বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

"ছদ্মবেশী ফুচাওয়ালা"[৭ম পর্ব]

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S.A.Shameem (০ পয়েন্ট)

X "ছদ্মবেশী ফুচাওয়ালা"[৭ম পর্ব] Writer : Omar মোবাইল এর ফ্লাস লাইট জ্বালিয়ে পিছনে ফিরতেই বুমমমমমম মানে পাছনে ফিরতেই আই আমার গাড়ি উড়ে গেল,, বুমম করে একটা আওয়াজ দিয়ে উপরে উঠে গেল পুরো গাড়িতে আগুন,, কিছু উপড়ে উঠে আবার নিচে আছড়ে পড়লো,, এক মূহুর্তের মধ্যে গাড়িটা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেল,, এটার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না,, আমার বুক কেঁপে উঠলো,, যদি আমি গাড়ির ভিতর থাকতাম তাহলে আজ আমি শেষ,, বড় জোর বেঁচে গেলাম,, আমার মনের মধ্যে এক প্রকার ভয় ঢুকে গেল,, আমার পুরো শরীর এখনো কাঁপছে,, কিন্তু ওটা কি ছিল,, যার কারণে গাড়ি এভাবে উড়ে গেল,, কাঁপা কাঁপা হাতে ফোনটা বের করে নাহিদ আর মাহমুদ কে ফোন দিয়ে আসতে বললাম,, এক ঘন্টা পর ওরা চলে এল, ---কি হয়েছে স্যার,,? আমি ওদের সব খুলে বললাম,, এখনো কাঁপছি,, ---স্যার শান্ত হোন,, --কেইস টা তো খুব সাংঘাতিক,, আমি--হুম, ---আপনার উপরো হামলা করল শেষ পর্যন্ত,, ওদের গাড়ি করে আমাকে বাসা পর্যন্ত দিয়ে আসলো, সারারাত আর ঘুম হলো না,,, ভাবতেই ভাবতেই সকাল, ৯টায় ফোন দিয়ে ঘটনা স্থলে যেতে বলে,,তাই একটা অটু নিয়ে চলে গেলাম,, দেখলাম সবাই আছে একসাথে তদন্ত করতেছে,, আমি যাওয়ার সাথে সাথে বড় স্যার আমার কাছে আসলেন,, --আপনি ঠিক আছেন তো,, আমি--জি স্যার,, --কিভাবে হলো এসব,, স্যার কে ও সব খুলে বললাম,, --ওটা কি ছিল দেখতে পাননি,, আমি--না স্যার দেখার আগেই গাড়ি উড়ে গেল,, --আপনি একা একা কেন আস্তে গেলেন,,? আমি--স্যার ক্যামেরায় দেখলাম কি একটা একবার এদিকে যাচ্ছে আর ওদিকে যাচ্ছে,, কিন্তু কি এটা ভালো করে বুঝা যাচ্ছে না,,,তাই আর না ভেবে চলে আসলাম দেখার জন্য,,আর একটু হলেই তো আমি-- --নিজেকে শক্ত রাখুন,,দেখি কোন প্রমাণ পাই কিনা,, তখনি একদল সাংবাদিক আমাদের ঘিরে ধরলো,, তখন আমার মুখে মাস্ক পড়ে নিলাম,, কারণ এদের ভিডিও তে দেখে কলেজের অনেক স্টুডেন্ট আমাকে চিনে ফেলবে,, তারপর সব শেষ,আর ফুচকা বেচতে হবে না,, ---স্যার হঠাৎ করে হামলা আপনার উপর কেন হতে গেল,,এই ব্যাপারে আপনি কি বলেন,,? আমি--দেখুন এটা হামলা নাকি,,অন্য কিছু বলতে পারছি না,,কারণ সবকিছুই স্বভাবিক ছিল,, হঠাৎ আমার পাশ দিয়ে কি একটা যাই,, তারপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাড়ি উড়ে যায়,, --স্যার আপনি কি দেখছেন ওটা কি ছিল,, আমি--না একদম দেখিনি,, --আচ্ছা ওটা কোনো ভূত প্রেত নাতো,, আমি----এই যুগে ভূত প্রেত এটা আমি বিশ্বাস করি না,,, --কারণ স্যার ভূত প্রেতরাই অদৃশ্য ভাবে চলাফেরা করতে পারে,, আমি--আচ্ছা দেখা যাক কি হয়,,এ ব্যাপারে আর কোন কথা বলতে চাচ্ছি না,, এবার আমাকে বাদ দিয়ে বড় স্যার কে ধরলো,, --স্যার এটার প্রসঙ্গে আপনি কি বলেন,,? ---এখন কিছু বলতে পারছি না,, তদন্ত করে আগে সঠিক তথ্য বের করতে হবে,,তার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না,, এই বলে ওদের ঠেলে চলে আসলাম,, সবাই এক নাগাড়ে চেষ্টা করে গেছে,, কিন্তু কিছু বের করতে পারলো না,, প্রায় সবাই ধরে নিয়েছে এটা ভূত প্রেতের কাছ,, --কিন্তু আমার মাথায় এটা আসছে না ভূতে আমার গাড়ি উড়াবে কেমনে,,চাইলে আমাকে মেরে ফেলতে পারতো,, অফিসে আবার মিটিং