বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
দূর্জয়:কিরে কি হয়েছে এখন বল..
আমি:ভাউ আপনি কত বড় খেলোয়াড় তাই আগে কন..
দূর্জয়:আমি আবার কি করলাম..
আমি:শালা ওই মাইয়া টা কে..
দূর্জয়:আরে আর কত দিন সিঙ্গেল থাকমু ক তাই আর কি একটা প্রেম করে ফেললাম ????..
আমি:হ ভাউ তোমরা প্রেম করো এদিকে যে আমার বাঁশ যাচ্ছে তাতে তোমা গো খেয়াল নাই????????..
দূর্জয়:কী হয়েছে বলবি তো নাকি????..
আমি:তাহলে শুন..
ওর কাছে সব বললাম .
দূর্জয়:হাহাহা এই কাহিনি তাহলে তো ভালোই হবে তোর বিয়ে খাওয়া হবে????????..
আমি:প্লিজ ভাউ আমায় সাহায্য কর প্লিজ..
দূর্জয়. কী করতে হবে আমাকে তাই বল..
আমি ওকে আমার প্ল্যান টা বললাম..
দূর্জয়:ওকে কাজ হয়ে যাবে এখন থাক ভাই আমি একটু রোমাঞ্চ করে আসি আর সময় মতো কাজ হয়ে যাবে..
দূর্জয় চলে গেল আর তখনই একটা আন নোন নম্বর থেকে ফোন আসলো..
ফোন রিসিভ করতেই অবাক হয়ে গেলাম..
ওপাশে:কিরে তুই নাকি আজ অন্য একটা মেয়ে নিয়ে ঘুরতে যাবি শোন কথা টা যদি সত্যি হয় তাহলে তোর পিছনে আমি আগুন লাগাবো মনে রাখিস..
আমি:আচ্ছা বোন আপনি কে বলুন তো আর আমার কাছে কী চান..
ওপাশে:শালা কুত্তা সেদিন আমার সর্বনাশ করে এখন বলছিস আমি কে..
এইরে এই মাইয়া নিশ্চয়ই পাবনা মেন্টালে ছিলো তাহলে না হলে কি বলছে এসব আমি ওর সর্বনাশ করছি..
আমি:দেখুন আপনার কোথাও ভূল হয়েছে হয়তো আপনার সাথে ওমন কাজ অন্য কেও করছে আর আমি তো মেয়েদের দিকে তাকাতেই সাহস পাই না সেই আমি আপনাকে ছি এমন কাজ করার আগে যেনো আমার বিয়ে হয়ে যায়????..
ওপাশে:শালা তোর কাছে এটা ফান মনে হচ্ছে..
আমি:না মোটেই না..
ওপাশে:তুই তোর কলেজ ছুটির পর আমার সাথে দেখা করবি আর যদি আলতু ফালতু কোনো মেয়ের দিকে যাস তোর খবর আছে..
আমি:???? কয়টার খবর গো আন্টি..
ওপাশে:আন্টি মানে ????..
আমি:না মানে কয়টার খবর একটু বলুন আমি আমার বন্ধুদের দেখিয়ে দিতাম যে আমি কত বড় ফেমাস ব্যাক্তি যে আমাকে এখন খবরেও দেখায়..
ওপাশে:তুই যদি না আসিস তাহলেই বুঝতে পাড়বি কয়টার খবর????????..
বলেই ফোন কেটে দিল..
নাহ্ এ মেয়ের কথাবার্তার ভাব ভালো না এখন ফোন টা অফ রাখি..
হালার বেডির কথা শুনে মনে হচ্ছে যে মাইয়া কোনো গুন্ডা না হয় গুন্ডার বোন না হয় মেয়ে..
যাক যদি গুন্ডার ফ্যামিলিএর কেও হয় তাহলে তো এই মাইয়ারেই আমার প্রথম র্গালফ্রেন্ড বানামু কিন্তু প্রেম করমু না????..
আচ্ছা প্রেম না করে কী র্গালফ্রেন্ড হয়????..
যাহ্ সালা ওই মাইয়ার জন্য ক্লাসে লেট হয়ে গেছে..
কী ভাবছেন আমি এখন ক্লাসে গেলে স্যার আমাকে বকা দিবে..
নাহ্ স্যার সবাইকে বকা দিলেও আমায় কিছু বলবে না..
