বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রকৃত ভালোবাসা থাকে মনের গভীরে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাফায়েত হোসেন (০ পয়েন্ট)

X প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে আজ ঢাকায়।আমি সোহান সকালে বাস স্টপে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছি।উদ্দেশ্য অফিসে যাবো।বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া থেকে বাচতে ছাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি।একটু বিরক্ত ও লাগছে আমার কারণ এই বৃষ্টির মধ্যেও অফিসে যেতে হবে।শুক্রবার বাদ দিয়ে প্রতিদিন অফিস যাওয়া লাগে।বাসে করে অফিসে যেয়ে অফিসে শেষ করে আবার বাসে করে আবার বাসায় আসা।এভাবেই যেন দিন গুলো আমার চলে যাচ্ছে।একঘেয়েমি জীবন যেখানে নতুনত্ব কিছুই নাই।যেই নতুনত্ব আমাকে একটু খুশি রাখবে একটু ভাল রাখবে কিন্তু আফসোস তেমন কিছু আমার জীবনে নাই।বাসায় বাবা মা তো বিয়ের কথা বলে কিন্তু আমার এখন বিয়ে করার ইচ্ছা নাই সেটা বাবা মাকে জানিয়ে দিয়েছি।জীবনে প্রেম ও করি নি।অফিসে যাই চলে আসি রাস্তায় কোনদিকে তেমন খেয়াল ও করি না।অফিসের মেয়ে সহকারীদের সাথে কাজের বাইরে কোনো কথা বলি না।সবসময় এড়িয়ে চলি মেয়েদের।বলা যায় আমি এক আনরোমান্টিক ছেলে যার মধ্যে নেই প্রেমের সুবাস নাই কারো প্রতি ভালোলাগা।যাই হোক বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু বাস আসতে দেরি করছে।একটা বাসও দেখলাম না আসতে।এদিকে আমার অফিসের সময় হয়ে যাচ্ছে।দেরি হলে আবার বস এর ঝাড়ি খেতে হবে।মনে হয় এই বৃষ্টির জন্যই বাসের আসতে দেরি হচ্ছে।এদিকে বাস স্টপে আমার মতো অনেক মানুষই দাঁড়িয়ে আছে।সবাইকে দেখেই বিরক্ত বলে মনে হচ্ছে।হঠাৎ আমার চোঁখ আটকে গেল একটা মেয়েকে দেখে।এতক্ষণের বিরক্তিকর ভাবনা বাসের অপেক্ষা সব যেন মন থেকে বেড় হয়ে গেল।আমি দেখলাম একটা ছাতা হাতে কমলা রং এর থ্রি পিস পরে একটা মেয়েটা আসছে।আস্তে আস্তে মেয়েটা বাস স্টপের দিকে আসছে আর ততই আমার ভিতরে যেন কাপুনি দিচ্ছে।এবার মেয়েটি বাস স্টপের কাছে আসলো তখন আমি দেখলাম মেয়েটি অনেকটাই ফর্সা,চোঁখে হালকা কাজল দেওয়া,ঠোটে হালকা কোরে লিপস্টিক দেওয়া,কপালে একটা টিপ দেওয়া।তারপর মেয়েটি এসে আমার পাশেই দাড়ালো।আমি এবার চোঁখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিলাম।আমি ভাবছি আমার সাথে এমন হচ্ছে কেন।আমি তো অফিসের কাজ ছাড়া কিছুই বুঝি না।অফিসের সুন্দরী সহকর্মীদের ও এড়িয়ে চলি আর আজ অচেনা একটা মেয়েকে দেখে আমার মধ্যে এহ কেমন আলোড়ন সৃষ্টি হচ্ছে।মেয়েটির চোঁখের মধ্যে যেন একটা আকর্ষণ সৃষ্টি কারি মায়া আছে যা আমায় মেয়েটির প্রতি দুর্বল করে দিচ্ছে।নাহ আমার আবেগ কে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।এসব ভাবা যাবে না।