি আমি কী আপনার ড্রাইভার যে আপনি বসে থাকবেন আর আমি গাড়ি চালাবো..
জান্নাত:কী বললি আবার বল তো..
আমি:কই কী বললাম ????..
জান্নাত:এদিকে আয়..
আমি:এই আপনি তুই তুই করছেন কেন অভদ্র দের মতো বাড়ি শশুড় শাশুড়ী থুক্কু আব্বা আম্মা শিক্ষা দেয় নাই আপনাকে..
জান্নাত:আরে জানু আসোই না তোমার জন্য গিফট নিয়ে এসেছি..
আমি:সত্যি দেন আমার গিফট.. (ওর সামনে গিয়ে)
আর তখনই জান্নাত আমাকে উপরের দুইটা দিলো..
জান্নাত:আমি তোর আন্টি তাই না????(রাগি ভাব নিয়ে)
আমি:না আমার আপন বউ তুমি.. (আর খেতে চাই না ভাই গাল টা ব্যাথা করে ফেলছে)
জান্নাত:তাহলে এখন থেকে কী বলে ডাকবা আমায..
আমি:আমার আম্ম..
ঠাস ঠাস ঠাস ঠাস ঠাস ঠাস..
জান্নাত:কী বললি তুই আমি তোর আম্মু ????????????????????..(খুব জোরে চিল্লায় বলল)
আমি:আমার পুরো কথা টা না শুনেই মারলে কেন????..
আমি তো বলছিলাম যে তুমি আমার আম্মুর ছেলের আদরের বৌ..
(শালী তুই আমার বা** আমি তোরে বিয়ে তো দূরের কথা বিয়ের আগেই পালামু তখন বুঝতে পারবি কেমন লাগে)..
জান্নাত:সরি (জিহ্বায় কামড় দিয়ে)
এটা সরাসরি বলতে কি হয়েছিলো গো তাই তো আর থাপ্পড় খেতে হতো না..
আমি:???????????? আম্মুউউউ এই তোমার ছেলে টাকে এই রাক্ষসীর হাতে তুলে দিবে এটা তো আমার জীবন টাকে থাপ্পড় দিয়ে দিয়ে থাপ্পড় বাবু বানিয়ে দিবে????????..
(খুব জোরে কান্না করতে করতে বললাম)
জান্নাত:এই এই কী করছ সবাই দেখছে তো..
আমি:তো আমি কী করব তুমি আমায় কেন মারলা????????..
জান্নাত:সরি..
আমি:তোর সরির গুষ্টি তোরে মারতে পারলে শান্তি হতো কিন্তু বেঁচে গেলি যে আমার আব্বা আমাকে আস্ত রাখবে না যদি তোকে কিছু বলি.. (আস্তে বললাম
জান্নাত:কিছু বললা..
আমি:আমার মাথা বলছি..
জান্নাত:কি বললা তুমি ????..(রেগে গিয়ে)
আমি:না মানে বললাম যে গাল টা ব্যাথা করছে..
জান্নাত:এই কথা বাবুর ওয়েট এখনি ঠিক হয়ে যাবে..
এর পর জান্নাত যা করল তাঁর জন্য আমি মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না..
জান্নাত এসে আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার গালে কিস করে দিলো..
এরপর গাল থেকে ঠোঁটে..
এরপর ছেড়ে দিয়ে সরে গেলো..
আমি এসব কিছু সত্যি ঘটল নাকি স্বপ্ন সেটা বুঝার চেষ্টা করছি..
জান্নাত:কেমন লাগল থাপ্পড়ের এন্টিডোট টা????..
জান্নাতের কথা শুনে বুঝতে পারলাম যে এটা সত্যি হয়েছে..
আর বুঝতে পাড়ার সাথে সাথে আমার মাথা ঘুরতে লাগল চোখটা অন্ধকার হয়ে এলো..
হঠাৎ করে গেলাম পড়ে..
যখন তাকালাম তখন দেকি আমি বাড়িতে আছি..
আর পাশে জান্নাত বসে আছে..
রুমে শুধু আমি আর জান্নাত..
জান্নাত:এটা কি হলো একটা কিস দেওয়াতে এমন ভাবে অঙ্গান হয়ে গেলা(আমাকে তাকানো দেখে)
আমি:আমার ইজ্জত নিয়ে আপনি ছিনিমিনি খেলছেন..
