বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
????#হ্যাকার_বউ????
#___হিমেল^_^????
#part______২
.
.
.
.
➡ফেসবুকে যা দেখলাম তাতে আমার মাথা ঘুরে গেলো..
আমার এতো দিন ধরে পটানো সব গুলা মেয়ের সাথে মহা ভারত থ্রি হয়েছে আর লাস্টে ব্লক করে দিয়েছে আমাকে..
হঠাৎ করে আবার সেই নম্বর থেকে ফোন আসলো..
আমি:ওই শা** তুই কে রে আমার পিছনে কেন লাগছস..
ওপাশে:আমি তোমার বাবুর আম্মু..
আমার বাবু হয়েছে আমি আমিই জানি না এইটা কিন্তু খুব খারাপ কথা..
আপনারা তাহলে একবার বলবেন না যে আমার বাবু হয়েছে????..
আমি:ওকে তাহলে এখন আমার বাবু টাকে দ** খাওয়া ঘুমিয়ে যাও????..
ওপাশে:শালা তোরে আমি কি বলি আর তুই বুঝিস কী????..
ও আল্লাহ এই মেয়ে তো গালি দিচ্ছে..
নিশ্চয়ই আমাদের দেশের কোনো গুন্ডী মেয়ে হবে..
আসলে এদের বিশ্বাস নাই এখন কার মেয়ে তো..
এখন আমার শুধু একটাই ভয় সেটা হলো আমার মতো শিশু বাচ্চাকে কেও না মাইর দেয়..
আসলে আমাদের দেশে যে হারে পুরুষ নির্যাতন হচ্ছে তাতে তো মনে হয় যে কবে যেনো এই সব মেয়েরা আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে আমার সাথে বালাডকার করে দে
আমি:আপু ভালোভাবে কথা বলুন আমাকে কে গালি দিচ্ছেন কেনো..
আর আপনি আমার নম্বর পাইলেন কই আর পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার পরও পাসওয়ার্ড কোথায় পাইছেন..
ওপাশে:আরে ধৈর্য ধরুন এতো প্রশ্নের উত্তর আমি কি ভাবে দেবো একএক করে প্রশ্ন করুন..
ওকে তাহলে শুনেন আপনার উত্তর গুলো..
প্রথমত আমি হলাম আপনার বেবির আম্মু মানে যে আমাদের সন্তান হবে তার আম্মু আমি..
আর আমি আপনার নম্বর পেয়েছি কীভাবে আর পাসওয়ার্ড টা তো আপনার মন আমাকে বলে দিয়েছে..
যাহ্ শালা এটা তো একদম কবি ???????? নাম মনে নাই যখন মনে আসে সিউর জানাইয়া দেবো????..
আমি:প্লিজ বলুন কে আপনি..
ওপাশে:ওকে কাল আমার সাথে দেখা করুন আমি বুঝতে পারবেন আমি কে..
আমি:কিন্তু আমি আপনাকে পাবো কই..
ওপাশে:ভালো করে খুঁজে দেখলে হয়তো দেখবেন আপনার পাশেই আছি বা সামনে বসে আছি..
আমি:আরে কোনো তো কিছু বলুন যাতে আমি আপনাকে খুজতে পাড়ব..
ওপাশে:ঘুমিয়ে যান আমিও ঘুমাবো..
ফোন কেটে দিলো..
কিন্তু আমার ওর চিন্তায় মাথা কাজ করা বাদ দিয়েছে..
কে এই মেয়ে আর আমার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড কী ভাবে পাচ্ছে..
ধূর ভালো লাগছে না এতটা কষ্ট আর সহ্য হয় না এই শীতের মধ্যে আবার কম্বল গরম করতে হবে..
আমার এমনিতেই বউ নাই তাই কম্বলের নিচে থেকে বের হই না যেনো কম্বলটা ঠান্ডা না হয়ে যায়..
কিন্তু এই মেয়ের জন্য আমাকে আবার কম্বলের ভেতর থেকে বের হতে হচ্ছে..
ওফ কী ঠান্ডা রে হালার মাইয়া একবার তোরে পাইয়া লই দেকিস তোর কি হাল করি..
কিন্তু এখন এই ঠান্ডার মধ্যে থাকতে তো প্রবলেম হচ্ছে..
কিন্তু তারপরও কষ্ট করে ঘুম আসলাম..
সকালে হঠাৎ গরম কিছুর মধ্যে হাত পড়ল..
আহ্া কী ভালো টাই না লাগছে..
কিন্তু একি হাতটা এমন করছে কেনো..
মনে হচ্ছে যে কেও আমার হাতের উপর গরম পানি দিচ্ছে..
চোখ খুলতেই দিলাম এক চিৎকার আমার হাতের আঙুল গুলো চায়ের মধ্যে দেওয়া আছে..
হাত চায়ের কাপের মধ্যে থেকে সরাতে গিয়ে হাতের ধাক্কায় কাপটা পড়ে ভেঙে গেল..
সাথে সাথে ভাবি রুমে এলো..
ভাবি:যাক ঘুম ভাঙছে তাহলে আপনার..
আমি:এটা কি হলো আমার হাত চায়ের কাপের মধ্যে কেনো..