বসলো,, --হচ্ছে টা কি এসব,,একে একে খুন আবার আমাদের অফিসারের গাড়িতে হামলা,,একটা সমাধান করতে গিয়ে কেইস আরো ভারি হয়ে উঠেছে,,এতে বড় কোন চাল চালছে,, আমি--স্যার আমি মনে করি এখন গাড়ির প্রসঙ্গ বাদ দিলে ভালো হয়,, এখন ওই কামাল কে খুঁজে বের করতে হবে,, ---ঠিক বলেছেন,,,রিমন আর সাইফ আপনাদের ঠিকানা দিয়েছিলাম,,কি খুঁজ পেলেন,, ---স্যার আমরা গেছি,, কিন্তু ওখানে থালা মারা, ---আশেপাশে খুঁজ নিছেন --জি স্যার,, কিন্তু কেউ জানে না বলছে,, --সিট,,ওই কামলি নাটের মুল,, আমি---স্যার আমি একটা কথা বলতে চাই,, --বলেন,, ---স্যার একমাস কেইস টা বন্ধ রাখা হোক,, এবং আর পনেরো দিন পর কলেজ আবার সচল করা হোক,, --এতে আমাদের লাভ,,? আমি--স্যার কেইস টা যখন ধামাচাপা পড়ে যাবে তখন খুনি রা আবার জেগে উঠবে,, এখন চারিদিকে খুব উত্তেজনা বিরাজ করছে তাই খুনিরা চুপ করে আছে,,আর কলেজের নৈশ প্রহরি হিসেবে আমাদের এখানকার কাউকে দিন,, তাহলে আমারা সবকিছু ভালো করে নজর রাখতে পারবো,, --আচ্ছা তাই হবে,, মিটিং শেষ করে বাসায় চলে আসলাম,, পরদিন ঘুম ভাঙল ফোনের শব্দে, --হ্যালো --স্যার মাহমুদ বলছী, আমি--হ্যা বলো,। ---স্যার কামাল কে খুঁজে পেয়েছি,, আমি--কিহহ কোথায়,,আমি এক্ষুনি আসছি,,(লাফ দিয়ে উঠে গেলাম) --কিন্তু স্যার ও খুন হয়েছে,,, এক নিমিষেই আমার মুখের হাসি উড়ে গেল,, আমি--কিহ কেমনে,, --স্যার ধামপাড়ার পাহাড়ের ভিতরে,,কারা জানি গুলি করেছে,, ফেসবুকে দেখলাম এই মাত্র,, আমি--ওও আচ্ছা তুমি কদমতলীতে দাঁড়াও,, আমি আসছি,, -ওকে স্যার তারপর উঠে রেডি হয়ে বেড়িয়ে পড়লাম,, কদমতলী থেকে ওকে পিক করে নিলাম,, ওখানে গিয়ে জানতে পারলাম লাশ পুলিশে নিয়ে গেছে, তাই থানায় চলে আসলাম,, অনুমতি নিয়ে ভিতরে ঢুকলাম,, এসআই--জি বলেন আপনাদের কিভাবে সাহায্য করতে পারি,, বসেন আমি--আমরা গোয়েন্দা অফিসার, --সাথে সাথে ওনি চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালো,, ---স্যার এনি প্রবলেম,,?বলেন কি খাবেন চা নাকি কফি আমি--আজকে ধামপাড়ার ভিতরে যেই লাশ টা পাইছেন ওটার খুঁজে এসেছি, ---কেন স্যার,, আমি--ওকে আমরা অনেক খুঁজেছি কিন্তু পাইনি,,আচ্ছা লাশ টা কোথায়,, --স্যার লাশ টা তো চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে,, আমি--আচ্ছা , লাশের সাথে কিছু পেয়েছেন,,? ----না স্যার,,,তবে একটা মোবাইল পেয়েছি,, ---কোথায় মোবাইল টা, ---দাড়ান আনতেছি,, মোবাইল টা এনে ও আমাদের সামনে রাখলো,, আমি হাতে গ্লাভস পরে নিলাম,, তারপর মোবাইল হাতে নিয়ে অন করলাম,, কিন্তু লক করা,,দামি মোবাইল,, আমি--আচ্ছা মোবাইল টা আমরা নিয়ে যাচ্ছি,, প্রয়োজন পড়লে আপনার সাথে আবার দেখা করবো,, ওমনি দাঁড়িয়ে সম্মান জানালো,, তারপর থানা থেকে সুজা অফিসে চলে আসলাম, মোবাইল টা অফিসে জমা দিয়ে বললাম যে করেই হোক মোবাইল এর লক টা খুলতে,, কারণ এতে সম্ভবত অনেক প্রমাণ থাকতে পারে,, অপরাধী একটা না একটা প্রমাণ রেখে যাবেই,, ওরা একদিনের সময় নিল,, পরদিন------ কেইস টা অন্যদিকে মোড় নিল,, চলবে----- আপনাদের তেমন সাড়া পাচ্ছি না কেন,, আগের তুলনায় রিয়েক্ট অনেক কম,, কারণ টা কি,, আপনাদের রিয়েক্ট যত বেশি পড়বে আমার লেখার আগ্ৰহ তত বাড়ে,,এতে লিখে এক ধরনের একটা আনন্দ পাওয়া যায়,, আপনাদের সাড়া কমে যাওয়ায় এ লেখার ওআগ্ৰহও ও কমে যাচ্ছে,, আশা করি সবাই পাশে থাকবেন,, ধন্যবাদ সবাইকে,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now