আমি আপনার নামে পুরুষ নির্যাতনের মামলা করব আপনি আমার এতো সুন্দর গাল আর ঠোঁট টাতে কিস করে আমার সর্বনাশ করে দিয়েছেন????.. (কান্না করার অভিনয় করে বললাম)
জান্নাত:এই থামো থামো এগুলো কী বলছো সবাই শুনে ফেলবে তো..
আমি:শুনোক আর জানুক যে আজ একটা ছেলে তার ইজ্জত হারিয়েছে????..
জান্নাত:ওকে তাই হোক এখন সবাই জানবে যেহেতু তাহলে সত্যি তোমার ইজ্জত টা এখন লুটে নেই..
আমি:মানে????(অবাক হয়ে গালটা হাত দিয়ে ঢাকলাম)
জান্নাত:মানে এটা..(আমার দিকে ওর ওরনা টা ছুরে দিয়ে)
আমি:এই কী করছেন থামুন বলছি থামুন..
জান্নাত:কেনো থামবো এখন আমি তোমার ইজ্জত সত্যি সত্যি নেবো তারপর থামবো..
বলেই ওর জামাটা খোলার জন্য উপরের দিকে টান দিলো আর ওর স্লিম কোমরা টা বের হয়ে এলো..
এরপর আর কিছু মনে নাই কারণ আমি আবার ঙ্গান হারিয়ে ছিলাম..
যখন আমার ঙ্গান আসলো দেখলাম আম্মু আমার পাশে বসে আছে..
আম্মুর দিকে লক্ষ্য না করে আমি আগে আমার শরীরের দিকে তাকালাম না সব তো ঠিকই আছে তার মানে আমার ইজ্জত লুটে নিতে পারে নাই ওই মাইয়া..
যাক আগে আম্মুর কাছে জিজ্ঞেস করে নেই মাইয়া টা গেছে নাকি..
আমি:আম্মু জান্নাত কই..
আম্মু:কীরে বিয়ের আগেই ওকে চোখে হারাচ্ছিস বিয়ের পর তো কাছ ছাড়াই করবি না..
আম্মা গো হেতেরে মুই বিয়া করমু না..
তোমরা কেন এইটা বুঝতে পারছো না..
বায় দা ওয়ে আমার সাথে আবার উল্টো পাল্টা কিছু করে নাই তো ????..
আমি:না মানে আম্মু বলছিলাম যে ওই মাইয়ারে বিয়ে করব না তাই আরকি..
আম্মু:তুই বিয়ে না করলে তোর বাপ করবে তাও ওই মেয়ে এই বাড়ির বৌ হয়ে আসবেই..
আমি:ওকে তাহলে আব্বুকেই বিয়ে করতে বলো..
আম্মু:তুই কী বললি????..
আমি:বললাম যে আমার খিদে লাগছে..
আম্মু:ওকে তুই থাক আর আমি খাবার নিয়ে আসছি..
যাক বাবা বাচা গেলো নিশ্চয়ই আম্মু ভালো ভাবে খেয়াল করে নাই আর যদি খেয়াল করতো তাহলে আমি এতো সময়ে খেয়াল করার মতো অবস্থায় থাকতাম না..
আম্মু যাবার পর মনে পড়ল যে আমি আমার সোনাটাকে অনেক সময় অফ রাখছি এখন একটু অন না করলে হয়তো আমার উপর সোনা পাখি টা রাগ করবে..
তাই ফোন টা হাতে নিলাম..
ফোন হাতে নিয়েই নেট অন করলাম কিন্তু নেট অন করলাম..
নেট অন করার সাথে সাথে আমার মেসেনজারে যেনো ঝড় শুরু হয়ে গেলো..
ওই নীলিমা আক্তার নীলা আইডি থেকে অনেক গুলা ম্যাসেজ আসছে..
আমি ম্যাসেজ ইগনোর অন করে রাখলাম জানি লাভ হবে না কারণ ওই মাইয়া আমার পাসওয়ার্ড জানে..
ম্যাসেনজার থেকে সোজা ফেসবুকে চলে আসলাম..
