বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-১
লেখাঃ- আরিফ আজাদ ।
নীলাঞ্জনদা মনেপ্রাণে একজন খাঁটি বাংলাদেশি । বাংলাদেশের স্বাধীনতা মুক্তি সংগ্রামকে তিনি কোনো কিছুর সাথে কম্প্রোমাইজ করতে রাজি নন। সাজিদের সাথে নীলাঞ্জনদার খুবই ভালো সম্পর্ক। নীলাঞ্জনদাকে আমরা ভালোবেসে। নিন্দা বলেই ডাকি। উনি একাধারে কবি, রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক।
আজকে সাজিদের সাথে নিলুদার একটি বিশেষ আলাপ হবে। কয়েকদিন আগে নিলুদা ব্লগে আলকুরআনের একটি আয়াতকে সন্ত্রাসবাদী আয়াত' বলে কটাক্ষ করে পোস্ট করেছেন। সে ব্যাপারে সুরাহা করতে নিজ থেকেই নিলুদার বাসায় যাচ্ছি আমরা।
আমরা বিকেল চারটায় নিলুদার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। উনার বাসায় এর আগে কখনো আসিনি। উনার সাথে দেখা হতো প্রেসক্লাব আর বিভিন্ন প্রোগ্রামে। তবে উনি যে নীলক্ষেতে থাকেন, সেটা জানি।
নীলক্ষেতে এসে সাজিদ নিলুদাকে ফোন দিল। ওপাশ থেকে সুন্দর একটি রিংটোন বেজে উঠল। রিংটোনে সেট করা ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের সেই বিখ্যাত ভাষণ।
সাজিদ ফোনের লাউড স্পিকার অন করে দিল। আমরা আবার শুনলাম, বঙ্গবন্ধুর সেই চিরচেনা ভাষণ। বঙ্গবন্ধু বলছেন-‘আমরা তাদের ভাতে মারব, আমরা তাদের পানিতে মারব। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।
পর পর দুবার রিং হওয়ার পর তৃতীয়বারে নিন্দা ফোন রিসিভ করলেন। সাজিদকে নিলুদা ভালোভাবে বাসার ঠিকানা বুঝিয়ে দিলেন। আমরা ঠিকঠাক পৌছে গেলাম।
বাইরে থেকে কলিংবেল বাজতেই বুড়োর মতো এক ভদ্রলোক দরজা খুলে দিল । আমরা ভেতরে গেলাম।
46
বলে নিই, আমরা যে উদ্দেশ্যে এখানে এসেছি, সেটা নিলুদাকে জানানো হয়নি। নিলুদার একটি গুণের কথা বলা হয়নি। কবিতা লেখা এবং সাংবাদিকতার পাশাপাশি নিলুদা খুব ভালো ছবিও আঁকেন।
আমরা ঘরে প্রবেশ করা মাত্রই বুড়ো লোকটি আমাদের সোজা নিলুদার রুমে । নিয়ে গেল। মনে হয়, উনার উপর এই নির্দেশই ছিল।
আমরা নিলুদার রুমে এসে দেখি উনি ছবি আঁকছেন। মুক্তিযুদ্ধের ছবি। আকা প্রায় শেষ হয়ে গেছে।
জলপাই রঙের পোশাকের একজন মিলিটারি। মিলিটারির বাম হাতে একটি রাইফেল। একজন অর্ধনগ্ন মহিলা। মহিলার চুল খোলা। মহিলা বেচে নেই । মিলিটারিটা মহিলাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। মনে হয় ভাগাড়ে নিক্ষেপ করবে-এরকম কিছু। পাশেই একটি ডাস্টবিন টাইপ কিছু। চারটে কাক। বসে আছে সেটার উপর। জয়নুলের ‘দুর্ভিক্ষ’ ছবিটার মতোই ।
আমাদের দিকে না ফিরেই নিলুদা বললেন- কী রে , এত ঘটা করে দেখা করতে এসেছিস যে?
সাজিদ বলল-‘ও মা , তোমার সাথে দেখা হয় না কতদিন, দেখতে মন চাইল বলে চলে এলাম। ডিস্টার্ব করেছি বুঝি?
‘আরে না না, তা বলিনি।' এটুকু বলে নিলুদা ঘাড় ঘুরিয়ে আমাদের দিকে তাকাল। আমাকে দেখে নিন্দা বলে উঠল-“আরিফ না?