কিন্তু আমার মন যেন আমার নিয়ন্ত্রণে নাই।শুধু মেয়েটার দিকে দেখতে চাচ্ছে।এবার বৃষ্টির গতি আরো বেড়ে গেল।বৃষ্টিও যেন তার গতি বাড়িয়ে দিয়ে আমায় বুঝাতে চাচ্ছে যে সোহান তুই প্রেমে পড়ছিস তোর মনে কারো প্রতি ভালোলাগা জন্মাচ্ছে।তো এবার একটা বাস আসলো আর মেয়েটি বাসে উঠে পড়লো।আফসোস আমি এই বাসে যেতে পারবো না কারণ এটা একটা লেডিস বাস।এদিকে মেয়েটি চলে যেতে আমার একটু খারাপ লাগলো।বৃষ্টিও যেন একটু কমে আসলো।আমার দুঃখে কি বৃষ্টির ও গতি কমে গেল।যাই হোক এরপর আরেকটি বাস আসলো।তারপর সেই বাসে করে অফিসে চলে গেলাম।অফিসে গিয়েও যেন কাজের প্রতি মনোযোগ নেই আমার।শুধু মেয়েটির চেহারা চোঁখের সামনে ভাসছে।এরপর অফিস করে বিকেলে বাসায় ফিরলাম।বাসায় এসেও যেন কিছু ভাল লাগছে না।মেয়েটি যেন আমার মনের সকল চিন্তাভাবনা কে সড়িয়ে দিয়ে শুধু নিজে আমার মনে তার জায়গা দখল করে নিয়েছে।তো রাতে খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়লাম তখন চোঁখ বুজতেও যেন মেয়েটি কে দেখলাম।যাইহোক পরেরদিন আবার অফিসের জন্য বাস স্টপে দাঁড়িয়ে আছি।আজ আকাশ পরিষ্কার আছে কোনো বৃষ্টি নাই।কিছুক্ষণ পর মেয়েটি আসলো।মেয়েটি আজ নীল কালারের থ্রি পিস পড়ছে।মেয়েটিকে দেখে আজ যেন গতকালের থেকেও বেশি মুগ্ধ হলাম।মেয়েটি আজও আমার পাশে এসে দাড়ালো।নিজের অজান্তেই যেন আমি শুধু মেয়েটির দিকে তাকাচ্ছিলাম।মেয়েটি এটা খেয়াল করলো।তারপর সে আমার দিকে রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে একটু দূরে গিয়ে দাড়ালো।এতে আমি একটু লজ্জা পেলাম আর আমার খারাপ লাগলো।নিজেকেই আমি দোষ দিতে লাগলাম যে মেয়েটি আমার জন্য অসস্থিতে পড়ে গেছে।আমার এভাবে মেয়েটির দিকে তাকানো ঠিক হয় নি।তারপর মেয়েটির বাস চলে আসলো মেয়েটি চলে গেল।তারপর এভাবেই চলে গেলো আরো কিছুদিন।আমার এক ঘেয়েমি জীবনে যেখানে নতুনত্ব ছিল না আর আজ সেখানে মেয়েটি এসে একটা নতুন মাত্রা যোগ করেছে।প্রতিদিন অফিস যাওয়ার জন্য বাস স্টপে দাঁড়িয়ে থাকি তখন মেয়েটিও আসে আর আমি তাকিয়ে থাকি।মেয়েটি প্রথম প্রথম বিরক্ত হলেও এখন মেয়েটির দিকে তাকালে মেয়েটিও আমার দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসি দেয়।এতে যেন আমার মনের মাঝে মেয়েটির প্রতি ভালোলাগা আরো বেড়ে যায়।কিন্তু ইচ্ছে থাকা সত্তেও মেয়েটির সাথে কথা বলতে পারি না।একটা সংঙ্কা,ভয়,লজ্জা যেন মেয়েটি আর আমার মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।এদিকে মেয়েটির প্রতি ভাবনায় আমার অফিসের কাজের প্রতিও মনোযোগ কমে গেছে।বস ও সেটা বুঝতে পেরে আমায় জিজ্ঞেশ করছে কাজের প্রতি অমনোযোগিতার কারণ কিন্তু আমি এটা ওটা বলে কাটিয়ে দিছি।আমার অফিসের কয়েকজন সহকর্মী আমার এই পরিবর্তন দেখে অনেক অবাক হইছে।আসলে যেই আমি কাজ ছাড়া কিছু বুঝতাম না আর সেই আমি সবসময় ভাবনায় ডুবে থাকি আবার কখনো নিজে নিজেই মুচকি হাসি।