ভাবি:তোমাকে অনেক সময় ধরে ডাকছি কিন্তু উঠার নামই নাই তাই বাধ্য হয়ে এটা করতে হলো..
আমি:এতো সকালেই ডাকাডাকি কেনো যাও আর একটু ঘুমাই তার পর উঠছি..
ভাবি:বাবা ডাকছে তোমাকে..
আমি:কীইইই আগে বলবা না আমি তো সেই কখন উঠেছি..
( আসলে আব্বু কে একটু ভয় পাই তো তাই)
ভাবি:নিচে এসো এখন..
ভাবি চলে গেল আর আমি বসে বসে ভাবতে লাগলাম আজ আবার কি করলাম আমি তো এই সপ্তাহে কারো পিছনে লাগি নাই তাহলে কী অন্য কোনো কথা বলবে..
তাড়াতাড়ি নিচে চলে গেলাম..
আব্বু: হিমেল আজ জান্নাতের সাথে দেখা করবি ও তোর জন্য তোদের কলেজের সামনে অপেক্ষা করবে..
আমি:মানে ????(অবাক হয়ে)
আব্বু:ওর সাথেই তোর বিয়ে হবে..
আমি:আব্বুুুউউউ..
আব্বু:হিমেল(করা ভাবে)
আমি:বুঝতে পারছি আর বলতে হবে না আমি দেখা করব..
বলো কয়টার সময় থাকবে ও..
আব্বু:কলেজ ছুটি হবার সময়..
আমি:ওকে দেখা করে নেবো..
আর কিছু না বলে উপরে চলে এলাম ..
এখন জান্নাত নামক ওই মাইয়ার উপর অনেক রাগ হচ্ছে..
সেদিন নিজের সম্পর্কে এতো সুন্দর কথা গুলো বললাম তারপরে????..
হারামজাদি তোর আমারে বিয়ে করার খুব শখ হয়েছে তাই না দ্বারা তোর বিয়ে আমি বের করছি..
ফোন দিলাম দূর্জয় কে(আমার বেস্ট ফ্রেন্ড একদম আমার মতোই নম্র ভদ্র)..
দূর্জয়:আপনি যে নম্বরে ফোন করেছেন তা এখন বাথরুম বসে আছে..
আমি:হালা বাথরুম থেকে বের হয়ে ফোন করিস..
আর ফোনে একটু ভালো ব্রান্ডের সেন্ট মারিস দূর্গন্ধ বের হচ্ছে..
হায়রে মানুষ এখন বাথরুমেও ফোন????..
কিছু সময় পর দূর্জয় ফোন দিলো..
আমি:ভাই কই রে তুই আমারে বাঁচাও..
দূর্জয়:কোন হাসপাতালে আছোস বল আমি লরি পাঠাচ্ছি তুই উঠে আমার কাছে চলে আয়..
আমি:শালা তোমার মলম লাগামু সব সময় ফাজলামো না..
আমি একটা সিরিয়াস বিষয় নিয়ে কথা বলছি আর তুমি ????..
দূর্জয়:সিরিয়াস তাও আবার তুই ????????..
আমি:ভাউ মরে যাবো রে বাচা সত্যি বিপদে পড়েছি..
দূর্জয়:ওকে মরে যাবার আগে আংকেল আন্টিকে বলিস যেনো ভালো ভালো খাবারের ব্যাবস্থা করে অনেক দিন কারো চল্লিশা খাই নাই..
আমি:তোর পিছনে দিবো ভালো খাবার তুই আজ আয় কলেজে..
(শালা বন্ধু গুলো এমনিই বাঁশ দেওয়ার সুযোগ পাইলে ছাড়ে না)..
ফ্রেস হয়ে কলেজের উদ্দেশ্য বের হলাম..
ওয়েট মাথায় একটা প্ল্যান আসছে আব্বুর থেকে টাকা নেওয়ার..
আমি:আব্বু শুনো না(মধুর সুরে ডাকলাম)
আব্বু:হারমজাদা কী বলবি বল তোর কথা সুবিধা লাগছে না..
আমি:মানে যে তোমার কথা অনুযায়ী তো জান্নাতের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি কিন্তু আমার পকেটে ফাকা.
আব্বু:দেখ আমার ড্রায়েরে দশ হাজার টাকা আমি ওখান থেকে দুই হাজার নিয়ে যা..
এহ্ দুই হাজার নিমু নাকি তাহলে তো আমার প্ল্যানের বারোটা বাজবে..
আব্বার রুমে গিয়ে দশ হাজার টাকার থেকে দুই হাজার রেখে বাকি আট হাজার নিয়ে নিলাম..
এখান থেকে পাঁচশ টাকা দিয়ে জান্নাতের সাথে দেখা করব আর বাকি টা রেখে দিমু পড়ে কাজে লাগবো..
টাকা গুলো নিয়ে কলেজে গেলাম..
কলেজের সামনে যেতেই অবাক হয়ে গেলাম সালা দূর্জয় মেয়ে নিয়ে বসে ।
আমার যাওয়া দেখে আমার কাছে এলো।
আজকের একটু কাজ থাকার কারনে বেশি বড় করতে পারি নি।
পরের পর্ব আগামিকাল দিব।
ধন্যবাদ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now