বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
উত্তপ্ত দুপুর। মাথার উপর সূর্য। ঘেমে আমি একাকার। একটি চাকরী আমার খুব দরকার। তবে সর্বত্রই No Vacancy ঝুলানো।
হাতে প্রচুর সার্টিফিকেটস। নর্দামায় ফেলে দিতে মন চায়। বাসায় আসলাম। চাল, ডাল কিছু নাই। কি খাব? দোকানে বাকি অনেক। তাই তো কিছু দিতে চায় না। কি আর করা যায়? পানি খেয়ে শুয়ে পড়লাম।
হঠাৎ দেখি সকালে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। আমার কাছে এসেছে। কি করব ভেবে পাচ্ছি না? তাই হাতে ঘড়িটা বিক্রি করে কিছু খাবার কিনলাম।
আমি: বন্ধু তুমি কি করছো?
বন্ধু: আমি তো এখন সিএনজি চালাই।তোর কাছে এসেছি। আমার তো দুইটা সিএনজি। তাই বিশ্বস্ত চালক খোঁজছি।
আমি: যদি কিছু মনে না করো তুমি কি বন্ধু আমাকে তোমার সিএনজি আমাকে চালাতে দিবা? আমি এখন থেকে সিএনজি চালাব।
বন্ধু: সে কি করে হয়? তুই তো উচ্চ শিক্ষিত। তোর এসবে মানাবে না।
আমি: কোন না নয় বন্ধু! চাকরী না হওয়া পর্যন্ত এটা আমার দরকার।
বন্ধু: আচ্ছা তুই চালাস।
এরপর সে চলে যাওয়ার সময় আমার ঘড়িটা দিল। আমি তো অবাক! সে ঘড়িটা কোথায় পেল? ওর চোখে জল।
বন্ধু: তুই কি করে ভাবলি আমি কিছু জানব না? আরে আমাকে খুশী রাখার জন্য ঘড়িটা বিক্রি করে দিলি। আমি কি এতটাই স্বার্থপর!আমি সব জেনেছি তোর আর খালার ফোনে কথা শুনে।এই নে ঘড়িটা।আর আমরা তো এখন থেকে ড্রাইভার।
এরপর শুরু হলো আমার চালক জীবন। চলছি আমি আমার যাত্রী নিয়ে। হাকাচ্ছি ভাড়া ও দরদাম।
এই যাইবেন, মতিঝিল, মাত্র ১৫০ টাকা, ১৫০ টাকা। এই মতিঝিল।
চলবে.....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now