হু’, সাজিদ বলল।
‘ওরে বাবা! আজ দেখি আমার বাসায় চাদের হাট। তুমি তো জস্পেশ কবিতা । লিখ ভাই আরিফ। বিচিত্রায় তোমার কবিতা আমি প্রায়ই পড়ি।'
নিন্দার মুখে এরকম কথা শুনে আমি লজ্জায় মরে যাচ্ছিলাম। সাজিদ বলল-জানো দাদা, তাকে কত করে বলি, বইমেলার জন্য কবিতার একটা পাণ্ডুলিপি রেডি কর। কিন্তু সে বলে, ওর নাকি ভয় করে। দেখো তো দাদা।
নিন্দা বলল-‘হ্যা হ্যা, পাণ্ডুলিপি রেডি কর। একবার বই বের হয়ে গেলে দেখবে ভয় সব দোড়ে পালাবে। তোমার লেখার হাত দারুণ। আমি পড়ি তো। বেশ ভালো লিখ ।
47
সাজিদ বলল-দাদা, ওটা কি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ছবি? যেটা আঁকছ?'
হু', নিলুদার উত্তর।
আচ্ছা দাদা , মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমার বিশেষ পড়াশোনা নেই। তুমি তো আবার। এই লাইনের। আজ তোমার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনব।
নিলুদা মুচকি হাসলেন। তুলির শেষ আঁচড়খানা দিয়ে খাটের উপর উঠে বসলেন। আমরা দুজন ততক্ষণে দুটি চেয়ারে বসে পড়েছি।
বুড়ো ভদ্ৰলোক ট্রেতে কফি নিয়ে এসেছেন। নিন্দা কফিতে চুমুক দিতে দিতে মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলা শুরু করলেন-
১৯৭১ সাল। পশ্চিম পাকিস্তানের হাতে চরমভাবে নির্যাতিত ও নিস্পেষিত হচ্ছিল। বাঙালিরা। যখনই তারা নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য সোচ্চার হয়েছে, তখনই পাকিস্তানিরা বাঙালিদের উপর চালিয়েছে অত্যাচার, নির্যাতন।'
নিলুদার কষ্ঠ ভারী হয়ে এলো। মুক্তিযুদ্ধের আলাপ উঠলেই উনি এরকম আবেগপ্রবণ হয়ে যান। তিনি বলে যাচ্ছেন-‘এই অত্যাচার ও নির্যাতনের মাত্রা এতই ভয়াবহ হয়ে উঠল যে, বাঙালিরা শেষ পর্যন্ত নিজেদের এবং নিজেদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে অস্ত্ৰ হাতে তুলে নিতে বাধ্য হলো।'
তখন চলছে উত্তাল মার্চ মাস। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলা ও বাঙালি জাতির কর্ণধার, ইতিহাসের বরপুত্র, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে সশস্ত্র যুদ্ধের ডাক দিলেন।'
সাজিদ বলল-দাদা, তোমার ফোনের রিংটোন আবার একবার শুনি তো প্লিজ। আমরা তাদের ভাতে মারব, আমরা তাদের পানিতে মারব।
‘বাবারে! কী সাংঘাতিক কথা।'
নিলুদা কপালের ভাজ দীর্ঘ করে বললেন-সাংঘাতিক বলছিস কেন? বরং বল, এটিই হলো বাঙালির মহাকাব্য। সেদিন এরকম করে বাঙালিদের অনুপ্রাণিত না। করলে আমরা কি স্বাধীনতার স্বাদ পেতাম?'
‘তাই বলে মেরে ফেলার কথা? এটা তো আইন হাতে তুলে নেয়ার। মতো ব্যাপার' সাজিদ বলল ।
নিলুদা বলল- যেখানে নিজেদের অস্তিত্বই বিলুপ্ত হবার পথে, সেখানে তুই আইন বানাচ্ছিস? যুদ্ধের ময়দানে কোনো আইন চলে না।
48
‘তারপর?
বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণে উদ্রুদ্ধ হয়ে বাঙালিরা ঝাপিয়ে পড়ল যুদ্ধে।
আমি বললাম-“তারা অত্যাচারী পাকিস্তানিদের মারল এবং মরল, তাই না?