কারণ আমি আবার একটু ভদ্রটাইপের ছেলে তো তাই সব স্যারের দূর্বলতা সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে রাখছি আর কেও কিছু বলতে আসলেই সেইটা নিয়ে ভয় দেখাই..
আর এখন আমাদের বাংলা স্যারের ক্লাস আর তার সব থেকে দূর্বল স্থান হচ্ছে আমাদের গনিত ম্যাডাম????..
চলেন স্যারের সাথে একটু মজা করে আসি..
আমি:স্যার আসব..
স্যার:এতো সময় কার কাছে গিয়েছিলি তার কাছেই যা..
এখন আবার ক্লাসে আসছিস ক্যান..
আমি:ওকে আমি দিপ্তি(গমিত ম্যামের নাম) ম্যামের কাছে যাচ্ছি..
উনি আজকে আমাকে দেখা করতে বলছে কী সব পার্সোনাল কথা বলবে????(বাইরের দিকে যেতে যেতে বললাম)..
স্যার:এই দ্বারা দ্বারা কই যাস তুই ছাড়া ক্লাস চলবে নাকি..
আমি:না স্যার আমি না আর বেয়াদবি করতে চাই না তাই আপনার কথা রাখবো..
স্যার:তুই আগেই বেয়াদবি করতি নাকি তুই তো আমাদের গর্ব আমাদের কলেজের সব থেকে ভদ্র ছাত্র (দাঁতে দাঁত চেপে বলল)
আমি:স্যার আপনার কথায় কেমন জানি রাগ মিশে আছে আর এটাই বলে দিচ্ছে আপনি আমাকে অভদ্র ভাবছেন????..
স্যার:না তুই তো খুব ভালো ছেলে আয় ভেতরে আয়..(একপ্রকার জোড় করেই ক্লাসে নিয়ে গেলো)..
আমি: না স্যার আমি দিপ্তি ম্যামের কাছে যাই..
স্যার:প্লিজ ভাই এখানে বস..
সামনের সিটে জায়গা করে দিয়ে..
আমি:ওকে ভাই তুই এতো সময় ধরে যখন বলছিস তাহলে থাকি..
স্যার:আমি তোর ভাই হলাম কেমতে????..
আমি:লে হালুয়া আপনিই তো আমাকে ভাই বললেন..
স্যার:সেটা কথায় কথায় বলে ফেলছি..
স্যার:ওকে তাহলে আমি যাই..
স্যার:এই না না তুই তো আমার আদরের ছোট ভাই আয় ভাই এখানে বস..
এবার কিছু না বলে বসে পড়লাম..
ক্লাস শেষ করে বের হতেই মনে পড়ল আব্বার কথা..
জান্নাতের সাথে দেখা না করলে আজ আমার বাসায় যাওয়া হবে না..
তাই জান্নাতকে খুঁজতে লাগলাম..
কিন্তু মাইয়ারে কোথাও পাচ্ছি না..
তাহলে কী মাইয়া এখনও আসে নাই নাকি আজ আসবে না..
ভাবতেই মনটা দোলা দিয়ে উঠলো..
কিন্তু সেটা বেশি সময়ের জন্য না কিছু সময় পর দেখলাম জান্নাত আসছে..
ওকে দেখে তো আমার মাথা ঘুরে গেলো..
আজ একদম পরীদের মতো লাগছে..
একটা সাদা থ্রি পিছ পড়ে এসেছে..
হাতে হালকা নীল চুরি..
কানে বড় টাকের চাক্কা মানে বড় কানের দুল..
কপালে একটা কালো টিপ মুখে হালকা মেকাপ আর হালকা লিপস্টিক..
আমি একদৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে আছি..
জান্নাত:দেখা হয়ে গেলে কী আমরা যেতে পাড়ি..
ওর কথায় ঘোর কাটলো..
আমি:হুমম চলুন..
রিকশা ডাকতে যাবে কিন্তু জান্নাত ডাকতে দিলো না কারণ ও নাকি গাড়ি নিয়ে আসছে..
আমিও রাজী হয়ে গেলাম..
জান্নাত:তোমার ফোন অফ কেনো..
গাড়ির কাছে গিয়ে বলল..
আমি:আসলে হয়েছে কী.....
.
.
.
.
.
.
.
.
আমার একটা হেল্প লাগবে। আমি কোন ইমুজি দিতে গেলে সেটা প্রশ্নবোধক চিনহ হয়ে যাই।
প্লিজ কেউ জানালে খুব উপকার হতো।
ধন্যবাদ????????
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now