ফেসবুকে এসে তো আমি অবাক কারণ আমার আর ওই মাইয়ার নামে রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস দেওয়া..
এই টা দেখে তো আমার এখন দশ তালা বিল্ডিংয়ের প্রথম তালার দ্বিতীয় নম্বর সিড়ি থেকে লাফ দিয়ে সুইসাইড করতে মনে চাইছে..
কিন্তু ভাই আমার একটা কন্ফিউজ আছে যদি আমি বিল্ডিংয়ে উঠার দ্বিতীয় সিড়ির উপর থেকে লাফ দেই তাহলে কী মারা যাবো????????..
আরে ভাই পরে মরব আগে এটা ডিলিট করে নেই..
ওই রিলেশন সীপ স্ট্যাটাস ডিলিট করতে যাবো এমন সময় মাইয়ার ফোন..
ফোন রিসিভ করব নাকি করবা না এইটা ভাবতে ভাবতেই ফোন কেটে গেলো..
সাথে সাথে আবার ফোন করলো..
এবার ফোন টা ধরলাম আর ধরেই দিলাম ঝাড়ি????????..
আমি:ওই আমি তোর কোন জন্মের প্রেমিক রে যে আমার লগে তুই রিলেশন শীপ স্ট্যাটাস দিছিস????????(রাগি ভাব নিয়ে বললাম)
ওপাশে:আরে এতো রাগের কী আছে আমি তো আর ভূল কিছু দেই নাই..
আমি:ভূল কিছু দিস নাই মানে আমি তোরে ভালোবাসি নাকি যে তুই আমার সাথে তোর রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দিয়ে ছিস..
ওপাশে:ওকে বাবা সরি আমি ডিলেট করে দেবো এখন তো শান্ত হও..
কী ব্যাপার মাইয়া আজ এতো শান্ত কেন..
আবার ওই মাইয়াই ফোন দিয়েছে তো নাকি অন্য কেও..
তাড়াতাড়ি নম্বর চেক করলাম..
নাহ্ এই মাইয়াই তো আগে ফোন দিয়া ডির্স্টাব করত কিন্তু এখন হঠাৎ করে এতে টা শান্ত বিহেব হয়ে গেল কী ভাবে..
আমি:হ তাড়াতাড়ি ডিলিট কর..
ওপাশে:ওই তোর সাথে ভালোভাবে কথা বলছি জন্য কী তুই আমার সাথে এমন ভাবে কথা বলছিস..
আর একবার আমাকে তুই বলে ডাকবি তো তোর কী হাল করব আমি তা তুই কল্পনাও করতে পাড়বি না..
এটা কী হলো হঠাৎ করে সাইলেন্ট মুড থেকে ব্রাইভেশন মুডে চলে গেলো কেমতে????..
আমি:আপনি কী করবেন আমার????(অবাক হয়ে)
ওপাশে:কিছু না আবার অনেক কিছু করব..
কথাটা আমার মাথার উপর দিয়ে চলে গেল..
আমি:আচ্ছা আপনাকে কিছু করতে হবে না শুধু আপনার নামটাই বলুন..(অনুরোধ করে বললাম)
ওপাশে.:নাম সময় হলেই জানতে পাড়বি..
এখন বল তুই নাকি বিকেল থেকে দুইবার ঙ্গান হারাইছিস..
কাহিনি টা কি কী হয়েছিল তোর????..(শান্ত ভাবে বলল)
আমি দুইবার ঙ্গান হারাইছি এটা ও কেমন করে জানলো তাহলে কী মাইয়া আমাদের পরিবারেরই কারও সাহায্য নিয়ে আমার সকল খোজ খবর নিচ্ছে????..
ওপাশে:কি হলো বললা না তো কি হয়েছে তোমার..
তোমার শরীর ঠিক আছে তো????..
ওর কথায় হুশ আসলো..
আমি:হুমম আমি ঠিক আছি কিন্তু আপনি জানলেন কেমন যে আমি দুইবার ঙ্গান হারাইছি..
ওপাশে:যেমন করেই হোক জানছি এখন বলো কী হয়েছিল..
আমি ওর কথায় কেমন জানি একটা মায়া অনুভব করতে লাগলাম তাই সব ওকে বলে দিলাম..