হ্যাঁ ।
যুদ্ধের পরে ‘আমরা তাদের ভাতে মারব, পানিতে মারব’ অথবা ‘যার যা কিছু আছে, তা-ই নিয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়োএরকম কথার জন্য বঙ্গবন্ধুকে কি জেল খাটতে হয়েছে? কিংবা কেউ তাকে সন্ত্রাসের উস্কানিদাতা বা খুনের মদদদাতা হিসেবে রেইম করেছে?' সাজিদ জিজ্ঞেস করল।
“তোর মাথায় কি গোবর নাকি রে সাজিদ? এটা কোনো কথা বললি? এটার জন্য স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধুকে ৱেইম করবে কেন? যুদ্ধের ময়দানে এটা ছিল একজন কমান্ডারের কমান্ড । এটা অপরাধ নয়। বরং এটার জন্য তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। নির্যাতিত বাঙালিদের মুক্তির দিশারি, মহান নেতা বঙ্গবন্ধু। এভাবে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আমরা পেলাম একটি স্বাধীন ভূখণ্ড। একটি স্বাধীন পতাকা।
‘আমিও একমত। বঙ্গবন্ধু একদম ঠিক কাজটিই করেছেন। আচ্ছা দাদা, ঠিক একই কাজ অর্থাৎ নির্যাতিত, নিস্পেষিত, দলিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য পৃথিবীর অন্য কোথাও যদি অন্য কোনো নেতা এরকম কথা বলে, তাহলে তুমি কি মনে করবে? অন্য কোনো নেতা যদি বলে-শক্রদের যেখানেই পাও হত্যা কর। আর এই কমান্ডে উদ্রুদ্ধ হয়ে যদি নির্যাতিত মানুষগুলো যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে, তুমি সেটাকে কোন চোখে দেখবে?
অবশ্যই আমি ঐ নেতার পক্ষে থাকব এবং তার এই কথার, এই কাজের প্রশংসা করব।' নিলুদা বললেন।
যেমন?
যেমন আমি চে গুয়েভারার সংগ্রামকে স্বাগত জানাই, আমি যোসেফ স্ট্যালিন, মাও সে তুংয়ের সংগ্রামকে স্বাগত জানাই। এরা সবাই নির্যাতিতদের অধিকারের জন্য লড়েছেন।
এবার সাজিদ বলল-‘দাদা, আপনি আরবদের ইতিহাস জানেন?’
49
কী রকম?
চৌদ্দ’শ বছর আগের কথা। আরবের প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসের বিপরীতে এ নতুন ধর্মবিশ্বাস সেখানে মাথা তুলে দাঁড়ায়।
'হু'
কিছু মানুষ স্বেচ্ছায়, কোনো রকম জোরজবরদস্তি ছাড়াই এই ধর্মটির প্রতি অনুরাগী হয়ে পড়ে। তারা দলে দলে এই ধর্মবিশ্বাস মেনে নিতে শুরু করে। কিন্তু সমাজপতিদের এটা সহ্য হয়নি। যারা যারা এই ধর্মটিকে মেনে নিচ্ছিল, তাদের উপরই নেমে আসছিল অকথ্য নির্যাতন। বুকের উপর পাথর তুলে দেয়াউটের পেছনে রশি দিয়ে বেঁধে মরুভূমিতে ঘুরানো, গর্দান নিয়ে নেয়ার মতো ঘটনাসহ আরও কত কী। একপর্যায়ে এই ধর্মের প্রচারক এবং তার সঙ্গী-সাথীদের দেশ। ছাড়া করা হলো। এমন কোনো নির্যাতন নেই, যা তাদের উপর নেমে আসেনি। স্বদেশহারা, স্বজনহারা হয়ে তারা তখন বিধ্বস্ত। ৭১-এ আমাদের শক্র যেমন ছিল। পাকিস্তান, ১৪০০ বছর আগের সে সময়টায় মুসলিমদের শক্র ছিল মুশরিকরা। তাহলে এই অত্যাচার, নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে, তাদের নেতা যদি ঘোষণা দেয়; তোমরা মুশরিকদের যেখানেই পাও, হত্যা কর, তাহলে দাদা এতে কি কোনো অপরাধ, কোনো সন্ত্রাসবাদ প্রকাশ পায়?
