বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

♦প্রতিবিম্ব টিচিং হোমের এক অস্থির ছাত্র♦

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SHUVO SUTRADHAR (০ পয়েন্ট)

X সাদিক নবম শ্রেনিতে পড়ে। সে খুব ভাল ছাত্র কিন্তু খুব অস্থির। কাউকে কোনো কিছু বলতে পড়ুয়া করে না। সাদিক প্রাইভেট পড়ার জন্য প্রতিবিম্ব টিচিং হোমে ভর্তি হল। সাদিকের প্রতিবিম্ব টিচিং হোমের প্রথম দিন। শিক্ষকঃ তোমি বুদহয় নতুন! সাদিকঃ হ্যাঁ স্যার। শিক্ষকঃ তোমি জেএসসি তে কত পয়েন্ট পেয়েছ? সাদিকঃ গোল্ডেন এ প্লাস। শিক্ষকঃ তাহলে তো খুব ভাল চালিয়ে যাও। তারপর প্রায় সপ্তাহ খানেক কেঠে যায়। শিক্ষকঃ আাচ্ছা সাদিক আমি কি ভাল পড়াই না? সাদিকঃ না স্যার আপনি খুব ভাল পড়ান। শিক্ষকঃ তাহলে তোমি পড়া দেওনা কেন? সাদিকঃ স্যার আপনি পড়া পারলে বলেন "বাঘের বাচ্চা বেটা" তার জন্য। শিক্ষকঃ তাতে কি হয়েছে? সাদিকঃ স্যার আমি তো "মানুষের বাচ্চা" আমি "বাঘের বাচ্চা" হতে যাব কেন? তাই আমি মানুষের বাচ্চা থাকার জন্য পড়া দেইনা। শিক্ষকঃ সেটা তো কথার কথা। আমি সেটা বলি তোমরা যেন বাঘের থাবার মতো পড়া ঠাকে আখরে ধরতে পার। সাদিকঃ স্যার পড়াকে বাঘের মতো আখরে ধরলে তো ছিঁড়ে যাবে। শিক্ষকঃ তোমিত পুরাই একটা অস্থির ছাত্র। তারপর থেকে স্যার সেই কথাটি বলা বন্ধ করে দিলেন। অন্যদিকে সাদিক পড়তে শুরু করল। কিছুদিন পর..... সাদিকঃ স্যার আপনাকে একটা কথা বলতে চাই। শিক্ষকঃ কি কথা বল? সাদিকঃ স্যার আপনি "বাঘের বাচ্চা বেটা" সেই কথা কেন আর ব্যাবহার করেন না! শিক্ষকঃ তোমরা তো আর "বাঘের বাচ্চা" নেই তাই। সাদিকঃ তাহলে আমরা কি স্যার? শিক্ষকঃ তোমরা তো এখন "শিয়ালের বাচ্চা"। সাদিকঃ কেন স্যার? শিক্ষকঃ তোমাদের মধ্যে কোনো পড়ালেখা কাজ করে না শুধু শিয়ালের মতো অস্থির বুদ্ধি কাজ করে তাই। সাদিকঃ এটা খুব ভাল। এটাই ডাকবেন স্যার। শিক্ষকঃ সত্যিই তোমাদের শিয়ালের মতোই খুব বেশি বুদ্ধি কাজ করে কিন্তু...... সাদিকঃ কিন্তু কি স্যার? শিক্ষকঃ তোমরা সর্বশেষে শিয়ালের মতো হেরে যাও। সাদিকঃ যেমন....... শিক্ষকঃ তোমরা তরকারীর মধ্যে লবন মরিচ ইত্যাদি দেও ঠিকি কিন্তু এগুলো নাড়া না দিয়েই তোমরা খেয়ে ফেল এবং সর্বশেষ তার কোনো স্বাদ পাও না শেয়াল ও তেমনি যেকোনো কাজ তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে করে ফেলে কিন্তু সর্বশেষ কি হবে সেটা পরুয়া করে না। বাস্তবিক ভাবে আমাদের শিক্ষার ধরনটা এইরকমি। গল্পটি মজা+শিক্ষণীয়। [ আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now