বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-মামা, এক প্লেট ফুচকা দিন তো (মেঘা)
-দিচ্ছি মামণি (ফুচকাওয়ালা)
-তুই ফুচকা খাওয়ার জন্য আমাকে এখানে এনেছিস? (নদী)
-আরে, এত রাগ করিস কেন? কালকে আমি এখানে ফুচকা খেয়েছিলাম । এত মজার ফুচকা আমি জীবনেও খাইনি । মামা অনেক ভালো ফুচকা বানায় । এজন্য তোকে এখানে নিয়ে এলাম যাতে ফুচক খেয়ে তোর মুড ভালো হয়ে যায় (মেঘা)
--মামণি, এই যে, তোমার ফুচকা (ফুচকাওয়ালা)
-থ্যাংকস । আরেক প্লেট দেন (মেঘা)
--দিচ্ছি; দাঁড়াও (ফুচকাওয়ালা)
ফুচকাওয়ালা ফুচকা বানাতে লেগে পড়লেন । আর মেঘা ফুচকা খেতে । একটার পর একটা মুখের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে । আর নদী তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে । এখন ওকে বলেও কিছু লাভ নেই কেননা ফুচকা খাওয়ার সময় তার কোনো দিকেই খেয়াল থাকে না ।
[মেঘা । আরিশা তাবাছছুম মেঘা । অনার্স ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রী । বাবা বিশিষ্ট শিল্পপতি আনোয়ারুল হক । তার যখন পাঁচ বছর তখনই সে মাকে হারায় । তাই সে মায়ের আদর তেমন পায়নি । কিন্তু আনোয়ারুল হক তার মেয়ের কোনো ইচ্ছাই অপূর্ণ রাখেননি । তাই মেঘার কাছে তার বাবাই সব । তার আরেক কাছের মানুষ হলো নদী । নাদিয়া সুলতানা নদী । মেঘা আর নদী দুজনেই সমবয়সী । দুজন দুজনের বেস্টু, জান সব । একজন আরেকজনকে ছাড়া থাকতেই পারে না ।বাকিটা গল্প পড়তে পড়তে বুঝে যাবেন ।]
.
-এই, আজকে ওই জায়গায় যাবি না? (রওনক)
-যাব না কেন? যার জন্য যাব তারই তো খবর নাই (ফাহিম)
-ফোন দে (রওনক)
-তুই দে । আমার ফোনে টাকা নেই (ফাহিম)
-তোর ফোনে কখন টাকা থাকে? শালা কিপ্টা (রওনক)
- কিপ্টা বলবি না (ফাহিম)
- ওই, তোরা ঝগড়া পরে করিস । আগে ফোন দে (আবির)
- ওকে ।দিতেছি (রওনক)
.
-কী বলল? (ফাহিম)
-দশ মিনিটের ভিতরে আসতেছে (রওনক)
- ওই যে, এসে গেছে (আবির)
- বাইক নিয়ে আসছস? (ফাহিম)
.
.
.
চলবে?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now