তাইলে এটাই কি ভালোবাসা?ভালোবাসা যে একটি কঠিন হৃদয়কেও কেউ গলিয়ে দিতে পারে সেটা আমি আজ বুঝছি।তো এভাবে আরো কিছুদিন যাওয়ার পর একদিন বাস স্টপে দাঁড়িয়ে আছি অফিস যাওয়ার জন্য কিন্তু অনেকক্ষণ হয়ে গেলেও মেয়েটি আসলো না।এতে আমার খারাপ লাগতে লাগলো।ভাবতে লাগলাম যে মেয়েটির আবার কিছু হলো না তো।মেয়েটি তো প্রতিদিন আসে আজ আসলো না কেন।এদিকে বাস চলে যায় কিন্তু মেয়েটির অপেক্ষায় আমি এখনো দাঁড়িয়ে আছি।কিন্তু কিছুক্ষণ পর বাধ্য হয়ে বাসে উঠে পড়লাম কারণ এমনি তে দেরি হয়ে গেছে তাই আরো দেরি করলে বস আবার আমায় সেই ঝাড়ি দিবে।এদিকে অফিসে গিয়ে কাজের প্রতিও আমার একেবারে মন নাই।মেয়েটি কেন আসলো না সেই চিন্তায় করছি শুধু। তারপর আরো দুই তিনদিন চলে গেল।কিন্তু মেয়েটিকে আর দেখি নি।বাস স্টপে দাঁড়িয়ে থাকি কিন্তু মেয়েটি আর আসে না।এই জন্য অফিস, বাসায় কোনো জায়গাতেই আমার ভাল লাগে না।মন খারাপ করে বসে থাকি শুধু।বাসায় বাবা মামা আমার মন খারাপের কথা জিজ্ঞশ করলে কিছু বলি না চুপ করে থাকি।শুধু মনের মাঝে শূন্যতা অনুভব করি।যেই শুন্যতা মেয়েটি ছাড়া আর কেউ পূরণ করতে পারবে না।মেয়েটিকে আমি ভালোবেসে ফেলেছি।মেয়েটিকে ছাড়া আমি যেন বাঁচবো না আমার শুধু এই ভাবনাই মাথায় আসে। তারপর একদিন আবার অনেক বৃষ্টি আসলো ঢাকায়।আমি অফিস শেষ করে বিকেলের দিকে বাস স্টপে নামলাম।তখনও অনেক বৃষ্টি হচ্ছে।আমি এবার ছাতা নিয়ে বাড়ির দিকে হাটা দিলাম তখন পিছন থেকে কেউ ডাক দিলো... এই যে মিষ্টার এই যে লুকিয়ে লুকিয়ে তাকিয়ে থাকা বালক।ডাকটি শুনে আমি পিছনে তাকালাম।তাকিয়ে দেখি সেই মেয়েটি আর আজ সে নীল রং এর একটা শাড়ি পরে আর ছাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।মেয়েটিকে দেখে আমি অনেক খুশি হলাম।আমি যেন অনেক বছর পর মেয়েটিকে দেখলাম।আমি যেন আমার ভালোবাসা ফিরে পেয়েছি।আর নীল শাড়িতে আজ যেন মেয়েটিকে একটা নীল পরির মত লাগছে।মেয়েটি এবার আমার কাছে আসলো।মেয়েটি আমার কাছে আসা মাত্রই........... আমি:-আপনি এতদিন কই ছিলেন।আমি আপনাকে কত মিস করেছি।সবসময় আপনাকে নিয়ে ভেবেছি। মেয়েটি:-ওহ তাই নাকি।আমায় নিয়ে একটা ছেলে এত ভেবেছে। মেয়েটির কথা শুনে আমি একটু লজ্জা পেলাম।এটা আমি কি বলে দিলাম মেয়েটিকে।আমি এতো সাহস পেলাম কোথায়।মেয়েটিকে মিস করছি এই কথা মেয়েটিকে বলে দিলাম।ইশ কি যে ভাবলো মেয়েটা।তাই এবার লজ্জায় মাথা নিচু করে আমি দাঁড়িয়ে আছি। মেয়েটি:-কি লজ্জা ছেলের।পুরূষ মানুষের এত লজ্জা মানায় না।আর আমি একটু অসুস্থ ছিলাম।তাই এই কয়দিন বাস স্টপে আসে নি।অফিসেও যেতে পারি নি কিন্তু আমিও আপনাকে না দেখতে পেয়ে অনেক মিস করেছি তাই আজ বিকেলে আসলাম।আমি জানি এবং কয়েকবার দেখছি যে আপনি অফিস করে এই সময় বাস স্টপে আসেন।