নিলুদা চুপ করে আছে।
সাজিদ বলে যেতে লাগল-“বঙ্গবন্ধুর, আমরা তাদের ভাতে মারব, পানিতে মারব' যদি বাঙালির মহাকাব্য হয়, এটা যদি সন্ত্রাসবাদে উস্কানি না হয়, তাহলে আরেকটি যুদ্ধের ঘোষণাস্বরূপ বলা: ‘তোমরা মুশরিকদের যেখানেই পাও হত্যা কর' এই কথাটা কেন সন্ত্রাসবাদী কথা হবে? এটি কেন জঙ্গিবাদের উস্কানি হবে?
হত্যার নির্দেশ দেয়ার পরের আয়াতেই বলা মুশরিকদের কেউ যদি। আছে: তোমাদের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তাদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় দাও ।
‘আপনি চে গুয়েভারা, যোসেফ স্ট্যালিনসে মাও সে তুংয়ের কথা বললেন, তাদের কেউ কি বলেছে: কেউ এসে আমাদের কাছে আশ্রয় চাইলে , আমরা তাদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় দেব। বলেছিল? বলেনি। পৃথিবীর কোনো কমান্ডারই শক্রদের এরকম নিরাপদ আশ্রয় দেয়ার কথা বলেনি। বরং নির্দেশ দেয়; দেখা মাত্ৰই গুলি কর।’
নিন্দা বলল-‘হু ।
50
সাজিদ বলল-‘দাদা, কুরআনে আরও আছে, ‘যে বিনা অপরাধে কোনো নির্দোষ। ব্যক্তিকে খুন করল, সে যেন পুরো মানবজাতিকেই খুন করল। এরকম একটি কথাপৃথিবীর কোনো মানুষ, কোনো নেতাকোনো গ্রন্থে কি আছে? নেই।
‘৭১-এ জালিম পাকিস্তানিদের মারার ঘোষণা দিয়ে বঙ্গবন্ধু আমাদের কাছে মহানায়ক, তাহলে ১৪০০ বছর আগে এরকম ঘোষণা আরেকজন দিয়ে থাকলে তিনি কেন খলনায়ক হবেন? অপরাধী হবেন? একই কথা, একই নির্দেশের জন্য ? আপনি একজনকে মহামানব মনে করেন, অন্যজনকে মনে করেন সন্ত্রাসী, কেন । দাদা? শ্রেফ কি ধর্ম বিরোধিতার জন্য?
একজনের এরকম ঘোষণাকে ফোনের রিংটোন করে রেখেছেন, অন্যজনের এরকম ঘোষণাকে সন্ত্রাসবাদী কথাবার্তা, জঙ্গিবাদী কথাবার্তা বলে কটাক্ষ করে লেখা লিখেন, কেন? এটা কি ফেয়ার, দাদা?
হুম। আসলে আমি এমন করে বলিনি।' নিলুদা কিছুটা একমত।
সাজিদ বলল-দাদা, আনেক নাস্তিককে কুরআনের একটি আয়াতকে অন্য আয়াতের সাথে কন্ট্রাডিক্টরি বলতে দেখেছি। অথচ তারা কোনোদিনও সূরা তাওবায় ‘তোমরা মুশরিকদের যেখানেই পাও হত্যা কর' এটাকে সূরা মায়েদার যে নিরাপরাধ কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করল, সে যেন পুরো মানবজাতিকেই হত্যা করল' এটার সাথে কস্ট্রাডিক্টরি বলতে দেখি না।
‘অথচ সেভাবে ভাবলে, এই দুই আয়াতে দু-রকম কথা বলা হচ্ছে। একবার মেরে ফেলতে বলছে, আরেকবার বলছে, মারলে পুরো মানবজাতিকে হত্যা করার মতো চরম পাপ হবে। কিন্তু তবুও নাস্তিকরা এই দুটোকে এক পালায়। এনে কথা বলে না। কেন বলে না? কারণ, তারাও জানে দুটো আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই দুটোকে এক করে বলতে গেলেই নাস্তিকরা ধরা পড়বে, তাই বলে না।
নিলুদা সব শুনলেন। শুনে বললেন-এর জন্যই বুঝি মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে এসেছিলি?
'না দাদা, শুধু ডাবল স্ট্যান্ডবাজিটা উপলব্ধি করাতে এসেছি । হা হা হা।'
সেফ ভালো সম্পর্ক বলেই নিলুদা সেদিন রাগ করেননি হয়তো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now