সব শুনার পর তো ওই হ্যাকার মাইয়া টা রেগে গিয়েছে..
ওপাশে:কীইইই ওই মেয়েটার এতো বড় সাহস তোকে কিস করছে আবার রুমে গিয়ে তোরে ইয়েও দেখাতে চাইছে..
???????? এটা কী হলো এগুলোর কথা শুনে ওনি এমন ভাবে রিয়েক্ট করল যে আমি তার স্বামী????..
আমি:আফা মনি হেতেয় মোর বউ হবি সো আমারে এগুলো দেখাতে বা করতেই পারে..
কথা টা যেনো এটম বোমা ফাটার মতো হলো..
ওপাশে:কি কইলি তুই..
শালার লুচ্চা তুই আমার সর্বনাশ করে আমার পেটে তোর বাচ্চা দিয়ে এখন অন্যকে বিয়ে করতে চাইছিস..
তুই ওর সাথে বিয়ে করতে বসবি তো তোকে আমি তখনই কিডন্যাপ করে নিয়ে আসব..
বলেই ফোন কেটে দিলো..
আর আমি বসে বসে গান গাইতে লাগলাম..
আসেন আপনারাও আমার গান শুনুন????????..
বসে বসে ভাবি আমি সারাদিন..
সালার কে এই মাইয়া যে নাকি আমার বাচ্চার আম্মি????..
থুক্কু এখন তো রাত তাই ওটা হবে রাত্রি ????..
আচ্ছা আসলেই কী মাইয়াটা সত্যি বলছে নাকি আমার লগে জাস্ট মজা নিচ্ছে..
হয়তো বা মজা নিচ্ছে না হলে আমি তো আজ পর্যন্ত কোনো মাইয়ারে কিসই করি নাই তাহলে বাচ্চা পেটে যাবে কেমনে????..
নাহ্ ভাই আর সহ্য হচ্ছে না আবার যদি ওই হ্যাকার মেয়ে ফোন করে তাহলে ওর সাথে দেখা করার কথা বলব আর রাজি হলে আগে গিয়ে থাপরামু????..
এগুলো ভাবতেছি এমন সময় আবার জান্নাত ফোন দিলো..
বাহ্ নিজেকে কেমন জানি এটিএম বুথ মনে হচ্ছে একটা বের না করতেই আর একটা ঢুকানোর জন্য রেডি????..
ফোন রিসিভ করব না জন্য অফ করতে চাইলাম কিন্তু ভূলে রিসিভ হয়ে গেলো..
কী আর করমু এখন কথা বলতেই হইবো..
জান্নাত:এখন কী অবস্থা তোমার?..
আমি:এইতো মনে হচ্ছে যে কেও আমাকে গরম তেল দিয়ে দিচ্ছে..
জান্নাত:মানে????(অবাক হয়ে)
আমি:ওটা আপনি বুঝবেন না..
জান্নাত:ওকে আমাকে বুঝাতে হবে না তুমি কাল তৈরি থেকো তোমাকে নিয়ে এক জায়গা ঘুরতে যাবো..
আমি:কিন্তু আমার একটা..
টু.....টুু....টু...টু..টুু যাহ্ ফোন কেটে দিলো..
আমি আর কী করমু আম্মা খাবার দিয়ে যাবার পর সেগুলো খেয়ে নিলাম আর একটু সময় ফেসবুক চালিয়ে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে একটা গল্প লিখলাম..
তারপর দিলাম ঘুম..
সকালে কোনো একটা মিষ্টি কন্ঠে ঘুম ভেঙে গেল..
চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি জান্নাত আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে..
হঠাৎ ওর এমন হাসি দেখে কেমন জানি সন্দেহ হলো তাই ভালো করে নিজেকে পরীক্ষা করতে লাগলাম যে কিছু তো করে নাই..
নাহ্ আমার মুখ চোক কান নাক সব তো ঠিক আছে তাহলে হাসছে কেন..
হঠাৎ আমার নজর গেলো বিছনার দিকে..
বিছানায় যা দেখলাম তাতে আমি অবাক হয়ে গেলাম..
বুঝতেই পারছি না এটা কেমনে হলো...
.
.
.
.
.
.
.
.
.
Waiting for next part..
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now