তাই একটু আগেই এসে এখানে বসে আছি। আমি:-আপনি কেন আমায় মিস করছেন? মেয়েটি:-একটা ছেলে আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকে সেটা কয়েকদিন না দেখতে পেয়ে আপনাকে মিস করছিলাম।প্রথম প্রথম আপনার এই তাকিয়ে থাকা দেখে আমার বিরক্ত ও রাগ লাগতো কিন্তু তারপর ভালো লাগতে লাগে।কারণ আপনার তাকিয়ে থাকার মাঝে আমি খারাপ কিছু পাই নি।আপনার চোঁখের মাঝে আমি আমার প্রতি ভালোলাগা আর ভালোবাসা দেখতে পেয়েছি।তাই আমিও আপনাকে ভালোবেসে ফেলেছি। আমি:-আপনাকে প্রথম দেখাতেই আমার ভাল লাগেছে।কিন্তু ভয় আর লজ্জায় কিছু বলতে পারি নি। মেয়েটি:-হইছে ভিতু একটা।আমি কি বাঘ ভাল্লুক নাকি যে কিছু বললে আপনাকে খেয়ে ফেলবো।এত ভিতু হলে হয় একটু চালাক হতে হবে বুঝলেন।আর আমি তো আছি চালাক করে দিবো নি। আমি:-আপনি পাশে থাকলে তো আমার কোনো চিন্তা নাই। মেয়েটি:-এই যে ভিতু মশাই আর কতো আপনি বলবে ভালোবাসার মানুষকে কি আপনি বলে যাবে। আমি:-ওহ দুঃখিত।তো আমার হৃদয়ে ঝড় তুলে দেওয়া বালিকা তোমার নাম কি? মেয়েটি:-হিহিহি আমার নাম উর্মি।তো ভিতু ছেলের বোকা চেহারা তোমার নাম কি? আমি:-তোমার এই ভালোবাসার বোকা মানুষটার নাম সোহান। উর্মি:-সোহান আকাশের দিকে দেখো যেন বৃষ্টি আরো জোরে নামছে।আকাশ তার অশ্রু আরো ছড়িয়ে দিয়ে আমাদের ভালোবাসা কে পূর্নতা দিচ্ছে।আকাশ যেন আজ কাদছে না।আজ আকাশ যেন তার অশ্রু আমাদের উপর বর্ষণ করে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে কান্না মানে শুধু কষ্টই না কান্না মানে কারো প্রতি মনের গভির থেকে ভালোবাসা কারণ ভালোবাসার মানুষের জন্যও তো আমরা কান্না করি।যার ফলে কান্না করা শেষে আবার মনে প্রাশান্তি আসে এবং প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা বাড়ে।তাই চলো আজ দুজন এই বৃষ্টিতে দুইজন দুজনের হাত ধরে হাটি। আমি:-হ্যা উর্মি চলো বৃষ্টিতে দুজন হাত ধরে হাটি।আর আমাদের পথম দেখাতেও বৃষ্টি ছিল আর আজ আমাদের ভালোবাসা পূর্ণতা পেল তার মাঝেও বৃষ্টি আছে।তাই আমাদের পথচলা শুরু হোক আর তাতে সাক্ষি হোক এই বৃষ্টি। তারপর........ অবিশ্রান্ত ধারায় বৃষ্টি পড়ছে।রাস্তা প্রায় পুরো ফাকা।তার মাঝে আমি আর উর্মি দুজনের হাত ধরে ফাকা রাস্তায় হাটছি।দুজনের ই ছাতা রেখেছি ব্যাগে কারণ আজ দুজন বৃষ্টিতে ভিজবো।তাই ছাতা ধরে বৃষ্টি থেকে আজ পালানোর কোনো ইচ্ছে নেই।উর্মিকে আমি এখনো ফুল দিয়ে হাটু গেড়ে মনের কথা জানাই নি কিন্তু তাতে কি মনের কথা মন দিয়ে আগেই জানিয়ে দিয়েছি আর সেটা উর্মি বুঝেছে।তাহলে বাকি আনুষ্ঠানিকতার দরকার কি আছে? আর দরকার হলে না হয় পরে সেটা পূরণ করবো।আজ শুধু আমরা দুজন এই বৃষ্টির মাঝে নিজেদের শপে দিবো।বৃষ্টির মাঝেই যেন আজ আমরা দুজন ধুয়ে নিবো মনের ও শরীরের সকল জড়তা আর পরিশুদ্ধ করবো আমাদের মনের গভিরে থাকা প্রকৃত ভালোবাসা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now